বিক্ষোভ, ধর্মঘটে উত্তাল ইসরাইল

80
Spread the love


অনলাইন ডেস্ক।।
ইসরাইলজুড়ে বিক্ষোভ ও ধর্মঘট চলছে। সরকারকে যুদ্ধ শেষ করতে এবং গাজায় আটক সব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনার জন্য চুক্তি করতে চাপ সৃষ্টির জন্য এই বিক্ষোভ, ধর্মঘট। এ খবর দিয়েছে অনলাইন হারেৎজ। এই প্রতিবাদের উদ্যোগ নিয়েছে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলায় ইসরাইলে নিহতদের পরিবার ও জিম্মিদের স্বজনরা। তাদের আহ্বানে বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। অন্যরা কর্মীদের কাজে না যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। যদিও হিস্টাড্রুট শ্রমিক ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মঘটে যোগ দেয়নি, তবে সদস্যদের ব্যক্তিগত অংশগ্রহণের সুযোগ রেখেছে। প্রায় ৯০টি পৌরসভা জিম্মি পরিবারের আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছে। গাজা সীমান্তবর্তী কিছু কিবুত্জ ও স্থানীয় পরিষদ কর্মসূচিতে সরাসরি যোগ দেবে।

নিহত ও জিম্মিদের পরিবার নিয়ে গঠিত হয়েছে অক্টোবর কাউন্সিল। তারা এ দিনটিকে কর্মসূচি সংগঠিত করছে। তারা ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা নিয়ে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনেরও দাবি তুলছে। বিরোধী আন্দোলনকারী গোষ্ঠীগুলোও এতে যোগ দিচ্ছে। আয়োজকদের মতে, সারাদেশে প্রায় ৩০০ স্থানে বিক্ষোভ হচ্ছে। উত্তর দান থেকে দক্ষিণ এলিয়াত পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছে। রাস্তার মোড়ে, মহাসড়কে ও শহরের প্রবেশপথে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও শোভাযাত্রা হচ্ছে। প্রতিবাদ শুরু হয়েছে সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে। ঠিক এ সময়ে হামাসের ৭ অক্টোবর আক্রমণ হয়েছিল। দিনের প্রধান কর্মসূচি হবে তেল আবিবের হোস্টেজ স্কোয়ারে সন্ধ্যার সমাবেশ, যার আগে আরলোসরফ ট্রেন স্টেশন থেকে মিছিল হয়। সকাল ৭টায় জিম্মি পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার কথা। দিনভর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও জিম্মিদের পরিবার স্কোয়ারে বক্তব্য রাখবেন। হোস্টেজেস অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিজ ফোরাম সেখানে জনসাধারণ ও পরিবারের মধ্যে সাক্ষাতের আয়োজন করবে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উদ্দেশ্য একটাই- জিম্মি ও সেনাদের জীবন রক্ষা। এ লক্ষ্যেই সবাই একত্রিত হচ্ছে। অন্য যে কোনো বার্তা বা দাবি অন্যদিন তোলা যাবে। এখন আমরা জিম্মি ও সেনাদের চারপাশে ঐক্যবদ্ধ। এদিকে ইসরাইলি পুলিশ হাজার হাজার পুলিশ ও বর্ডার গার্ড মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে । পুলিশ স্পষ্ট করেছে, প্রতিবাদ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে আগুন জ্বালানো, প্রধান সড়ক অবরোধ করা কিংবা সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত করা নয়।