মিলি রহমান।।
কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যাসহ পেটের নানা জটিলতা দূর করতে সহায়ক ইসুবগুলের ভুসি। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ডায়রিয়া প্রতিরোধসহ আরো অনেক অসুখে এটি উপকারী। আর তাই পেটের গন্ডগোল হলে রাতে খাবার খাওয়ার পর অনেকেই পানিতে কয়েক চামচ ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। অনেকেই জানেন না ইসবগুলের ভুসি কেবল পেট পরিষ্কার করে না, খাবার হজমের সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়রিয়া কিংবা রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ইসবগুল দিনের ঠিক সময় খেতে হবে। তবে কেবল পানিতে গুলে খেলেই হবে না। রোগ বুঝে কখনো টক দই কিংবা কখনো ঠান্ডা দুধে মিশিয়ে খেতে হবে।
কীভাবে ইসুবগুলের ভুসি খাবেন
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খান। যদি কোনো গুরুতর সমস্যা হয়, তাহলে কুসুম গরম পানির পরিবর্তে দুধ দিয়েও ইসবগুল খাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দুধে ইসবগুল মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে তারপর খেতে হবে। রাতে খাবার খাওয়ার পর ইসবগুল খাওয়া যেতে পারে।
অম্বলের মতন সমস্যা হলে ঠান্ডা দুধে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এতে বুকজ্বালার সমস্যা কমবে।
নানা শারীরিক সমস্যা ছাড়াও ওজন নিয়ন্ত্রণে ইসবগুল কাজ করে। এটি খেলে অন্তত অন্যান্য খাবার খাওয়া থেকে নিজেকে কিছুক্ষণ বিরত রাখা যায়। আবার পেট খারাপ কিংবা ডায়েরিয়া হলে ঘরে পাতা টক দই দিয়ে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কিংবা বাড়তি শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানিতে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।











































