স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগরীর চার থানা এলাকায় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন তৎপরতা ছিল না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে রাত নয়টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩০জনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, খুলনা জেলা শাখা’র ব্যানারে এই মিছিল হয়।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খুলনায় এটাই আওয়ামী লীগের প্রথম কোনও কর্মসূচি। ওই মিছিলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ব্যানারে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি ছিল। এ সময় ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘শেখ হাসিনার সরকার, বারবার দরকার’, ‘শেখ হাসিনা ফিরবে আবার বীরের বেশে’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়। অপরদিকে সোনাডাঙ্গা থানার মজিদ সরণীতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু কর্মীরা একই কায়দায় ঝটিকা মিছিল বের করে।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল বাশার বলেন, ‘হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমেই কিছু লোক আওয়ামী লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল করে পালিয়ে গেছেন। সকালের দিকে রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল। পুলিশ মিছিলকারীদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা করছে।
সোনাডাঙ্গা থানার জলিল সরণীতে আওয়ামিলীগ ও অংগসমূহের নেতৃত্বে একটি মিছিল সকালে বের হয়। এ সময় স্থানীয় জনগন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
সোনাডাঙ্গা থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মিজানুর রহমান জানান, আটককৃত ছাত্রলীগ নেতা ওয়ালিদহাসান ইসান ১৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। অন্যান্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
খালিশপুর থানার ১৪ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কতিপয় আওয়ামীলীগ ও অংগসমূহের নেতাদের উদদোগে একটি ঝটিকা মিছিল বের করে সকালে। মিছিলটি পলিটেকনিক কলেজের সামনে থেকে বৈকালী এলাকা ঘুরে শেষ করে।
এছাড়াও আড়ঘাটা থানার জলিল সড়ক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল বের হয় বলে জানা গেছে।
পরে রাত নয় টার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ আহসান হাবীব জানান, নগরীর বিভিন্ন থানায় ২৫জনকে আটক করা হয়েছে।











































