নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

10
Spread the love


পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছার খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আনিত কর্মচারী নিয়োগ ও আর্থিক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগের প্রথম পর্যায়ের তদন্ত সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্তে কর্মচারী নিয়োগ ও আর্থিক ব্যয়ের হিসাবে গরমিল উঠে এসেছে। যদি ও তদন্তে কোন অনিয়ম দূর্নীতির প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার। এদিকে দ্বিতীয় পর্যায়ে অধিকতর তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান শেখ কে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০২৪ সালের ১২ জুলাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার ও ম্যানেজিং কমিটির তখনকার সভাপতি অনিয়ম দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদে ৩ জন কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেন এবং ২০২২- ২০২৩ অর্থ বছরে বিদ্যালয়ের অনূকূলে প্রাপ্ত সরকারি প্রণোদনা ৫ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ করা হয়। ২০-০৮-২০২৪ তারিখ এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন প্রকাশ চন্দ্র সরকার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর ঈমান উদ্দিন কে। সরেজমিন তদন্ত শেষে ২৬-০৯-২০২৪ তারিখ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ঈমান উদ্দিন। প্রতিবেদনের মন্তব্য কলামে তিনি উল্লেখ করেছেন বিধি মোতাবেক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে ও চুড়ান্ত ভাবে সুপারিশকৃত কোন পদে নিয়োগ পত্র প্রদান করা হয়নি। যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১০-০১-২০২৪ তারিখের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালা সংক্রান্ত পরিপত্রের পরিপন্থী। প্রণোদনা হিসেবে প্রাপ্ত ৫ লাখ টাকার মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা মাস্টার রোলের মাধ্যমে খরচ করা হয়েছে এবং সভাপতি প্রধান শিক্ষকের সীল স্বাক্ষর থাকলেও ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বিল ভাউচারে ক্রয়কারী সহ সভাপতি প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর নাই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দাখিল করার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুনরায় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হতে পারে বলে এমনটাই জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ। এ প্রসঙ্গে তদন্তে অনিয়ম দূর্নীতির কোন প্রমাণ মেলেনি এবং পরবর্তী তদন্তে ও সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার প্রমাণ মিলবে বলে দাবি করেন প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার।