খুলনার ৩ উপজেলায় জামানত হারাচ্ছেন ১৯ প্রার্থী

12
Spread the love


স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ডুমুরিয়া, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ১৯ প্রার্থী তাদের জামানত হারাচ্ছেন।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফারাজী বেনজীর আহমেদ জানান, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করে নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়া প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোট ৮৪ হাজার ১৯৭। এ উপজেলার ৬ প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের কৃষ্ণপদ মন্ডল ১ হাজার ৪৯, স্বতন্ত্র মো. আছাদুল বিশ্বাস ৪৮০ এবং স ম শিবলী নোমানী রানা ১ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন।

পাইকগাছায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোট ৮৪ হাজার ৯৩। প্রার্থী ছিলেন ৯ জন। এর মধ্যে এস এম হাবিবুর রহমান ৪ হাজার ২৭৮ ভোট, ফরহাদ হোসেন ফয়সাল ৮ হাজার ৫৯৫ ভোট, মিলন মোহন মন্ডল ৩ হাজার ২৮৫ ভোট, মো. বজলুর রহমান ৯ হাজার ৪৯১ ভোট, বাবুল শরীফ ৬ হাজার ৪৫৫ ভোট, মো. শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ ৫ হাজার ৫৮৫ ভোট ও মো. সিরাজুল ইসলাম ১০ হাজার ৯ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোট ৮৪ হাজার ৯১। প্রার্থী ছিলেন ৪ জন। এর মধ্যে ইয়াসমিন বুসরা ৬ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন।

এদিকে কয়রায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোট ৬৮ হাজার ১৬৭। ৩ প্রার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৫৫৪ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন স্বতন্ত্র অনাদী সানা।

এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোট ৬৮ হাজার ১৬৯। প্রার্থী ছিলেন মোট ৯ জন। এর মধ্যে আব্দুর রব খোকন ২ হাজার ৮১৭ ভোট, আব্দুর রাজ্জাক ৪ হাজার ৮৯২ ভোট, কমলেশ কুমার সানা ৩ হাজার ৭৫৫ ভোট, দিলীপ কুমার বৈরাগী ৩ হাজার ১০ ভোট, মো. দিদারুল ইসলাম ১ হাজার ৯১৩ ভোট, মো. শফিকুল ইসলাম মোল্লা ১ হাজার ৭০০ ভোট ও শেখ আব্দুর রশিদ ৪ হাজার ৪ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন। তবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ প্রার্থীর কেউ জামানত হারাচ্ছেন না।

অন্যদিকে ডুমুরিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদের ৩ প্রার্থী, ৪ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ৩ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর কেউ জামানত হারাচ্ছেন না।