খুলনায় ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা বাড়ছে
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ৫টি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নের ভোট আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। নির্বাচনের সময় যতই কাছে আসছে, ততই প্রচার-প্রচারণা ও উত্তেজনা বাড়ছে। ঘটছে প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা। ভোটের মাঠ দখল রাখতে ও জয় ছিনিয়ে নিতে সহিংস হয়ে উঠছে প্রতিপক্ষ। হামলা-পাল্টা হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছে। এই নির্বাচনে খুলনায় দলীয়ভাবে কোন প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। চেয়ারম্যান পদে প্রতিটি ইউনিয়নেই রয়েছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী। যদিও খুলনায় ইউপি নির্বাচনে ১১ জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করেছে আওয়ামী লীগ। যে সব নেতাকর্মী দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ও নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে কাজ করছে তাদের সতর্ক করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনী সহিংসতায় জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নে দু’পক্ষের অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফারহানা হালিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া গাজীর সমর্থকদের মধ্যে ওই দিন দুপুরে সেনহাটি পুলিশ ক্যাম্পের সামনে বাকবিত-া হয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ ও হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা। কয়েকটি বাড়ি ও চায়ের দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে টানটান উত্তোজনা বিরাজ করায় এলাকায় পুলিশী টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ফারহানা হালিম বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান জিয়া গাজীকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় আসামি জ্ঞাত ৫১ জন, অজ্ঞাত ৫/৬ জন। গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ জন।
অপরদিকে, শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর ইউনিয়নের সৈয়দের মোড়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী খায়রুল ইসলাম খান জনিসহ ২০ থেকে ২৫ জন কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
এছাড়া কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের পোস্টার টানানো ও প্রচারণার সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আছের আলী মোড়লের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। নৌকার প্রচার মাইক ভাংচুরে বাধা দিলে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয় ৮ জন।
দাকোপের দু’টি ইউনিয়নে নৌকা ও আনারস সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৃথক দু’টি ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। নিরুত্তাপ নির্বাচনে ক্রমেই মিলছে উত্তেজনার আভাস। এর মধ্যে ১নং পানখালী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ সাব্বির আহম্মেদের আনারস প্রতীকের সমর্থক লক্ষিখোলা গ্রামের মফিদুল শেখ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ২নং দাকোপ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সঞ্চয় মোড়লের আনারস প্রতীকের সমর্থক মাদিয়ার চক গ্রামের বিপ্রদাস মন্ডল ও নৃপেন রায়কে রোববার রাত ১১ টার দিকে নৌকা সমর্থকরা হামলা করে মর্মে অভিযোগ করা হয়েছে। নৌকা সমর্থক প্রনব মৃধা, সনজিত রায়, খগেন্দ্রনাথ গাইন, সঞ্জয় মন্ডল, তরুন ঘরামী, শ্যামল বাইন, কিশোর মন্ডল, পলাশ বর্মন ও গৌরাঙ্গ ঘরামীর নেতৃত্বে দাকোপ সিএমবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় তাদের পথরোধ করে বেধড়ক মারপিট ও মালামাল ছিনতাই করা হয়েছে মর্মে উল্লেখিতদের নামে বিপ্রদাস মন্ডল বাদী হয়ে দাকোপ থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।
এছাড়া পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায়ও চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে অনুরূপ হামলা-পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম ধাপে জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৪ ইউনিয়নে ভোট হচ্ছে সেগুলো হল- কয়রার আমাদি, বাগালী, মহেশ্বরীপুর, মহারাজপুর, কয়রা, উত্তর বেদকাশী ও দক্ষিণ বেদকাশী। দাকোপের পানখালী, দাকোপ, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ, সুতারখালী, কামারখোলা, তিলডাঙ্গা, বাজুয়া ও বানিয়াশান্তা। বটিয়াঘাটার গংগারামপুর, বালিয়াডাঙ্গা, ও আমিরপুর। দিঘলিয়ার গাজীরহাট, বারাকপুর, দিঘলিয়া, সেনহাটি, আড়ংঘাট ও যোগীপোল। পাইকগাছার সোলাদানা, রাড়ুলী, গড়াইখালী, গদাইপুর, চাঁদখালী, দেলুটি, লতা, লস্কর ও কপিলমুনি ইউনিয়ন।
এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন ১৫৬ জন। ৩০৬ টি ওয়ার্ডে মেম্বর প্রার্থী রয়েছেন এক হাজার ৪৮১ জন। সংরক্ষিত সদস্য পদে ৪৬৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। এবারে ইউনিয়নগুলোতে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৯৬ জন ও নারী ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৮৩ জন।
এদিকে, দাকোপের লাউডোব ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ যুবরাজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান ও কয়রা উপজেলার ৫ নং ওয়ার্ডে শেখ সোহরাব আলী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বর পদে বিজয়ী হয়েছেন।
খুলনা জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার এম মাজহারুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আগের দিন ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য উপকরণ পাঠানো হবে।
খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরণের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে পর্যাপ্ত র্যাব, বিজিবি, পুলিশ মোতায়েন থাকবে, নিরাপত্তার কোন ঘাটতি থাকবে না। নির্বাচনে কেউ পেশি শক্তি ব্যবহার করার চেষ্টা করলে কঠোর ভাবে প্রতিহত করা হবে। সকলের সহযোগীতায় অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
খুলনায় পিইসির প্রস্তুতি নিচ্ছে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী
স্টাফ রিপোর্টার
সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার জন্য খুলনা জেলায় এবার ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের শেষ অথবা ডিসেম্বরে এ পরীক্ষা হতে পারে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পিইসি পরীক্ষার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ধর্ম, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা হবে। গত বছরে পরীক্ষার্থী ছিল ৩৭ হাজার ৮১৬ জন, এবার পরীক্ষার্থী ৩৫ হাজার, ৬৫২ জন। অন্যান্য বছরে ২০ নভেম্বর পিইসি পরীক্ষা হয়। এবার নভেম্বরের শেষ অথবা ডিসেম্বরের প্রথম দিকে এ পরীক্ষা হবে।
তিনি জানান, জেলার এক হাজার ১৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রোববার ৭০ শতাংশ এবং সোমবার ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। ৯টি বিদ্যাপীঠের নতুন ভবন হওয়ায় পার্শ্ববর্তী স্কুলে তাদের ক্লাস হচ্ছে।
সিএন্ডবি কলোনী আদর্শ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এলিজা পারভিন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীরা বাড়িতে পড়ালেখা করেছে। তাদের দেওয়া অ্যাসাইনমেন্ট অনুযায়ী ওয়ার্কশিট জমা দিয়েছে। দীর্ঘ বন্ধের পর শিক্ষার্থীরা পাঠ্যপুস্তকের যেসব অধ্যায় বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে, তাদের ঘাটতি পূরণ করানোর চেষ্টা চলছে। এবারের পিইসিতে ৫৬ জন অংশ নেবে, গতবার এর সংখ্যা ছিল ৫৮ জন।
চারাবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলি পাল জানান, চতুর্থ-পঞ্চম শ্রেণির ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যাভ্যাস না করলেও শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। সরকারি নির্দেশনায় নভেম্বরে পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীরা যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের অংশ নিতে পারবে।
উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম ও পিটিআই পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপুল মন্ডল বলেন, পিইসি পরীক্ষার জন্য তাদের স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হচ্ছে। যে সময় আছে, তাতে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে মোটামুটি প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২০ কার্যদিবসে রায়, চার হত্যায় একজনের মৃত্যুদন্ড
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি রায়হানুর রহমানের মৃত্যুদ-াদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ মফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো হত্যা মামলায় রায় মাত্র ২০ কার্যদিবসে ঘোষণা হলো।
সাতক্ষীরা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বেকারত্বের কারণে বড় ভাই শাহীনুরের সংসারে খাওয়া দাওয়া করতেন রায়হানুর রহমান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কোনো কাজ না করায় গত বছরের ১০ জানুয়ারি তাকে তালাক দেন স্ত্রী। সংসারে টাকা দিতে না পারায় দেবরকে মাঝে মাঝে গালমন্দ করতেন শাহীনুরের স্ত্রী। এরই জের ধরে গত বছরের ১৪ অক্টোবর রাতে ভাই শাহীনুর রহমান (৪০), ভাবী সাবিনা খাতুন (৩০), তাদের ছেলে সিয়াম হোসেন মাহী (১০) ও মেয়ে তাসমিন সুলতানাকে (৮) পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ান রায়হানুর রহমান।
পরদিন ভোরে হাত ও পা বেঁধে তাদেরকে একে একে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। এ সময় তাদের চারমাসের শিশু মারিয়াকে মরদেহের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনায় নিহত শাহীনুরের শাশুড়ি কলারোয়া উপজেলার উফাপুর গ্রামের রাশেদ গাজীর স্ত্রী ময়না খাতুন বাদী হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে নেমে শাহীনুরের ভাই রায়হানুর রহমান, একই গ্রামের রাজ্জাক দালাল, আব্দুল মালেক ও ধানঘরা গ্রামের আসাদুল সরদারকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ২১ অক্টোবর আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন রায়হানুর।
ওই বছরের ২৪ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম রায়হানুরের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ১৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর রায়হানুরের মৃত্যুদ-ের আদেশ দেন আদালত।
সুন্দরবনে পারমিটবিহীন চার ফিশিং ট্রলারসহ ৪৪ জেলে আটক
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের মেহের আলীর চরের একটি খাল থেকে পারমিটবিহীন চারটি ফিশিং ট্রলারসহ ৪৪ জেলেকে আটক কেরেছে বন বিভাগ। সোমবার সন্ধ্যায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বন বিভাগের বিশেষ বাহিনী ‘স্মার্ট’ দলের সদস্যরা তাদের আটক করে।
এসব জেলে বন বিভাগের চোখ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুবলা ও মেহের আলীর চরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মৎস্য শিকার করে আসছিল।
এ ঘটনার বিষয়ে বন বিভাগ জানায়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগরে টিকতে না পেরে ট্রলার নিয়ে মেহের আলী খালে আশ্রয় নেন এই অবৈধ জেলেরা। এ খবর টহলরত স্মার্ট দলের সদস্যরা জানতে পেরে ট্রলারের পাসপারমিট দেখতে চাইলে জেলেরা কিছুই দেখাতে পারেননি। পরে তাদের আটক করে ট্রলারসহ দুবলার টহল ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
দুবলার জেলেপল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় জানান, জব্দকৃত ফিশিং ট্রলারগুলো হচ্ছেÍ এফবি মায়ের দোয়া, এফবি মামা-ভাগ্নে, এফবি তাহিরা-১ এবং এফবি ইউসুফ। ট্রলার চারটির মালিক পিরোজপুরের রাজা মিয়া ও মোশারেফ হোসেন নামে দুই মৎস্য ব্যবসায়ী। তবে এ ঘটনায় আটককৃত ৪৪ জেলের নাম-ঠিকানা জানাতে পারেননি তিনি।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শামসুল আরেফীন জানান, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব জেলে দীর্ঘদিন ধরে সাগর ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় চুরি করে মাছ শিকার করে আসছিল। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাইকগাছায় বিদ্যালয়ের কক্ষ ভাড়া দিয়েছে সভাপতি
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার পাইকগাছার কালুয়া গড়েরআবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ফলে শতাধিক শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে এসে এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াতে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এ সুযোগে কালুয়া গড়েরআবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষ রাস্তার কাজের ঠিকাদারের লোকদের ভাড়া দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগে সরেজমিন গেলে তার সত্যতা পাওয়া যায়। অফিস কক্ষ বাদে তিনটি কক্ষের দুটি ভাড়া দেয়া হয়েছে। দুটি কক্ষে ৮ জন জন নারী-পুরুষ এক মাসেরও অধিক সময় থাকা খাওয়া করছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এদিকে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন একটি কক্ষে শতাধিক শিক্ষার্থীদের রোববার ঠাসাঠাসি পরিবেশে পাঠদান করানো হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল কাশেম মাসুদুল হক বলেন, আমার স্কুলের সভাপতি সলেমান সানা এ ব্যবস্থা করেছেন। গজালিয়া থেকে চৌমুহনী রাস্তার কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের থাকার স্থান না থাকায় স্কুলে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।
সভাপতি সলেমান সানা ভাড়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাস ঢালী ও এলাকাবাসীর চাপে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করতে দিয়েছি।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ঝংকর ঢালী বলেন, এক সপ্তাহ আগে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়টি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দিয়ে এসেছিলাম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান ভাড়া দেওয়ার এখতিয়ার কারও নেই। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেখ রেহানা’র জন্মদিনে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় সালাম মূর্শেদী এমপি’র বিশেষ প্রার্থনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, ‘জাতির জনকের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা আড়ালে থেকেই দিচ্ছেন রাজনীতির বড় পরিচয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ রেহানার ভূমিকা অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি।’
সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর কাস্টমঘাটস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি’র উদ্যোগে জাতির জনকের কনিষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ছোট বোন শেখ রেহানা’র জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা, কেককাটা ও দোয়া অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রূপসা উপজেলামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএমএ সালাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোতালেব হোসেনের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন হাবিবুর রহমান হাবিব, শামছুন্নাহার, স ম জাহাঙ্গীর, আক্তার ফারুক, প্রভাষক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান ইসহাক সরদার, আজিজুল হক কাজল, শেখ মারুফ হোসেন, এমপি’র চিফ কো-অর্ডিনেটর ও যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, ফরিদ শেখ, সরদার জসীম উদ্দিন, আশিষ রায়, বাদশা মিয়া, ইউপি সদস্য সুব্রত বাগচী, সাবিনা ইয়াসমিন, আকলিমা খাতুন তুলি, শামীম হাসান তুহিন, মোঃ নুরুজ্জামান, শিরিনা আক্তার, মোঃ মঈন উদ্দীন প্রমূখ।
দাকোপের বানীশান্তায় নৌকা প্রতীকের পথসভা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বাজুয়া ( দাকোপ) প্রতিনিধি
আসন্ন বানিশান্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী সুদেব কুমার রায়কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার লক্ষে মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় বানিশান্তা বাজারে পথসভায় ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন দাকোপ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও দাকোপ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন। তিনি বলেন আগামী ২০ সেপ্টেম্বর সোমবার নির্বাচন হোক নৌকা প্রতীকের জয়, হোক সুদেব কুমার রায়ের জয়, হোক বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশনেত্রী শেখ হাসিনার। উক্ত পথ সভায় বক্তব্য করেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুদেব কুমার রায় তিনি বলেন উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখার জন্য প্রতিবারের মতো এবারোও তাকে ভোট দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকাকে জয়যুক্ত করুন। এসময় আরো বক্তব্য করেন উপজেলা যুবলীগের নেতা রতন কুমার রায়সহ বানীশান্তা ইউনিয়ন ও দাকোপ উপজেলা আওয়ামীলীগের ও অঙ্গ সংগঠনের নেতানেত্রী বৃন্দ।
সুন্দরবন পেশাজীবী সমবায় সমিতি লি. এর মৎসজীবী সদস্যদের ফিস প্রসেসিং সেন্টার পরিদর্শন কর্মশালা
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত ১৪ অক্টোবর ২০২১ তারিখে সুন্দরবন পেশাজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ১০ জন নির্বাচিত মৎস্যজীবী সদস্যদের মাৎস্য পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মোড়কজাতকরণের উদ্দেশ্যে খুলনা জেলার রূপসায় অবস্থিত সালাম সী ফুড লিমিটেড-এ পরিদর্শন কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এর ফলে তাদের উৎপাদিত পণ্য বাণিজ্যিকভাবে তারা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মোড়কজাতকরণ করতে পারবে ও অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারবে। বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি হবে। যার ফলে সুন্দরবনের সম্পদের উপর ধীরে ধীরে চাপ কমবে। সমিতির নির্বচিত সদস্যগণ সালাম সী ফুড লিমিটেড-এ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মোড়কজাতকরণ প্রক্রিয়া পরিদর্শন করেন ও তাদের সাথে মত বিনিময় করেন। উক্ত কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক জনাবা ফিরোজা আফরিন, বেডস্ রিসার্স অফিসার মো. নাহিদ হাসান, সালাম সী ফুড লিমিটেড-এর কোয়ালিটি ম্যানেজার জনাব ইমারত হোসেন শেখ।
এখানে উল্লেখ্য যে, আমাদের দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা মাৎস্যজাত দ্রব্যের মাধ্যমেই পূরণ হয়ে থাকে। বাংলাদেশেরে প্রায় শতকরা ২০ ভাগ মানুষ মাৎস্য উৎপাদন ও বিপণনের সাথে জড়িত। মৎস্য সম্পদ আমাদের দেসের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। আমাদের দেমের মৎস্যজীবীরা তাদের নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মধ্যসস্ত¡ভোগীরা অধিক মুনাফা আত্মস্থ করে ফলে আমাদের দেশের প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের অর্থনৈতিক অবস্থার কোন পরিবর্তন হয় না। তাছাড়া উৎপাদিত পণ্য কিভাবে আকর্ষণীয় মোড়কের মাধ্যমে বাজারজাত করে অধিক মুনাফা অর্জন করা যায় সেটা তাদের জানা নেই। মূলতঃ এই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বেডস্) ও জাপান এনভায়রনমেন্টাল এডুকেশান ফোরাম (জীফ) যৌথ উদ্যোগে জাপান সরকারের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক তৃণমূল প্রকল্পের আর্থিক সহযোগিতায় ‘সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
মহাসড়কে শৃংখলা রক্ষায় হাইওয়ে পুলিশের সচেতনতামুলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বিশেষ প্রতিনিধি ॥
পুুলিশিই জনতা ,জনতাই পুলিশ এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে মহাসড়কে মাদক ও চোরাচালান,ডাকাতি,চাঁদাবাজি,সড়ক দূর্ঘটনা রোধসহ মহাসড়কে যান চলাচলে শৃংখলা বজায় রাখার লক্ষ্যে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ঝিনাইদহের বারোবাজার হাইওয়ে থানা চত্বরে বিকাল ৪ টায় হাইওয়ে ওসি শেখ মেজবাহ্ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচেতনতামূলক এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন হামিদুল আলম (বিপিএমপিপিএম) পুলিশ সুপার হাইওয়ে পুলিশ মাদারিপুর রিজিওন, আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার আলী আহম্মেদ হাশমী হাইওয়ে পুলিশের যশোর সার্কেল, কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমান মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ কমিউনিটি বিট পুলিশিং এর সভাপতি আবু সিদ্দিক প্রমূখ। অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মওলানা আমিনুর রহমান।
এ সময় সরোয়র হোসেন যশোর বাস মালিক সমিতির লাইন সেক্রেটারি, কালীগঞ্জ মালিক সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দীন, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান তপন ট্রাক ব্যাবসায়ী সেলিম রেজাসহ মিডিয়াকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হামিদুল আলম (বিপিএমপিপিএম) বলেন, মহাসড়কে কোন বিশৃংখলা হলে, কেউ চাঁদাবাজি করলে অথবা যে কোন ধরনের অপরাধ সংগঠিত হলে আমাকে জানালেই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবো। হাইওয়ে পুলিশের সকলকে তিনি জনগনের সেবার কাজে কাজ করতে আহবান করেন।
খুবি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করতে অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করতে অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রি. তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২১৪তম সভায় এ সংক্রান্ত সংশোধিত নীতিমালা অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব বোর্ড অব অ্যাডভান্স স্টাডিজের ৪৬তম সভায় উপস্থাপিত হয় যা একাডেমিক কাউন্সিলের ১৭৩ সভায় গৃহীত হয় এবং সিন্ডিকেটে সুপারিশ করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকল ডিসিপ্লিনের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স), এমফিল এবং পিএইচডি গবেষণার জন্য চলতি ২০২১-২০২২ অর্থ বছর হতে অনুদান প্রদান করা হবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ডিসিপ্লিন প্রধানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্কুলের ডিন বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। গবেষণার অনুদান সংক্রান্ত নীতিমালা ও আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনে পাওয়া যাবে। ডিসিপ্লিন বাছাই কমিটি দ্বারা প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যোগ্যতার মানদ-ের ভিত্তিতে মাস্টার্সের থিসিস টার্মে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা হারে গবেষণা অনুদান পাবেন। এছাড়া এমফিল ও পিএইচডি গবেষণার জন্য প্রতি মাসে যথাক্রমে ৮,০০০ টাকা ও ১০,০০০ টাকা হারে গবেষণা-অনুদান পাবেন তারা। এ গবেষণা অনুদান প্রতি ৬ মাস অন্তর প্রদান করা হবে ও অনুদানের সময়সীমা হবে মাস্টার্সের জন্য ১২ মাস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে যাঁরা পূর্ণকালীন/খ-কালীন শিক্ষার্থী হিসেবে এমফিল/পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হবেন, সে সকল গবেষককে যথাক্রমে সর্বোচ্চ ২৪ মাস/৪৮ মাসের জন্য গবেষণা-অনুদান প্রদান করা হবে। শিক্ষক ব্যতীত যাঁরা পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে এমফিল/পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হবেন, সে সকল গবেষককে যথাক্রমে সর্বোচ্চ ২৪ মাসের জন্য গবেষণা-অনুদান প্রদান করা হবে। যদি গবেষণার সময়সীমা কোনো কারণে অতিক্রান্ত হয়, তবে অতিরিক্ত সময়ের জন্য এই গবেষণা-অনুদান প্রযোজ্য হবে না। নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই গবেষকের চূড়ান্ত প্রতিপাদন/সাক্ষাৎকার-পর্ব (ডিফেন্স/ভাইভা) অনুষ্ঠিত হলে, ঐদিন থেকেই এই গবেষণা-অনুদানের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। তবে যে সকল গবেষক অন্য কোন উৎস থেকে গবেষণা-অনুদান পাবেন না তারাই কেবল এমফিল/পিএইচডি গবেষণার জন্য এ অনুদান প্রাপ্য হবেন।
জানা যায়, প্রাথমিকভাবে প্রতি ডিসিপ্লিন থেকে ২ জন মাস্টার্স, ২ জন এমফিল ও ২ জন পিএইচডির জন্য মনোনীত হবেন। এ খাতের তহবিল থাকা সাপেক্ষে এই সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। গবেষণা প্রোগ্রামের মেয়াদ ১২ মাস পেরিয়ে গেলেও একজন শিক্ষার্থীকে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্যই গবেষণা অনুদান প্রদান করা হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা মনষ্কতা বৃদ্ধির জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ¯œাতকোত্তর (মাস্টার্স), এমফিল, পিএইচডি এর এই অনুদান সেই পদক্ষেপের অংশ।
রূপসায় প্রথম শ্রেণীর শিশুকে শারিরীক নির্যাতন,থানায় মামলা দায়ের
রূপসা প্রতিনিধি :
রূপসায় প্রথম শ্রেণীর এক শিশুকে জোর পূর্বক শারিরীক নির্যাতন করায় মুছা সরদার(৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্বে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত মুছা সর্দার রামনগর এলাকায় মৃত হাসেন সরদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, শিশুটির পরিবার উপজেলার রামনগর এলাকার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে। মঙ্গলবার(১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭ টার দিকে শিশু কন্যা (৮) কোচিং করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। এসময় ধর্ষক মুছার বাড়ির সামনে যাবার সময় শিশুটির মুখ চেপে ধরে নিজ ঘরের মধ্যে নিয়ে জোর পুর্বক ধর্ষণ করে। এঘটনা কাউকে বললে তাকে জীবনে শেষ করে দিবে বলে সে হুমকি দেয়। এমনকি শিশুটির পরিবার বিষয়টি কাউকে জানাইলে তাদের বড় ধরনের ক্ষতি করার ও হুমকি দেয়। শিশুটি বাড়িতে এসে তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায়। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় শিশুর মাতা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মুছা সরদারকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং-১৫,তাং-১৪/৯/২১ইং। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, শিশুকে র্ধষণ করার অপরাধে মুছা সরদার নামে এক ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতার করার অভিযান অব্যহত রয়েছে।
আমিরপুরে হাতপাখার প্রার্থী মাওঃ মিছবাহ উদ্দিনের ব্যাপক গণসংযোগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বটিয়াঘাটা উপজেলার ৭ আমিরপুর ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মেজবাহ উদ্দিন গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সাধারণ ভোটারদের সাথে নিয়ে ইউনিয়নের জয়পুর, বাইনতলা বাজার, ডাঃ সৈয়দের মোড়, খারাবাদ, রাজবাড়ী, কড়িয়াসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক গণসংযোগ করেন গণসংযোগকালে ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা তার নির্বাচনী প্রচারণায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং হাতপাখা প্রার্থীকে বিজয়ী করার সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। গণসংযোগ শেষে বিকাল ৫ টায় আমিরপুর ইউনিয়নস্থ হাতপাখার নির্বাচনী কার্যালয়ে মাওলানা মিছবাহ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও মুফতি ওবায়দুল্লাহ বাশীর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সেক্রেটারি হাফেজ আসাদুল্লাহ গালীব ও জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা শাইখুল ইসলাম বিন হাসান। সভায় ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রে শক্তিশালী এজেন্ট নির্ধারণ করাসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছাত্র নেতা ইনামুল হাসান সাঈদ, মোঃ আলিমুল ইসলাম, শামছুল হুদা তামীম,মো মাজহারুল ইসলাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
খুলনার যোগীপোল ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থীর গণসংযোগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা দিঘলিয়ার উপজেলাধীন ৬নং যোগীপোল ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর সাহেব চরমনোনাই মনোনীত হাতপাখা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ আব্দুলাহ্ আল-মাসুম দলীয় নেতা-কর্মী ও জনসাধারণকে সাথে নিয়ে মতবিনিময়, গণংযোগ ও প্রচার প্রচারণা করে।
মঙ্গলবার বিকাল চারটায় জাব্দীপুর ঈদগাহ্ মসজিদ থেকে ৬,৭ ও ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় গণসংযোগ করা হয়। মাওঃ আব্দুলাহ্ আল-মাসুমের পক্ষে ৬,৭ ও ৮নং যাব্দিপুরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খানজাহান আলী থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাধারন ব্যক্তিবর্গ।
চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল্লাহ-আল-মাসুম বলেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে ৬নং যোগীপোল ইউপি এলাকা একটি দূনিতিমুক্ত আধুনিক, মডেল, সমৃদ্ধ, ইউনিয়ন পরিষদ হিসাবে উপহার দিবেন।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খানজাহান আলী থানার সভাপতি মোঃ মাস্টার মঈনউদ্দিন ভূঁইয়া, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ রাসেদুল ইসলাম, মোঃ বজলুর রহামান, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মোঃ আবু ইসহাক, সহ-প্রচার মোঃ ইউনুস আলী, ইসলামী যুব আন্দোলন নেতা শেখ রমজান, থানা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুহা. রিয়াজ হাওলাদার, গোলাম মোস্তাফা প্রিন্স, হাসিবুর ইসলাম, জাহিদুল, আঃ মালেক, ইসলামসহ যুব আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বাগেরহাটের খাঁনপুর ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডে খালেক এর প্রচারনা তুঙ্গে
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮নং খাঁনপুর ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডে সাধারন সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল খালেক শেখ এর আপেল প্রতিকের গণসংযোগ প্রচার ও প্রচারনা এখন তুঙ্গে উঠেছে। মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ গণসংযোগে তিনি যুগীডাঙ্গা নবাবপুর গ্রামের কুন্ডুপাড়া, বর্নিকপাড়া, ঝষিপাড়া, নাথপাড়া ও চুলকাটি বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়ীবাড়ী ও দোকানে দোকানে গিয়ে এ প্রচারনা করেন, এবং তিনি আপেল প্রতিকের ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি দুইদুইবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ,লীগের সাংস্কৃৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুস সাত্তার শেখ, যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান শেখ, ইমরান হোসেন, আকরাম হোসেন, কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন ও মোঃ দাউদ শেখ প্রমুখ। সাধারন সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল খালেক শেখ বলেন, আমি গতবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীকে পরাজিত করে ১নং ওর্য়াডের সাধারন সদস্য নির্বাচিত হই। এবং নির্বাচিত হয়ে বিগত বছর গুলিতে উক্ত ওর্য়াডে ১৩টি ইটের সলিং রাস্তা, ৩টি কালভ্যাট, ১২৫জন ব্যাক্তিকে বয়স্ক ভাতার কার্ড, ১শত জনকে বিধবা ভাতার কার্ড, ৩৫জনকে প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ড, শতাধিক পরিবারকে ফ্রেয়ারপ্রাইজ চাউলের কার্ড, ৪০টি অস্বচ্ছল পরিবারকে ভিডিজি কার্ড, ৩০জন মহিলাকে মাতৃত্বকালিন ভাতার র্কাড এবং ১৪জন অস্বচ্ছল ব্যাক্তিকে কর্মসূজন কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে অন্তরভুক্ত করে তাদের বিভিন্ন ভাতার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি পুনঃরায় নির্বাচিত হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকমুক্ত সমাজ ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করবেন বলেও তিনি জানান। তাঁকে এই ওয়ার্ডের সাধারন জনগন বিপুল ভোটের মাধ্যমে তাঁকে আবারও বিজয় করবেন বলেও তিনি আশাবাদী। উল্লেখ্য উক্ত ওর্য়াডে প্রায় ১৯৭৬ভোটার আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ভারত সরকারের উপহারের শেষ ৯টি লাইফসাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স এলো বেনাপোল বন্দরে
বেনাপোল প্রতিনিধি
ভারত সরকারের দেওয়া উপহারের পঞ্চম তথা শেষ চালানের আরেও ৯টি লাইফসাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে। পাঁচটি চালানে এ নিয়ে ভারত থেকে এলো ১০৯টি অ্যাম্বুল্যান্স
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের ছাড়পত্র পাওয়ার পর অ্যাম্বুল্যান্সগুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২৬-২৭ মার্চ বাংলাদেশ সফরকালে কভিড-১৯ মোকাবেলায় যৌথ প্রচেষ্টায় লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স উপহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল জানান, চলতি বছরের ২৬-২৭ মার্চ বাংলাদেশ সফরকালে করোনা মহামারি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারকে ১০৯টি লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে শেষ চালানের ৯টি অ্যাম্বুল্যান্স পেট্রাপোল বন্দর থেকে বেনাপোল বন্দরে এসেছে।
এর আগে ভারত সরকারের উপহারের প্রথম চালানের একটি অ্যাম্বুল্যান্স গত ২১ মার্চ, ৭ আগস্ট ৩০টি, ২৬ আগস্ট ৪০টি ও ১২ সেপ্টেম্বর ২৯ টি অ্যাম্বুল্যান্স দেশে আসে। এ নিয়ে দেশে এলো মোদি সরকারের উপহারের ১০৯টি অ্যাম্বুল্যান্স। উপহার হিসেবে আসা প্রত্যেকটি অ্যাম্বুল্যান্সে ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে।
সিঅ্যান্ডএফ উত্তরা মোটরসের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান জানান, ভারত সরকারের উপহারের ৯টি অ্যাম্বুল্যান্সের কাগজপত্র কাস্টমসে দেওয়া হয়েছে।
অ্যাম্বুল্যান্সগুলো কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আগামীকাল ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার মো: আজিজুর রহমান জানান, ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের নামে ৯ টি লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স বেনাপোল বন্দরে এসে পৌছেছে। উত্তরা মোটরস লি: নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাম্বুল্যান্স গুলো খালাশের জণ্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন। আগামী কাল বুধবার বন্দর থেকে খালাশ নিয়ে ঢাকায় উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
বটিয়াঘাটায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ৩ টি ইউনিয়নের সাধারণ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন
ইন্দ্রজিৎ টিকাদার বটিয়াঘাটা
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর সোমবার বটিয়াঘাটার গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে মক ভোটিং এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আব্দুস সাত্তার আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ওই ইউনিয়নের সকল ভোট কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট প্রদান পদ্ধতি স্ব স্ব এলাকার ভোটারদের প্রদর্শন করা হবে বলে এক পরিপত্রের মাধ্যমে অবগত করেছেন।প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় মক ভোটিং কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে প্রিন্ট ও মিডিয়ার পাশাপাশি মন্দির-মসজিদ সহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়েও ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণারও উদ্যোগ হাতে নিয়েও পরিপত্র জারি করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে প্রথম ধাপে ইউপি নির্বাচনে এ উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩ টি ইউনিয়নের সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত ইউনিয়ন ৩টি হলো ৩ং গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন, ৬নং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন ও ৭ নং আমিরপুর ইউনিয়ন। ৩ং গঙ্গা রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন।এরা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ হাদী উজ জামান হাদী (নৌকা), সাবেক চেয়ারম্যান শিক্ষক শিবপদ মন্ডল (স্বতন্ত্র),সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গনি বিশ্বাস(স্বতন্ত্র),সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র রাম প্রসাদ রায়(স্বতন্ত্র), মোঃ আসলাম হোসেন (স্বতন্ত্র) ও নাজিম উদ্দীন শেখ(স্বতন্ত্র)। সাধারণ ও সংরক্ষিত আাসন মিলে এবার এখানে সর্বমোট ৫৩ জন সদস্য প্রতীক নিয়ে প্রচার প্রচারনায় নেমে পড়েছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অবাধ,নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট সম্পন্ন হবে ঘোষণা দেওয়ায় সকল পদের প্রার্থীরা প্রচার –প্রচারণায় কেউ কাউকে ছাড় দিতে চাইছে না। তাঁরা গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রার্থনা চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এবার এ ইউনিয়নের নির্বাচন বেশ হাড্ডা হাড্ডি বলে জানিয়েছে সাধারণ ভোটাররা।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে পর্যাপ্ত আনসার, পুলিশ,র্ যাব, বিজিবি, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট,টাস্কফোর্সের টহল থাকবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রহমান জানান, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন বদ্ধপরিকর। বিঘœ ঘটলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মোংলায় মেম্বর প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা ও কর্মীদের মারধরের অভিযোগ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলার চিলা ইউনিয়নের এক মেম্বর প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা ও কর্মীদের মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষ মেম্বর প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ওই এলাকায় দুই মেম্বর প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর ও আসছে ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে মেম্বর প্রার্থী কৌশিক মৌলিক কানু জানান, বালুর মোড় এলাকায় সোমবার রাত ৯টার দিকে তার কর্মীরা প্রচারণা চালাচ্ছিল। সে সময় প্রতিপক্ষ মেম্বর প্রার্থী সাইদুর রহমান লোকজন নিয়ে তার কর্মীদের প্রচারণায় বাঁধা ও ভয়ভীতিসহ হুমকি ধামকি দেয়। এর কিছুক্ষণ পর ওই এলাকায় কানুর নির্বাচনী অফিসে থাকা দুই কর্মীকে সেখান থেকে ডেকে বের করে এনে বেদম মারধর করেন সাইদুরের কর্মী মুক্ত হাওলাদার (৩৮)। এতে কানুর কর্মীর বেল্লাল খাঁন (৩৭) ও বেল্লাল তালুকদার (২৬) গুরুতর জখম হন। কানু বলেন, এ ঘটনা আমি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন মহোদয়কে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইদুর রহমান বলেন, মুক্ত হাওলাদার আমার লোক নয়, সে একজন চায়ের দোকানী। আর এসব ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, ঘটনাটি মৌখিক জানিয়েছে, লিখিত পেলে প্রিজাইডিং অফিসারকে বলা আছে তিনি ব্যবস্থা নিবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার কারণে অসহায় মানুষ আবার ঘুরে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে: সিটি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, করোনা কালীন সংকট মোকাবেলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কর্মহীন মানুষের জন্য বিপুল পরিমাণ সহায়তা প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সহায়তার কারণে অসহায় মানুষ আবার ঘুরে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহ এগিয়ে আসলে এ সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সিটি মেয়র মঙ্গলবার সকালে নগরীর মহেশ্বরপাশায় করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এ্যাডামস ‘ব্রীজ অব লাইট’ জার্মানীর সহযোগিতায় এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে তিনি সকলকে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র ৪শ ৫টি পরিবারের সদস্যদের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও সাবান তুলে দেন। খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, আলু, তেল, পেয়াজ ও লবন।
এ্যাডামস-এর নির্বাহী পরিচালক এস এম আলী আসলাম-এর সভাপতিত্বে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র কাউন্সিলর মোঃ আব্দুস সালাম, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মনিরা আক্তার। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এ্যাডামস এর কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিকাল ৩টায় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক নগরীর শীতলাবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কোভিড-১৯ মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া-খুলনা শাখার উদ্যোগে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ব্যাংকের কান্ট্রি প্রধান ড. প্রকাশ চান্দ সাবু, হেড অব ক্রেডিট রনজিৎ গুগল, খুলনা ব্রাঞ্চ প্রধান মির্জা রুবায়েত হোসেন, শীতলাবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্যামা প্রসাদ কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সাহা প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
কালীগঞ্জের লাভলী বেগমের কাছে সব মাতৃস্নেহ হার মেনেছে
সাবজাল হোসেন ,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ইসমাইল,ইসরাত,প্রতিবন্ধি ইউনুছ এরা ৩ ভাই। ছোট অবস্থায় তাদের মা মরিয়ম বেগম মারা যান। সে সময়ে প্রতিবন্ধি ইউনুছের বয়স মাত্র ১৩ মাস। বাবা সাহেব আলী মোবারকগঞ্জ চিনিকলের একজন নিয়মিত শ্রমিক। সাত সকালেই তাকে চলে যেতে হয় নিজের কাজে। বাড়িতে সারাদিন কে ওদের দেখাশুনা করবে। অবুঝ ৩ টি শিশুকে নিয়ে পড়েন চরম বিপাকে। নিরুপায় হয়ে খুব শীঘ্রই লাভলী খাতুনকে বিয়ে করে তার হাতে তুলে দেন। তখন থেকেই শিশু ৩ টিকে নিজ গর্ভের সন্তানের মত বুকে জড়িযে নেন। তাদের কথা চিন্তা করে নিজের গর্ভে কোন সন্তান ধারন করেননি। তার ভাষ্য, গর্ভে ধারন না করলেও এখন ওরাই আমার সন্তান। ওরাই আমার বুকের ধন। এখন অন্য ২ সন্তান বেশ বড় হয়ে গেলেও ছোট ছেলে প্রতিবন্ধি ইউনুছকে নিয়ে অনেক চিন্তায় আছেন।
লাভলী খাতুন জানান, ইউনুছ জন্মগত প্রতিবন্ধী। শুনেছি সে ভুমিষ্ঠ হওয়ার পর খেচুনী হয়েছিল। এরপর সে শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধি হয়ে গেছে। অভাবের সংসারে সাধ্যমত চেষ্টা করেও আর ভালো হয়নি। ৬ বছর বয়স হয়ে গেলেও সে উঠে দাঁড়াতে কথা বলতে পারে না। সারাক্ষণ মুখে বিড়বিড় শব্দ করলেও তা বোঝা যায় না। ইউনুছের বাবা মোবারকগঞ্জ চিনিকলের অল্প বেতনভুক্ত শ্রমিক। তারা মিলের শ্রমিক কলোণীতে বসবাস করেন। সংসারে সম্বল বলতে যা ছিল তা প্রায় সব চলে গেছে ইউনুসের চিকিৎসায়। আশপাশের অনেক চিকিৎসক দেখিয়েছেন কিন্ত সুস্থ হয়নি ইউনুছ। সর্বোশেষ তাকে যশোর শিশু আদদীনের ডাক্তার দেখানো হচ্ছে। তবে অনেক চিকিৎসক বলেছেন ইউনুছকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে পারলে এখনও সুস্থ করা সম্ভব। কিন্ত কোথায় পাবেন এতো টাকা। যা আয় করেন তা দিয়ে অভাবে তাদের দিন কাটে এরমধ্যে কি করে তার চিকিৎসা করাবেন সারাক্ষন সে চিন্তায় আছেন তারা।
বাবা সাহেব আলী,মোবারকগঞ্জ সুগার মিলের সামান্য কর্মচারী। মোবারকগঞ্জ কলোনীতেই তাদের বসবাস। বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধী। বাবা সাহেব আলী জানান, প্রতিবন্ধি ইউনুছের গর্ভধারিনী মা মরিয়ম মারা গেলেও ওদের মায়ের আসনে এখন লাভলী বেগম। সে যেভাবে সন্তান ৩ টিকে বুকে আগলিয়ে রেখেছেন তা অন্য মায়েদের জন্য শিক্ষণীয়। তার মাতৃ¯েœহের কোন জুড়ি নেই। আমি নিজে শ্রমিকের কাজ করি। ফলে ইউনুছকে নিয়ে বেশি সময় দিতে পারি না। কিন্ত ওদের মা হিসেবে লাভলী যা করে তার কোন তুলনা নেই। যেদিন ইউনুছের ডাক্তার দেখানোর দরকার পড়ে ছেলে বুকে নিয়ে একাই চলে যায় লাভলী।
সাহেব আলী আরও জানান,ইউনুছের চিকিৎসায় এ এলাকার অনেক ডাক্তার দেখিয়েছেন সকলেই বলেছেন উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায় নিলে ইউনুছ সুস্থ হবে। কিন্ত তা অনেক ব্যয়বহুল। বাবা হয়ে পয়সার অভাবে ছেলেকে চিকিৎসা করাতে পারছিনা। ছেলেটা যখন আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচার আকুতি দেখায় তখন তা সহ্য করা পৃথিবীর যে কোন বাবার জন্যই কষ্টকর।
খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হল নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস এমপি জুয়েল’র
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল মঙ্গলবার ‘খুলনা প্রেসক্লাব ব্যাংকুয়েট হল’ পরিদর্শন শেষে প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে তিনি খুলনা প্রেসক্লাব কর্তৃক নির্মাণাধীন ব্যাংকুয়েট হল পরিদর্শন শেষে ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এসময়ে খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা আধুনিক স্থাপনা শৈলী ও সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নির্মাণাধীন এই হল রুম সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। এছাড়া একই সময়ে নান্দনিক এই হলের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এ সময়ে সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এধরনের একটি ব্যংকুয়েট হল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় খুলনা প্রেসক্লাবের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দৃষ্টিনন্দন এই হল চালু হলে খুলনার মানুষ অল্প ভাড়ায় হলটি ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি তাঁর বক্তৃতায় হল রুম নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
ব্যাংকুয়েট হল পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, আওয়ামী লীগ নেতা কাজী এনায়েত হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, সাবেক সভাপতি এ কে হিরু, শেখ আবু হাসান ও আহমদ আলী খান, সাবেক সভাপতি ও নির্বাহী সদস্য এস এম নজরুল ইসলাম, ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সহ-সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা, মল্লিক সুধাংশু ও শেখ দিদারুল আলম, দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, সহকারী সম্পাদক মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ), এস এম নূর হাসান জনি ও মাহবুবুর রহমান মুন্না, নির্বাহী সদস্য মোঃ মোজাম্মেল হক হাওলাদার, শেখ মাহমুদ হাসান সোহেল ও মো: শাহ আলম, ক্লাব সদস্য অরুন সাহা, মোঃ হুমায়ন কবীর, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, আলমগীর হান্নান, শেখ কামরুল আহসান, দেবব্রত রায়, শেখ আব্দুল্লাহ, ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু, মো. খায়রুল আলম, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, সুমন আহমেদ ও শেখ মোঃ সেলিম, ক্লাবের ইউজার সদস্য রীতা রানী দাস, আশরাফুল ইসলাম নূর, এস এম বাহাউদ্দিন, মোঃ হেলাল মোল্লা, মোঃ সোহেল রানা, মাঃ রফিক আলী, তুফান গাইনসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক হোসেন হিটলু, হাফেজ মোঃ শামীম, ইঞ্জিনিয়র শামীম, কাজী জাহিদ, মনিরুজ্জামান সাগর, যুবলীগ নেতা শফিকুর রহমান পলাশ, শাহজালাল হোসেন সুজন, ছাত্রলীগ নেতা অসাদুজ্জামান রাসেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এর আগে মতবিনিময় সভার শুরুতে সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। এ সময়ে চিত্রশিল্পী সানজিদা শিপ্রা’র আঁকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি’র একটি ছবি তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়।
খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীদের জন্য টেকসই সেবা প্রদান বিষয়ক কর্মশালার সমাপনী
তথ্য বিবরণী
খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীদের জন্য টেকসই সেবা প্রদান বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী মঙ্গলবার নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (উইএসএমএস) প্রকল্প এ কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় অতিথিরা বলেন, টেকসই উন্নয়ন অর্জনে নারীর ক্ষমতায়ন জরুরি বিষয়। আত্মকর্মসংস্থানে নারীদের জন্য সরকারের অনেক কর্মসূচি রয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পাশাপাশি ঋণ সুবিধা নিয়ে নারীরা উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। তাঁরা বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোগে আত্মকর্মসংস্থান নারীদের সৃজনশীলতা বিকাশেও ভূমিকা রাখছে।
কর্মশালায় অতিথি হিসেবে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাসনা হেনা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মোস্তাক উদ্দীন, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, রূপান্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান পান্না, সমাজসেবা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আয়নাল হক, এশিয়া ফাউন্ডেশনের ডেপুটি টিম লিডার মোঃ জোনায়েদ জামাল, মহিলা সংস্থার কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হক, এ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু, এ্যাডভোকেট ফারহানা ইয়াসমিন শিউলী প্রমুখ বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উইএসএমএসের সাদিয়া তাসনিম। এসময় উইএসএমএসের মার্কেট ডেভেলপমেন্ট অফিসার ভারতী গুহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় সঠিক সময়ে উদ্যোক্তাদের পণ্য ডেলিভারী করতে না পারা, কাঁচামালের অভাব, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা, দক্ষ কর্মীর অভাব, ঋণ ও মূলধনের অভাব, সরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণে বয়সসীমা নির্ধারণে সীমাবদ্ধতা, অনলাইন ব্যবসায় দক্ষতার অভাব, চেম্বার অব কমার্সে নারী উদ্যোক্তাদের সদস্যপদ না থাকা, পণ্য প্রদর্শণে মার্কেট সুবিধা না থাকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জেন্ডার ও এ্যাডভোকেসি সেবা প্রদানকারী সংস্থা, বিভাগীয় নারী উদ্যোক্তা ও সংগঠনের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
শিরোমনিতে আয়শা ফ্লাওয়ার মিলের গমের গোডাউনের দেয়াল ভেঙ্গে ইউনিভার্সেল কারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি
নগরীর শিরোমনি বিসিক শিল্প এলাকার আয়শা ফ্লাওয়ার মিলের গমের গোডাউনের দেয়াল ভেঙ্গে পার্শবর্তি ইউনিভার্সেল ইন্ডাষ্টিজ লিঃ এর ( কাষ্টিং ঢালাইকারখানার) টিন শেটের ঘর এর উপর পরে কারখানার কাষ্টিং ঢালাই মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । ইউনিভার্সেল ইন্ডাষ্টিজ লিঃ এর স্বত্তাধিকারী কাজী আমজাদ হোসেন জানান রবিবার দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে , এ সময় কারখানায় কাজ বন্দ থাকাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রেহাই পেয়েছে শ্রমিকরা । আয়শা ফ্লাওয়ার মিলের গমের গোডাউনের দেয়াল ভেঙ্গে আমার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২১ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে , অনেক আগে থেকে তাদেরকে এ ব্যাপারে বলা হলেও কোন ব্যাবস্থ্যা নেয়নি আয়শা ফ্লাওয়ার মিলের কতৃপক্ষ । এ ব্যাপারে আয়শা ফ্লাওয়ার মিলের স্বত্তাধিকারী মতিয়ার রহমানের পুত্র ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোঃ দুলালের কাছে অপরিকল্পিত ভাবে দুর্বল ওয়াল নির্মান করে, গমের খামাল দেওয়াতে সেটা ভেঙ্গে ইউনিভার্সেল ইন্ডাষ্টিজ লিঃ এর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং দিনের বেলা এ ঘটনা ঘটলে অনেক শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও ঘটতে পারতো? এ প্রশ্ন জানতে চাইলে তিনি স্থানিয় সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরন করে বলেন এটা আমার ব্যাপার আপনারা কি করবেন? বড়জোর লিখবেন তো , যান লিখে আমার যা পারেন তা করেন । বিসিক শিল্পনগরী, শিরোমণি,খুলনা কর্মকর্তা শেখ রিয়াজুল ইসলাম জানান ঘটনা জানার পর আমি সরেজমিনে গিয়েছি এভাবে গমের খামাল রাখা ঠিক হয়নি , দিনের বেলা হলে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো, এ ব্যাপারে প্রযোজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে ।
কয়রায় গ্রীষ্মকালীন কাঁচাপাকা টমেটোয় কৃষি বিপ্লব গোপালের
শাহজাহান সিরাজ. কয়রা (খুলনা)
কৃষি বিপ্লবে যুক্ত হয়েছে উচ্চফলনশীল “গ্রীষ্মকালীন টমেটো’ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত উন্নতজাতের এই সবজিকে সামার টমেটোও বলা হয়ে থাকে। তারই ধারাবহিকতায়,
খুলনার কয়রা উপজেলায় সাদা পলিথিন ও বাঁশের ছাউনি দিয়ে শেড করে আধুনিক প্রযুক্তিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষক গোপাল সরকার। অসময়ে টমেটো চাষ করে দামও পাচ্ছেন ভালো। বাড়ছে চাষের পরিধি। অন্য কৃষকরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন টমেটো চাষে। প্রায় ২৫ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন বারি হাইব্রিড টমেটো ৪ ও ৮ জাতের টমেটোর চারা রোপন করেছেন তিনি। এ জন্য প্রস্তুত, সার,ঔষুধ ও পরিচর্ষা বাবদ কৃষকদের সহযোগিতা করেছেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ। ভাল ফলনের আশায় গোপাল সরকার ও তার স্ত্রী টুম্পারানী সরকার দিনের বেশির ভাগই সময় ব্যয় করেন জমিতে। লাভের আশায় চাষ করা এই টমেটোকে ঘিরে তার এই দিন রাত খাটুনি।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলাপর ৪ নং কয়রা গ্রামের বাসিন্দা গোপাল সরকার ও তার স্ত্রী টুম্পারানী সরকার টমেটো ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত। সেসময় টমেটো চাষে পরামর্শ দিতে যাওয়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অফিসারকে দেখে তিনি এগিয়ে আসেন এবং তার কাছে পরামর্শ চান। তার থেকে পরামর্শ পেয়ে আনন্দিত এ কৃষক। এ প্রতিবেদককে কৃষক গোপাল সরকার বলেন, প্রায় ২৫ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন বারি হাইব্রিড টমেটো ৪ ও ৮ জাতের টমেটোর চারা রোপন করেছি। শুরু থেকেই সারাদিন চারাগুলোর যতœ নেই। কৃষক বলেন টমেটো চাষে সার, বীজ, কীটনাশক বাদে সব মিলিয়ে এখানে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন গত দুই সপ্তাহ থেকে ক্ষেত থেকে পাকা টমেটো তুলে বাজারে বিক্রি শুরু করেছি এবং ইতোমধ্যে ২৫ হাজার টাকার মত বিক্রি করেছি। একনখার বাজারদর হিসেবে ফলন অবহ্যত থাকলে আর কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এই ফসল বিক্রি করে এক লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা আসবে বলে আমার ধারনা। কারন বর্তমান বাজারে টমেটোর প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমএলটি সাইট কয়রার বৈজ্ঞানিক সহকারি জাহিদ হাসান জানান, গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ বেশ লাভজনক। সরেজমিন গবেষণা অফিস থেকে সবসময় কৃষকদের টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কৃষক গোপাল ও তার স্ত্রী পরিশ্রম করতে পারেন তাই এ কৃষকসহ কয়রায় আরও অনেক কৃষককে টমেটো চাষে উৎসাহ দিয়েছিলাম। তারা উৎসাহিত হয়ে বারি হাইুব্রড টমেটো ৪ ও ৮ জাতের টমেটো চাষ করেছেন। আমরা আশা করি তারা লাভবান হবেন। গবেষণা বিভাগ উপজেলার টমেটো চাষিদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। তাই আমরা কৃষকের কাছে গিয়ে তাদেরকে উৎসাহ দিচ্ছি। আমরা চাই কৃষকরা বারোমাস ফসল চাষ করুক।
খুলনা অঞ্চলের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুনর রশিদ বলেন, যশোর বাঘার পাড়া থেকে এক কৃষকের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই সামার টমেটো চাষ কার্যক্রম শুরু করি। তবে এর ব্যপকতা বেড়েছে গত তিন বছরে । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প গোপালগঞ্জের বারির কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় আমরা (তিনি এটার উপপ্রকল্প পরিচালক) সেখানে কাজ করছি এবং এ বছর ৫ টি জেলায় ১৬ কেজি টমেটোর বীজ বিতরণ করেছি। আগে স্বল্প পরিসরে চাষ হত। গত তিন বছর ধরে বড় পরিসরে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের জন্য কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে টমেটো চাষ হত না, শীতকালে হতো। গ্রীষ্মকালে ভারত থেকে টমেটো আসত। সেটার মধ্যে স্বাদ ছিল না। আমরা নিজেরা এই টমেটো আবিস্কারের ফলে আমরা চাই বিদেশ থেকে কোন টমেটো না আসুক। আমাদের কৃষকরা ভাল দাম পেয়ে লাভবান হোক। একই সাথে আমরা বিষমুক্ত টাটকা সবজি খেতে পারছি। শুধু তাই নয়, টমেটোতে রয়েছে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, সহ অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
অভয়নগরে নিজ ঘরে বোমা বানাতে গিয়ে যুবক ক্ষত-বিক্ষত : অস্ত্র উদ্ধার
অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া রাজঘাট কার্পেটিং বাজার নামক এলাকায় নিজ ঘরে বোমা বানাতে গিয়ে শপ্পা (৩৬) নামের এক যুবক ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। তার একটি হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে চোখ, মুখমন্ডল ও বুক। সেই সাথে দুই পা মারাত্মক জখম হয়েছে।
বোমাটি তৈরিকালে তার হাতেই বিষ্ফোরিত হয় বলে পুলিশের ধারনা। গভীর রাতে বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বোমা বিস্ফোরণের ফলে ওই ঘরের টিনের চাল উড়ে যায় এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে বারোটার দিকে এ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসময় শপ্পা নিজ ঘরের দরজা লাগিয়ে ভিতরে বোমা তৈরি করছিলো বলে শপ্পার পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছে।
আহত শপ্পা ওই এলাকার ইব্রাহিম মোল্যার ছেলে। পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে ৫ টি ধারালো রামদা উদ্ধার করেছে। তার নামে থানায় ইতিপূর্বে সন্ত্রাসীমূলক কর্মকান্ডের মামলা রয়েছে। পুলিশ, শপ্পার পরিবার ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, শপ্পা একজন বোমা তৈরির কারিগর। সে নিজ ঘরে বোমা বানানোর সময় বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদিয়া জাহান বলেন, বোমার স্পিলন্টারে তার চোখ-মুখমন্ডলসহ শরীরের সামনের পুরো অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। চোখের ভিতর বোমার স্পিলন্টারে আঘাত লেগেছে বলেও প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে। তাছাড়া তার শ্বাষন্বালীও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলে আশংকা রয়েছে। সবমিলিয়ে ভিকটিমের অবস্থা গুরুত্বর। এ কারনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কেএম শামীম আহসান জানান, নিজ ঘরে বোমা তৈরিকালে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরির্দশন করে ওই ঘরের চৌকির নিচ থেকে পাঁচটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। আহতকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার ভোর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রাতেও ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত বয়ে যায়। সোমবার দিবাগত রাত ও মঙ্গলবার ভোরের টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের নিম্নাঞ্চলসহ উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা ও কিছু কিছু চিংড়ি ঘের তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাই জাল ও নেট দিয়ে চাষীরা তাদের ঘেরের মাছ আটকে রাখতে কাজ করছেন।
এদিকে বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বন্দরে অবস্থানরত ৫টি সার ও ১টি চালের জাহাজের কাজ বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার বন্দরে সার, চাল, ক্লিংকার, মেশিনারী ও গ্যাসবাহী ১৪টি বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজের অবস্থান রয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখরউদ্দিন বলেন, বৃষ্টির কারণে সার ও চালের জাহাজের কাজ সাময়িক বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টি কমলে আবারও খালাস ও পরিবহণের কাজ শুরু হবে।
জং-এ খাচ্ছে ভিতের রড, করোনাসহ নানা অজুহাতে পড়ে আছে ডুমুরিয়া মডেল মসজিদের কাজ
ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি
চুক্তির দুই বছরেরও অধিক সময় পেরিয়ে গেলেও তেমন অগ্রগতি নেই ডুমুরিয়া উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ। করোনাসহ নানা অজুহাতে পড়ে আছে নির্মাণ সামগ্রী। জং-এ খাচ্ছে ভিতের রড। আর কবে শেষ হবে তাও রয়েছে আজানা। জানা গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল সমজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে শীর্ষক প্রকল্প গ্রহন করেন। ডুমুরিয়া উপজেলার জন্য বরাদ্দকৃত এ মসজিদটি স্থাপিত হচ্ছে ডুমুরিয়া ডিগ্রি কলেজের পূর্বপাশে। মডেল এ মসজিদটি হবে তিন তলা বিশিষ্ঠ। নিচের তলায় হবে ইমামদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গণশিক্ষা কার্যক্রম, প্রতিব›িদ্ধদের প্রার্থনার স্থান, মৃত ব্যক্তিদের গোসলখানা ও গাড়ি পাকিং’সহ সাক্ষাৎকার হল। দ্বিতীয় তলায় নির্মিত হবে পুরুষ-মহিলার জন্য আলাদা প্রার্থনা স্থান আর ইসলামি রিসার্চ সেন্টার ও মক্তব ইসলামিক গ্রন্থাগার। এছাড়া তৃতীয় তলায় হবে শুধুই নামাজের স্থান। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আছে বাংলাদেশ গণপূর্ত অধিদপ্তর। মসজিদের নির্মাণ অর্থের পরিমান হল ১৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস মধু ট্রের্ডাস এন্ড মের্সাস রাফিদ ট্রের্ডাস (জেডি) এর সাথে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল কাজের চুক্তি সম্পন্ন হয়। আর এ কাজের মেয়াদ কাল হল ১২ মাস। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কাজের তেমন কোন অগ্রগতি নেই। এক কথায় পড়েই আছে এর নির্মাণ কাজ। দুই বছর ধরে শুধু ভিতের খনন ও রডের কাজ শেষ হয়েছে। আর পাশেই পড়ে আছে ইট বালি খোয়াসহ অন্যান্য সামগ্রী। তবে কাজের শুরুতে না হলেও এক বছর পরেই দেখা যায় করোনার প্রভাব। ফলে কাজের অগ্রগতি তেমন নেই। এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ প্রকল্পের কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন জেলা গণপূর্ত বিভাগ। সে জন্য ওই কাজের ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে কোন মন্তব্য করার সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ বলেন- আমি যোগদানের পরে ওখানে একটা বেস ঢালাই’র সময় পরিদর্শণে গিয়েছিলাম। এখনো দেখছি সেই অবস্থায় পড়ে আছে। দেখি ঠিকাদার প্রতিষ্টানের সাথে কথা বলে কি অবস্থা। এ বিষয়ে নির্মাণ কাজের ঠিকাদার এ্যাড. শফিকুল ইসলাম মধু বলেন- আসলেই এ কাজে অনেক জটিলতা হচ্ছে। জায়গা সিলেকসান, বিল পেমেন্টসহ নানা কারণে কাজে অগ্রসর হতে পারছি না। এরই মধ্যে আবার করোনার মুখে পড়লাম। নির্মাণ সামগ্রী রড সিমেন্ট ইট-বালি, পাথর খোয়ার সীমাহীন মূল্য বৃদ্ধি। লেবার সংকটসহ কাজের যন্ত্রপাতি আনা-নেয়ায় অনেক সমস্যা। তারপরও আমি আশাবাদী সামনের এক বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করবো।
মাত্র ১৬ শতক জলায়াতনে বাগদা চাষে ৫ লাখ টাকা লাভ
ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি
মাত্র ১৬ শতাংশ জলায়াতনে আধা-নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করে বটিয়াঘাটা উপজেলার কাছারীবাড়ি এলাকার পলাশ চন্দ্র ঢালী ৪ মাসের ব্যবধানে একদিনে সাড়ে ১৮ মন চিংড়ি বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা লাভ করায় এলাকায় দারুণ সাড়া পড়েছে। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ঘোনাবান্দা গ্রামের গোপাল চন্দ্র ঢালী’র দরিদ্র সন্তান পলাশ দীর্ঘদিন ধরে শশুরবাড়ি বটিয়াঘাটা উপজেলার খলশীবুনিয়া গ্রামে বসবাস করেন। সেখানে কাছারীবাড়ি রাস্তার পাশে মাত্র ৩০ শতাংশ জমিতে চিংড়ি চাষ শুরু করেন। কিন্তু এলাকার অনেক চাষি উন্নত মানের চাষ করে ব্যাপক চিংড়ি উৎপাদন করছে, দেখে পলাশ ঢালী ২০২০ সালে ওই জমিতে খাদ্য কম্পানি সিপি’র সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের পরামর্শেই ১৬ শতাংশ জমিতে ৪ ফুট গভীর করে মাটি তুলে পাড় তৈরি করেন। এবং বৈদ্যুতিক মটর বসিয়ে অক্সিজেন তৈরি ও ঘেরের পাড় ঘিরে দেওয়া-সহ জৈব নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করেন। এরপর সিপি কম্পানির পরামর্শে বাংলা সনের বৈশাখ মাসে নদী থেকে নোনা জল তুলার পর ব্লিচিং পাউডার, পটাশ দিয়ে মাছ ছাড়ার উপযোগি করে তোলেন। পরে ২০ হাজার পোনা ছাড়া থেকে ৪ মাস যাবৎ দিনে ৪ বার ওই মূল্যবান খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্নমুখি পরিচর্যা করেন। সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে দামের ৪৪ বস্তা খাবার খাওয়ানোর পাশাপাশি চুন, ওষুধ ও শ্রমিক খরচ মিলে তার ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। পলাশ ঢালী গত ১৮ আগষ্ট (৩ ভাদ্র ) জাল দিয়ে বাগদা চিংড়ি ধরে তার ঘেরে বসেই ৩৮ হাজার টাকা মন দরে সাড়ে ১৮ মন মাছ বিক্রি করে ৭ লাখ টাকা আয় করেছেন। এ প্রসঙ্গে সফল বাগদা চাষি পলাশ চন্দ্র ঢালী বলেন, আমি সিপি কম্পানির ব্যবস্থাপনায় বাগদা চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছি। আমি ও আমার ছেলে ভবোতোষ ঢালী গত ৪ মাস ধরে মাছের পরিচর্যা করেছি। ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ করে একদিনে ৭ লাখ টাকা বিক্রি করেছি। ১৮ আগষ্ট মাছ বিক্রি করার পর গত ২১ আগষ্ট ওই ঘেরে আবারও নতুন করে রেনুপোনা ছেড়েছি। কম্পানির পরামর্শে ঠিকমতো মাছের পরিচর্যা করতে পারলে অনেক লাভ। তবে ঝুকিও আছে। বটিয়াঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এমডি মনিরুল মামুন বলেন, বটিয়াঘাটা উপজেলাঞ্চলে এই আধা-নিবিড় পদ্ধতির বাগদা চিংড়ি চাষে বিপ্লব ঘটে গেছে। উৎপাদন দেখে এলাকার চাষিরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে এ পর্যন্ত ১১০টি ঘেরে এই পদ্ধতিতে বাগদা চাষ করছে। আর থাইল্যান্ডের সিপি কম্পানির মাছের খাবারের সাফল্য দেখে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এসেছে। মৎস্য অধিদপ্তরে মেরিন প্রকল্পে খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক সরোজ কুমার মিস্ত্রি বলেন, আধা-নিবিড় পদ্ধতির চিংড়ি চাষে অনেক লাভ। কিন্তু বায়ো সিকিউরিটি বা জৈব নিরাপত্তা রক্ষা করতে না পারলে অনেক ঝুকি আছে।
দাকোপে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে এবার দাকোপ
মোঃ শামীম হোসেন, বাজুয়া
দাকোপে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হলেন যারা। এলাকায় জমতে শুরু করেছে ইউপি নির্বাচন। সকাল থেকে রাত অবধি চলছে প্রার্থীদের পথসভা ও গণসংযোগ। নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি মতে দাকোপে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে এবার দাকোপ। এলাকা ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন সভা সমাবেশ ও পথসভায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বলছে আমরা নির্বাচিত হতে পারলে দাকোপ উপজেলাকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে তুলবো। তারা ডিজিটাল দাকোপ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে। দাকোপ উপজেলা ৯ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। জানা যায় এবারের নির্বাচনে ৮ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাঁকি একটি ইউনিয়ন লাউডোব যেখানে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ যুবরাজ এর বিরুদ্ধে কোন প্রার্থী না থাকায় সে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়ে বসে আছে। বাঁকি ৮ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন আকৃষ্ট করার চেষ্টায় মেতে আছে। জানা যায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা যেমন উন্নয়নের কথা বলে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে তেমনি প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীরাও ভোটারদের দ্বারে যেয়ে ও বিভিন্ন সভা, সমাবেশে বিগত দিনে নির্বাচিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের ইউনিয়নে তেমন কোন উল্লেখ যোগ্য উন্নয়ন না করায় তাদের ব্যর্থতা ও অযোগ্যতার কথা বলে তারাও ভোটারদের কাছে নিজেদের যোগ্যতার কথা বলে ভোট নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই বলা যায় ইউপি নির্বাচন এবার জমে উঠেছে। দাকোপ ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও দাকোপ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি গত নির্বাচনেও বিপুল ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম এবার ও হবো আশা করি। কেননা আমাদের প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের যে রোল মডেল তৈরি করেছে তাতে করে এদেশের মানুষ বারবার নৌকায় ভোট দিয়ে দেশের এই উন্নয়নের ধারাকে ধরে রাখবে বলে আমি আশা করি। অপর দিকে এলাকা ঘুরে দেখা যায় নৌকার বিপক্ষে যারা নির্বাচন করছে তাদের একটাই দাবি নির্বাচন সুষ্ঠু হোক দেখা যাবে জনগণ কাদের ভোট দেয়। আমাদের না নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের। সব মিলিয়ে দেখা যায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দাকোপে চলছে একটা উৎসব মুখর পরিবেশ।
শেখ হাসিনার নির্দেশনা যারা অমান্য করেছে তাদের দল থেকে বহিস্কার করতে হবে: সেখ জুয়েল এমপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত ও নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হলে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। কোন অনুপ্রবেশকারীকে দলে ঠাঁই দেয়া যাবে না। দল শক্তিশালী হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা যারা অমান্য করেছে তাদের দল থেকে বহিস্কার করতে হবে। সংগঠনে কোন অবাধ্য উচ্ছৃঙ্খলদের রাখা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়ে দলকে পরিশুদ্ধ করতে হবে। তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্থান করে দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
গতকাল মঙ্গলবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বেগ লিয়াকত আলী, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, শেখ আনিছুর রহমান, এ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, মো. মোর্শেদ আহমেদ মনি।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, শেখ হায়দার আলী, কাজী এনায়েত হোসেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীরমুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কামাল আজাদ, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. আশরাফুল ইসলাম, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. শাহাজাদা, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, বীরমুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চান ফারাজী, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, শেখ ইউনুস আলী, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, কাউন্সিলর শেখ মোশাররফ হোসেন, শেখ মোশাররফ হোসেন, অধ্যা. রুনুর ইকবাল, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, শেখ আবিদ হোসেন, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, শহীদুল ইসলাম বন্দ, কাজী জাহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আযম, মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান সাগর, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, এ্যাড. একেএম শাহজাহান কচি, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, মো. মোতালেব মিয়া, রনজিত কুমার ঘোষ, অধ্যা. আবুল মুকুল, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মীর বরকত আলী, এম এ নাসিম, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, ইঞ্জি: আব্দুল জববার, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর শেখ শামসুদ্দিন আহম্মেদ প্রিন্স, কাউন্সিলর মো. ডালিম হাওলাদার, কাউন্সিলর এমডি মাহফুজুর রহমান লিটনস, কাউন্সিলর কাজী তালাত হোসেন কাউট, কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা, কাউন্সিলর মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ আব্দুর রাজ্জাক, কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, কাউন্সিলর সাহিদা বেগম, কাউন্সিলর রহিমা আক্তার হেনা, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, কাউন্সিলর শেখ আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কাউন্সিলর কাউন্সিলর কনিকা সাহা সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত কমিটিতে উচ্ছৃশঙ্খল অবাধ্যদের বাদ দিয়ে ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্থান দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করায় সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৪৭ অনুচ্ছেদের ১১ ধারা মোতাবেক খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের রেজুলেশনের সুপারিশের আলোকে খানজাহান আলী থানা যুবলীগের আহবায়ক সাজ্জাদুর রহমান লিংকনকে সাময়িক বহিষ্কার করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। এবং চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রিয় কমিটির কাছে সুপারিশ প্রেরণেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একই সাথে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে যারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাথে থেকে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন করবে তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
নারীর পেট থেকে বের হলো ২২৫০ পিস ইয়াবা
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরে মলহা বানু (৩৮) নামের এক নারীর পেট থেকে দুই হাজার ২৫০ পিসসহ পাঁচ হাজার ৭৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র্যাব।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বেনেয়ালি বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মলহা বানু কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার গোদার বিল গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের মেয়ে। তিনি ওই এলাকার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী।
যশোর র্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। এসময় টলি ব্যাগে লুকানো তিন হাজার ৫০০পিস ইয়াবাসহ মলহা বানুকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পেটের ভিতর আরও ইয়াবা আছে বলে স্বীকার করেন। পরে ডাক্তারের সহায়তায় ওই নারীর পেট আরও দুই হাজার ২৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে ঝিকরগাছা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
খুলনায় কমেছে মৃত্যু শনাক্ত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা কমলেও বেড়েছে শনাক্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় শনাক্ত হয়েছে ১১৬ জন।
মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিন হাওলাদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিভাগে করোনায় সাতজনের মৃত্যু এবং ১৩০ জনের শনাক্ত হয়েছিল।
স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে কুষ্টিয়ায় তিন ও নড়াইলে একজন মারা গেছেন।
খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট একলাখ ১০ হাজার ৯৮৬ জন শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৩ হাজার ৯০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৩৬৫ জন।
সাতক্ষীরায় অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার যুবক
জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় করা মামলায় রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার থানাঘাটা মোল্লাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার মোল্লাপাড়ার বাবুল রাজমিস্ত্রির ছেলে রফিকুলের সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। একপর্যায়ে কিশোরী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে পরিবারের জানাজানি হয়।
রফিকুলকে ওই মেয়ের পরিবার থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি রাজি হন না। পরে শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সালিশ বৈঠক হলেও রফিকুল ও তার পরিবার বিয়ের বিষয়টি মেনে নেয়নি। এর পরদিন রোববার ভোরে কিশোরীর গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, রোববার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে সোমবার সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেইন জাগো নিউজকে জানান, সোমবার দুপুরে মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এ বছর কুয়াকাটায় ভেসে এসেছে ২০টি মৃত ডলফিন
খুলনাঞ্চল রির্পোট
চলতি বছর কুয়াকাটা সৈকতে বিশটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সর্বশেষ গত ৯ সেপ্টেম্বর সকালে সৈকতের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন সানসেট পয়েন্টে একটি মৃত ডলফিন ভেসে আসে। শুধু আগস্ট মাসেই কুয়াকাটায় দশটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। গত বছর কুয়াকাটা উপকূলে আটটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছিল। তবে এসব ডলফিন কেন মারা যাচ্ছে তা বলতে পারছেন না কেউ।
কুয়াকাটা ডলফিন সংরক্ষণ কমিটির সদস্য কে এম বাচ্চু বলেন, ‘গত ২১ আগস্ট দুপুরের দিকে কুয়াকাটা সৈকতে জোয়ারে পানির সঙ্গে ডলফিন ভেসে আসে। ২০ আগস্ট দুটি ডলফিন ও প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির একটি রাজ কাকড়া উপকূলে ভেসে এসেছিল। ৯ আগস্ট দুটি, ৮ আগস্ট একটি, ৭ আগস্ট একটি ডলফিন কুয়াকাটা সৈকতের তীরে ভেসে এসেছিল। সেগুলোকে মাটি চাপা দিয়েছি।’
স্থানীয় জেলে আশরাফ আলী জানান, ২০ আগস্ট একই প্রজাতির দুটি মৃত ডলফিন কুয়াকাটা সৈকতের তীরে ভেসে এসেছিল। এর একটির মুখে জাল পেঁচানো এবং অপটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। ২১ আগস্ট ভেসে আসা ডলফিনটির গায়ে জাল পেঁচানো ছিল। এ যাবৎ কুয়াকাটা সৈকতের তীরে যত মৃত ডলফিন এসেছে সবগুলোর শরীরে কমবেশি আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শী একজন জেলে বলেন, ‘অধিকাংশ সময় দেখা যায় ডলফিনগুলো সাগরে দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে। কিছু দিন আগে সাগরে আমাদের জালে পাশাপাশি দুটি ডলফিন আটকে যায়। ওদের গায়ে অনেক শক্তি, পুরো জালই মুড়িয়ে নষ্ট করার চেষ্টা করছিল। এজন্য আমরা দ্রুত জাল কেটে দেওয়ার পরে চলে গেছে। তারপরে কী হয়েছে জানি না। ডলফিন দুটি অনেক জাল ছিঁড়ে ফেলেছিল সেদিন।’
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির দলনেতা রুমান ইমতিয়াজ বলেন, ‘একের পর এক ডলফিন মারা যাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। কয়েক মাস ধরেই মৃত ডলফিন ভেসে আসছে কুয়াকাটা সৈকতের তীরে। আমরা ডলফিনের মৃতদেহ উদ্ধার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সমুদ্রের বন্ধুপ্রাণী ডলফিন রক্ষায় কী করা যায়, তা নিয়ে ভাবার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেলেদের জালে ডলফিন আটকা পড়লে তারা মনে করেন, এটি হিংস্র প্রাণী। কিন্তু ডলফিন সমুদ্রের একটি বন্ধুপ্রাণী। এখন অতি জরুরি, জেলেদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ডলফিন সম্পর্কে অবগত করা। এতে কিছুটা হলেও ডলফিনের মৃত্যু কমে আসবে।’
ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটি অব বাংলাদেশের মতে, মাছ ধরার জালে, বিশেষ করে কারেন্ট জালে ধরা পড়ার কারণে বেশিরভাগ ডলফিন মারা গেছে। বিপন্ন প্রজাতির ইরাবতী ডলফিন সুন্দরবনের নদীতে এবং বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার পার্শ্ববর্তী পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীতে বাস করে।
ওয়াইল্ডফিশ অ্যান্ড হ্যান্সড কোস্টাল ফিশারিজ ইন বাংলাদেশ (ইকো ফিশ-২) অ্যাক্টিভিটির পটুয়াখালী জেলার সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘মৃত ডলফিনের অন্ত্রের একটি অংশ ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে এবং অপর অংশ বন অধিদফতরে পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডলফিনটির মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘ডলফিনের মৃত্যুর কারণ তদন্তে যে ধরনের মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি ও লোকবল থাকা দরকার তা আমাদের নেই। এ কারণে ডলফিনগুলো মাটিচাপা দিতে বলা হচ্ছে। আর ডলফিন কেউ মেরে ফেললে বন্য আইনে বিচার হবে। এ দায়িত্ব বন বিভাগের।’ সাগরে বাঁধা জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এ বছর বেশি ডলফিন মারা যাচ্ছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এসব ডলফিনের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও আমাদের অজানা। ডলফিন মারা যাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডলফিন মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে কারণ জানা যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডলফিন হত্যা করলে বন আইনে বিভিন্ন মেয়াদে সাজার বিধান রয়েছে। কিন্তু কে এই ডলফিন শিকার বা হত্যা করেছে, কীভাবে করেছে ও কোথায় করেছে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা নেই। এ কারণে আমরা কাউকে আইনের আওতায় আনতে পারছি না। আমরা জেলেদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করেছি। এতে ডলফিনের মৃত্যু কমে আসতে পারে।’
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. সাজেদুল হক বলেন, ‘ডলফিনের মৃত্যু খবর পেয়ে আমরা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে যে ডলফিনটি দেখতে পেয়েছি, সেটি আঘাত পেয়ে মারা গেছে। এভাবে ডলফিনের মৃত্যু হতে থাকলে পরিবেশের ওপর খারাপ প্রভাব পড়বে।’ এসব ডলফিন নদীদূষণ এবং আঘাত পাওয়ার কারণে মারা যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটি অব বাংলাদেশের তথ্যমতে, ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে ১৪৯টি ডলফিনের মৃত্যু হয়েছে।
কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের বিশেষ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কয়রা উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের জয়ী করতে উপজেলা আওয়ামীলীগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলা সদরের সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা। সভায় খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আকতারুজ্জামান বাবু বক্তব্য রাখেন। এছাড়া খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রফিকুর রহমান রিপন, যুগ্ম সম্পাদক শরফুদ্দীন বাচ্চু ও কামরুজ্জামান জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিঃ প্রেম কুমার ও সরদার আবু সালেহ, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক এ্যাডঃ কেরামত আলী সহ জেলা আওয়ামীলীগ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের একাধিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভায় কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল সদস্য, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সম্পাদক সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সম্পাদক এবং ৭ জন নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজ নিজ এলাকার সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সভায় জেলা নেতৃবৃন্দ সকল দ্বীধা দন্দ ভুলে গিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নৌকাকে জয়ী করতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য নৌকায় ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলেন, দেশের সকল উন্নয়ন স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে হয় তাই বিবেচনা করে জননেত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা তৃর্ণমূল সরকারেও নৌকা প্রতিক দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।তিনি বলেন, তাই সবকিছু ভূলে আগামী সোমবার নৌকা প্রতিকে ভোট দিতে সাধারণ মানুষকে উৎসাহ করতে জোর অনুরোধ জানান।
বাগেরহাটে কৃষি ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিশ্চিত করতে গনশুনানী অনুষ্ঠিত
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা বাধঁনের উদ্দোগে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষি ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবার মান নিয়ে গনশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের হলরুমে এ গনশুনানী অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা বাধঁনের নির্বাহী পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল হাসান মিলনের সভাপতিত্বে ও বাধঁনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ সোহাগ হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোছাব্বেরুল হক। এ সময় বাগেরহাট সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভিন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদিয়া সুলতানা, বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক আহাদ উদ্দিন হায়দার, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল বাকি, ডিস্টিক্ট ফ্যাসিলিটেটর পার্থ প্রতিম সেনসহ সাংবাদিক, সচেতন নাগরিক, কৃষি ও ইউনয়ন পরিষদের সেবা দাতা ও গ্রহিতাগন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় গনশুনানীতে ইউনিয়ন পরিষদে সাধারন মানুষের সেবার মান ও বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় তুলে ধরেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাব্বেরুল হক বলেন, সরকারী নিয়ম মেনে সঠিক ভাবে যেন সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে সকলকে আশ^াস দেন। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা বাধঁন ইউনিয়ন পরিষদের সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজ করে যাচ্ছে এটি উদ্দোগ উপজেলা পরিষদের সেবার মান আরো বৃদ্ধি করবে বলে জানান ।
বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের কমিটি গঠন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের কমিটি গঠন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট শহরের ধানসিড়ি হোটেলে এই কমিটি গঠন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত সকলের সম্মতিতে এ্যাড. মোঃ শাহ আলম টুকুকে সভাপতি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রুপান্তরের ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর আলমগীর হোসেন মীরুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মোসাঃ ফারহানা আক্তার, রবীন্দ্রনাথ মুখার্জী, যুব সংগঠক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাকির হোসেন, প্রচার ও গনমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর টুটুল, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সম্পাদক বাবুল সরদার, তথ্যায়ন ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আকমল উদ্দিন সাখি, নির্বাহী সদস্য এ্যাড. মিলন কুমার ব্যানার্জী, রিজিয়া পারভীন, মাহবুবা রহমান পিয়া, সুনয়না রায়, শরিফুল ইসলাম জুয়েল।
কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রুপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের প্রোগ্রাম অফিসার রাজেশ অধিকারী, মোঃ মোর্শেদ আলমসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এক বছর মেয়াদী এই কমিটি স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করবেন। জেলা সদর হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে এই কমিটি।
রূপসায় জোর পূর্বক জমি দখলের অভিযোগে ইউএনও’র নিকট লিখিত অভিযোগ
রূপসা প্রতিনিধি :
রূপসায় জোর পূর্বক জমি দখলের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তৌহিদ শেখ নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের তালিমপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত হাসেন শেখ এর স্ত্রী শরিফা খাতুন ২৭২৪/৬৩ নং দলিলে ০.১৬ একর জমি রেজি: করে ভোগ দখলে রয়েছে। জাবুসা মৌজায় বিআরএস খতিয়ান নং-২৪১৫,দাগ নং-৪,যাহার সাবেক সিএস খতিয়ান নং-২৯৯,এস এ খতিয়ান নং-২৯৫,সিএস ও এস এ দাগ নং-৩ চুড়ান্ত ভাবে প্রকাশিত হয়ে খাজনাদি পরিশোধ করে আসছে। এমতাবস্থায় পরসম্পদ লোভি বাগমারা গ্রামের বাসিন্দা শাহাজান শেখ ১১ সেপ্টেম্বর বিকালে শরিফার ছেলে তৌহিদ কে পূর্বরূপসা ব্যাংকের মোড়ে ডেকে বলে উক্ত জমি আমার নিকট বিক্রয় করতে হবে। এমনকি অন্য স্থানে বিক্রয় করিলে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করিবে বলে হুমকি দেয়। ঘটনার পরের দিন শাহাজান শেখ,ইসমাইল হাওলাদারসহ ১৫/২০ জন লোকজন নিয়ে উক্ত জমি অনুপ্রবেশ করে তার পিতার নাম ধরে ও তৌহিদের নামে জঘন্য গালিগালাজ করে এবং জমির কাছে আসিলে জীবনে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। এছাড়া শাহাজান শেখ একাধিক মামলার আসামী ইসমাইল হাওলাদারসহ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক নিয়ে চলাচল করে। সে একজন পরসম্পদ ও ভূমিদস্যু প্রকৃতির লোক। উক্ত শরিফা মারা গেলে তার ছেলে তৌহিদ শেখ জমির ওয়ারেশ হন। তৌহিদ বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের কমিটি গঠন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের কমিটি গঠন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট শহরের ধানসিড়ি হোটেলে এই কমিটি গঠন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত সকলের সম্মতিতে এ্যাড. মোঃ শাহ আলম টুকুকে সভাপতি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রুপান্তরের ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর আলমগীর হোসেন মীরুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মোসাঃ ফারহানা আক্তার, রবীন্দ্রনাথ মুখার্জী, যুব সংগঠক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাকির হোসেন, প্রচার ও গনমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর টুটুল, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সম্পাদক বাবুল সরদার, তথ্যায়ন ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আকমল উদ্দিন সাখি, নির্বাহী সদস্য এ্যাড. মিলন কুমার ব্যানার্জী, রিজিয়া পারভীন, মাহবুবা রহমান পিয়া, সুনয়না রায়, শরিফুল ইসলাম জুয়েল।
কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রুপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের প্রোগ্রাম অফিসার রাজেশ অধিকারী, মোঃ মোর্শেদ আলমসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এক বছর মেয়াদী এই কমিটি স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করবেন। জেলা সদর হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে এই কমিটি।
শরণখোলায় করাতকল খুলে দেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় করাতকল (স‘মিল) খুলে দেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে ক্ষতিগ্রস্থ মালিক ও শ্রমিকরা। মঙ্গলবার দুপুরে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাতের কাছে এই স্মারক লিপি প্রদান করেন শরণখোলা উপজেলা করাতকল মালিক-শ্রমিক কল্যান সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন নান্টু। এসময়, শরণখোলা উপজেলা করাতকল মালিক-শ্রমিক কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান হাওলাদারসহ শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে করাতকল মালিক-শ্রমিক কল্যান সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন নান্টু বলেন, প্রায় এক মাস ধরে শরণখোলার সকল করাতকল বন্ধ রয়েছে। এরফলে, কাঠ চেরাই করতে না পেরে এলাকাবাসী যেমন চরম দুর্বেগে পড়েছে, তেমনি শতশত শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় মানুষের দূর্ভোগ কমানো, মালিক ও শ্রমিকদের দূর্দশা লাঘবে অতিদ্রুত করাতকল খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বাংলাদেশে প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাতকলসহ সব ধরণের মিল-কলকারখানা স্থাপন নিষিদ্ধ। এই আইন বাস্তবায়নের লক্ষে ১৭ আগস্ট সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এলাকায় মাইকিং করে সমস্ত করাতকল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। সেই থেকে শরণখোলা উপজেলার প্রায় অর্ধশত করাতকল মালিক তাদের মিল বন্ধ রাখেন।
এসো নবীন দলে দলে ছাত্রলীগের পতাকা তলে
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটায় দীর্ঘ প্রায় ১৬ মাস ছুটির পর স্কুল কলেজে আসা একটা অন্যতম আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ক্লাশ শুরুর প্রাক্কালে শিক্ষকদের মধ্যেও খুবই আনন্দ পরিলক্ষিত হয়।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি গত কয়েকদিন আগে কোভিড ১৯ মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য যে নির্দেশনা প্রদান করেন সে অনুযায়ী দেবহাটায় সরকারি খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভায়।কে,বি,এ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক আল হাসিব ইফতির সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মাহির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সুমন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এ,এইচ সোহাগ, পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু রায়হান, সাধারণ সম্পাদক নাসিরুল ইসলাম,কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈন হোসেন, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাওন আলম রাজিব, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজু, কে,বি,এ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্না- আহবায়ক সজিব হোসেন,আল আমিন হোসেন সিজান,অন্তিক কুমার,নিশান কবির সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবিন্দৃ।
জাতীয়তাবাদী যুব ঐক্য দলের কমিটি গঠন
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুব ঐক্য দলের খুলনা জেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ৪১সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. কাজী গফ্ফার স্বাক্ষরিত এই কমিটির অনুমোদন করেন।
কমিটির নেতৃবৃন্দরা হচ্ছেন আহবায়ক আব্দুল হালিম, যুগ্ম আহবায়ক এম.এন সোহাগ হোসেন, মাহফুজ হোসেন, মো. জাকির হোসেন, মো. নাসির বেপারী, মোস্তফা কামাল, মো. মিজান, আমীন মাহমুদ, জি. এম রায়হান, ইমরুল বিশ^াস, হারুন মোল্লা, মো. রায়হান ফকির, মো. তরিকুল ইসলাম ও মো. তাজমুল চৌধুরী। সদস্য সচিব মো. আলহাদ হোসেন। সদস্যবৃন্দরা হচ্ছেন মো. সোহাগ ইসলাম, মো.সাগর ইসলাম, মো. ইসলাম শেখ, মো.রানা দপ্তরী, মিঠুন শেখ, হৃদয় হাওলাদার, ইসলাম গোলদার, রাজু শেখ, হাবিবুর রহমান জীবন, পারভেজ গাজী, নাজমুল হোসেন, জোবায়ের মোড়ল, মো.মিরাজ মোড়ল, মো. সোহেল মোল্লা, মো. মামুন মোল্লা, মো. সুমন হাওলাদার, মো.মেহিদী হাসান, মারুফ ফরাজী, তুষার আহম্মেদ ছাব্বির, মো. আল আমিন শেখ, মো. হাসান, মো. আমিন, মো. ইসলা শেখ, মো. জাহিদ, মো.বায়জিদ শেখ ও মো. রাসেল হোসেন।
ইন্দুরকানীতে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ঃ
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে অজ্ঞাত এক নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার বালিপাড়া বাজার সংলগ্ন ঢেপসাবুনিয়া এলাকায় কচাঁ নদীর পশ্চিম পাড়ে বেড়িবাধ সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত নারী (২২) এর গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো মরাদেহ স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে ইন্দুরকানী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, আমরা খবর পেয়ে কচা নদীর পাশের একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে প্রেরণ করি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে । লাশের পরিচয় পাওয়ার জন্য তদন্ত চলছে ।
ইন্দুরকানীতে গাছের চারা বিতরণ
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ঃ
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে বণ বিভাগের উদ্দ্যোগে ১২শত গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা বণবিভাগ মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে নির্মিত উপজেলার বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পে ফলজ চারা বিতরণ করেন। চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি এ্যাড. এম. মতিউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুন্নেছা খানম, বণ বিভাগের জেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, জেপি সভাপতি মোঃ আসাদুল কবির তালুকদার (স্বপন), সদস্য সচিব মোঃ শাহিন হাওলাদার, আওয়ামীলীগ নেতা মাহমুদুল হক দুলাল, মুক্তিযোদ্ধা আঃ লতিফ হাওলাদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বণ বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ সেলিম, ইন্দুরকানী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আজাদ হোসেন বাচ্চু প্রমুখ।
নলতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাস্ক বিতরণ
তরিকুল ইসলাম লাভলু, কালিগঞ্জ
করোনা লকডাউনের কারণে দীর্ঘ দেড় বছর পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাংসদ অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকের নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাদের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কি-ার গার্ডেনে নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক সরবরাহ করেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নলতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ খাদেমুল ইসলাম তুফান। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এই মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়।
এসময় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী তুফান প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সকল শিক্ষার্থীদের কাছে দোয়া, সহযোগিতা এবং সমর্থন কামনা করেন।
বৈরী আবহাওয়ায় বৃষ্টির মধ্যে নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নলতা আহছানউল্লাহ প্রি ক্যাডেট এ- হাইস্কুল এবং নলতা মাদ্রাসায় এসব স্বাস্থ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফি সুজন, নলতা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান নয়ন, সাকিন আল মামুন রাজু, আকাশ সরকার, আজমীর আহছান, জাহিদ হাসান সানি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।










































