কৃমি শিশুদের মেধা বিকাশ ও স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দেয়-তালুকদার আব্দুল খালেক

4
Spread the love


তথ্য বিবরণী।।

খুলনায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে খুলনার খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন। আগামী ২৯ মে পর্যন্ত কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ চলবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, কৃমি শিশুদের মেধা বিকাশ ও স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দেয়। শিশুসহ সকলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়া উচিৎ। সরকার শিশুদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে ২০০৫ সাল থেকে বছরে দুইবার জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ পালন করে আসছে। নগরীর সকল ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। তিনি বলেন, শিশুদের সুরক্ষার দায়িত্ব সকলের। যেকোন খাবারের আগে ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। সরকার বিভিন্ন দিবস পালন করে জনগণকে সচেতন করার জন্য। সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। শারীরিক সুস্থ থাকার জন্য যে কাজগুলো করা দরকার সেগুলো আমাদের করতে হবে। শরীর সুস্থ না থাকলে জীবনে ভালো কিছু আশা করা যায় না। শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীসহ সকলের প্রচেষ্টায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল হবে বলে তিনি আশা করেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সানজিদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের উপপরিচালক ডাঃ ফেরদৌসী আক্তার, সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ সফিকুল ইসলাম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারহানা নাজ, কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বপন কুমার হালদার ও বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডাঃ নাজমুর রহমান সজিব। অনুষ্ঠানে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ নাইমুল ইসলাম (খালেদ), কেসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরসহ সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ চলাকালে এবছর খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ৫৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঁচ থেকে ১২ বছর বয়সী মোট ৯৩ হাজার আটশত ৭২ শিশু এবং ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী মোট ৫৫ হাজার আটশত ৯৮ জন শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল এবং কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় বছরে দুইবার কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ পালন করা হয়। সপ্তাহ চলাকালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সমপর্যায়ের মাদ্রাসা, মক্তব ও এতিমখানাসমূহে ৫-১৬ বছরের সকল শিক্ষার্থী এবং স্কুল বহির্ভূত শিশু, পথশিশু, ঝরেপড়া ও শ্রমজীবী শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট (এ্যালবেন্ডাজল ৪০০ মি.গ্রাম) খাওয়ানো হবে।