হারমানপ্রীতকে শাস্তি দিয়ে আইসিসি ঠিক করেছে: আফ্রিদি

6
Spread the love

স্পোর্টস ডেস্ক।।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে আউট হয়ে ব্যাট দিয়ে স্টাম্প ভাঙাসহ আরও নানা অপেশাদার আচরণের দায়ে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হলেন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। গতকাল মঙ্গলবার তাকে নিষিদ্ধ করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

এই সিরিজটি ১-১-এ ড্র হয়। মূলত তৃতীয় ম্যাচে তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন। নিজের আউটের সিদ্ধান্ত না মেনে ব্যাট দিয়ে স্টাম্পে আঘাত করেন। দর্শকদের উদ্দেশেও কিছু একটা বলে বেরিয়ে যান তিনি। এবার হারমান প্রীতের নিষিদ্ধের বিষয়ে মুখ খুললেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শাহীদ আফ্রিদি। তিনি জানান, হারমানকে শাস্তি দিয়ে ঠিক কাজ করেছে আইসিসি। আগামী দিনে এটা উদাহরণ হিসাবে থেকে যাবে। খবর এনডিটিভির।

টাই হওয়া সেই ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী আয়োজনে আম্পায়ারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান হারমানপ্রীত। এমনকি বাংলাদেশের পরেরবার আসতে হলেও বাজে আম্পায়ারিংয়ের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত হয়ে আসবেন বলে জানান তিনি। তার ক্ষিপ্ত আচরণ চলতে থাকে আরও। ট্রফি নিয়ে দুই দলের ছবি তোলার সময় প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ দলের দিকে ছুঁড়ে দেন তির্যক মন্তব্য। ভারত অধিনায়কের এমন অস্বাভাবিক আচরণে ছবি তোলার কার্যক্রম সংক্ষিপ্ত করে ড্রেসিংরুমে ফিরে যায় বাংলাদেশ দল।

প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির আচরণবিধির লেভেল ২ ধারা ভঙ্গ করলেন হারমানপ্রীত। ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদ ভারত অধিনায়ককে মাঠে স্টাম্প ভাঙার জন্য তিন ডি মেরিট পয়েন্ট এবং ম্যাচ শেষে প্রকাশ্যে আম্পায়ারদের সমালোচনা করার জন্য ১ ডি মেরিট পয়েন্ট দেওয়ার জন্য বলেছেন।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২৪ মাসের মধ্যে যদি কোনো খেলোয়াড় চার ডি মেরিট পয়েন্ট পায়, তাহলে তাকে ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। এক্ষেত্রে দোষী ওই খেলোয়াড়কে ১টি টেস্ট অথবা সাদা বলের ২ ম্যাচে নিষিদ্ধ করা হয়।

পাকিস্তানের সামা টিভিতে আফ্রিদি বলেন, ‘এটা শুধু ভারতের ক্ষেত্রে নয় এর আগেও আমরা ক্রিকেটে এই ধরনের জিনিস দেখেছি। তবে হ্যাঁ, এটা ঠিক যে নারী ক্রিকেটে এইরকম খুব একটা দেখা যায় না। হারমানপ্রীত এই ঘটনাটা একটা বড় ঘটনা। আইসিসির অধীনে এটা একটা বড় টুর্নামেন্ট। শাস্তি দিয়ে আইসিসি ঠিক করেছে। আগামীতে এটা উদাহরণ হিসাবে থেকে যাবে। ক্রিকেটে আক্রমনাত্মক হওয়া যায় কিন্তু নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এই ঘটনা একটু অতিরিক্ত হয়ে গিয়েছে।’