ঢাকা অফিস
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের জন্য ঘোষিত মুজিব বর্ষের সময় আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ বিষয়ে গত সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে আগামী বছরের ২৬ মার্চ সময়কে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির কারণে মুজিব বর্ষের জন্য নেওয়া কর্মসূচিগুলো নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে সরকার মুজিব বর্ষের সময় আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত ঘোষণা করল।
অন্যদিকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বর্ণাঢ্য ও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদ্যাপনের জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে আহ্বায়ক করে ৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়েও ১৪ ডিসেম্বর পৃথক গেজেট জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
কমিটির সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
এ ছাড়া কমিটিতে সহায়তাকারী হিসেবে রাখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং ১১ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবকে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
এই কমিটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের কর্মসূচি প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা জাতীয় কর্মসূচি পর্যালোচনা, সংযোজন বা বিয়োজন এবং মাঠপর্যায়ে উদ্ভূত সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধানের দিকনির্দেশনা দেবে। এ ছাড়া কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের বিষয়েও সুপারিশ করবে এই কমিটি।











































