খুলনা অঞ্চল ও আশপাশের সব খবরা খবর

17
বিদুৎচ্চালিত যন্ত্রে ময়দার খামির দিয়ে চিকন সেমাই তৈরি করছেন মমতা বেগম। বছরের পর বছর ঐতিহ্য ধরে রেখেছে বগুড়ার চিকন সেমাইপল্লি।
Spread the love

ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ ইসলামী ছাত্র আন্দোলন খুলনা জেলার
খবর বিজ্ঞপ্তি
গতকাল মঙ্গলবার (২ এপ্রিল ) বিকাল ৫ টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদ মোল্লা এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাও: আব্দুল্লাহ ইমরান।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সেক্রেটারি মুফতি ইমরান হুসাইন, জেলা সেক্রেটারী আসাদুল্লাহ আল গালিব, মো: আবু গালিব, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন, ইনামুল হাসান সাঈদ, মোহাম্মদ আবু রায়হান, মাওলানা মাহবুবুল আলম, মো: তরিকুল ইসলাম কাবির, হাবিবুল্লাহ মেসবাহ।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ নাঈমুল ইসলাম, মো: রফিকুল ইসলাম, মোঃ শরিফুল ইসলাম , মোঃ হাবিবুল্লাহ , মোঃসাইদুল ইসলাম, মহিবুল্লাহ হাওলাদার সোহান, মোঃ আব্দুল আলিম, মো:শাহরিয়ার নয়ন, মো: মাসুম বিল্লাহ, মো: আবু নাঈম গোলদার, মো: মইন ঊদ্দীন, মো: মীর রেস্তাদুল, মো: আরফাত জামিল, মো: হাসিবুর রহমান পান্নু সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পাইকগাছায় ফাহিম মৎস্য আড়ৎ এর বিরুদ্ধে সংবাদের বিরুদ্ধে দুই মৎস্য সমিতির নিন্দা
পাইকগাছা (খুলনা) প্রকিনিধি:
পাইকগাছায় মেসার্স ফাহিম মৎস্য আড়ৎ এর বিরুদ্ধে কাল্পনিক মাছ চুরির অভিযোগ এর সংবাদের বিরুদ্ধে দুই মৎস্য সমিতির নিন্দা বিবৃতি। পাইকগাছা চিংড়ি বিপনন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও পাইকগাছা আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক মিঠু লিখিত বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন খবরের কন্ঠ নামে একটি অনলাই পত্রিকায় মেসার্স ফাইম মৎস্য আড়ত এর বিরুদ্ধে মাছ চুরীর অভিযোগ শিরোনাম প্রকাশিত সংবাদটি সত্য নহে। ওই আড়তের কর্মচারী মালিক আড়তে না থাকার কারণে তার অগোচরে ঘটনার বিষয় তাৎক্ষনিক ভাবে নিষ্পতি করা হয়। মৎস্য আড়তের মালিক মোঃ জিন্নাত সানা পাইকগাছা চিংড়ি বিপনন সমবায় সমিতির এর সভাপতি ও মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সদস্য। তাহার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মুলক কাল্পনিক আক্রোশ মুলক খবের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান তারা। এ বিষয় ফাহিম আড়ৎ এর মালিক মোঃ জিন্নাত আলী সানা জানান, আমার আড়তে কর্মচারীরা আমার অগোচরে যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেটি তাৎক্ষনিক মিমাংশা করে মৎস্য আড়ৎদারী কর্তৃপক্ষ। এ সব বিষয় আমি কিছুই জানিনা। তিনি আরো বলেন, আমি একজন কমিশন এজেন্ট। বিভিন্ন মৎস্য ব্যবসায়ীরা আমার এজন্টে মাছ বিক্রি করে থাকে। মাছ বিক্রির সময় কম বেশী হতেই পারে। স্টার ফিস পাইকগাছা বাজারে সুনামের সাথে ব্যবসা করছে। এ বিষটি নিয়ে একটি মহল অতি উৎসাহী হয়ে কাল্পনিক খবর প্রকাশ করেছে। আমি ওই সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।

 

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে শ্রম অসন্তোষসহ যে কোন অভিযোগ গ্রহণ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি বিষয়ে কন্ট্রোলরুম স্থাপন

তথ্য বিবরণী

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বে বিভাগীয় শ্রম দপ্তর খুলনার অধিক্ষেত্রাধীন শিল্প সেক্টরসমূহের শ্রম পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার জন্য বেতন-ভাতা-বোনাস, ছুটি ইত্যাদি সংক্রান্ত শ্রম অসন্তোষসহ যে কোন অভিযোগ গ্রহণ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি বা শ্রম অসন্তোষ নিরসনকল্পে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে।

আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত অফিস চলাকালীন (সকাল নয়টা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটা) পর্যন্ত কন্ট্রোলরুম খেলা থাকবে। কন্ট্রোলরুমের নম্বর: ০২৪৭৭৭২৮১০৮, ০২৪৭৭৭২৮১১৩, ০২৪৭৭৭২৮১১৪, ০২৪৭৭৭২৮১১৬ ও ০২৪৭৭৭৭২৮১১০। এছাড়া মোবাইল নম্বর: ০১৭১৬০৯১৩২৪, ০১৭২১৩৮৮০৫০, ০১৭১৫৫৪৯১৭৯, ০১৭১২১৪১৮২৫, ০১৭১৬২১৪০০৯, ০১৯২৯৪৪২৬৫৩. ০১৭৫৯০৪৫৯৩৯, ০১৭১৬২৫২৪৫০, ০১৭৩৯৬৮২৭০৬, ০১৭১৪৫৯৩৩৪৪, ০১৭৬৫৮০১২৯২, ০১৭৫৩৬৬৩৮১৪, ০১৭১৩৯৫৫৬১০ ও ০১৭১৯৫৬৮৬৬৯ মোবাইল নম্বরে বা অন্যকোন মাধ্যমে যেকোন ধরণের অভিযোগ, শ্রম অসন্তোষের খবর পাওয়া গেলে, সে সম্পর্কে পরিচালককে অবহিত করতে হবে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি কিংবা শ্রম অসন্তোষ নিরসনকল্পে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের এক পত্রের মাধ্যমে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

কেশবপুর বাস মিনিবাস ও ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি গঠন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
কেশবপুর বাস মিনিবাস ও ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার পুরনো কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন ১৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে খন্দকার শরিফুল ইসলামকে আহবায়ক করা হয়েছে। রোববার ট্রাক টার্মিনালে সমিতির কার্যালয়ে ৪৬ জন মালিকের মধ্যে ৩৯ জন উপস্থিত হয়ে নতুন কমিটি গঠনের পক্ষে মতামত প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু সুকেশ অধিকারী। সভাপতির মৃত্যুবরণ ও সাধারণ সম্পাদক চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়াতে থাকায় কমিটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছিলো। যে কারনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মালিকরা জানান। নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মনোনীত হয়েছেন খন্দকার শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন। সদস্য যথাক্রমে, আসাদুজ্জামান, নরেন্দ দেবনাথ, রমেশ চন্দ্র পাল, আবু বক্কর সিদ্দিক, নুরুল হুদা, গৌতম সেন, রফিকুল ইসলাম, সুকেশ অধিকারী, জাহাঙ্গীর হোসেন, আবুল বাশার ও নাজমা খাতুন মনোনীত হয়েছেন । সোমবার নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা সমিতির কার্যালয়ে নবগঠিত কমিটির আহবায়ক খন্দকার শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় । নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, মালিক সমিতির সদস্য গনেষ কুমার পাল, বিল্লাল হোসেন, রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ হুদা, রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাসান, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, অরুপ কুমার দাস, আবুল বাশার প্রমুখ।

নারী সহকর্মীকে কুপ্রস্তাব দিতেন প্রধান শিক্ষক
মো: তাহের, নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দেবী শুলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল আজাদের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের এক নারী সহকারী শিক্ষীকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষক বলেন, বিগত ২০২০ সালে দেবী শুলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। প্রধান শিক্ষক আবুল আজাদ প্রথম দিকে আমাকে ফোন দিয়ে আন-অফিসিয়ালি কথা বলতেন। দিনে-রাতে ২০-৩০ বার ফোন দিতেন। নিষেধ করলেও শুনতেন না। স্যারের নম্বর ব্ল্যাকলিস্টে রাখলেও তিনি অন্য নম্বর দিয়ে ফোন দিতেন। বিদ্যালয়ে গেলে উত্ত্যক্ত করেন ও কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন। বাসায় ফিরে গেলেও ফোনে বিরক্ত করেন। সুযোগ পেলেই অশ্লীল প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে আমাক বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং জমি-বাড়ি-গাড়ি কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখান। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি সহকারী অন্য শিক্ষকরা জানতে পেরে তাকে এ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন। কিন্তু তিনি কোন কথা শোনেননি। উপায় না পেয়ে গত ১০ জানুয়ারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। শিক্ষা অফিস এর তদন্ত করেছে। কিন্তু এখনো ভোগান্তি কমেনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দেবী শুলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই প্রধান শিক্ষক আবুল আজাদ এর সাথে কথা হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধ চক্রান্ত করা হচ্ছে। দেবী শুলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহ নেওয়াজ বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। বিষয়টি এখন আমাদের এখতিয়ারের বাইরে চলে গেছে। এদিকে লোহাগড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা শিক্ষা প্রাথমিক অফিসে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই শিক্ষকের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা) বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটে আনসার ও ভিডিপি’র ঘর তৈরী করা নিয়ে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ
বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটে আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে পাকা ঘর তৈরী করা নিয়ে নানা অনিয়ম ও দূর্নিতীর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, আনসার ও ভিডিপির মহা পরিচালক এর নির্দেশে দেশের ৬৪ টি জেলায় ৩লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট পাকা টিনশেড ঘর তৈরৗ করে দেওয়ার নিদের্শনা দেন। বাগেরহাট জেলায় তার ই একটি ঘর পাওয়ার জন্য মোড়েলঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ফিরোজ সরদার নির্বাচিত হয়। এই ঘর নির্মানের দায়িত্ব পান মোড়েলগঞ্জ উপজেলা আনছার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম। এই ঘর তৈরীতে তার বিরুদ্বে টাকা আত্মস্বাৎ সহ নান অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ঘর পাওয়া ফিরোজ সরদার মুঠোফোনে বলেন, জেলা জেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস থেকে আমাকে বলেছে ঘর তৈরীতে আপনার কোন টাকা পয়সা লাগবে না আপনি শুধু ঘরে বসবাস করবেন। কিন্তু ঘর তৈরীর শুরু করে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আমাকে দিয়ে জানালা গ্রীল ও দরজার জন্য ২৬ হাজার টাকা,বাতরুমের রিং বসানোর জন্য ১২শ টাকা , পিরোজপুর থেকে ইট- বালু আনা খরচ বাবদ ৩ হাজার টাকা দিয়েছি। এরকম বিভিন্ন অযুহাতে আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, আমার এখানে ৮ হাজার ইট আনার কথা ছিল উপজেলা কর্মকর্তা এনেছে ৬ হাজার, সিমেন্ট আনার কথা ছিল ৭৪ ব্যাগ এখানে আনা হয়েছে ৩০ ব্যাগ, এ রকম বিভিন্ন মালামাল কম আনছে। অথচ জেলা অফিসা বলেছিল আমার কোন খরচ হবেনা। এবিষয় কথা বলতে গেলে কাজের মিস্ত্রী ও উপজেলা কর্মকর্তা হুমকী দিয়েছে এসব বিষয় কথা বললে ঘর অন্যজায়গায় নিয়ে যাব।
ফিরোজ সরদারের স্ত্রী সাহানাজ পারভিন বলেন, এপর্যন্ত আমার ঘরের পিছনে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে রিং বসানো লাগবে সে টাকা আমার দেওয়া লাগবে, টিউবয়েলের গোড়া পোস্তা করা ,কলের পানি সরার জন্য পাইপ লাগবে সেটা আমার কিনে দেওয়া লাগবে ভিতে মাত্র এক লাসা ইট দিয়েছে এতে আমার ঘন দূর্বল হয়েছে, ঘরের আড়া রুয়া এক ই সাইজের কেটেছে আড়া মজবুত দেয়নাই তারা আমার এই ঘর তৈরী কাজে অনিয়ম করেছে। আমাকে হুমকী দেয় আপনি এবিষয়ে যদি বাড়া বাড়ী করেন অন্যকে ঘর দিয়ে দিব বা এঅবস্থায় হ্যন্ডওভার করে দিব।
এবিষয় এলাকার জাকির হোসেন সরদার বলেন, এখানে নিন্ম মানের কাজ হয়েছে নিচেয় এক লাসা ইট দিয়েছে কোন রড ব্যাবহার করেনি, ঘরের চালের রুয়োচটা নিন্মমানের দিয়েছে, রুয়া দিয়ে আড়া দিযেছে। ৮টায় একটা সিমেন্ট দিয়েছে। দেওয়ার কথা ৫ টায় ১ টা সিমেন্ট। এলাকার জাহিদ শেখ জানান, এর চেয়ে নিম্মমানের কাজ কোথাও দেখিনি ফুলো চাম্বল গাছ দিয়ে রুয়োচটা দিয়েছে, ভিতে ডিফ দিয়েছে মাত্র ৫ ইঞ্চি আমরা এলাকাবাসী কথাবলতে গেলে হুমকী দেয় কাজ ফেলেরেখে চলে যাব।
স্থানীয় মামুন শেখ বলেন, আনসার ভিডিপির যে কাজ করছে এটা খুবই নিম্নমানের একাজ তদন্ত করে দেখা উচিত।
এবিষয় মোড়েলগঞ্জ উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এখানে কোন অনিয়ম বা দূনির্তী করিনি। আমিকোন টাকা ফিরোজের কাছ থেকে নেয়নি। আমার টাকা ফিরোজের স্ত্রীর কাছে রাখা ছিল সেই টাকা নিয়েছি।
এবিষয়ে কাজের সিডিউল দেখতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সিডিউল দেখাতে পারে নি আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

বাগেরহাট জেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কমান্ডর মোঃ মাজহারুল আসলাম বলেন,মহা পরিচালকের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশে অসহায় দুঃস্থ গরিব আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঘর প্রদান করা হচ্ছে। বাগেরহাটে ও এমন এটা ঘর করা হচ্ছে। ঘর তৈরীর টাকা পয়সা সব মেড়েলগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম কে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো। এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। তবে তৈরীর সিডিউল দেখতে চাইলে তিনি বলেন আমার কাছে ( জেলা অফিসে) কোন কাগজ নাই সব মোড়েলগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তার কাছে আছে। আপনারা চাইলে শফিকের কাছথেকে দেখতে পারেন। তবে ৩লক্ষ৭৪ হাজার টাকা বরাদ্ব রযেছে এটা বরতে পারি। #

 

 

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সব শিক্ষার্থীকে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে একাডেমিক কাউন্সিলে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. রুহুল কুদ্দুছ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ জারি করা হয়।

এর আগে সোমবার বেলা ১২টার দিকে কলেজ চত্বরে ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়।

জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন রাতে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের নিয়ে শোডাউন দেওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ২৭ মার্চ ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মুহিতের ইন্টার্নশিপ দুই মাসের জন্য স্থগিত করে। এরপর ২৯ মার্চ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এই কমিটিতে আব্দুল মুহিতকে সভাপতি ও তানভীর আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মুখোমুখি অবস্থানে ছিল দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে সভাপতি আব্দুল মুহিত ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে অপর গ্রুপের নেতাকর্মীরা। সোমবার দুই পক্ষই ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

বিয়ের তিন মাসেই লাশ হলো সালমা
নিজস্ব প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদরের মধুহাটি ইউনিয়নের হারিজের মোড় এলাকা থেকে কিশোরী নববধূ সালমা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১ এপ্রিল) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। মৃত সালমা খাতুন পার্শ্ববর্তী যাদবপুর গ্রামের আশির মিয়ার মেয়ে।

এদিকে, ঘটনার পর থেকেই সালমা খাতুনের স্বামী রঙমিস্ত্রি মো. সম্রাটসহ বাড়ির সকল সদস্য পলাতক রয়েছেন। সম্রাট পার্শ্ববর্তী বড়বাড়ি গ্রামের মো. জালালের ছেলে।

জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডুগডুগি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশুনা করতো সালমা খাতুন। স্কুলে যাওয়া আসার পথে সম্রাটের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুই পরিবারের সম্মতিতে প্রায় তিনমাস আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হতো। শনিবারও তাদের মধ্যে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়।

সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে ঘরেই ছিল সালমা খাতুন। দুপুরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন সালমার বাবা-মাকে জানান সে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর শ্বশুর লোকজন নিয়ে তাকে ভ্যানে করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসছিলেন। এ সময় হারিজের মোড় এলাকায় পৌঁছালে সালমার বাবার বাড়ির লোকদের দেখে ভ্যানে মরদেহ রেখেই পালিয়ে যান তারা।

ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান জানান, সালমার মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারণ গলায় ওড়না পেঁচালে যে দাগ হয় সেরকম কোনো দাগ পাওয়া যায়নি। তাই সঠিক মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চাকরি হারালেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ জন
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ৩৭ জন কর্মচারীকে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে হাইকোর্টে মামলা করার দায়ে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তারা কেসিসিতে মাস্টাররোলে ৪র্থ শ্রেণি পদে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (১ এপ্রিল) কেসিসির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সানজিদা বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

জানা গেছে, এসব কর্মচারীরা কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্প্রেম্যান, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা প্রহরী ও গাড়ির চালকসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। তারা চাকরি স্থায়ী করার জন্য হাইকোর্টে একটি মামলা করেন। সেখানে তারা বেশ কিছু কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে নকল সিল-স্বাক্ষর দিয়ে জমা দেন।

কেসিসির সচিব সানজিদা বেগম জানান, ৩৭ জন কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে মাস্টাররোলে ৪র্থ শ্রেণির বিভিন্ন পদে কেসিসিতে কর্মরত ছিলেন। কিছুদিন আগে তারা ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর সিটি মেয়রের নির্দেশে তাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

শুঁটকি মৌসুম শেষে ঘরে ফিরছেন জেলেরা, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
হেদায়েৎ হোসেন
বঙ্গোপসাগরের তীরে সুন্দরবনের দুবলার চরে বসা শুঁটকি মৌসুম শেষ হয়েছে ৩১ মার্চ। টানা পাঁচ মাস সেখানকার চরে থেকেছেন কয়েক হাজার জেলে। এখন ঘরে ফিরছেন তারা। কিন্তু ফেরার সময়ে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন জেলেরা।

জেলেরা জানিয়েছেন, সরকারিভাবে চার-পাঁচ হাজার টাকা রাজস্ব নেওয়ার কথা থাকলেও তাদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১৮ হাজার টাকা। অথচ বাড়টি টাকা আদায়ের রসিদ দেওয়া হয় না। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে নিম্ন-শ্রেণির সব কর্মকর্তা-কর্মচারী রেশিও অনুযায়ী ওই ভাগ করে নিচ্ছেন।

অবশ্য বিষয়টি অস্বীকার করে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নুরুল কবির বলেছেন, ‘দুবলার চরের চার শুঁটকিপল্লি থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাজস্ব আদায় করা হয়। বাড়তি অর্থ নেওয়ার কোনও অভিযোগ পাইনি। তবে জেলেরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

শুঁটকিপল্লি থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছয় কোটি ১৭ লাখ ২১ হাজার ৮৭১ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছিল জানিয়ে নুরুল কবির বলেন, ‘ওই বছর লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাড়ে চার কোটি টাকা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং বেশি মাছ আহরণ হওয়ায় রাজস্ব বেড়েছিল। ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল চার কোটি ১৮ লাখ টাকা। এবারও রাজস্ব বাড়বে বলে আশা করছি আমরা।’

দুবলার চর সুন্দরবনের সংরক্ষিত এলাকা উল্লেখ করে নুরুল কবির আরও বলেন, ‘সেটি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগ। জেলেরা বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ আহরণ করলেও দুবলার চরে অবস্থান করায় রাজস্ব আদায় করে বন বিভাগ। ওই চরে যেতে সাধারণত পশুর নদী ব্যবহার করার জন্য জেলেদের উৎসাহিত করা হয়। এক্ষেত্রে জেলেদের শিবসা হয়ে যাওয়া সাশ্রয়ী ও সহজ হলেও বন বিভাগের সঙ্গে জেলেরা আলোচনা করেনি। আলোচনা হলে অবশ্যই জেলেদের জন্য ওই পথ অনুমোদন করা হবে।’

বন বিভাগের তথ্যমতে, গত ৩ নভেম্বর থেকে বঙ্গোপসাগরের পাড়ের সুন্দরবনের দুবলার চরে শুরু হয়েছিল শুঁটকির মৌসুম। শুঁটকির মৌসুম চলেছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। টানা পাঁচ মাস ধরে সেখানকার চরে থেকেছেন অন্তত ১৫ হাজার জেলে। সাগরপাড়ের এই চরে তাদের থাকতে হয়েছে অস্থায়ী কাঁচা ঘরে। জ্বালানি, মাছ শুকানোর চাতাল, মাচাসহ সব ধরনের কাজে সুন্দরবনের কোনও গাছপালা ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়াতে চরে যাওয়া জেলেরা সঙ্গেই নিয়ে গেছেন প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী।

এবার জেলেদের থাকা ও শুঁটকি সংরক্ষণের জন্য বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে দেড় হাজার ঘর, ৬৩টি ডিপো এবং শতাধিক দোকান স্থাপন করা হয়। বঙ্গোপসাগরের সৈকতঘেঁষা কুঙ্গা নদীর পূর্ব পাড়ের দ্বীপটি দুবলার চর নামে পরিচিত। প্রতি বছর খুলনা অঞ্চলের জেলেরা সেখানে গিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে নানা প্রজাতির মাছ আহরণ করেন। সেই মাছ চরের রোদে শুঁটকি করে বাজারজাত করেন তারা।

বন বিভাগ জানায়, সুন্দরবনে এখন ডাকাতের উৎপাত না থাকায় দুবলার চরসহ সাগরে জেলেরা নিরাপদে মাছ আহরণ করতে পারেন। মৌসুমের শুরুতে তারা এখানে এসে ঘর নির্মাণ ও মাছ শুকানোর জন্য মাচা তৈরি করেন। এসব তৈরির জন্য লোকালয় থেকে বাঁশ ও সুপারি গাছসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে আসেন। তাদেরকে সুন্দরবনের কোনও গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয় না। চাতালে দিনে দুবার টহল দেয় বন বিভাগ।

বন বিভাগের তথ্যমতে, প্রতি কেজি মাছ আহরণের জন্য জেলেদের কাছ থেকে ১০ টাকা হারে রাজস্ব আদায় করা হয়। জেলেরা প্রতি ১৫ দিনের মধ্যে সাত দিন মাছ আহরণ করেন। বাকি সাত দিন সেই মাছ শুঁটকি করেন। ১৫ দিন পর পর প্রত্যেকে কী পরিমাণ মাছ আহরণ করলেন, তার হিসাব করে রাজস্ব আদায় করা হয়।
খুলনার পাইকগাছার হিতামপুরের জেলে সুবল বিশ্বাস বলেন, ‘আমার বহরে চার নৌকায় ১৮ জেলে রয়েছেন। এ বছর আমার ৬০ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। কিন্তু মাছ পেয়েছি কম। তাই ১৫ লাখ টাকার মতো লোকসান হবে। ঋণ পরিশোধ করতে পেরেছি। কিন্তু নিজস্ব বিনিয়োগ এখন পর্যন্ত তুলতে পারিনি।’

অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ করে মাহমুদকাঠির জেলে জিহাদুল ইসলাম বলেন, ‘মৌসুমের শুরুতে ২০ জনের টিম নিয়ে দুবলার চরে যেতে আমার খরচ হয়েছে ১৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে কিছু ঋণ, কিছু মহাজনের কাছ থেকে ও কিছু সুদে নিয়েছিলাম। ১৭ কর্মচারীর প্রত্যেকের বেতন ছিল আট থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এবার জ্বালানি তেলের দামও বেশি ছিল। খাবার খরচও বেশি হয়েছে। প্রতি বছর রাজস্ব নেওয়ার সময় অনিয়ম হয়। তবে মাত্রা কম ছিল। এবার চার হাজারের জায়গায় ১৮ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’

মাহমুদকাঠি জেলেপল্লির বিশ্বজিৎ বিশ্বাস বলেন, ‘আর্থিক দুরবস্থা, উন্নত প্রযুক্তির সংকট রয়েছে। তার মধ্য দিয়েও আমরা সমুদ্রে গিয়েছি। নৌকা, জাল, খাবার, পানি—সব কিছু মিলিয়ে ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়, যা দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুদে নিতে হয়। ১০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে বছরে ১৩ লাখ টাকা দিতে হয়। সাগরপাড়ের চরগুলোতে শুঁটকির কাজ চলাকালে পানি সঙ্কট ও চিকিৎসা সঙ্কটে থাকি আমরা। প্রতি বছরই দায়িত্বশীলদের কাছে এসব সমস্যা সমাধানের দাবি জানাই। তবে এ বছর প্রশাসন থেকে খাবার পানির জন্য ফিল্টার দিয়েছে। কিন্তু তা পর্যাপ্ত ছিল না। রাজস্ব প্রতি বছরই বাড়ছে। আবার নির্ধারিত রাজস্বের বাইরেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু বাড়তি টাকা নেওয়া হলেও রসিদ দেওয়া হচ্ছে সরকার নির্ধারিত টাকার। এসব টাকা ভাগ করে নিয়ে যান বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও পল্লির লোকজন।’

রামনাথপুরের জেলে পাচু বিশ্বাস বলেন, ‘ধারদেনা মাথায় নিয়ে সাগরে যাই। ফিরে এসেও ধারদেনায় থাকি। আসলে আমাদের জীবনের কোনও পরিবর্তন হয় না।’

জেলেদের সমস্যা সমাধানে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অওসেড’র নির্বাহী পরিচালক শামীম আরেফিন বলেন, ‘দুবলার চরে জেলেপল্লিতে আবাসন, পানি, পয়োনিষ্কাশনে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা প্রয়োজন। সেখানে কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেশি কিছু করার সুযোগ নেই। কক্সবাজার ও ভোলার জেলেরা দিনে দিনে ফিরতে পারে বা এক-দুদিন থাকতে হয়। কিন্তু দুবলার চরে আবাসন দরকার। সরকার সেখানে জেলেদের বিনামূল্যে থাকতে দেয়। তাঁবুর ব্যবস্থা জেলেদেরই করতে হয়। জেলেরা রাজস্ব দেয়, দেশের মানুষের জন্য আমিষ জোগান দেন। কিন্তু জেলেদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘খুলনা অঞ্চলের জেলেদের দুবলার চরে যাতায়াত সহজ ও সাশ্রয়ী করতে শিবসা খুলে দেওয়ার দাবি পুরোনো। কিন্তু জনবল সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে বন বিভাগের অনুমতি পান না জেলেরা। এখন সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। বনে আধুনিক স্মার্ট পেট্রোল টিম রয়েছে। কোস্টগার্ড রয়েছে। কাজেই শিবসা জেলেদের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানাই।’

বাগেরহাটে হরিণ ও শূকরের মাংসসহ যুবক আটক
জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট
পূর্ব সুন্দরবন থেকে ইয়াসিন হাওলাদার (৩০) নামের এক হরিণ শিকারিকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। এসময় তার কাছ থেকে ২০ কেজি হরিণ ও ২০ কেজি শূকরের মাংস উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (১ এপ্রিল) রাতে শরণখোলা রেঞ্জের চরখালী এলাকার বন থেকে তাকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাকে রেঞ্জ অফিসে আনা হয়।

আটক ইয়াসিন হাওলাদার বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানি এলাকার আলম হাওলাদারের ছেলে।

শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) শেখ মাহাবুব হাসান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারি দলের আরও চার সদস্য পালিয়ে যান। তবে তাদের নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। শিকারিদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। পলাতকদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

স্বাভাবিক সবজির বাজার, দাম বেড়েছে মাছ-মাংসের
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় সবজির বাজার স্বাভাবিক হলেও দাম বেড়েছে মাছ-মাংসের। কমছে না মুরগির দামও। নগরীর একাধিক বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

নগরীর টুটপাড়া জোড়াকল বাজারের সবজি বিক্রেতা নুর আলম রানা জানান, শীতের সবজি না থাকলেও লাউ, পেঁপে, পটোল, মিষ্টি কুমড়া, সজনেসহ নানা ধরনের শাক ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। জানুয়ারি -ফেব্রুয়ারি মাসেও এমন দামে সবজি বিক্রি হয়েছে।
জীবন হাওলাদার নামের আরেক ব্যবসায়ী জানান, বাজারে আলুর দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৪০ টাকায় আলু পাওয়া গেলেও গত ২-৩ দিন ৪৫ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। বাজারে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে পেঁয়াজ।

ওই বাজারের মাছ বিক্রেতা ফরিদ জানান, বাজারে ৬০০-৭০০ টাকার নিচে কোনো চিংড়ি নেই। তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই, কাতলা, মৃগেল ২২০-২৮০ টাকা, ইলিশ মাছ ৮০০-১২০০ টাকা, টেংরা ৪০০-৬০০ টাকা, শোল ৫০০-৬০০ টাকা ও পাবদা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ বাজারে মুরগি বিক্রেতা মনির জানান, বাজারে ২১০ টাকায় ব্রয়লার, ২৯০ টাকায় সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে।

বাড়ির পেছনে ভাসছিল শিশুর মরদেহ, সৎ মা আটক
যশোর অফিস
যশোরে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর জোনাকি খাতুন (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২এপ্রিল) দুপুরে শহরের মডেল মসজিদের পেছনে একটি পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত জোনাকি খাতুন বেনাপোল পোড়াবাড়ি এলাকার শাহিন তরফদারে মেয়ে। জোনাকি খাতুন শাহিনের প্রথম স্ত্রীর ছোট সন্তান। বর্তমানে শাহিন তরফদার দ্বিতীয় স্ত্রী নার্গিস বেগমকে নিয়ে শহরের মডেল মসজিদের পেছনে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন।
জোনাকির দাদির দাবি, সৎ মা পরিকল্পিতভাবে জোনাকি খাতুনকে হত্যা করেছে।

স্বজনরা জানিয়েছেন, জোনাকি খাতুন বেনাপোলে দাদার বাড়িতে থাকে। ছয়দিন আগে বেনাপোলের দাদা বাড়ি থেকে যশোরের রেলগেট এলাকায় পিতার বাড়িতে বেড়াতে আসে। সোমবার দুপুর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুজি পরে মঙ্গলবার দুপুরে জোনাকির মরদেহ বাড়ির পেছনের পুকুরে ভেসে থাকতে দেখা যায়। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্বজনদের দাবি স্বামী শাহিনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই সৎ মা নাগিস বেগম জোনাকি খাতুনকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন বলে।

জোনাকির মেজো বোন চুমকি খাতুন বলেন, আমার ছোট বোন বেনাপোলে আমার দাদির কাছে থাকে এবং সেখানে তৃতীয় শ্রেনীতে পড়াশুনা করে। আমার আব্বুর (শাহিন তরফদারে) অনেক সম্পত্তি আছে। আমার সৎ মা সেগুলো তার করে নিতে চায়। সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পরিকল্পিতভাবে সৎ মা নাগিস বেগম আমার বোন জোনাকি খাতুনকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন।

নিহতের দাদি সুববান বেগম বলেন, আদর যত্নে আমার কাছে বড় হচ্ছিল জোনাকি। আমার ছেলের কাছে ঘুরতে আইছিল ছয়দিন আগে। সোমবার শুনি আমার কলিজার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পরে আমি অনেক খোঁজাখুজি করেও কাল আর পাইনি। মঙ্গলবার একজন বললো বাড়ি পেছনের পুকুরে জোনাকির মরদেহ ভাসছে। পানি থেকে জোনাকি এর উঠিয়ে দেখি হাটু, পা, হাত, গলা শরীরে সব জায়গায় ক্ষত চিহ্ন। আমার নাতনীরে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যার বিচার চাই।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, অনুসন্ধান চলছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসারবাদের জন্য সৎ মা নার্গিস বেগমকে আটক করা হয়েছে।’

 

ফকিরহাটে গ্রামীণ পাকা সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট সদর ইউনিয়নের পাগলা এলাকায় একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ পাকা সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্ভোধন করেন। মঙ্গলবার (২রা এপ্রিল) বেলা ১১টায় পাগলা এলাকায় এ সড়কের শুভ উদ্ভোধন করা হয়। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঠিকাদার মো. আসলাম আলী শেখ, দপ্তর সম্পাদক নির্মল কুমার দাশ, ইউপি সদস্য, সুমন মল্লিক, মো. মোস্তাকিন বিল্লাহ, শেখ আলী আহম্মেদ ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ। উল্লেখ্য পাগলা এলাকার এই ইটের সলিং রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের চলাচলে অনুপোযোগি হয়ে পড়ে। অবশেষে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশের হস্তক্ষেপে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হচ্ছে। এলজিইডি বাগেরহাট প্রকল্পের ৮নং প্যাকেজের এই রাস্তাটি নির্মাণ কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮৫লাখ টাকা। ওই সড়কটি পাকাকরণ করার জন্য স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

ফকিরহাটে ২৫ কেজি করে চাউল পেল ১৯০ দুস্থ্য পরিবার
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে উপজেলার পাগলা দেয়াপাড়া এলাকায় ২৫ কেজি করে চাউল বিতরণ করা হয়েছে ১৯০দুস্থ্য পরিবারের মাঝে। পাগলা দেয়াপাড়া এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফেরদাউস আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব দরীদ্র পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়। সোমবার ও মঙ্গলবার দুইদিনে চাল বিতরণকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শফিকুর রহমান, শেখ আবুল কালাম, ফারুক হোসেন, লিটন শেখ ও আজিজ শেখ প্রমূখ। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে এই চাউল পেয়ে এসব পরিবার খুশি। উল্লেখ্য, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফেরদাউস আলম দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করা সহ অসহায় মানুষের পাশে থাকেন বলেও স্থানীয়রা জানান। #

 

গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক কার্ডিয়াক সেন্টারের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার
দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবায় গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরাবরই নতুন নতুন বিভিন্ন ইউনিট ও সেবা চালু করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আধুনিক, তুলনামূলক স্বল্প খরচে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ারদর লক্ষে হাসপাতালটি আধুনিক অপারেটিং নিউরো মাইক্রোস্কোপসহ স্পেশালাইজড ষ্ট্রোক ও নিউরো সেন্টার এবং ক্যাথল্যাব সমৃদ্ধ আধুনিক কার্ডিয়াক সেন্টার- চালু করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান এ কথা বলেন। খুলনা বিভাগে প্রথম নিউরো সার্জারী ইউনিটে অত্যাধুনিক জার্মানীর নিউরো মাইক্রোস্কোপ মেশিন সংযুক্ত হয়েছে। যার দ্বারা নিউরোলজীক্যাল অপারেশনের ক্ষেত্রে আরও সুক্ষèভাবে অপারেশন করা যাবে। যার ফলে রুগীর দ্রুত সুস্থ্যতার সম্ভাবনা তৈরী হবে। এছাড়াও উক্ত ইউনিটে রুগীদের দ্রুত অপারশেনের জন্য হাই স্পিড ড্রিল মেশিন সংযুক্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন ক্যাথল্যাব এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কারনে এখন থেকে জিএমসিএইচ এ সাধারন মানুষ তুলনামূলক কম খরচে উন্নত সেবা পাবে। এখানে ঈঅএ (ঈড়ৎড়হধৎু অহমরড়মৎধস), অহমরড় চষধংঃু (রক্তনালীর রিং এর প্রতিস্থাপন), চৎরসধৎু চঈও (ঐবধৎঃ অঃঃধপশ চলাকালীন সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ রক্তনালী রিং এর মাধ্যমে সচল করা), ঞচগ (ঞবসঢ়ড়ৎধৎু চধপব গধশবৎ), চচগ (চবৎসধহবহঃ চধপব গধশবৎ), জবহধষ অহমরড়মৎধস. এ সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ডা. মো. মাসুদ করিমসহ শহরের স্বনামধন্য কার্ডিওলজিষ্টগন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য পেশ করেন গাজী মেডিকেল কলেজ এর অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. বঙ্গ কমল বসু।

অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য কেটিআরইউ-এর নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের আহবান
খবর বিজ্ঞপ্তি :
খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির নামে ইফতার মাহফিল সংক্রান্ত একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন সংগঠনের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ ও সদস্য সচিব বাবুল আখতার সহ আহবায়ক কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ ও মেয়াদর্ত্তীণ কমিটি ভেঙ্গে সাধারণ সভার মাধ্যমে একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটিকে পাশ কাটিয়ে ও সংগঠনের নাম ব্যবহার করা দু:খজনক ও সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী।
সদ্য সমাপ্ত সাধারণ সভায় মোট ২৩ সদস্যের ১০ জন উপস্থিত ছিলেন এবং ৪ জন জরুরি কাজে বাইরে থাকায় মোবাইলে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। শুধু তাই নয় বিলুপ্ত ৯ সদস্যের নির্বাহী কমিটির ৬জন আলোচনায় অংশ নেন এবং আহবায়ক কমিটি গঠনের সম্মতি প্রদান করেন। সেই মোতাবেক সকলের সর্বসম্মতিতে ৫ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন হয়। কিন্তু দু:খজনকভাবে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির কতিপয় সদস্য নিজেদের নেতা পরিচয় দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রেসবিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটি (কেটিআরইউ)’র এডহক কমিটি পেশাজীবী সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা, যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠন পরিচালনায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ফলে সংগঠনকে বিতর্কিত বা বিভেদ সৃষ্টি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সর্বশেষ ২০২২ সালের ১৯ মার্চ কেটিআরইউ’র এক বছরের কমিটি নির্বাচিত হয়। কিন্তু দুই বছরেও ওই কমিটি নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হন। নির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। পরে ভূয়া সাধারণ সভা দেখিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করছে। আশা করছি তাদের এসব কর্মকান্ড ও অপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান। বিবৃতিদাতা অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা হলেন, মো.ু আমিরুল ইসলাম (ডিবিসি), আমজাদ আলী লিটন (আনন্দ টিভি) ও মো. হেদায়েতুল্লাহ শেখ (বৈশাখী টেলিভিশন)।

দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠসহ শ্রেণী কক্ষ ভুট্টা ব্যবসায়ীদের গুদাম ঘর
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে সলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাগাডাঙ্গা মহিউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখন ভুট্টা ব্যবসায়ীদের গুদাম ঘর ও খেলার মাঠ দুটি ভুট্টা মেলার চাতালে পরিণত হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভুট্টা ব্যবসায়ীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটির খেলার মাঠে ভুট্টা মেলার চাতালে পরিনত করে রেখেছে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ গুলো ভুট্টা ব্যবসায়ীদের গুদাম ঘর হিসাবে ব্যবহার করছে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ এলাকার শিশু কিশোরদের খেলাধুলা বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ গুদাম ঘর হিসাবে ব্যবহারের কারণে জনসাধারণের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। সলেমানপুর গ্রামের নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ব্যক্তি জানিয়েছেন টাকার বিনিময়ে ভুট্টা ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ ও মোবারক অনেক দিন যাবৎ ভুট্টা শুকাচ্ছে। এতে করে এলাকায় শিশু কিশোরদের খেলাধুলা বন্ধ রয়েছে। কেউ কিছু বলতে গেলে মারধরের হুমকি দেখায় ভুট্টা ব্যবসায়ীরা। এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ উদ্ধার করে খেলাধুলার উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন। সলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজার দাবি খেলার মাঠটির কিছু অংশ ব্যক্তি মালিকানা হওয়ায় তারা ভুট্টা ব্যবসায়ীদেও কাছে ভাড়া দিয়েছে।
মহিউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও শ্রেনী কক্ষ ভুট্টা ব্যবসায়িরা কিছু টাকার বিনিময়ে ভারা নিয়েছে। বাঘাডাঙ্গা গ্রামের একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন ভুট্টা ব্যবসায়ি জাহিদ ও আসাদ বিদ্যালের মাঠ ও কয়েকটি শ্রেনি কক্ষ ভারা নিয়ে ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে ভুট্টা শুকিয়ে বিক্রয় করছে। এতে করে এলাকার কিশোরদের খেলাধুলা বন্ধ হয়ে গেছে। তারা বিদ্যালের খেলার মাঠ ও শ্রেনী কক্ষ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে। মহিউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান জানান, বিদ্যালের মাঠ বা শ্রেনী কক্ষ ভাড়া দেয়া হয়নি। তবে ভুট্টা শুকানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র পাল বলেন,রাজনৈতিক চাপের কারণে খেলার মাঠে ভুট্টা শুকানো ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছি না। কারণ ভুট্টা ব্যবসায়ীরা স্থানীয় রাজনীতির সাথে জরিত।

শরণখোলায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ
বাগেরহাটের শরণখোলায় বৃষ্টি রাণী (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (২এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে কীটনাশক ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শরণখোলা হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় এই কিশোরী।
নিহত স্কুলছাত্রী বৃষ্টি উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের রথিন হালদারের মেয়ে। সে স্থানীয় তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি। কিশোরীর মা-বাবা বা পরিবারের লোকজনও সঠিক কিছু বলছে না। তবে প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করতে পারে বলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
উত্তর তাফালবাড়ী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জামাল জমাদ্দার জানান, চালের পোকা দমনের ট্যাবলেট (কীটনাশক ট্যাবলেট) খেয়ে আত্মহত্যা করেছে কিশোরী। ঘটনার সঠিক কারণ বের করার চেষ্টা চলছে।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. নিয়াজ জানান, কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথেই তার মৃত্যু হয়।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম কামরুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।