স্পোর্টস ডেস্ক
৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেম ইমার্জিং দল জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচে জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ২২৫ রানে অলআউট হয়ে শঙ্কায়ই পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে ব্যাটের পর বল হাতেও দৃঢ়তা দেখিয়ে ম্যাচ জেতান মাহফুজুর রহমান রাব্বি ও রাকিবুল হাসান। তাতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নেয় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।
আজ শুক্রবার রাজশাহীতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৪৫.৫ ওভারে অলআউট হয়ে যায় ২২৫ রানে। ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮.২ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১১৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫১ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অধিনায়ক আকবর আলী। এরপরই প্রতিরোধ গড়েন রাব্বি ও রাকিবুল। ১১৮ রানে ৮ উইকেট হারানো দলকে ১০ নম্বরে নেমে ২০২ রানে পৌঁছে দিয়ে আউট হন তিনি। ৪০ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ রান করেন তিনি। ৭৭ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন মাহফুজুর।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশি স্পিনারদের তোপে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। টপ অর্ডারে জর্জ ফন হির্ডেন ছাড়া কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। চার্লেস মোগাকানে ছাড়া ব্যর্থ হন মিডল অর্ডারের বাকি ব্যাটাররাও। হির্ডেন ৪২ বলে ৩৪ রান করে দলীয় ৬৭ আর মোগাকানে ৪১ বলে ৩৫ রান করে দলীয় ৮০ রানে বিদায় নেন। ৯৪ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়েছিল সফরকারীরা। তবে অষ্টম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে প্রোটিয়াদের জয়ের স্বপ্ন দেখান তিয়ান ফন ভুরেন ও এনকোবানি হ্যান্ডসাম মোকোয়েনা। দুজনের জুটিতে আসে ৫৪ রান।
৩৪ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪০ রান করা ভুরেনকে ফিরিয়ে ভয়ঙ্কর জুটিতে ভাঙেন শেখ পারভেজ জীবন। এরপর অবশ্য ইন্নোসেন্ট এনতুলিকে নিয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মোকোয়েনা। তাকে কোনোভাবেই থামাতে পারছিল না লাল সবুজের বোলাররা। এনতুলির সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়েন তিনি। ২৪ বলে ১৭ রান করে রাকিবুল হাসানের বলে এলবিডব্লিউ’র শিকার হন এনতুলি। এরপর মোকোয়েনাও রান আউট হলে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। ৪৭ বলে ২ ছক্কা ও ২ চারের মারে ৩৭ রান করেন মোকোয়েনা।
বাংলাদেশের হয়ে ২৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে সবচেয়ে সফল রাকিবুল। ১০ ওভারের বোলিংয়ে দুই ওভারে আদায় করেন মেডেনও। ৩৬ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন রাব্বি।