পাইকগাছার রাড়ু‌লি ভুবন মোহিনী বা‌লিকা বিদ‌্যাল‌য়ের দাতা সদস্য নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র!

60
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি :

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ভুবন মোহিনী বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে দাতা সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে একটি কুচক্রী মহল। নোংরা খেলায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে তৎপর রয়েছে চক্রটি। ক্ষমতা জাহির করে প্রকৃত দাতা সদস্যকে বাদ দিতে তৎপর রয়েছেন তারা।

এ ব্যাপারে ষড়যন্ত্রের শিকার ইউপি চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ গোলদার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানাগেছে, উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ ও জগৎ বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার পিসি রায়ের স্মৃতি বিজড়িত পাইকগাছার রাড়ু‌লি ভুবন মোহনী উচ্চ মাধ‌্যমিক বা‌লিকা বিদ‌্যাল‌য়টি ১৮৫০ খৃঃ উপমহাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রদূত স্যার পি সি রায়ের পিতা হরিশচন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠা করেন উপমহাদেশের প্রথম বালিকা বিদ্যালয় তার স্ত্রী ভুবনমোহিনী দেবীর নামে। যেখানে জগৎ বিখ্যাত বিজ্ঞানীর ছেলেবেলার স্মৃতি জড়িত। উপজেলার রাড়ুলী প্রত্যান্ত এলাকার এ প্রতিষ্ঠানটির নারী শিক্ষা প্রসারে অগ্রগামী বা সুফল ভোগ করলেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তেমন কোন অগ্রগতি ছিল না। একে একে বহুকাল অতিক্রান্ত হয় একই অবস্থানে থেকে। এরপর ১৯৮৬ সালের দিকে তৎকালীন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হরেকৃষ্ণ দাশ বিদ্যালয়টি নিন্ম মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নিত করার প্রস্তাব করেন। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ রাজি হন। এ সময় সরকারী নিয়ম অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠানের নিম্ম মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নিত করতে বিদ্যালয়ের অধিনে জায়গার প্রয়োজন মতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে বীরমুক্তিযোদ্ধা ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদার সম্মতি জ্ঞাপন করেন। তিনি ১ একর ৩০ শতক জমি ভূবন মোহিনী বালিকা বিদ্যালয়ের নামে কোবলা রেজিষ্ট্রেীমুলে দান করেন। যাহার দলিল নং ৭০০৯, তাং ১৬/০৯/১৯৮৬।যার খাজনা ২০০৭ সাল পর্যন্ত পরিশোধ করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয়।

এরপর ২০০৪ সালে আব্দুল মজিদ গোলদারকে দাতা সদস্য হিসাবে স্কুলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসাবে লিপিবদ্ধ করেন কর্তৃপক্ষ। এবং একজন শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তি হিসাবে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ গোলদার। এরপর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম থেকে বাদ দিতে একটি মহল নানা তৎপরতা করে আসছে বলে জানান তিনি। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানকে সমালোচনায় ফেলতেও পিছু হটছেন না তারা।

সম্প্রতি চক্রান্তকারী ওই মহলটি বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কয়েকজন অভিভাবককে ভুল বুঝিয়ে একটি দরখাস্ত শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর দাখিল করেছেন তারা। বিষয়টি অভিভাবকরা বুঝতে পেরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানাগেছে।