কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ২
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ৬০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক সেবন করার অপরাধে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর শিপইয়ার্ড রোডের সৈয়দ সরোয়ার হোসেনের ছেলে
সৈয়দ সোহাগ হোসেন (২৪) ও লবণচরা থানার রূপসী রূপসার মৃত. বজলু সরদারের ছেলে মো. রাকিব সরদার (৪৪)। মাদক সেবনকারী হলেন দৌলতপুর পাবলা ক্রস রোডের খায়রুজামানের ছেলে শেখ কামরুল হাসান ওরফে শান্ত (৪২)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ৬০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মাদক সেবন করার অপরাধে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের দায়ে ৮টি ট্রলারসহ ১৩৫ ভারতীয় জেলে আটক
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগর থেকে ৮টি ট্রলারসহ ১৩৫ ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনী। বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের সময় সোমবার রাত ১০টার দিকে গভীর সমুদ্র টহলরত নৌবাহিনী তাদেরকে আটক করে।আটককৃতদেরকে জব্দকৃত ট্রলারসহ মোংলা থানা পুলিশে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ট্রলারে থাকা মাছ মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ওপেন নিলামে বিক্রির প্রস্তুতিও চলছে।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ৮টি ট্রলার ও ১৩৫ জন ভারতীয় জেলে আটক হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম দফায় ৬৭ জন জেলে ও ৪টি ট্রলার মঙ্গলবার রাতে আর বাকী ট্রলার ও জেলেদের বুধবার থানায় হস্তান্তর করবে নৌবাহিনী। দুই দফায় থানায় হস্তান্তরকৃতদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন আইনে পৃথক মামলা দায়েরের পর বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মনিরুল ইসলাম।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ৮টি ট্রলারের সমুদয় মাছ নিলামে বিক্রি করে অর্থ রাজস্ব খাতে জমা দেয়া হবে। মোংলার দিগরাজ নৌঘাটিতে আনা ট্রলার ও জেলেদেরকে রাত ৮টার পরে পুলিশ এবং মৎস্য দপ্তরে হস্তান্তর করবে নৌবাহিনী।
বেনাপোল ৫টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল বিদেশি ভিসা লাগানো ৫টি বাংলাদেশী পাসপোর্টসহ ইউসুফ আলী শেখ (২৭) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। সোমবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে তাকে আটক করে বিজিবি। এসময় তার ব্যাগ তল্লাশি করে ভারতীয় থ্রিপিস ও কসমেটিক্স উদ্ধার করা হয়।
আটক ইউসুফ আলী শেখ ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁও থানার বাষান পোতা গ্রামের আমিন শেখের ছেলে।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শাহেদ মিনহাজ সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে রাস্তার উপর এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তল্লাশী চালিয়ে তার সাথে থাকা ০২ টি ব্যাগের মধ্যে ০৫ টি বাংলাদেশী পাসপোর্ট, ১৬২ টি প্রকারের কসমেটিক্স সামগ্রীসহ তাকে আটক করা হয়।
আটক ভারতীয় নাগরিককে জব্দকৃত মালামাল ও ৫টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ বেনাপোল পোর্ট থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পুকুরে সুন্দরী গাছ রেখে ফাঁসানোর চেষ্টা
নিজস্ব প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়াতলা গ্রামে বাড়ির পুকুরে রাতের আধারে সুন্দরী গাছ রেখে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে জানা গেছে, গুয়াতলা গ্রামের মৃত. আলহাজ্ব মাষ্টার নূরুল ইসলাম ফকিরের পুত্র রেজাউল ইসলাম ওরফে সোহাগ ফকিরের সাথে একই গ্রামের মৃত. আ: হাকিম ফকিরের পুত্র জসিম উদ্দিন গংদের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধ ও ষড়যন্ত্রের জের ধরে গত ৬ মে গভীর রাতে বাড়ির আঙ্গিনার পুকুরে ৭ পিচ অনুমান ১০ সিএফটি পুরানো সুন্দরী বল্মীকাঠ রেখে বনবিভাগের মাধ্যমে উদ্ধার করিয়ে মিথ্যা বন মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আয়নাল হক জানান,রেজাউল ইসলাম ওরফে সোহাগ ফকির একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। সে এ অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত নয়। সোহাগ ফকির প্রভাবশালী রোষানল থেকে রেহাই ও তার পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মাদার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলে নিঁখোজ
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার শ্যামনগর সুন্দরবন সংলগ্ন মাদার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে এক জেলে নিঁখোজ হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মাদার নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার সময় নদীর পানির মধ্যে তার বড়শি বেধে যায়। এ সময় তিনি বড়শি ছাড়াতে গিয়ে পানির তলায় নিখোঁজ হন।
নিঁখোজ জেলে শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের মৃত মুনছুর গাজীর ছেলে কেরামত গাজী (৪০)। নিখোঁজ কেরামত গাজীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে নিজ স্ত্রীকে নিয়ে মাদার নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে যান্ কেরামত গাজী। কিছুক্ষন পর নদীর পানির নিচে তার বড়শি বেধে যায়। অনেক টানাটানি করে তিনি যখন বড়শিটি ছাড়াতে পারেননি তখন নদীর পানিতে নেমে ডুব দিয়ে বড়শিটি ছাড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হন। অনেক অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তাকে আর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, তাকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের একটি টিমকে খবর দেওয়ার পর তারা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া স্থানীয় মানুষও উদ্ধার অভিযান অব্যহত রেখেছেন।
কৈখালী ইউপি চেয়াম্যান আব্দুর রহিম নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ কেরামত গাজীর একজন মৃগির রোগী বলে তিনি জানতে পেরেছেন। সকালে তার বৌকে নিয়ে মাদার নদীতে মাছ ধরতে গেলে নদীর পানির মধ্যে তার বড়শি বেধে যায়। এরপর তিনি ওই বড়শি ছাড়াতে গিয়ে নিঁখোজ হন। তিনি আরো জানান, ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম তার উদ্ধারের জন্য কাজ করছেন। এছাড়া খুলনা থেকে একটি ডুবুরি দল ইতিমধ্যে নিখোঁজ কেরামত গাজীকে খুঁজে বের করার জন্য রওয়ানা হয়েছেন।
খুলনায় ডেকে নিয়ে নড়াইল কর অফিসের নোটিশ সার্ভারকে পিটিয়ে জখম
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
কর অফিসের নোটিশ সার্ভার মনিরুল ইাসলামকে অমানষিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে তিনি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন। মনিরুল ইসলাম ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের মনোহর হোসেন বিশ্বাসের ছেলে। লিখিত এক অভিযোগে জানা গেছে, মনিরুল নড়াইল কর সার্কেলে চাকরী করেন। গত ১৯ জুন খুলনা কর কমিশনার কার্যালয়ের উপকর কমিশনারের ষ্টেনো টাইপিষ্ট মনিরুজ্জামান ফোন করে তাকে খুলনা অফিসে ডেকে পাঠান। পথি মধ্যে কর কমিশনার অফিসের উচ্চমান সহকারী মারুফ আহম্মেদ আবারো ফোন করে তাগাদা দেন। দুই স্থান থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনারদিন দুপুরে নড়াইল কর অফিস থেকে খুলনায় পৌছান। উপকর কমিশনার (প্রশাসন) এর অফিসে পৌছালে মারুফ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অফিসারের সামনেই মিনরুলকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে উপকর কমিশনার (প্রশাসন) অফিস ত্যাগ করেন। তিনি অফিস ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চমান সহকারী মারুফ আহম্মেদ, প্রধান সহকারী শেখ রাসেল আহম্মেদ, স্টেনো টাইপিষ্ট কারিমুল, নোটিশ সার্ভার জালাল আহম্মদ ও বহিরাগত কর পরিদর্শক জিল্লুর রহমানসহ ১০/১২ জন মিলে নির্যাতন করতে থাকেন। নির্যাতনের ফলে মনিরুল জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং তার পরণের জামা কাপড় ছিড়ে যায়। এক পর্যায়ে তার পায়ূ পথে গরম ডিম দেওয়ার জন্য বাজার থেকে ডিম কিনে আনে। মনিরুল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে নির্যাতনকারীরা তার কাছ থেকে তিন’শ টাকার সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়ে পরদিন ছেড়ে দেয়। জীবনের ভয়ে মনিরুল খুলনা বা নড়াইলের কোন ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা না নিয়ে ২১ জুন ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। খুলনায় ডেকে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। যে কোন সময় চক্রটি তার জীবননাশ করতে পারে এমন আশংকা করছেন তার পরিবার। এ বিষয়ে নড়াইল কর অফিসের নোটিশ সার্ভার মনিরুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে জানান, তিনি সুষ্ঠ বিচার ও নির্যাতনকারীদের শাস্তির জন্য বিষয়টি নড়াইল সার্কেলের উপকর কমিশারকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন।
কয়রায় কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরন বিষয়ে রোভিং সেমিনার
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর কয়রার উদ্যোগে কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরন প্রকল্পের আওতায় রোভিং সেমিনার গতকাল ২৮ জুন বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা কৃষি অফিসের প্রশিক্ষন অফিসার কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা কৃষি অফিসের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এস এম মিজান মাহমুদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কমলেশ কুমার সানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নসিমা আলম। এতে বক্তব্য রাখেন কয়রা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোঃ হাসানুল বান্না, সাংবাদিক এসএম হারুন অর রশিদ, শেখ মনিরুজ্জামান মনু, রিয়াছাদ আলী, শাহাজান সিরাজ, উপ-সহকারি উদ্ভীদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার অনুতব সরকার, আল মাহফুজ, স্থানীয় কৃষক জিএম কামরুল ইসলাম, হিরা পারভীন প্রমুখ। কৃষি বিষয়ে এ সেমিনারে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
ফকিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মানসায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান ফকির (৭৬) এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কার্যাদী সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেল ৫টায় মানসা পশ্চিমপাড়া মসজিদ চত্ত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেনের উপস্থিতিতে ও এসআই মো. ওমর আলীর নেতৃত্বে একদল চৌকশ পুলিশের দল গার্ড অব প্রদান করেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ফকির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন শেখ, শেখ মো. আবু বকর, আনিচুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মোড়ল আতিয়ার রহমান, ইউপি সদস্য মো. হুমায়ুন কবির বাচ্চু প্রমূখ।
পরে মরহুমের নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থান মানসা পশ্চিমপাড়া গ্রামে দাফন কার্যাদী সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মানসা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত ইছয়াক ফকিরের পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা মঙ্গলবার (২৮) দুপুর ১২টার দিকে খুলনা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধনি অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৩পুত্র ও ১কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করায় খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু সফলভাবে সম্পন্ন শেষে উদ্বোধন করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন খুলনা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ । মঙ্গলবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সপ্তম সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া সভায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ক্লাবের পক্ষ থেকে ‘তুমি বাংলার ধ্রুবতারা’ নামের বিশেষ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান আগামী ৩০ জুন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব শেখ হারুনুর রশীদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম। এছাড়াও সভায় ক্লাবের উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা। সভায় উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম সাহিদ হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ ও মোঃ জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্না, কোষাধ্যক্ষ এস এম কামাল হোসেন, সহকারী সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, এ এইচ এম শামিমুজ্জামান, শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও সুনীল কুমার দাস, নির্বাহী সদস্য মো: তরিকুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, মোঃ শাহ আলম, শেখ মোঃ সেলিম প্রমুখ।
স্বীকৃতি মানুষকে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে : উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেছেন, শিক্ষকদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড চালু করা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি বলেন, মানুষ কাজ করে নেশায়, স্বীকৃতির জন্য নয়। গবেষণা ঠিক সে রকম, গবেষণার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা ও সাধনার দরকার হয়। তবে উৎসাহ বৃদ্ধিতে কাজের স্বীকৃতি প্রয়োজন। স্বীকৃতি মানুষকে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, উদ্যমকে বাড়িয়ে দেয়। এটি দেখে অন্যরাও গবেষণায় আরও বেশি উৎসাহিত হয়। এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রেরণা জোগায়।
তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, গবেষণায় উন্নীত করতে গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানকে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে কাজ করা হচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আগামীতে এপিএ’র স্কোর না বাড়লে আমরা পর্যাপ্ত বাজেট পাবো না।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই অ্যাওয়ার্ডের মর্যাদা রক্ষ করতে হবে। আমরাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে গবেষণায় সাধ্যমতো সহযোগিতা করবো। তবে শুধু ইউজিসি কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, আন্তর্জাতিক সংস্থা/প্রতিষ্ঠান থেকে গবেষণার অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
২৮ জুন (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৭ জন শিক্ষককে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ২০২০ ও ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অ্যাওয়ার্ড চালু করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য পূর্ববর্তী উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের নাম উল্লেখ করে তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে তিনি ৫০ হাজার টাকার একটি চেক, একটি সনদপত্র ও একটি মেডেল প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। গবেষণা সেলের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গবেষণা সেলের যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. লস্কর এরশাদ আলী।
সেলের যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. তুহিন রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বিশ্বাস ও প্রভাষক মোঃ আশফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট, পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
২০২০ সালের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ হলেন- গণিত ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বিশ্বাস, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান, বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ রুবেল আনছার ও অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক সৈয়দ আফরোজ কেরামত। ২০২১ সালের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ হলেন- ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ-আল নাহিদ, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম এবং ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের প্রভাষক মোঃ আশফিকুর রহমান।
খুবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রথমবারের মতো শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৮ জুন (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে একজন করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রথমবারের মতো শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করা হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এ পুরস্কার প্রদান করেন। পুরস্কারস্বরূপ তাদেরকে একটি ক্রেস্ট, সনদপত্র ও মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান পদ্ধতি চালু করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শুদ্ধাচার পুরস্কার চালু হলো। এটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের ক্ষেত্রে উৎসাহ বাড়াবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ’র ফোকালপার্সন এস এম আবু নাসের ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইংরেজি ডিসিপ্লিনের সহকারী রেজিস্ট্রার রাজিয়া সুলতানা ও পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মচারী রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ রাকিবুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান, শাখা প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খুবিতে এপিএ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) কমিটির এক সভা ২৮ জুন (মঙ্গলবার) বিকাল সাড়ে ৩টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ ভবনের নতুন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। তিনি এপিএর ত্রৈমাসিক (এপ্রিল-জুন) এবং সার্বিকভাবে বার্ষিক (২০২১-২০২২) অগ্রগতি, অর্জনসমূহ এবং অন্যান্য সূচকের বিষয়ে অবহিত হন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা প্রদান করে তিনি বলেন, আগামীতে এপিএ বাস্তবায়নে দক্ষতা মূল্যায়নের উপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বরাদ্দসহ অনেক কিছুই নির্ভর করবে। এছাড়া র্যাংকিং বা বিশ্বমান অর্জনের ক্ষেত্রেও এপিএ সূচক অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই সূচক অর্জনের ক্ষেত্রে অসাধারণ ক্যাটাগরিতে আমরা যেতে চাই এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এপিএ’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রবর্তী অবস্থানে থাকতে চায়। সেজন্য এপিএ টিমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এই লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে আসতে হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এপিএ কমিটির সভাপতি ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মাসুদুল আলম, নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদ উজ-জামান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ হাসানুজ্জামান, একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার কাকলী রহমান, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী প্রোগ্রামার (আইটি) সায়রা তাসনিম রাবিতা প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন এপিএ কমিটির ফোকালপার্সন কাউন্সিল শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এস এম আবু নাসের ফারুক।
খুবিতে কফিশপের উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের দপ্তরের উদ্যোগে খ্যাতিসম্পন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নেসলে কোম্পানি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের অদূরে লেকসাইড ওয়াকওয়ের নিকটবর্তী স্থানে একটি স্থায়ী কফিশপ চালু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ২৮ জুন (মঙ্গলবার) দুপুর ২.৩০ মিনিটে ফিতা কেটে এ কফিশপের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি এ উপলক্ষ্যে কেক কাটেন। উপাচার্য এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং এর সেবা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।
এসময় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন, সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালকবৃন্দ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
দাকোপের লাউডোব ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে “করমেলা “২০২২ অনুষ্ঠিত
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপের লাউডোব ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে “করমেলা “২০২২ অনুষ্ঠিত। ২৮ /০৬/২২ মঙ্গলবার সকাল থেকেই লাউডোব ইউনিয়ন পরিষদে এই করমেলা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লাউডোব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ যুবরাজ। কর মেলা শুরুতেই চেয়ারম্যান নিজের কর পরিশোধ করেন এবং সকলকে কর প্রদানে উৎসাহিত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন লাউডোব ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও লাউডোব ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিহার মন্ডল, প্যানেল চেয়ারম্যান নিতাই জোয়াদ্দার, লিপিকা মন্ডল, ইউপি সদস্য প্রদীপ সরদার, তাপস হালদার, সুব্রত সরদার, আনিসুর গাজী বাবলু, দেবাশীষ মন্ডল, সঞ্জয় মন্ডল লক্ষণ, মহিলা সদস্য জবা মন্ডল, সঞ্জিতা রায় প্রমুখ।
দাকোপে কবির গ্রেফতার হওয়ায় প্রশাসনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিতরন
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপে চিহ্নিত সন্ত্রাসী কবির ওরফে ডাকাত কবির গ্রেফতার হওয়ায় এলাকাবাসী প্রশাসনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিতরন করেছে। গত ২৬ জুন রবিবার দাকোপ থানা পুলিশ এক অভিযান পরিচালনা করে চালনা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড এলাকার কবির ওরফে গ্রেফতার করে। গত ২৫ মে সুতারখালী ইউনিয়নে সংগঠিত চুরি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এ দিকে কবির গ্রেফতারের সংবাদ পেয়ে রবিবার রাতে পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহমেদ, চালনা পৌরসভার প্যানেল মেয়র আঃ বারিক শেখ, আওয়ামীলীগ নেতা নির্মল সরদার, আঃ রহিম গাজী, শিক্ষক বরলাম ঘোষ, বিধান চন্দ্র, গোলাম রসুল শেখ, গাজী সরোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে শত শত এলাকাবাসী পৃথক পৃথকভাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সি সার্কেল রাশেদ হাসান এবং দাকোপ থানার অফিসার উজ্জল কুমার দত্তের সাথে দেখা করে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। একই সময় তারা মিষ্টি বিতরন করে। দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ উজ্জল কুমার দত্ত জানায় এ পর্যন্ত তার নামে বিভিন্ন অপরাধের ১৩ টি মামলা রয়েছে। উল্লেখ্য এক সময়ে রামপালের স্থায়ী বাসিন্দা কবির ওরফে ডাকাত কবির চালনা পৌরসভার টিটাপল্লীতে বসবাসের সুত্রে কথিত সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে। তার চাহিদা পূরন না হলে বিভিন্ন জনকে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতারের দাবীতে গত ১২ জুন দাকোপ সদরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এলাকাবাসী গনস্বাক্ষরকৃত অভিযোগের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতারের দাবী জানায়।
মহেশপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে টাস্কফোর্স কমিটির প্রশিক্ষণ
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি ঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ও কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশীর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক আজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা খাতুন হেনা, উপজেলা কৃষি অফিসার(কৃষিবিদ) হাসান আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রের মেডিকেল অফিসার নুরুল আক্তার, মহেশপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ এনামদাদুল হক বুলু, থানা অফিসার ইনচার্জ সেলিম মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মাষ্টার, গোলাম হায়দার লান্টু, আরডিসির নির্বাহী প্রধান আব্দুর রহমান, এইড ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি আছির উদ্দিন, মহেশপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শেখ এনামুল হক দুলু প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার বক্তব্যে বলেন, ব্যক্তি জীবনে ও জাতীয়তা জীবনে তামাক ও ধূমপানের কুফল সম্পর্কে উল্লেখ করে তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে ধূমপানমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় অর্জনে টাস্কফোর্সের সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার মর্মে উল্লেখ করেন। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ এর ব্যাপক প্রচারসহ মহেশপুর উপজেলায় তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে গৃহিত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবাায়নে একযোগে কাজ করার আহবান জানান।
বেনাপোলে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল,গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার
বেনাপোল, প্রতিনিধি
বেনাপোলের ঘিবা সীমান্ত এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিন উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকাল ১১ টার দিকে বিজিবির একটি অভিযানিক দল এগুলো উদ্ধার করেন। এ ব্যাপারে কেউ আটক হয়নি।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শাহেদ মিনহাজ সিদ্দিকী জানান, গোপন খবরে বিজিবির একটি অভিযানিক দল আজ সকালে বেনাপোল পোর্ট থানার ৪ নং ঘিবা গ্রামে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাস্টার বাড়ী নামক স্থানে উজ্জল মিয়া (৩৫) বাড়ীর উত্তর পাশের বাগানের ভিতরে কুড়ার বস্তার মধ্যে পলিথিনে মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১ টি বিদেশি পিস্তল (ইউএসএ), ২ রাউন্ড গুলি এবং ০১টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগাজিন বেনাপোল পোর্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। যার সিজার মূল্য ১,০১,৪০০ টাকা বলে জানিয়েছেন বিজিবি।
গাড়ী আমদানীতে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়লো মোংলা বন্দর
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
গাড়ী আমদানীতে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে মোংলা বন্দর। বিগত বছরের তুলনায় সব রেকর্ড ভেঙ্গে যা চট্টগ্রাম বন্দরকেও ছাড়িয়ে গেছে। চলতি অর্থ বছরে (২০২১ইং-২২ইং) এ বন্দরে গাড়ী আমদানী হয়েছে ২০ হাজার ৮০৮ টি। যা এ যাবৎ কালের সর্বোচ্চ। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মোংলা বন্দর দিয়ে প্রথম ২০০৯ সালে ৮ হাজার ৯০৯ টি গাড়ী আমদানী হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে গাড়ী আমদানী বাড়তে থাকে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তফা কামাল বলেন, চলতি অর্থ বছরে মোংলা বন্দর দিয়ে গাড়ী আমদানী হয়েছে দেশের মোট আমদানীর ৬০ শতাংশ। আর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানী হয়েছে ৪০ শতাংশ। ২০২১ইং-২২ইং অর্থ বছরে দেশের দুই বন্দরে গাড়ী আমদানী হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৮৩ টি। এরমধ্যে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ২০ হাজার ৮০৮ আর চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানী হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৩ টি গাড়ী। বিগত অর্থ বছরের তুলনায় এটাই সর্বোচ্চ রেকর্ড বলেও জানান তিনি।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, মোংলা বন্দরে গাড়ী আমদানী ক্রমেই বেড়ে চলছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমদানীকারকদের বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরণের প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা, স্বল্প সময়ের মধ্যে এই বন্দর থেকে গাড়ী খালাস, আমদানীকৃত গাড়ী রাখার জন্য উন্নতমানের শেড ও ইয়ার্ড নির্মাণ এবং আমদানীকৃত গাড়ীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে সার্বক্ষণিক টহল ও সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা। তিনি আরও বলেন, সময় ও অর্থ সেভ হওয়ার কারণে আমদানীকারকরা এই বন্দরকে বেঁচে নিয়েছেন। এখন পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আরও সুযোগ তৈরি হলো। ব্যবসায়ীরা গাড়ী আমদানী করে দ্রুতই এখান থেকে সড়ক পথে মাত্র সাড়ে তিন ঘন্টায় গাড়ি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে পারছেন। এতে করে ব্যাপক লাভবান হবেন তারা। সড়ক ব্যবস্থায় উন্নতি হওয়ায় গাড়ী আমদানী বৃদ্ধিসহ এ বন্দরে ব্যাপক কর্মযজ্ঞের সৃষ্টি হবে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বারবিডা) সভাপতি মোঃ হাবিবুল্লাহ ডন বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ফলে আমাদের ব্যবসায়ীদের আমদানী করা শতাধিক গাড়ী মোংলা বন্দর দিয়ে সাড়ে তিন ঘন্টায় ঢাকায় পৌঁছে গেছে। সেতু চালু হওয়ায় এই বন্দর দিয়ে গাড়ী আমদানির আগ্রহ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম বন্দরের দুরত্ব ২৬০ কিলোমিটার, সেখানে ঢাকা থেকে মোংলা
বন্দরের দুরত্ব ১৭০ কিলোমিটার। যে কারণে একটি গাড়ি বন্দর থেকে খালাসের পর খুবই কম সময়ে ও স্বল্প খরচে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে মোলা বন্দর ব্যবহার করে গাড়ী আমদানী বৃদ্ধি পাবে।
মোংলায় আগুনে পুড়ে গেছে চাকুরীজীবির বসত ঘর
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় আগুনে পুড়ে গেছে এক চাকুরীজীবির বসত ঘর। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাগা এ আগুনে পুড়ে যায় পুরো কাঁচা বসত ঘর ও সকল আসবাবপত্র। ঘরে থাকা নগদ আড়াই লাখ টাকাসহ আগুনে পুড়ে ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ টাকার।
মোংলা ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ওয়ারহাউস কর্মকর্তা মোঃ লিটন হাওলাদার জানান, পৌর শহরের মিয়াপাড়া এলাকার শেরেবাংলা সড়কের বাসিন্দা মোঃ আবুল কালাম খানের বসত ঘরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিভাতে সক্ষম হওয়ায় তা আর আশপাশের বাড়ী-ঘরে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। তবে ততোক্ষনে আগুনে পুড়ে যায় কালামের পুরো কাঁচা বসত ঘরটি। এ সময় কালামের ঘরে থাকা নগদ আড়াই লাখ টাকা, টিভি, ফ্রিজসহ সকল মালামাল পুড়ে যায়। সব মিলিয়ে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ক্ষতিগ্রস্ত কালাম ঢাকার একটি গ্যাস ফিলিং ষ্টেশনে চাকুরী করেন। তিনি তার বাড়ী মধ্যে কাঁচা ঘরের পাশেই একটি পাকা ভবন নির্মাণের কাজ করাচ্ছিলেন। কিন্তু আগুন লাগার মুহুর্তে ওই কাঁচা ঘরটিতে কোন লোক ছিলেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদাণ করা হবে।
রূপসায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন
রূপসা প্রতিনিধি
রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও সামজিক বন বিভাগ আয়োজিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ দুপুরে আঠারোবেকী ইকো পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রূবাইয়া তাছনিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, বন কর্মকর্তা মজিবুর রহমান প্রমূখ।
পাটকেলঘাটায় ইটের সলিং এর রাস্তা উদ্বোধন
পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
পাটকেলঘাটা ৩নং সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গতকাল ৫শত ২৩ ফুট নতুন ইটের সলিং এর রাস্তা উদ্বোধন করেন চেয়ারম্যান মাষ্টার শেখ আব্দুল হাই। মহাসড়কের মুখ থেকে পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের প্রাচীরের গা ঘেসে আবুল কালাম আজাদ বাড়ী পর্যন্ত ২ শত ৩০ ফুট ও পল্লী বিদ্যুত রোডের মুখ থেকে আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ১শত ৭০ ফুট। অপরদিকে বাইগুনি গ্রামে ১শত ২৩ ফুট দিয়ে মোট ৫শত ২৩ ফুট রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে জনসাধারনের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ার কারণে ৩নং সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার শেখ আব্দুল হাই সাধারনের চলাচলের জন্য এই ইটের রাস্তার সংস্কার করেন। উক্ত রাস্তার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার শেখ জামসেদ আলী, ইউপি মেম্বার আজিবার রহমান, ইউপি মেম্বার আছির উদ্দীন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এদিকে রাস্তার সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসী চেয়ারম্যান মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
রূপসায় প্রনোদনা ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত
রূপসা প্রতিনিধিঃ
রূপসা উপজেলা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের আয়োজিত ঋন গ্রহীতাদের মাঝে প্রনোদনা ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান ২৮ এপ্রিল দুপুরে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা। রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রূবাইয়া তাছনিমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার। আরও বক্তৃতা করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, বন কর্মকর্তা মজিবুর রহমান প্রমূখ।
অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা: ৯ দিন পর মামলা, গ্রেফতার ৩
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে পুলিশের সামনে শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসকে গলায় জুতার মালা দিয়ে অপদস্ত করার ঘটনায় ৯ দিনের মাথায় এ ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। এছাড়া এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার রাতে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
তারা হলেন, নড়াইল সদর উপজেলার বিচালি ইউনিয়নের আড়া পাড়া গ্রামের মালেক মুন্সির ছেলে শাওন মুন্সি, মির্জাপুর গ্রামের সৈয়দ মিলনের ছেলে সৈয়দ রিমন এবং একই গ্রামের মনিরুল শেখ।
মহানবী (সা.)-কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকারী ভারতের বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে ফেসবুকে ওই কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলেন ওই কলেজের ছাত্র ও স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। একই ধর্মের হওয়ায় তাকে সাপোর্ট দিচ্ছে- এমন অভিযোগ তুলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন। এ সময় তাদের পাশে পুলিশের অবস্থান দেখা গেছে।
নড়াইলে এ ঘটনার সূত্রপাত ১৭ জুন। ওই দিন মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্র নিজের ফেসবুক আইডিতে বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে পোস্ট করেন- ‘প্রণাম নিও বস ‘নূপুর শর্মা’ জয় শ্রীরাম’।
বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে কলেজের কিছু ছাত্র তাকে সেটি মুছে (ডিলিট) ফেলতে বলেন। এরপর ১৮ জুন সকালে অভিযুক্ত ছাত্র কলেজে আসলে তার সহপাঠীসহ সব মুসলিম ছাত্র তার গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তাৎক্ষণিক বহিষ্কারের দাবি তুলে অধ্যক্ষের কাছে বিচার দেয়। কিন্তু ওই সময় ‘অধ্যক্ষ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক হওয়ায় তাকে রক্ষা করার চেষ্টায় ওই ছাত্রের পক্ষ নিয়েছেন’ এমন কথা রটানো হলে উত্তেজনা তৈরি হয়।
এ সময় বিষয়টি কলেজের গণ্ডি ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অভিযুক্ত ছাত্র ও অধ্যক্ষের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে কলেজ ক্যাম্পাস। খবর পেয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি দল ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষুব্ধ জনতাকে লাঠিচার্জ করলে পরিস্থিতি আরও অশান্ত হয়ে ওঠে।
এরপর পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত জনতার মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বাধে। দিনভর পুলিশ ও ছাত্র-জনতা দফায় দফায় সংঘর্ষে দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় মারাত্মক আহত হন কলেজের বাংলা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ। ওই সময় বিক্ষুব্ধ জনতা কলেজের শিক্ষকদের ৩টি মোটরসাইকেল আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এরপর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাদের উপস্থিতিতে উত্তেজিত জনতা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্রের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিয়েছিল। এ সময় গ্রেফতারের দাবি জানালে অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস, অভিযুক্ত রাহুল দেব রায় ও তার বাবা বাবুল রায়কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এসব ঘটনার কিছু ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে আসে। এরপর থেকে পুলিশের উপস্থিতিতে অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনায় ক্ষোভ চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এ ধরনের পাশবিক উপায়ে সম্মানিত অধ্যক্ষকে অপমানিত করা হয়েছে, তাতে সারা দেশের শিক্ষক সমাজের সঙ্গে শান্তিপ্রিয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর আত্মহত্যার পরই ভাশুরের আত্মহত্যা
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ।।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর আত্মহত্যার পর দিন বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন তার ভাশুর আবদুল্লাহ।
গত শনি ও সোমবার এ দুটি ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পরিবার ও প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে আশাশুনি থানার এসআই সিয়াবুল ইসলাম জানান, কচুয়া গ্রামের ওবায়দুল্লার স্ত্রী জেসমিন তার ভাশুর আব্দুল্লাহর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। শনিবার তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসী ভর্ৎসনা জানান। জেসমিন ওই দিনই বিষপানে আত্মহত্যা করে।
এদিকে জেসমিনের লাশ দাফনের সময় মাছের ঘেরের বাসায় ভাশুর আব্দুল্লাহ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন।
এসআই সিয়াবুল আরও জানান, প্রাথমিকভাবে দুটি ঘটনাকেই আত্মহত্যা বলে আমরা ধারণা করছি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর আরও বিস্তারিত বলা যাবে।
হাসপাতাল নিজেই রোগি
কালিয়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসালয় কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এ প্রতিষ্ঠানের পুরোনো ভবনটি রুগ্ণ হয়ে পড়েছে। দেয়াল ও পিলারে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে ছাদের অংশ ও দেয়ালের পলেস্তারা।
ভবনটি যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা কাজল মল্লিকের। ভবনটি ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবুও সেখানে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে ৫ একর জমির ওপর ৩১ শয্যার হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালে নির্মিত হয় দ্বিতল মূল ভবনটি। এরপর ২০০৯ সালে এটিকে ৫০ শয্যায় রূপান্তর করা হয়। পুরোনো ভবনটি মেরামতও করা হয়েছে কয়েক দফা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ২-৩ বছর আগে ভবনের নিচতলায় ফাটল দেখা দেয়। যশোর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে প্রকৌশলীরা পরিদর্শন করে ভবনটিকে প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ এবং পরে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।
সরেজমিন দেখা গেছে, হাসপাতালের পুরোনো ভবনের নিচতলার কয়েকটি পিলারসহ দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল। কয়েক জায়গায় ছাদ ভেঙে বেরিয়ে পড়েছে রড। হাসপাতালজুড়েই দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ে রোগীর ওয়ার্ডগুলো অপরিচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলার বাঐসোনা গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরও জীবন বাঁচাতে ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালে আসতে হচ্ছে তাঁদের। দ্রুত সমাধান চান তিনি।
কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা কাজল মল্লিক বলেন, অনেক আগেই ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভবনটিতে রোগীদের সেবা দিতে হচ্ছে। পরিত্যক্ত ভবন থেকে সবকিছু সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
ভারতে তিন বছর কারাভোগের পর বাংলাদেশী ২৫ নারী পুরুষকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ
বেনাপোল প্রতিনিধি
ভারতে ৩ বছর কারাভোগের পর ২৬ বাংলাদেশী নারী পুরুষকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে আজ মংগলবার সন্ধ্যায় দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্থান্তর করা হয়।
স্বদেশে ফেরত আসাদের মধ্যে রয়েছে ১২ জন পুরুষ ও ১৩ নারী। জুনায়েদ শেখ (২০), আরিফুল ইসলাম(১৮), ইমন আক্তার (১৬), আব্দুল মমিন (১৯) শুভ ফারাজী (১৭), খলিল শেখ(১৪), জাকির হোসেন(১৩), আবু সৈয়দ গাজী(১৭), রবিউল শেখ (১৬), ফাইজুল ভূইয়া(১৫), হাসিব শেখ (১৬), জান্নাতি আক্তার (১৫), আমেনা আক্তার(১৪), অর্পি খাতুন (১২), খাদিজা খাতুন (১৬), রুকসানা খাতুন (১৪), লাবনী খাতুন (১৬), ইমলি রানি (১২), শুকলা মন্ডল (১৩), বিলকিস বেগম (১৪), শিরিনা খাতুন (১৫), লিপি আক্তার(১৪), জুবেদা বেগম (১৩), হোসনে আরাআক্তার (১৩) ও রোজিনা আক্তার (১৪)।এদের বাড়ী নড়াইল, খুলনা, ও ফরিদপুর জেলায়।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মোঃ রাজু আহম্মেদ জানান, ভালো কাজে আশায় দালাল দিয়ে ভারতে পশ্চিমবংগ শহরে সাড়ে তিন বছর আগে পাড়ি জমায় তারা। সেখানে বিভিণ্ন স্থনে কাজ করার সময় সেখানকার পুলিশের কাছে ধরা পড়ে তারা। পরে আদালত তাদের তিন’বছরের সাজা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেন। সাজার মেয়াদ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে এরা আজ দেশে ফিরে এসেছে। রাতেই ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হ¯তাšতর করেছে। সেখান থেকে রাইটস যশোর, জাস্টিজ এন্ড কেয়ার এবং মহিলা আইনজীবি সমিতি পুলিশর কাছ থেকে তাদের গ্রহন করে পরিবারের কাছে হ¯তাšতর করবেন।
রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক জানান, ভারতে ভাল কাজের আশায় সীমাšত পথে পাচার হয় তারা। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাধ্যেমে চিঠি চালাচালির এক পর্যায়ে বিশেষ ট্রাভের পারমিটের মাধ্যেমে আজ মংগলবার তাদের দেশে ফেরত আনা হয়।
কলারোয়া পৌর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন
সোহাগ হোসেন কলারোয়া:
মঙ্গলবার সকালে বিপুল উৎসব উদ্দেপনার মধ্যে দিয়ে কলারোয়া পৌর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন-দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সরদার ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন-সাতক্ষীরার বহুল প্রচারিত দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সাংবাদিক জুলফিকার আলী। কমিটিতে এছাড়াও যারা রয়েছেন-সহ.সভাপতি আলম হোসেন, রুহুল আমিন, যুগ্ম সম্পাদক আঃ সালাম, সোহাগ মেহেদী, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাজু রায়হান, সহ.সাংগঠনিক সেলিম খান, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ.দপ্তর সম্পাদক আলামিন, প্রচার সম্পাদক সোহাগ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ইমরান হোসেন, ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক রাজিবুল ইসলাম, সহ. ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক হাসানুল কবীর, কার্য নির্বাহী সদস্য আজগর আলী, মিজানুর রহমান, মনিরুজ্জামান, আলি হোসেন, খান নাজমুল হুসাইন, সাধারণ সদস্য ইমাদুল ইসলাম, আলামিন গাজী। একই সাথে উপদেষ্ঠা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সম্মানিত উপদেষ্টারা হলেন-উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সরদার মুুজিব,প্রবীণ সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ও বিশিষ্ট আইনজীবী জালাল উদ্দিন ও কাজী আব্দুল্লাহ আল হাবীব। আগামী ৩বছর মেয়াদী ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ফুলতলা উপজেলা পরিষদ থেকে মটরসাইকেল চুরি হওয়ার ৩ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের ০৬ নং ওয়ার্ডের গিলাতলা দক্ষিন পালপাড়া মোড়ের মেসার্স সজল জুয়েলার্স এর স্বত্তাধীকারি সুভাষ পাল গত ২৬ জুন বেলা সোয়া ১ টার সময় ফুলতলা উপজেলা পরিষদে যান, গিলাতলা দক্ষিনপাড়া মহাশ্বশ্নান এর উন্নয়ন সংক্রান কাজে। তিনি তার নিজ মটর সাইকেল অ্যাপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি খুলনা (মেট্রো -ল -১১ -৮৭৭৯) রং কালো ,মডেল ২০১৬ ফুলতলা উপজেলা চত্বরে মোটরসাইকেল গ্যারেজ রেখে উপরে যান , বেলা সোয়া ২ টার সময় কাজ শেষে গারেজের সামনে এসে দেখেন তার মটরসাইকেলটি নেই। পরে উপজেলা পরিষদের সিসি ক্যামেরাতে দেখা যায় এক শার্ট পরিহিত এক যুবক মটরসাইকেলটি নিয়ে চম্পট দেই । এ দিকে দিনে দুপুরে সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও মটরসাইকেল খোয়া যাওয়ার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও মটরসাইকেলটির কোন সন্ধান করতে পারেনি পুলিশ । উপজেলা পরিষদের মত জায়গা থেকে মটরসাইকেল চুরি হওয়ায় সাধারন মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে । ফুলতলা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ ইলিয়াস তালুকদার জানান এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, আমরা ইতিমধ্যে খোয়া যাওয়া মটর সাইকেল উদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করেছি। উল্লেখ্য দির্ঘদিন ধরে ফুলতলা থানা এলাকাতে দিনের বেলায় বিভিন্ন বাসা বাড়ি সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একের পর এক চুরি হওয়াতে স্থানিয় বাসিন্দারা চরম আতংকে দিন কাটাচ্ছে।
খানজাহান আলী থানা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
আগামি দিনের রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে ঐকবদ্ধ ভাবে কাজ করা , বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দলিয় নেতাকর্মিদের দমন পীড়ন সহ সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ভেদাভেদ ভুলে কাজ করার লক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় খানজাহান আলী থানা যুবদলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুবদল নেতা মোল্লা সোলায়মানের সভাপতিত্বে ও রফিকুল ইসলাম সুজার পরিচালনায় বক্তৃতা করেন আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ খয়বার , ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শেখ আনোয়ার হোসেন, মোঃ নাসিরউদ্দিন, শেখ আঃ রউফ, যুবদল নেতা মোঃ এনামুল, ফয়সাল কবির বাবু, মোঃ পলাশ, মোঃ ছলেমান (ছোট) বাদশা, রফিক, আহসান আলী, জামির, সেচ্ছাসেবক দল নেতা নাজমুল হুদা পলাশ, মোঃ শহিদুল ইসলাম , মিরাজ , ছাত্রদল নেতা আকাশ, মুন্না, মোঃ মিরাজ সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মিরা মতবিনিময় সভায় অংশ্রগ্রহন করেন।
কেশবপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
কেশবপুর (যশাের) প্রতিনিধি
কেশবপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি এম এম আরাফাত হােসেন সভার সভাপতিত্ব করেন। এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি তপন কুমার ঘােষ মটু, মফিজুর রহমান, এস এম হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জয় সাহা, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আছাদুজ্জামান, জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, নির্বাহী সদস্য বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ, দুলাল চদ্র সাহা, অর্পণা আইচ, মনিরা খানম । অন্যান্যর মধ্যে বক্তিতা করেন, কেশবপুর প্রসক্লাবের নির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ । এসময় আরাে উপস্তি ছিলেন, ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, মনিরা খানম, অর্পনা আইচ, উত্তম প্রমুখ।
প্রথম সভায় এমপি কাপ, মধুসূদন গাল্ডকাপ ও ইউএনও কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টসহ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপজেলা ফুটবল টিম গঠনকল্পে আলােচনা হয়। আগামী জুলাই মাসের শেষ নাগাদ কেশবপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম যশাের জেলার ৮টি উপজেলা নিয়ে এমপি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরুর বিষয় ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা আলােচনা করেন।
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা শেষে কর্মকর্তারা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হােসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
কয়রার দক্ষিণ বেদকাশীর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আব্দুস সালাম
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার কয়রা উপজেলার ৭নং দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আব্দুস সালাম খানকে। তিনি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১। ইউপি চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল জেলহাজতে থাকায় মঙ্গলবার (২৮ জুন) খুলনার স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) মোঃ ইউসুপ আলী স্বাক্ষরিত স্মারকে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ), আইন, ২০০৯ এর ৩৩ (২) ধারানুযায়ী প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে আব্দুস সালাম খানকে দায়িত্ব অর্পন করা হয়। পরে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস স্বাক্ষরিত স্মারকে (যার নং-০৫.৪৪.৪৭৫৩.০০১.২০.০২৩.২২-৫৪৪) প্যানেল চেয়ারম্যান-১ আব্দুস সালাম খানকে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তাকে।
ডুমুরিয়ায় ৫ শতাধিক ফলন্ত কলা গাছ কর্তণ
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি জবর দখল ও ৫ শতাধিক ফলন্ত গলা গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বরাতিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
মামলার বিবরণী সূত্রে সুত্রে জানা যায়, উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের বরাতিয়া গ্রামের আঃ কুদ্দুস শেখের স্ত্রী খাদিজা বেগমের নামে কুলবাড়িয়া- বরাতিয়া মৌজায় কবলা দলিল মুলে ২৪ শতাংশ জমি ভোগ দখলে থেকে চাষাবাদ করে আসছে। কিš‘ ওই জমি নিজেদের দাবি করে একই এলাকার হায়দার গোলদার বিভিন্ন সময় জবর দখলের পাঁয়তারা করে আসছে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। উপায়ন্ত না পেয়ে খাদিজা বেগম খুলনা সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং ১২৩/১৯। মামলাটি দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত অ¯’ায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। কিš‘ প্রতিপক্ষ আদালত কে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ঘটনার দিন সকালে হায়দার আলী গোলদারের নেতৃত্বে বহিরাগত ৩০/৩৫ জনের একটি বাহিনী নিয়ে ওই জমিতে থাকা ৫ শতাধিক ফলন্ত গলা গাছ, ওল, মেটে আলু, লাউসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানান। ঘটনা প্রসঙ্গে ওসি সেখ কনি মিয়া বলেন এ ঘটনায় আঃ কুদ্দুস বাদি হয়ে হায়দার গোলদার সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যব¯’া গ্রহণ করা হবে।
মহানগর বিএনপি’র ত্রাণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
উত্তরাঞ্চলের বন্যার্ত মানুষের সহায়তা এগিয়ে আসার জন্য খুলনা মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন মহানগর আহবায়ক শফিকুল আলম মনা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুর ১২টায় বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি’র ত্রাণ কমিটির সভায় তিনি এ আহবান জানান। তিনি বলেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে ত্রান কমিটির কাছে সহায়তার টাকা প্রদান করা যাবে। ত্রান কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল আলম তুহিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক স.ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, শের আলম সান্টু, ত্রাণ কমিটির সদস্য সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, শেখ সাদি, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ প্রমুখ।
৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির তথ্য সংগ্রহ ও প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
নগরীর খালিশপুর থানার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্যদের মাঝে প্রাথমিক সদস্য ও তথ্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন (২৮ জুন) মঙ্গলবার বিকেলে বাস্তহারা বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। খালিশপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক টিম প্রধান ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী মোঃ রাশেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এস এম শফিকুল আলম মনা, বিশেষ অতিথি, সদস্য সচিব মো. শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ তারিকুল ইসলাম জহির। সাংগঠনিক টিমের সদস্য সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক স.ম.আব্দুর রহমান, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, হাবিব বিশ্বাস, হাসান উল্লাহ বুলবুল, অ্যাডভোকেট মো. আলী বাবু, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, ফারুক হিল্টন, আজিজা খানম এলিজা, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড কানিজ ফাতেমা আমিন, বিএনপি নেতা মোঃ ইউনুস আলী, মোঃ ইকবাল হোসেন, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, শেখ আব্দুল হালিম, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম রুবেল, মোঃ মাহবুব হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউসুফ মোল্লা, মোঃ মোতালেব হোসেন, মহিলা দলের আনজিরা খাতুন, নিঘাত সীমা, শাহানাজ সরোয়ার, পাপিয়া রহমান পারুল, সালমা খাতুন, লুবনা আক্তার বিউটি, মিসেস মনি আক্তার, জুলেখা বেগম, ফরিদা ছন্দা ও ছাত্রদল নেতা মোঃ হানিফ আকাশ প্রমুখ।
খানজাহান আলী থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে প্রদত্ত সদস্য ফরম সংগ্রহ শুরু
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খানজাহান আলী থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে প্রদত্ত ফরম সংগ্রহ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকাল ৫ ঘটিকায় ফুলবাড়িগেট খানজাহানআলী থানা বিএনপির কার্যালয়ে যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপি এবং ২নং ওয়ার্ড (কেসিসি) ও আটরা ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহ ফরম গ্রহন করা হয়। থানা বিএনপির সাংগঠনিক টিম প্রধান শ্রমিক নেতা আবুল কালাম জিয়া এর সভাপতিত্বে ফরম সংগ্রহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, কাজী মিজানুর রহমান, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, শেখ আলমগীর হোসেন, মোঃ এমদাদ হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, শেখ মিজানুর রহমান, রুমি শিকদার, শফিকুল ইসলাম, মোল্যা সোহাগ হোসেন, মুন্সী আজমল হোসেন, মোল্লা সোহরাব হোসেন, রফিকুল ইসলাম রফিক, রেশমি সুলতানা, মীর শওকত হোসেন, কামরুল ইসলাম, বেল্লাল হোসেন, শাহজাহান শেখ, বিল্লাল হোসেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম সোহেল, মাসুম খান, আল মামুন জুয়েল, মোঃ হাসান বেগ, মাসুম বিল্লাহ, জুয়েল হাওলাদার, মোঃ জসিম, মোঃ জসিম শেখ, জুম্মান, ইমতিয়াজ আহমেদ শুভ, মোঃ রাকিব রায়হান প্রমূখ।
করোনায় মৃত্যু তিনজনের, শনাক্ত ২০৮৭
ঢাকা অফিস
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৮৭ জনের। এতে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৪৫ জনে, মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জনে।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ১৮৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৪৮৯টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গত করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২০০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৭ হাজার ৬৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টা করোনায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন চট্টগ্রামের এবং একজন ঢাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে দুজন নারী, একজন পুরুষ।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলবে স্পিডগান ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর
ঢাকা অফিস
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে স্পিডগান মেশিন ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর। এ তথ্য জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) সচিবালয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) ও শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত সাময়িক। স্পিডগান মেশিন ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর সেতুতে কবে থেকে মোটরসাইকেল চলবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সেই সিদ্ধান্ত জানাবে।
শিমুলিয়ার মাঝিকান্দি রুটে ফেরি চলাচল বন্ধের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, যানবাহনের চাহিদা যদি থাকে ফেরি চলাচল অব্যাহত থাকবে। শিমুলিয়া ঘাটে এখন ছয়টি ফেরি আছে। যদি চাহিদা না থাকে কোনো ফেরি থাকবে না। পদ্মা সেতু চালুর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চগুলোর ভবিষ্যৎ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, লঞ্চ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। বরং লঞ্চ চলাচল আরও বেশি উপভোগ্য হবে। পদ্মা সেতু হলেও দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে লঞ্চ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। লঞ্চমালিকেরা আরও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে লঞ্চ চালাবেন।
বন্যায় ১৫ জেলায় ক্ষতি ৩২৮ কোটি টাকা
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
এবারের ভয়াবহ বন্যায় দেশের পাঁচ বিভাগের ১৫টি জেলার ৯৫টি উপজেলায় পশুসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবেই প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ৬ হাজার ৫৬৯টি গবাদিপশুর খামার ক্ষতির মুখে পড়েছে। মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৩২৮ কোটি ১৪ লাখ ৫১ হাজার ১৫০ টাকা। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ক্ষতিই হয়েছে সিলেটের চার জেলার ৩৪টি উপজেলায়।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটির সার-সংক্ষেপে দেখা যায়, বন্যায় পাঁচ বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জনপদ সিলেট। তারপর যথাক্রমে রংপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও ঢাকা। তবে ক্ষতির পরিমাণের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। তারপর সিলেট, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর।
ঢাকা বিভাগের একটি জেলার ১০টি উপজেলায় ৪৬টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত খামারের সংখ্যা ২৫৮টি। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১৮৯ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত গবাদিপশুর সংখ্যা- গরু ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৬০টি, মহিষ ১৫০টি, ছাগল ৬৮০টি, ভেড়া ১৪৫টি, মুরগি ১৩ হাজার ১০০টি ও হাঁস ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬১টি।
সিলেট বিভাগের চার জেলার ৩৪টি উপজেলায় ২৩৮টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ইউনিয়নে ৫ হাজার ৫৯০টি খামার ক্ষতির মুখে পড়েছে। ক্ষতির পরিমাণ ১২০ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৫০ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত গরুর সংখ্যা ৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪৫টি, মহিষ ৪৩ হাজার ২২৩টি, ছাগল ২ লাখ ১০ হাজার ২৩৬টি, ভেড়া ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৫৬টি, মুরগি ৪১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৪টি এবং হাঁস ৩৬ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৩টি।
ময়মনসিংহের তিন জেলার ২১ উপজেলায় ১০৮টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়ে ৫৮৬টি খামার। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১৬ কোটি ৪১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৫৬৮টি গরু, ৯০টি মহিষ, ১ লাখ ৬ হাজার ৪১৭টি ছাগল, ৭ হাজার ৮৪৪টি ভেড়া, ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩৩২টি মুরগি এবং ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০টি হাঁস।
রাজশাহী বিভাগের দুটি জেলার আটটি উপজেলায় ৩৮টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারের সংখ্যা ১৩৫টি। ক্ষতির পরিমাণ ৯১ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত গরুর সংখ্যা ৯৫ হাজার ৮৬৬টি, মহিষ ১ হাজার ২১৪টি, ছাগল ৮৭ হাজার ৬২৭টি, ভেড়া ৯ হাজার ২২৪টি, মুরগি ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৭২টি ও হাঁস ৪৭ হাজার ৮৩১টি।
রংপুরের পাঁচটি জেলার ২২টি উপজেলায় ৯৮টি ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত খামারের সংখ্যা শূন্য উল্লেখ থাকলেও আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা বলা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। ক্ষতিগ্রস্ত গবাদিপশুর মধ্যে গরু ৫০ হাজার ৬৬৬টি, মহিষ ৮৮৬টি, ছাগল ২৭ হাজার ২৯১টি, ভেড়া ৫ হাজার ৬৩৯টি, মুরগি ১ লাখ ৮৬৫টি এবং হাঁস ৪৯ হাজার ৯০০টি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বন্যায় প্রাণিসম্পদের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে ঢাকা থেকে সিলেটে দুটি টিম পাঠানো হয়েছিল। তারা স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের সঙ্গে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। অন্যান্য অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ অফিসগুলোর পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।’
বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝে ডুবে গেছে: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা অফিস
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে। তাই প্রথমে তারা আবোল-তাবোল বলেছিল। এখন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে, কী বলবে বুঝতে পারছে না। আমি আশা করবো, তারা তাদের রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখান থেকে উদ্ধার করতে পারবে এবং অতীতের অপকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে জনগণের কাছে যাবে।’
মঙ্গলবার (২৮ জুন) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সবুজবাগ থানার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিটগুলোর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফী উদ্বোধক ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর প্রধান বক্তা হিসেবে এবং সহ-সভাপতি শদীদ সেরনিয়াবাত, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন, সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আর দেড় বছর পরে নির্বাচন। এখন বিএনপিকে দেখা যায় না, মাঝেমধ্যে গর্ত থেকে উঁকি দিয়ে চোরাগোপ্তা মিছিল করে। আইনগতভাবেই খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নির্বাচন করার কোনও সুযোগ নেই। সেজন্য তারা নির্বাচনে যাবে কিনা, সে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। তবে যত কথাই বলুক, আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেবে এবং নির্বাচনের আগে গর্তের ভেতর থেকে বেরিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াবে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। ২১ বছর ধরে যারা বুকে পাথর বেঁধে দল করেছে, সব রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্রের মধ্যেও দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, তাদেরকেই নেতৃত্বে দরকার। যারা গত সাড়ে ১৩ বছরে নতুন আওয়ামী লীগ হয়েছে তারা বিরোধী দল দেখে নাই, শুধু ক্ষমতা দেখেছে। সুতরাং, তাদেরকে নেতৃত্বে আনার কোনও প্রয়োজন নেই। ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হবে। কোনও নেতাকর্মীর আচরণের জন্য আমরা দলের মর্যাদা বিসর্জন দিতে পারি না। আর মাদক,দখল-চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বর্জন করুন। আমাদের দলে তাদের দরকার নেই।’
ড. হাছান বলেন, ‘সংসদে বিএনপি নেতারা বলেছেন, শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। আমরাও চাই আপনারা শক্তিশালী হোন। কিন্তু তারা একে একে যেসব আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেয়, সে কারণে তারা শক্তিশালী হতে পারে না। আশা করবো, তারা আত্মহননের সিদ্ধান্ত পরিহার করে নিজেরা শক্তিশালী হবে। দেশের গণতন্ত্রকেও শক্তিশালী করবে।’
‘বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসবে’
ঢাকা অফিস
বিএনপির মতো একটা বড় দল বাইরে থাকবে—এটা আওয়ামী লীগ চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি—আমার বিশ্বাস যে বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসবে। আমরাও চাই একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ইলেকশন। সে কারণে বিএনপির মতো একটা বড় দল বাইরে থাকবে, এটা আমরা চাই না। আমরা চাই তারা আসুক।’
মঙ্গলবার (২৮ জুন) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইভিএম বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি) অনেক কথাই বলে, শেষ পর্যন্ত আসল কথায় চলে আসে। আমি একটা কথা বলি—নির্বাচন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এটা বিএনপির অধিকার। এটা একটা সুযোগ নয় যে সরকার বিতরণ করবে। এটা হচ্ছে বিএনপির অধিকার। দল হিসেবে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে নির্বাচনে তারা আসবে। আমরা এটাই বিশ্বাস করি।’
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দল হিসেবে আমরা বলেই যাচ্ছি। আমরা পদ্মা সেতুতেও দাওয়াত দিয়েছি। দেখেন, আমাদের একটা পজিটিভ অ্যাটিটিউড আছে। সে কারণে আমরা তাই করি। তারা (বিএনপি) নিজেরাই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেবে। হয়তো শেষ বেলায়, ঘোলা করে খাবে আর কী।’
তিনি আরও বলেন, ‘‘দেখেন, একটা কথা সবাই বলে, সরকারের অধীনে। আমি অবাক হয়ে শুনি ফখরুল সাহেব বলেন—‘এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।’ ইলেকশন তো এই সরকারের অধীনে হবে না। ইলেকশন হবে ইলেকশন কমিশনের অধীনে। সরকার একটা কর্তৃত্বপূর্ণ স্বাধীন ভূমিকা ফর ক্রেডিবল, ফেয়ার অ্যান্ড ফ্রি ইলেকশন। যে যে সহযোগিতা, ফ্যাসিলিটিজ দরকার, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস আমরা আগেও দিয়েছি। এখনও আমরা নির্বাচন কমিশনকে আশ্বাস দিয়েছি। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করবো।’
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি কী করবেন, সেটি তার সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তিনি হয়তো প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে করে থাকেন। এটা হয়তো নিয়ম। যা আমার কোনও এখতিয়ার নেই।’’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তো রাজনৈতিক সংলাপে ডাকছে— বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আমরা আসবো। আর এ ব্যাপারে আমাদের স্ট্যান্ড ক্লিয়ার অ্যান্ড লাউডার, আমরা গতবার যেটা বলেছি। একই দাবি আমরা পুনরাবৃত্তি করছি। এই প্রস্তাবগুলো আমরা চাই যে এই প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করুক এবং ইভিএমের ব্যাপারে আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার এবং স্পষ্ট। মন থেকে চাই, চেতনা থেকে চাই। ৩০০ আসনে ইভিএম হলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। আমরা সাপোর্ট করি।’
কাদের বলেন, ‘আজকে যে রাজনৈতিক দলগুলো এখানে আসছে, আমার মনে হয়—অধিকাংশই ইভিএমের পক্ষে বলেছেন। আজকে অনেক দল এসেছে। আমরা সবার কথা শুনেছি। ইভিএম নিয়ে বিরুদ্ধেও বলেছেন দুয়েকজন। এটা তো গণতন্ত্র। বিউটি অব ডেমোক্র্যাসি। বিরুদ্ধে তো বলবেনই। ভিন্নমত থাকতেই পারে। সেটাতে তো কোনও অসুবিধা নেই।’
৩০০ আসনে নির্বাচন করতে কি ইসি সক্ষম? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দ্যাট ইজ দ্য ডিসিশন অব ইলেকশন কমিশন। এটা তাদের এখতিয়ার।’
আপনারা কি সব আসনে ইভিএম চান? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই। আমরা যখন দেখেছি, একটা ইউনিয়নের ইলেকশনে রাজশাহীর একটা ইউনিয়ন, একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটা ইউনিয়ন, সেখানে দিনের আলোও ঠিকমতো যায় না—ঠিক এ রকম একটা জায়গা। তো ইভিএমে ইলেকশন হয়েছে। অংশগ্রহণ ছিল বিশ্বাসযোগ্য। প্রচুর উপস্থিতি এবং মহিলারা পর্যন্ত লম্বা লাইন দিয়ে ভোট দিয়েছে। কাজেই ইভিএম অজনপ্রিয়—এ কথা বলার আর এখন কোনও প্রয়োজন নেই।’
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার, পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হয়, বাংলাদেশেও শেখ হাসিনার সরকার সেটাই অনুসরণ করবে। দেখুন, নির্বাচন ব্যবস্থায় আইনের মাধ্যমে কমিশন গঠন হয়। এখানে একটা পজিটিভ চেঞ্জ হয়েছে। এটা আমরা আরও উন্নত করতে চাই, এই নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে। এটা আমরা ইঙ্গিত করে গেলাম। আমরা আরও উন্নত করতে চাই।’
সুদিনের আশায় রাজারহাটের চামড়া ব্যবসায়ীরা
যশোর অফিস
করোনার কারণে দুই বছর মন্দার পর এবার কোরবানি ঈদে যশোরের রাজারহাটের চামড়া বাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বকেয়া আদায় না হওয়া, পশুর দাম বেশি এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কোরবানি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ট্যানারি মালিকদের কাছে তাদের প্রায় ১০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী বকেয়া আদায় না হলে কোরবানির চামড়া কিনতে নগদ টাকা সংকটে পড়তে হবে। এছাড়া এবার পশুর দামও তুলনামূলক বেশি। বিপরীতে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতির কারণে পশু কোরবানির পরিমাণও কমতে পারে। সেক্ষেত্রে চামড়ার আমদানিও কমবে। এসব বিষয়ে চিন্তিত। তবে করোনার দুই বছর পর এবার স্বাভাবিক পরিবেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে বিধায় চামড়া বাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশায় বুক বাধছেন তারা।
যশোরের রাজারহাট দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম চামড়ার মোকাম। এই চামড়া হাটকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার ছোট-বড় ব্যবসায়ী রয়েছেন। ঈদ-পরবর্তী হাটেই অন্তত ১০ কোটি টাকার চামড়ার ব্যবসা হয়। খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ঝালকাঠি, রাজশাহী, পাবনা, ঈশ্বরদী ও নাটোরের বড় ব্যবসায়ীরা এখানে চামড়া বেচাকেনা করেন।
সাধারণত কোরবানি পরবর্তী হাটবারে রাজারহাটে লক্ষাধিক চমড়া বেচাকেনা হয়। কিন্তু গত দুই বছর করোনা ও লকডাউনের প্রভাবে ব্যবসায় মন্দা ছিল। এর বাইরে গত কয়েক বছরে চামড়ার বাজারের দরপতনও ছিল লক্ষ্যণীয়। সঙ্গে রয়েছে ট্যানারি মালিকদের কাছে থাকা বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার চাপও।
রাজারহাটের চামড়া ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ট্যানারি মালিকদের কাছে বকেয়া টাকা আদায় হয়নি অনেকের। রয়েছে অব্যাহত লোকসানের চাপ। যে কারণে মূলধন সংকট রয়েছে অনেক ব্যবসায়ীর।
তাদের দাবি, ট্যানারি মালিকদের কাছে যশোরের ব্যবসায়ীদের অন্তত ১০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। সরকারের ঋণ সুবিধাও মিলছে না। ফলে ব্যবসায়ীরা কোরবানি পরবর্তী হাটে চামড়া কেনার নগদ টাকার বিকল্প সন্ধানে রয়েছেন। যে যার মতো নগদ টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করছেন।
বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার কেবল একজন ট্যানারি মালিকের কাছেই রাজারহাটের কয়েকজন ব্যবসায়ীর পাওনা প্রায় পাঁচ কোটি। এর বাইরে রাজারহাটের মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও অনেক ট্যানারি মালিক ও আড়তদারের কাছে বকেয়া পাওনা রয়েছেন।
এ বিষয়ে বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল জাগো নিউজকে বলেন, কোরবানি ঈদ পরবর্তী হাটে লক্ষাধিক চমড়া বেচাকেনার মধ্য দিয়ে অন্তত ১০ কোটি টাকা হাতবদল হয়। তবে এ হাটের অনেক ব্যবসায়ীর মূলধন ট্যানারি মালিকদের কাছে আটকা রয়েছে। গত কয়েক বছরের লোকসান ও বকেয়া আদায় না হওয়ায় চামড়ার ব্যবসা নিয়ে অনেকে চিন্তিত। তবে দুই বছর পর স্বাভাবিক পরিবেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে যাওয়ায় চামড়া বেচাকেনার জন্য নগদ টাকা সংগ্রহসহ অন্যান্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা।
রাজারহাট চামড়া বাজারের সাবেক ইজারাদার চামড়া ব্যবসায়ী হাসানুজ্জামান হাসু জাগো নিউজকে বলেন, চামড়ার দাম এখন মোটামুটি ভালো। এরপরও চামড়ার যে দাম নির্ধারণ করা হবে সে অনুযায়ী বেচাকেনা হবে। ব্যবসায়ীরাও সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের উপকরণের দাম অনেক বেড়েছে। আবার চীনে লকডাউন এবং রপ্তানিতে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এ কারণে ট্যানারি মালিকরা কী পরিমাণ চামড়া কিনবেন এবং কীভাবে কিনবেন সেসব নিয়েও তারা ভাবছেন।
মোরেলগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ মেম্বারদের
মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জিউধরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশার বিরুদ্ধে তার পরিষদের ৮ জন সদস্য (মেম্বার) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান বাদশাকে জবাব দাখিলের জন্য নোটিশ পাঠিয়েছেন নির্বাহী কর্মকর্তা। গত বছরের অক্টোবর মাসে ২য় দফায় নৌকা প্রতীক নিয়ে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান বাদশা দুর্নীতি স্বজনপ্রীতিসহ নানাভাবে সরকারি সম্পদ আত্মসাত করে চলছেন। টিআর, কাবিখা ও কাবিটার কাজ না করে টাকা আত্মসাত, উৎকোচের বিনিময়ে বিধবাভাতা, বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধীভাতাসহ সকল ধরণের সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধাভোগীদের নিকট থেকে তিনি উৎকোচ গ্রহণ করে থাকেন।
অভিযোগে ৫নং ওয়ার্ড সদস্য শাহজাহান মৃধাকে মারধর ও দুইজন নারী ইউপি সদস্যকে গালিগালাজ করা ও পরিষদের কোনো সভায় সদস্যদের কথা বলারও সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অন্যায়ের বিচার ও চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে ১৯ জুন লিখিত অভিযোগ দেন আটজন ইউপি সদস্য।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশা বলেন, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। আমি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান হলেও আমার বিরুদ্ধে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে ছিল। অনেক নেতা আমার বিরোধীতা করেছেন। তাদের ইশারায় এসব বানোয়াট অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তদন্তে কোনো অভিযোগের সত্যতা মিলবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযোগের আলোকে তদন্ত করা হচ্ছে এবং চেয়ারম্যানকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রকল্পের কাজ না করার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুন্দরবনের অজগর লোকালয় থেকে উদ্ধার, বনে অবমুক্ত
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
সুন্দরবন থেকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামে খাদ্যের সন্ধ্যানে চলে আসা ১২ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত ১১টার দিকে ওই গ্রামের আউয়াল মাষ্টারের বাড়ির পাশের বিল থেকে অজগরটি উদ্ধার করে বনরক্ষী, সিপিজি ও ভিটিআরটি সদস্যরা। অজগরটি মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশন সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
সুন্দরবনের ধানসাগর স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. আব্দুস ছবুর জানান, শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের কয়েকজন লোক সোমবার রাতের বেলা কোচ নিয়ে বিলে মাছ শিকারে যান। এসময় তারা সাপটি দেখতে পান। সাপটি বিশাল হওয়ায় তারা ধরার সাহস পাননি। তবে তারা সাপটি নজরদারিতে রাখেন। পরে মোবাইল ফোনে স্থানীয়রা সুন্দরবন বিভাগকে অজগরটির অবস্থান জানালে বন সুরক্ষায় নিয়োজিত ভিটিআিরটি সদস্য নিবাস হালাদার, জাহাঙ্গীর হোসেন ও সিপিজি সদস্য মহিদুলকে নিয়ে বনরক্ষীরা অজগরটি রাতেই উদ্ধার করেন। অজগরটি ১২ ফুট লম্বা এবং ওজন প্রায় ১৫ কেজি। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে অজগরটি ধানসাগর স্টেশন সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। অজগরটি খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে চলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগেও সুন্দরবনের পাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে বেশ কয়েকটি অজগর ও বিষধর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সাপ বা অন্যকোন বন্যপ্রানি দেখলে তাদেরকে না মেরে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার জন্য গ্রামবাসীকে বলা হয়েছে বলেও জানান এই সুন্দরবন বিভাগের এই কর্মকর্তা।