সিলেটের মতো চট্টগ্রাম টেস্টেও হারের মুখে বাংলাদেশ

1
Spread the love

স্পোর্টস ডেস্ক

চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে সিলেট টেস্টে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সিলেটের মতো চট্টগ্রাম টেস্টেও হারের মুখে টাইগাররা।

কোনো সেঞ্চুরি ছাড়া টেস্টে এক ইনিংসে এতদিন সবচেয়ে বড় সংগ্রহ ছিল ভারতের ৫২৪/৯ ডিক্লেয়ার। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই রান করেছিল ভারত।

রোববার চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয়দিন সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল শ্রীলংকা। কামিন্দু মেন্ডিসের ৯২* রানের হাত ধরে শ্রীলংকা প্রথম দফা ব্যাট করে ৫৩১ অবধি পৌঁছে। সোমবার ১৫ উইকেটের তৃতীয়দিনে লংকানদের লিড ৪৫৫ রানের।

আরেকটি বড় হার চোখ রাঙাচ্ছে বাংলাদেশকে। বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই। সুতরাং রাজমুল হোসেনদের প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হবে।

এদিকে জাভেদ মিয়াঁদাদের একটি রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন কামিন্দু। ক্যারিয়ারের প্রথম চার ইনিংসে ‘বড়ে মিয়া’র মতো এখন কামিন্দুও সর্বোচ্চ রানের মালিক। দুজনের রান সমান ৪১৯।

শ্রীলংকার প্রথম ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি ছয়টি। এর মধ্যে কুশল মেন্ডিস ৯৩, কামিন্দু ৯২*, দিমুথ করুনারত্নে ৮৬, অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ৭০, দিনেশ চান্দিমাল ৫৯ ও নিশান মাদুশকা ৫৭। আগেরবার ভারতের সেঞ্চুরিবিহীন ইনিংসে মহিন্দর অমরনাথের ৭০ ছিল সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। ৬৭০ মিনিটে ১৫৯ ওভার বল করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এতে প্রায় দুদিন চলে যায়।

স্বাগতিকদের জন্য দিনটি ছিল খুবই কষ্টের। সব মিলিয়ে শ্রীলংকার প্রথম ইনিংসে পাঁচটি ক্যাচ ফেলেছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। এর মধ্যে খালেদের বলে স্লিপে তিন ফিল্ডারের কেউই ক্যাচটা নিতে পারেননি প্রবাথ জয়সুরিয়ার। লংকান ব্যাটার তখন ছয় রানে।

বাংলাদেশ কাল আগেরদিনের এক উইকেটে ৫৫ রান নিয়ে প্রথম ইনিংস শুরু করে। সেই ইনিংসের স্থায়িত্ব মাত্র ৬৮.৪ ওভার। রান মাত্র ১৭৮। হাফ সেঞ্চুরি মাত্র একটি। জাকির হাসানের ৫৪। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান মুমিনুল হকের। আসিথা ফার্নান্ডোর নামের পাশে জমা হয় চার উইকেট। এ নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে ২০০র কম রানে অলআউট হলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশকে ফলো-অন না করিয়ে সফরকারীরা নিজেরাই ব্যাট করতে নেমে যায় দ্বিতীয় ইনিংসে। এবার তেমন সুবিধা করতে পারেনি তারা। তৃতীয়দিন শেষে লংকানদের সংগ্রহ ১০২/৬। প্রথম ইনিংসে দুই উইকেট নেওয়া অভিষিক্ত তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ নিয়েছেন চার উইকেট। দুটি খালেদ আহমেদ।