স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা সদর থানার বাগমারা এলাকার একটি চুরির ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ আব্দুল আজিজ গুলিবিদ্ধসহ ৫ জনকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করা ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার।
বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে গুলিবিদ্ধ আজিজের বোন হাসি আক্তার এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, খুলনা থানায় গত ৪ মে গুলিবিদ্ধ আব্দুল আজিজের বাবা মোঃ খলিল শেখ বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। কিন্তু পুলিশ অজ্ঞাত কারনে সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে গুলিবিদ্ধ আজিজের পরিবারের আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। সদর থানার ওসি সন্ত্রাসী কালা রানা বাহিনীর পক্ষ নিয়ে নিরীহ পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের আটক করে। প্রকৃত সন্ত্রাসীরা অবাধে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ও গুলিবিদ্ধ আব্দুল আজিজের পরিবারের সদস্যদের জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাত দিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। স্থানীয় একটি মহল আজিজের পরিবারের সুনাম ক্ষুন্নের জন্য কল্প কাহিনী সাজিয়ে প্রচার করে। এই চুরির সাথে গুলিবিদ্ধ আব্দুল আজিজসহ তার পরিবারের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। এই মিথ্যা তথ্য সরবরাহের জন্য খুলনা থানার ওসির সম্পূর্ণ কল্প কাহিনী সাজিয়েছেন। তিনি সকল সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য যাচাই বাছাই করে প্রচারের বিনিত আহ্বান জানান।
বর্তমানে আব্দুল আজিজ গুলিবিদ্ধ হয়ে এখন ঢাকায় চিকিৎসাধীন। অপর এক সদস্য সিরাজুল সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে মারাত্মক জখম হয়। এছাড়াও তাদের পরিবারের নারী/পুরুষসহ আরো ৬ জন আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে আমরা খুলনা সদর থানায় গত ৪ মে বেলা সাড়ে ১২টায় ৮ জনের নাম সহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের হলেও পুলিশ কোন আসামিকে আটক করনে। অথচ সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে খুলনা সদর থানার ওসির পরামর্শে পরদিন ৫ মে আলেয়া (৬৬) কে বাদী করে ১৩ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামী করে পাল্টা মামলা করিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। তারপরই
সদর থানার পুলিশ সাথে সাথে আজিজের পরিবারের ৪ জনকে ফুসলিয়ে থানায় এনে আটক করে ও জেল হাজতে প্রেরণ করে। আটককৃত শফিকুল, সোহেল, শহিদুল ও বাশার এরা সকলে বালি ও ইট বহনের শ্রমিক। তারা সঠিক তথ্য ও প্রমাণের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জন্য আহবান জানান।
তারা প্রকৃত সন্ত্রাসী কালা রানা বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও গুলিবিদ্ধ আজিজের পরিবারের সদস্যদের পুলিশী হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়।











































