ক্লিনিক থেকে শিশু নিয়ে পালানোর চেষ্টায় যাবজ্জীন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

28
Spread the love


স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা সদর থানার মানব পাচার মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোছা. শারমিন আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের খুলনা সদর থানা প্রাঙ্গণে ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
তিনি জানান, ২০২০ সালের ১১ মে সকাল সাড়ে ১১টা টার দিকে নগরীর বাইতিপাড়াস্থ “মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা মেটার্নিটি” ক্লিনিকে বাদী মো. আশিক শেখের স্ত্রী মোছা. আশা খাতুন একটি মেয়ে সন্তান প্রসব করে। পরবর্তীতে বাদীর স্ত্রী অজ্ঞান থাকা অবস্থায় নবজাতক শিশুটি বাদীর শাশুড়ী মোছা. লাভলী খাতুনের নিকট ছিল। এ দিন বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে বিকাল সাড়ে ৬টার মধ্যবর্তী সময়ে আসামী মোছা. শারমিন আক্তার বাদীর শ্বাশুড়ীকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে সু-কৌশলে নবজাতক শিশুটিকে “মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা মেটার্নিটি” ক্লিনিক থেকে অপহরণ করে। এ সময় তিনি রিক্সাযোগে রওনা করলে রিক্সাচালক মো. হুমায়ুন কবিরের সন্দেহ হয়, তিনি স্যার ইকবাল রোডস্থ খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে আশপাশের লোকজনদেরকে ডাক চিৎকার দেয়। এসময় আশপাশের লোকজন এসে আসামী মোছা. শারমিন আক্তারকে নবজাতক শিশুসহ আটক করে। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ১২ মে খুলনা থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
এ মামলায় আসামি পলাতক ছিল এবং পলাতক আসামি মোছা. শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে যাবজ্জীবন কারাদন্ড সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারী পরোয়ানা খুলনা সদর থানায় ইস্যু হয়। বুধবার খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম বাগেরহাট জেলার রামপাল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রাত সোয়া ২টার দিকে গৌরাম্ভা এলাকার নিজ বাসা থেকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোছা. শারমিন আক্তারকে নারী পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। বিফ্রিংয়ে কেএমপি’র খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন খাঁন এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নিমাই কুমার কুন্ডসহ অন্যান্য অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ১০
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ১ কেজি ৯০ গ্রাম গাঁজা ও ৯৯ পিস ইয়াবাসহ ১০ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার সত্যরঞ্জন সরকারের ছেলে প্রীতম সরকার (২৫), সোনাডাঙ্গা মডেল ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকার মো. হালিম শেখের ছেলে মো. হাসিব শেখ (২০), জিন্নাহপাড়ার মৃত. আ. হাকিমের ছেলে ফেরদাউস ফিদ্দু (৫০), কৈয়া বাজার বিধান সড়কের মৃত. আহাদ আলী ফরাজীর ছেলে মো. নুর ইসলাম (৩৫), রায়েরমহল পশ্চিম পাড়া কুলতলার মৃত. শেখ রমজান আলীর ছেলে মো. জনি শেখ (৪৭), সোনাডাঙ্গা রহমতপাড়ার মৃত. ফারুকুল ইসলামের ছেলে শেখ নাঈম হাসান (২৫), মহির বাড়ী বড় খালপাড়ের দিলীপ দাশের ছেলে জয় দাশ (২৩), দৌলতপুর দেয়ানা পূর্বপাড়ার মো. মন্টু শেখের ছেলে মো. কুতুব শেখ (৪৫), বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানার রায়ান্দা কুড়েখালীর মৃত. আব্দুল আলীর মেয়ে বুলু বেগম (৫০) ও মাগুরা জেলা সদরের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে
মো. বিল্লাল হোসেন (৩১)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহা. আহসান হাবীব জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ১ কেজি ৯০ গ্রাম গাঁজা ও ৯৯ পিস ইয়াবাসহ ১০ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।