সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

8
Spread the love

পটুয়াখালীতে ৩০০ গাছের চারা রোপন করল বানৌজা শের-ই-বাংলা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা, ২১ জুলাই ২০২০ সোমবার   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপি মুজিববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে এক কোটি গাছের চারা রোপন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। ‘জাতীয় বৃক্ষরোপন অভিযান ২০২০’ এ দেশের মোট বনভূমির ২৫ শতাংশ বনায়নে উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি সকলকে নিজ নিজ বাসগৃহের পার্শ্ববর্তী এলাকা, পতিত জমি, যার যতটুকু জায়গায় আছে সেখানে গাছ লাগানোর আহ্বান করেন। এরই অংশ হিসেবে ‘মুজিববর্ষের আহ্বান লাগাই গাছ বাড়াই বন’ সোগানকে সামনে রেখে কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়ার দিক-নির্দেশনায় পটুয়াখালীতিস্থ নৌবাহিনী ঘাঁটি বানৌজা শের-ই-বাংলা কর্তৃক পরিকল্পিত এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপন করা হয়। গাছের উপকারিতা, পরিবেশ রক্ষায় গাছের ভূমিকা, খাদ্য ও পুষ্টি ঘাটতি পূরণ বিবেচনা করে নৌ সদস্যরা ঘাঁটির অভ্যন্তরে ৩০০ (তিনশত) ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপন করেন। নৌবাহিনীর এই উদ্যোগে দেশের ২৫ শতাংশ বনায়ন কর্মসূচিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।

শরনখোলায় চোরাই জিক্সার ১৫০ সিসি একটি বাইক সহ চোর চক্রের হোতা আটক

শরনখোলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় চোরাই  জিক্সার ১৫০ সিসি একটি বাইক সহ চোর চক্রের হোতা রাজু হাওলাদার (২৫) কে আটক করা হয়েছে। সোমবার বিকালে উপজেলার নলবুনিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করে শরণখোলা থানায় সোপর্দ করেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাল রায়েন্দা গ্রামের রাজ্জাক হাওলাদারের পুত্র চিহ্নিত মটর সাইকেল চোর চক্রের হোতা রাজু হাওলাদার সোমবার দুপুরে উপজেলা সদরের পাঁচ রাস্তা মোড়ের গাজী ভিলা থেকে শাহজাহান গাজীর পুত্র র‌্যাভেন গাজীর সুজুকি মটর সাইকেলটি কৌশলে খুলে নিয়ে চলে যায়। গাড়িটি নিয়ে যাবার সময় পথিমধ্যে র‌্যাভেনের মামা হাসান মুরাদ বাবু গাড়িটি চিনতে পেরে কৌশলে তাকে ধরে ফেলে। আটক রাজু এর আগেও দুইবার মটর সাইকেল চুরি মামলায় বাগেরহাটে জেল হাজতে ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এছাড়াও এলাকার ছোট খাট চুরি ও মাদক ব্যবসার সাথে সে জড়িত বলে এলাকাবাসী জানায়। শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ এস.কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, আটককৃত রাজু এর আগেও দুই দুই বার চোরাই মটর সাইকেল সহ গ্রেফতার হয়েছিল। শরণখোলায় সম্প্রতিক কালে বিভিন্ন বাড়ীতে চুরি ও মাদক ব্যবসা রহস্য উদঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শরনখোলায় দম্পতী সহ আরও ৩-জন করোনা পজিটিভ

শরনখোলা প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের শরণখোলায় নতুন করে আরও ৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে এ উপজেলায় মোট ৩৯ জন এর করোনা পজেটিভ ও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি জানান উপজেলার আমড়াগাছিয়া গ্রামের করোনা আক্রান্ত স্বাস্থ্য সহকারী রিনা চক্রবর্তীর মেয়ে চৈতী (১৩) ও মধ্য খোন্তাকাটা গ্রামের শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে শাহিন হাওলাদার (৪৮) ও তার স্ত্রী রুবি আক্তার (৩৮) এর করোনা পজেটিভ হয়েছে। তারা যার যার বাড়ীতে হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন আছে বলে জানা গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত শরণখোলা থেকে ২৪৯ জনের স্যাম্পল পাঠানো হয়েছে এবং ২১০ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৩৯ জন করোনা পজেটিভ হয় এবং উপজেলা শ্রমিকলীগের সহ সভাপতি আবুল কাশেম খলিফা মৃত্যুবরণ করেছেন। বাকীরা অধিকাংশই সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলকে সচেতন থাকতে হবে। ইতিমধ্যে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১২ জনকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং সকলকে সচেতনের লক্ষে ভ্রাম্যমান আদালত অব্যহত থাকবে বলে তিনি জানান।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাংবাদিক জোটের মত বিনিময়

স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি ঃ

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে পাইকগাছা সাংবাদিক জোট নেতৃবৃন্দের মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে এ মতবিমিয় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জোটের আহবায়ক প্রকাশ ঘোষ বিধান, যুগ্ম আহবায়ক এস এম আঃ রহমান, সদস্য সচিব পলাশ কর্মকার, সদস্য এইচ এম এ হাশেম, জি এম আসলাম হোসেন, জি এম এমদাদ, জি এম মোস্তাক আহম্মেদ, মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, আব্দুস সবুর আল-আমীন, দ্বীপ অধিকারী প্রমূখ। মত বিনিময় শেষে নির্বাহী কর্মকর্তাকে জোট নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছো জানান।

মানুষকে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা দিতে হবে: এমপি বাবু

কয়রা প্রতিনিধি

মহামারি করোনা ও ঘূর্নিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ কয়রা পাইকগাছার মানুষকে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা দিতে সরকারি কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু। তিনি মঙ্গলবার কয়রা উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভায় সরকারি কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের উদ্যেশ্যে এ কথা বলেন।তিনি বলেন, আমি মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের শুরু থেকেই কয়রা পাইকগাছা মানুষের সাথে আছি এবং ক্ষতিগ্রস্থ মানুষকে ঘরে ফিরিয়ে না দেয়া পর্যন্ত মাঠেই অবস্থান করব। তিনি সভায় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান জনবান্ধব সরকার জনগনের জন্য কাজ করছেন এবং সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরে সরকার জনগনকে সেবা দিতে অর্থ বরাদ্ধ দিয়েছেন। অথচ প্রাপ্ত সেই অর্থের কোন চিঠি পত্র উপজেলা পরিষদকে পাশ কাটিয়ে খরচ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন থেকে সবকিছু সরকারি নিয়ম নীতির মাধ্যমে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা মানুষের দোড় গোড়ায় পৌছে দিতে হবে। সভায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেশ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভুমি নুরে-ই-আলম সিদ্দিকী, উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান কমলেশ কুমার সানা, কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন সহ সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও সরকারি কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দু’জনের মৃত্যু

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় ও মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে তারা মারা যান। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরার শহরের কামাল নগরের সৈয়দ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান (৮০) ও দেবহাটা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের স্ত্রী রহিমা খাতুন (৪৫)। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, গত ১৪ জুলাই জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হন শহরের কামাল নগরের আব্দুর রহমান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তিনি মারা যান। এর আগে গত ১৫ জুলাই তার নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। এখনও পর্যন্ত তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। এদিকে, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ১০ জুলাই সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হন দেবহাটা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের রহিমা খাতুন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনিও মারা যান। তারও নমুনা সংগ্রহ করে গত ১১ জুলাই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হলেও এখনও পর্যন্ত তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তাদের বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে। সাতক্ষীরায় করেনার উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ৩৭ জন। আর করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ১৩ জন।

মশিয়ালী গ্রামের হতাহতের ঘটনায় ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতি

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার খানজাহান থানাধীন মশিয়ালী গ্রামের চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ও সুদখোর ব্যবসায়ী শেখ জাকারিয়া, তার মেঝভাই শেখ মিল্টন ও ছোটভাই জাফরীন গংদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। এ প্রভাবশালী পরিবার দ্বারা গ্রামের প্রায় সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে নির্যাতিত, নিগৃহীত ও নিপীড়িত। তাদের অন্যায় কাজে প্রতিবাদ করলে তাকে মাদক ও অস্ত্র দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিত এবং সময়মত ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের জমি ঘরবাড়ি দখল করে নিত। এ সমস্ত ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে। গ্রামবাসী এ সবকিছুর প্রতিবাদ জানাতে গেলে শেখ জাকারিয় ও তার ভাইদের ছোঁড় গুলিতে ১০ (দশ) জন গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে ৩ জন মারা যায়। তারই প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্দ উত্তেজিত গ্রামবাসী জাকারিয়াদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া এবং গণধোলাইতে ১ জন আহত হয়ে মারা যায়। ৩ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জাকারিয়ার ভাই জাফরীন, শ্যালক আরমান ও চাচাত ভাই জাহাঙ্গীর গ্রেফতার হয়েছে। তবে এখনও মূলহোতা শেখ জাকারিয়া ও শেখ মিল্টন গ্রেফতার হয়নি। নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে মূল আসামীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেনÑখুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা ও মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, কমরেড মনির আহমেদ, কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য শেখ সাহিদুর রহমান, কমরেড মনিরুজ্জামান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড কৌশিক দে বাপী, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড মোঃ আলাউদ্দিন, কমরেড মনির হোসেন, কমরেড আরিফুর রহমান বিপ্লব, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, কমরেড অজয় দে, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড হাফিজুর রহমান, কমরেড গৌরী ম-ল প্রমুখ।

অপরদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে গত ১৯ জুলাই রবিবার বিকেল ৫টায় মশিয়ালীতে ফুলতলা থানা ও খানজাহান আলী থানা ওয়ার্কার্স পার্টি’র উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধিসম্মতভাবে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেনÑখানজাহান আলী থানা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, ফুলতলা থানা’র নেতা কমরেড প্রভাষক রেজওয়ান রাজা, পার্টির খুলনা মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড আমিরুল ইসলাম, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড ইকবাল হোসেন মোল্লা, শ্রমিকনেতা বাবুল রেজা, আঃ গনি মোল্লা, ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন নেতা শেখ সাইদুলের পুত্র শেখ সাইফুল, গোলাম রসুল ও নজরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।  

মোংলায় প্রবাসী সংগঠনের অর্থায়নে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদাণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

জার্মান প্রবাসীদের সংগঠন ‘সৈয়দ শাকিল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, ‘আশা হোফ ফর বাংলাদেশ’ ও ‘আলোকিত শিশু’র অর্থায়নে পশুর রিভার ওয়াটারকিপার’র বাস্তবায়নে মোংলায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদাণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মোংলার চিলা ইউনিয়নের কলাতলা, আমতলা ও জয়মনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদাণ করা হয়। কলাতলা গ্রামের পশুর নদীর পাড়ে খাদ্য সহায়তা প্রদাণকালে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার বাপা নেতা মোঃ নূর আলম শেখ। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার গীতা হালদার, মাহারুফ বিল্লাহ, শেখ রাফসান, দক্ষিণাঞ্চল সেবা সংঘ’র সভাপতি মোঃ মামুন আব্দুল্লাহ প্রমূখ। সমাবেশে বক্তারা ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ সুন্দরবন উপকূলবাসীকে খাদ্য সহায়তা প্রদাণে জন্য জার্মান প্রবাসী সৈয়দ শাকিল ও প্রবাসীদের সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, জার্মান প্রবাসীদের সংগঠনের অর্থায়নে এবং পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের বাস্তবায়নে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ অর্ধ শতাধিক পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, তেল ও সাবানসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্য সামগ্রী প্রদাণ করা হয়।

নগরবাসীকে মশা থেকে স্বস্তি দিতে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তালুকদার আব্দুল খালেক

তথ্য বিবরণী

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, নগরবাসীকে মশা থেকে স্বস্তি দিতে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এজন্য কেসিসির পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাকেও এগিয়ে আসতে হবে। ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।

মেয়র মঙ্গলবার সকালে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকা মোড়ে নিরালা আবাসিক জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে মশা নিধনের দু’টি ফগার মেশিনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। এক লাখ ৭০ হাজার টাকায় ফগার মেশিন দু’টি ক্রয় করে জনকল্যাণ সমিতি। তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ। নিদিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে হবে। নিজ নিজ উদ্যোগে বাড়ির আঙ্গিনা, অফিস চত্ত্বর, ফুলের টব ও সকল স্কুল-কলেজের আশপাশ পরিস্কার করলে ডেঙ্গুমশা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। মেয়র আরও বলেন, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। করোনার মেডিসিন এখন পর্যন্ত আবিস্কার হয়নি। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলে, মাস্ক ব্যবহার এবং বার বার হাত ধুতে হবে। নিরালা আবাসিক জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল জব্বার মোল্লার সভাপতিত্বে এসময় সাধারণ সম্পাদক শেখ আবেদ আলী, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম নাসির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সিকদারসহ সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে সিটি মেয়র  বানরগাতি বাজারে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জীবাণুনাশক স্প্রে উদ্বোধন এবং ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে একশত অসহায় ও দুস্থদের মাঝে চাল, ডাল, লবণ, আলু, সাবানসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

 দুপুরে তিনি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক খুলনা প্রেসকাব সম্মেলনকক্ষে করোনায় আক্রান্ত অক্সিজেন ও মেডিসিন সেবায় রোটারি অব খুলনা প্যারাগণের উদ্যোগে এবং খুলনা জেলা পরিষদের সহায়তায় শেখ সোহেল অক্সিজেন  ব্যাংকের উদ্বোধন করেন।

শেখ সোহেল অক্সিজেন ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য করোনা আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেন সেবা, গরীব ও অসহায় করোনা আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ এবং গরীব ও অসহায় রোগীদের জন্য লকডাউন চলাকালীন জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় সমগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা। করোনাকালে এই কাবের উদ্যোগে একশত পাঁচটি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা। অনলাইনে জুম অ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট বাংলাদেশের গভর্নর মোঃ রুবায়েত হোসেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রোটারি অব খুলনা প্যারাগণের সভাপতি ডাঃ সুবেদ মন্ডল, সহসভাপতি শেখ আবু হানিফ, মোঃ মহিদুল ইসলাম টুটুল, আশিষ দে, মোঃ ফরহাদ আহমেদসহ রোটারি অব খুলনা প্যারাগণের নেতৃবৃন্দ।

খুলনায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

তথ্য বিবরণী

খুলনায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২০ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান মঙ্গলবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইনে জুম অ্যাপের মাধ্যমে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। ‘মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি করি, সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ি’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ থেকে শুরু হয়ে ২৭ জুলাই পর্যন্ত মৎস্য সপ্তাহ চলবে।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গোলাম মাইনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইউসুপ আলীসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জুম অ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা যুক্ত ছিলেন।

দেবহাটার টিকেট পূর্বপাড়া এলাকার সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ

কে এম রেজাউল করিম

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের অনেক স্থান প্রত্যন্ত হওয়ায় এখানে নানা সমস্যা দীর্ঘদিনের। সুপেয় পানি সংকট, যোগাযোগের রাস্তা, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো সহ সমস্যা লেগেই আছে। এই জনগোষ্ঠীর মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা খালের ওপর বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকোগুলো বেশিরভাগ এলাকার জনগণ নিজেদের অর্থায়নে স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি। স্থায়ী সাঁকো না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের। এরমধ্যে টিকেট পূর্ব পাড়া এলাকার সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। এমন নানাবিধ অভিযোগ তুলেছেন কুলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখো গেছে, উপজেলার টিকেট এলাকাটি একেবারে প্রত্যন্ত এলাকা। এখানে মানুষ অনেক কিছু থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এমনকি সরকারি বে-সরকারি সুযোগ সুবিধা পৌঁছাতে অনেক বেগ পেতে হয়। সুবিধা বঞ্চিত এসব মানুষেরা না প্রতিকূলতায় সংগ্রাম করে জীবন যাপন করেন। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে চরম দুর্ভোগে পৌঁছে গেছে এখানের মানুষের। খোঁজ নিয়ে আরো দেখা গেছে টিকেট পূর্বপাড়া খালের ওপর এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে একটি সাঁকো তৈরি করেন। যা এক বা দুই বছর পর পর নতুন করে নির্মাণ করতে হয়। এই সাঁকোটি তাঁরা নিজেদের উদ্যোগে সংস্কারও করে আসছেন। বর্তমানে সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে সাঁকো সংলগ্ন টিকেট পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। এছাড়া এই এলাকা থেকে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে আসছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ঝুঁকিতে যাতায়াত করছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সবিতা রানী জানান, আমরা বিল এলাকায় বাস করি তাই আমাদের এলাকায় উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে। এই সাঁকোটি অনেক বছর ধরে এভাবে চলে আসছে কোন সংস্কার হয় না। আমরা মহিলারা খুব ভয়ে পারাপার হই। অনেক মায়েরা বাচ্চা নিয়ে পার হতে পারে না। মাঝে মাঝে আমি এবং অন্যরা তাদের সহযোগিতা করি। এভাবে আমাদের আর কত দিন চলতে হবে কে জানে।

একই এলাকার বাসিন্দা তাপস মন্ডল জানান, আমাদের জীবিকা নির্বাহ করা সহ প্রয়োজনীয় কাজ মেটাতে এই সাঁকো দিয়ে পার হতে হয়। কিন্ত এটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন সময় মানুষ পড়ে যায়। লকডাউনের পূর্বে স্কুলে আসা ২ শিশু খালের জলে পড়ে যায়। সারাদেশে নানা উন্নয়ন হলেও আমাদের এই সাঁকোটি আজও এভাবে পড়ে আছে। এটি দ্রুত সম্পন্ন না হলে আমাদের বিপদের শেষ থাকবে না। আমরা একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, এই সাঁকোটি নির্মাণে বহুবার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা আশার কথা বললেও আজ পর্যন্ত কোন সমাধান হয়নি। ভোট শেষ হয়ে গেলে কেউ আমাদের কথা শুনতেও চাই না। তাই আর কিছু না হোক স্কুলগামী শিশুদের কথা ভেবে এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হয় সেজন্য জেলা প্রশাসকের সু-নজর কামনা করছি। কুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করব।

ঝিনাইদহে পুলিশের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঝিনাইদহে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী শুরু করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে সদর থানার চত্বরে গাছের চারা রোপন করে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান (পিপিএম)। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশার, সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রেসকাবের সভাপতি এম রায়হান, সদর থানার ওসি তদন্ত এমদাদুল হক, ওসি অপারেশন আবুল খায়েরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় থানা চত্বরে ৫০ টি ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয়। আগামী ১ মাসে জেলার ৬ থানা এলাকায় ৫ হাজার গাছের চারা রোপন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কৃষি কর্মকর্তার স্ত্রীর মর্যাদার দাবী শরণখোলায় বরিশালের কলেজ ছাত্রী!

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় কৃষি কর্মকর্তার স্ত্রীর মর্যাদা পেতে উপজেলা প্রশাসন পাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক কলেজ ছাত্রী। বরিশাল  উত্তর সাগরদী এলাকার বাসিন্দা এক ব্যবসায়ীর কন্যা ও বরিশাল সরকারি (বি.এম) কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাষ্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী (২৫), গত ২০ জুলাই সকালে তার দুই নিকট আত্মীয়কে সাথে নিয়ে শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হন। এ সময় তিনি ওই দপ্তরে সদ্য যোগদানকারী কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিউল ইসলামের স্ত্রীর মর্যাদা পেতে চান বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকারকে অবগত করেন। ওই ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, মাদারীপুর জেলার সদর থানতলি উপজেলার বাসিন্দা (অবসরপ্রাপ্ত) সেনা সদস্য আব্দুল আউয়াল মজুমদারের ছেলে কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিউল ইসলামের সাথে আমার ২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম (ফেসবুকে) পরিচয় হয়। তারপর থেকে আমি ওর সাথে বিভিন্ন স্থানে দেখা করি এবং বিষয়টি উভয়ের পরিবার জানে। পরবর্তীতে বিয়ে করার কথা বলে সে আমাকে স্ত্রী হিসেবে ব্যবহার করেন।  কিন্তু হঠাৎ করে ওলিউল আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এছাড়া তার পরিবারের লোকেরা নানা তালবাহানা শুরু করেন। কিন্তু ওলি আমার জীবন-মরন তাকে ছাড়া আমি বাঁচব না। এ বিষয়টি আমি ওলিউলের কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকার সহ শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে বলেছি কিন্তু তারা আমার কোন উপকার না করে ওলির পক্ষ নেওয়ায় আমি  খুব হতাশ হয়ে পড়েছি। ওলি আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে এ ভাবে বিশ্বাস ঘাতকতা করবেন তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি।  এছাড়া ওই ছাত্রীর সাথে থাকা তার মামা মেহেদী বলেন, ওলিউলের প্রতারনার বিষয়টি নিয়ে (সোমবার ) রাতে (ইউএনওর) অফিসে এক বৈঠক হয়েছে কিন্তু বিষয়টি তারা আন্তরিকতার সাথে না দেখার কারণে ওলিউলের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি। ওই বৈঠকের পর এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটি। পরে তাকে রাতে ওই শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, ওই কলেজ ছাত্রীর সাথে এক সময় আমার পরিচয় ছিল, কিন্তু আমি তার সাথে কোন প্রতারণা করিনি এবং তাকে কোন প্রলোভনও দেখাইনি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা হিসেবে ওলিউল সদ্য আমার অফিসে যোগদান করেছেন। তবে, তার সাথে ওই ছাত্রীর মন দেয়া-নেয়ার বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না। ঘটনাটি  জানার পর তা  মিমাংসার উদ্দ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছি। অপরদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, উভয়ের বক্তব্য শুনে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করেছি কিন্তু ওলিউল ইতিমধ্যে অন্যত্র বিয়ে করে ফেলায় কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে, ওই ছাত্রীকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালকের কথিত বন্ধু ও পিএ’র কাছে জিম্মি হাসপাতাল!

স্টাফ রিপোর্টার

দিনকে দিন খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নানান অনিয়মে ও দুর্নীতি বিষয় বেরিয়ে আসছে। হাসপাতালের পরিচালকের কথিত বন্ধু লিটন ও তার ছেলে ইমন দুই বাপ-বেটার কাছে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যবস্থা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। কথিত ওই বন্ধু ও পিএ’র বিরুদ্ধে হাসপাতালের কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন হাসপাতালের পরিচালক। এতে হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। 

জানা গেছে, অফিসের কাজের সময় পরিচালকের কক্ষে বসে অফিসিয়াল কাজে খবরদারি করেন এক বহিরাগত ব্যক্তি। ওই ব্যক্তির ছেলে পরিচালকের পাশের চেয়ারে বসে তার পি.এ পরিচয় দিচ্ছেন। পরিচালকের অঘোষিত পি.এ বলে হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী কাউকেই পরোয়া করেন না ওই আউটসোর্সিং কর্মচারী। তার পিতা পরিচালকের বন্ধু পরিচয় দিয়ে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মালামাল ক্রয়ের ঠিকাদারী কাজ হাতিয়ে নিয়েছেন এমন অভিযোগও রয়েছে। এক কথায় অনেকটা বাপ-বেটার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি। এতে হাসপাতালে চিকিৎসক থেকে শুরু করে সব স্টাফদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তথ্যানুসন্ধ্যানে জানা যায়, খুমেক হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক যোগদানের পর থেকেই আনোয়ার হোসেন লিটন নামের নগরীর নিরালার এক ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। তিনি পরিচালকের বন্ধু পরিচয় দিলেও দু’জনের বয়সের তারতম্য অনেক। এছাড়া তিনি দেশের একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার ছোটভাইর বন্ধু হিসেবেও নিজেকে পরিচয় দেন। খুলনা থানা থেকে সম্প্রতি বদলী হওয়া অফিসার ইনচার্জও ওই ব্যক্তিকে নিয়ে একদিন খুমেক হাসপাতালে যান। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তিকে তিনি একজন ঠিকাদার হিসেবে চেনেন।

এদিকে, খুমেক হাসপাতালের পরিচালকের বন্ধু পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি প্রায়ই হাসপাতালের বিভিন্ন কাজে খবরদারি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে সম্প্রতি হিসাব বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাজেহাল হয়েছেন। ওই ব্যক্তির ছেলেসহ এ পর্যন্ত আটজন আউটসোর্সিং কর্মচারীকে বিভিন্ন অজুহাতে চাকরীচ্যুৎ করে তদস্থলে নতুন লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন পরিচালকের ওই কথিত বন্ধুর ছেলেও। যিনি পরিচালকের কক্ষেই ল্যাপটপ নিয়ে বসে থাকেন। সম্প্রতি ওই আউটসোর্সিং কর্মচারী হাসপাতালের কেবিনে গিয়ে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্সকে লাঞ্ছিত করেন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে নার্সরাও পরিচালকের তোপের মুখে পড়েন। এর খেসারত দিতে হয় সেবা তত্ত্বাবধায়ককেও। এছাড়া ওই আউটসোর্সিং কর্মচারী হাসপাতালের বহির্বিভাগের ফার্মেসীতে গিয়ে ফার্মাসিষ্টদের চেয়ার দখল করে বসে থাকেন এমন নজিরও রয়েছে। ওই বাপ-বেটার সাথে ভাল সম্পর্ক রাখায় খুলনা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ওষুধ চুরির দায়ে বদলী হওয়া খুমেক হাসপাতালে যাওয়া একজন ফার্মাসিষ্টকেও ইনচার্জ করা হয়। এর মাধ্যমে হাসপাতালের ওষুধসহ অন্যান্য মালামাল বিনা স্লিপে বাইরে পাচার করা হয় এমন অভিযোগও রয়েছে। কথিত রয়েছে কথিত ওই পি.এ পরিচালকের সরকারি গাড়ি নিয়ে মাঝে-মধ্যে রূপসা সেতুসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান। বিষয়টি অনেকটা দৃষ্টিকটু বলে অনেক চিকিৎসক পরিচালককে বলতে গিয়ে নাজেহাল হয়েছেন। আনোয়ার হোসেন লিটন ও তার ছেলে কাইয়ুম হোসেন ইমনের বিরুদ্ধে হাসপাতালের পরিচালকের বিরুদ্ধে যিনিই প্রতিবাদ করেছেন তিনিই নানাভাবে নিগৃহীত হয়েছেন এমন অভিযোগও রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক জানান, বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে, মনে হচ্ছে হাসপাতালটি বাপ-বেটার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

হাসপাতালের সামনের মটর সাইকেলের গ্যারেজটি ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করেন এক সংখ্যালঘু ব্যক্তি। তাকেও ওই লিটন সম্প্রতি হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। করোনা হাসপাতালে ডিউটিতে থাকা ডাক্তার, নার্স,  কর্মকর্তা- কর্মচারিদের খাাবার স্পালাইয়ের কাজটি ভাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা রয়েছে পরিচালকের কথিত বন্ধু লিটন।

হাসপাতালের সুত্র মতে, গত ১২ জুলাই সকালে নগরীর বয়রা এলাকার এক বৃদ্ধাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে অক্সিজেনের অভাবে তার মৃত্যু হয়। এসময় রোগীর স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পরিচালক নিজেই সেখানে গিয়ে অক্সিজেন না থাকার প্রমান পান। শোনা যাচ্ছে, জরুরি বিভাগের অক্সিজেন নেয়া হয়েছিল হাসপাতালের ক্যাশিয়ারের সেবার জন্য। কিন্তু সে ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে তিনি লাশ নিয়ে রোগীর লোকদের বাইরে চলে যেতে বলেন। এরপরও একজন কর্মচারীকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ লিখিয়ে একজন সরকারি নারী কর্মচারী ও ছয়জন আউটসোর্সিং কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। যেটি অনেকটা ‘উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে’ বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

এসব বিষয় নিয়ে অবশ্য হাসপাতালের পরিচালক ডা: মুন্সী মো: রেজা সেকেন্দার গতকাল মঙ্গরবার দুপুরে  বলেন,    লিটন তার বন্ধু বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সে হাসপাতালে আসে, তবে সব সময় বসে থাকে  না। করোনা হাসপাতালে আউটসোসিং নিযোজিত কর্মচারিরা সময় মতো ডিউটিতে আসেন না। যার কারনে ৪জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার বন্ধুর ছেলে ইমন তার সরকারি গাড়ি ব্যবহারের বিষয়ে অস্বীকার করেন।

ধর্ষণের শিকার হওয়ায় সমাজচ্যুত, সোয়া লাখ টাকা জরিমানা!

মাগুরা প্রতিনিধি

ধর্ষণের শিকার হয়ে এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় সালিশ করে তার পরিবারকেই এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এরপর জরিমানার টাকা দিতে দেরি হওয়ায় সোমবার (২০ জুলাই) ওই কিশোরীর পরিবারের গরু, ছাগল, ভ্যান ও বাইসাইকেলসহ বেশ কিছু জিনিস ছিনিয়ে নিয়ে যায় সালিশকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নে। ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে চাঁদা দাবিসহ সমস্ত ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নহাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা সিদ্দিকী লিটন। এ অভিযোগে সোমবার ওই আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১৬ জনকে আসামি করে মহম্মদপুর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন আগে থেকে সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নের ভাঙ্গুড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাহাবুল ইসলামের সঙ্গে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ওই কিশোরীর প্রেম চলছিল। সেই সুযোগে তাকে ধর্ষণ করে শাহাবুল। সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন হওয়ায় তার পরিবার বুঝতে পারে সে গর্ভবতী। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গত ৮ জুলাই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা সিদ্দিকী লিটনের কাছে যান ওই কিশোরীর চাচা। এর দুদিন পর ১০ জুলাই মোস্তফা সিদ্দিকী লিটনের নেতৃত্বে এ ঘটনায় এক সালিশ হয়। সালিশে নহাটা ইউনিয়নের সাবেক সদস্য ওবায়দুর, ক্যাপ্টেন, আক্কাস, মিজান, হামিদুলসহ এলাকার শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সালিশে বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে তা ১০ দিনের মধ্যে দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে ছয় মাসের জন্য ওই পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়। কিশোরীর বাবা বলেন, ‘প্রেমের সুযোগ নিয়ে ধর্ষণ করায় বেরইল পলিতা ইউনিয়নের ভাঙ্গুড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাহাবুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে গত ১৬ জুলাই মহম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা করেছি আমরা। ওই ছেলের সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল আমার মেয়ের। মামলার পর মোস্তফা সিদ্দিকী লিটন আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। অবিলম্বে জরিমানার টাকা দিতে চাপ দেয়। আমরা তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সোমবার বাড়িতে ওবায়দুরের নেতৃত্বে কয়েকজন এসে আমার গরু, ছাগল, ভ্যান ও বাইসাইকেলসহ বেশ কিছু জিনিস ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় ফেরত পাই।’ নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলী মিয়া বলেন, ‘লিটনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অনেক অভিযোগ আছে। মেয়েটির বাবা আমার কাছে এসেছিল। আমি তাকে বলেছি, এর জন্য আইনগত ব্যবস্থা নিতে। সেভাবেই তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আশা করি দোষীরা শাস্তি পাবে।’

মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র বলেন, ‘মামলার দিনই অভিযুক্ত কলেজছাত্র শাহাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। সে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। সোমবার কিশোরীর বাবার মালামাল কেড়ে নেওয়ার খবর পেয়েই আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং মালামাল উদ্ধার করি এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়। ঘটনার পর মোস্তফা সিদ্দিকী লিটন ও সাবেক ইউপি সদস্য ওবায়দুর রহমানসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পরিবারটি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, মারপিটের মাধ্যমে সাধারণ জখম ও পরিকল্পিতভাবে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’ এ বিষয়ে কথা বলতে মোস্তফা সিদ্দিকী লিটন ও ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

অভয়নগরে কয়লা তৈরির কারখানায় অভিযান, ভেঙে দেয়া হলো চুল্লি

অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি কারখানায় অভিযান চালিয়ে লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভেঙে দেয়া হয়েছে কয়লা তৈরির চুল্লি। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের ধুলগ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া আহমেদ। আদালত সূত্র জানায়, পরিবেশের ক্ষতি করে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ভৈরব নদ তীরবর্তী ধুলগ্রামে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে পাঁচ কারখানার মালিক পালিয়ে যায়। তবে আশিষ কুমার দত্ত ওরফে জয় বাবু নামে এক কয়লা তৈরি কারখানার মালিক পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। কারখানা মালিক আশিষ কুমার দত্ত জানান, তিনিসহ সিদ্ধিপাশা গ্রামের কবির শেখ, ধুলগ্রামের হরমুজ আলী সরদার ও চঁন্দ্রগাতী গ্রামের রকছেদ আলী দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে স্থানীয় হরমুজ আলীর জমি ভাড়া নিয়ে কয়লা তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছেন।এখানে মোট চুল্লি আছে ৩৭টি। প্রতিটি চুল্লিতে কাঠ পোড়ানো হয় দুইশ মণ। যা পুড়ে কয়লা হতে সময় লাগে ১০ দিন। তৈরিকৃত কয়লা নদী পথে দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত একই গ্রামের ফারুক হাওলাদারের কয়লা তৈরির কারখানায় অভিযান চালায়। তবে অভিযানের আগেই মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে যায়। গ্রামবাসী জানায়, কাঠ পোড়ানোর সময় কালো ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। ঝুঁকিতে আছে শিশু ও বয়স্করা। সিদ্ধিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান এ কামাল হাসান বলেন, গ্রামবাসীর অভিযোগে অভয়নগর উপজেলা প্রশাসন ইতোপূর্বে দুই দফা অভিযান চালিয়ে জরিমানা করাসহ কারখানা ভেঙে দিয়েছিল। এসব কারখানার মালিকরা ক্ষমতাধর হওয়ায় তারা বার বার এভাবে ক্ষমতার জোরে কারখানা গড়ে তোলে। অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান সরকার, ইউপি চেয়ারম্যান খান এ কামাল, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল আক্তার, আমতলা ক্যাম্পের এসআই রেজাউল ইসলাম, পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক ও এলাকাবাসী। অভিযানের ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া আহমেদ বলেন, পরিবেশ ধ্বংস করে গড়ে ওঠা এসব কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মালিকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে। এ ধরনের কারখানা সম্পূর্ণ অবৈধ।

ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের নির্দেশে চৌকিদারদের পিটুনিতে গোলাম কুদ্দুস (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত গোলাম কুদ্দুস শেখ উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদি গ্রামের জোহর আলীর ছেলে। তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

নিহতের মেয়ে মনোয়ারা খাতুন অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী রাজিয়া বেগম তার দেবর মনি ফকিরের সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হন। বিয়ে করা ছাড়াই তারা এক সঙ্গে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে আমার বাবা ওই নারীকে বলতো- ‘তোমরা আর পাপ কাজ করো না।’ এ নিয়ে ওই নারী বিরক্ত হয়ে চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের কাছে মৌখিক অভিযোগ দেন। অভিযোগের পর চেয়ারম্যানের নির্দেশে শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইউনিয়নের চৌকিদার দিলিপ ও অশোক বাড়িতে এসে লাঠি দিয়ে বাবাকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর বাবাকে হাসপাতালে নিতেও বাধা দেন চেয়ারম্যান মনিরুল। মনোয়ারা খাতুন বলেন, ভয়ে বাবাকে আমি ও মা হাসপাতালেও নিয়ে যেতে পারিনি। আজ সকালে অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়। তখন চুরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে যাওয়ার পর বাবা মারা গেছেন। এ ঘটনায় আমার মা ফিরোজা বেগম কলারোয়া থানায় চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশের নামে মামলা দিলেও থানা থেকে চেয়ারম্যানের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।

চন্দনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ডালিম জানান, বেধড়ক মারপিটে মাথা, পিঠ, হাত ও কোমরে আঘাতপ্রাপ্ত হন গোলাম কুদ্দুস। মঙ্গলবার সকালে অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভর্তির ঘণ্টাখানেক পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম কুদ্দুস মারা যান। তিনি বলেন, মারপিট করে হাসপাতালে নিতে বাধা দেয়া কোনো সচেতন মানুষের কাজ নয়। চেয়ারম্যান এর আগেও এমনিভাবে একাধিক মানুষকে গ্রাম চৌকিদার দিয়ে পিটিয়েছেন। স্থানীয় এমপির ছত্রছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন চেয়ারম্যান মনিরুল। এ ঘটনায় চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন তার ছোট ভাই জাকির হোসেন। তিনি বলেন, মনিরুল ভাই থানায় আছেন। কুদ্দুসকে তার নির্দেশে মারপিটের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। কলারোয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনীর উল গিয়াস বলেন, এ ঘটনায় চৌকিদারদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। তবে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে তাদের পাঠিয়েছিলেন। এ কারণে চেয়ারম্যানকে থানায় ডেকে আনা হয়েছিল। তবে তাকে আটক করা হয়নি। মামলা থেকে চেয়ারম্যানের নাম বাদ দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা কারও নাম বাদও দিচ্ছি না আবার কারও নাম সংযুক্তও করছি না।

খুলনায় ৪ খুন: ওসি শফিকুলকে বদলি

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামে জাকারিয়া বাহিনীর গুলিতে তিন গ্রামবাসী ও ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পিটুনিতে জাকারিয়া বাহিনীর এক সদস্যসহ চারজন নিহতের ঘটনায় খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শফিকুল ইসলামকে নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে সোয়াতে বদলি করা হয়েছে।  এছাড়া খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) এস এম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উপ-কমিশনার কানাই লাল সরকার জানান, খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শফিকুল ইসলামকে নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে মঙ্গলবার সোয়াতে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া চার খুনের আগে-পরের ঘটনা সংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) এস এম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশিকিউশন) মো. আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) শিপ্রা রাণী দাস। তদন্ত কমিটির সদস্যরা মঙ্গলবার থেকেই মশিয়ালী গ্রামের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে বলে জানান উপ-কমিশনার কানাই লাল সরকার। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেএমপির এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘হত্যাকা-ের আগে-পরে খানজাহান আলী থানার ওসি এসএম শফিকুল ইসলামের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না সেগুলোও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এছাড়া গ্রামবাসীসহ স্থানীয়দের অভিযোগও গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে গুলি করে তিনজনকে হত্যা করার মূল হোতা বহিস্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা শেখ জাকারিয়া হাসান ও তার ভাই মিল্টনসহ বাকি ১৮ জন আসামি এখনও পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। গত পাঁচ দিনেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়, মশিয়ালী গ্রামের ট্রিপল হত্যা মামলার আসামি খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের বহিস্কৃত সহ-সভাপতি শেখ জাফরিন হাসান, আরমান, জাহাঙ্গীর ও রহিম রিমান্ডে হত্যাকা- সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মুজিবর নামে মশিয়ালী গ্রামের এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক জাকারিয়া হাসান এবং তার ভাই জাফরিন ও মিল্টন পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় গ্রামের বেশ কয়েকজন জাকারিয়ার বাড়িতে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে যান। সেসময় জাকারিয়ার সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জাকারিয়া, জাফরিন ও মিল্টন তাদের ওপর অতর্কিতে গুলিবর্ষণ করেন। গুলিতে মশিয়ালী গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম, গোলাম রসুল ও সাইফুল ইসলাম নিহত হন। অপরদিকে, বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে জাকারিয়া বাহিনীর সদস্য ও জাকারিয়ার চাচাতো ভাই জিহাদ শেখ মারা যান। এ ঘটনার পর খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগ থেকে জাকারিয়াকে বহিস্কার করা হয়।

ফুলতলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

ফুলতলা প্রতিনিধি

“মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি করি, সুধী সমৃদ্ধি দেশ গড়ি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং সংরক্ষণে ২১ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই ২০২০ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ফুলতলা উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষনা করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবু ছাইদ, ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা পরিষদ পুকুরে ইউএনও সাদিয়া আফরিন মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। 

পরিশোধের দাবিতে খুলনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী   বরাবর স্বারকলিপি প্রদান

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

শিরোমণি শিল্পাঞ্চলের ব্যক্তিমালিকানধীন মহসেন  জুট মিলের  শ্রমিক কর্মচারীদের পিএফ , গ্রাচুইটি সহ  চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে ২১ জুলাই মঙ্গলবার  সকাল ১১ টায় খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেনের মাধ্যমে  প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেছে সাধারণ শ্রমিক কর্মচারীরা। মিলটি বিগত  ২০১৩ সালের ২৩  জুন প্রথমে ৩৯০ দিন লে অফ এবং পরবর্তিতে ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই  শ্রমিক কর্মচারীদেরকে শ্রম আইনের তোয়াক্বা না করে  এক নোটিশের মাধ্যমে সকল শ্রমিক কর্মচারীদের ছাটাই করা হয় । ছাটাইয়ের ৭ বছর অতিবাহিত হলেও অদ্যবধি  পরিশোধ করা হয়নি শ্রমিক কর্মচারীদের যাবতীয় পাওনাদি। স্বারকলিপি প্রদান কালে  উপস্থিত ছিলেন মিলের শ্রমিক ও খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব ইঞ্জিল কাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাগজী ইব্যাহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আছহাব উদ্দিন, ডাঃ ফরিদ হোসেন, আমির মুন্সি, এরশাদ আলী, মোঃ হাসেম আলী, দাউদ আলী, সাংবাদিক মিহির রঞ্জন বিশ^াস,ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক পরিবারের সন্তান সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেক প্রমুখ । এ সময় জেলা প্রশাসক খুলনা যুগ্ম শ্রম পরিচালককে আগামী ২৬ জুলাই মিল মালিককে নোটিশ করে ডেকে পাঠিয়ে মহসেন জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করার জন্য বলেন। এ ছাড়া আগামী ২৪  জুলাই শুক্রবার  মহসেন জুট মিল  শ্রমিক কলোনিতে চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে পুর্বনির্ধারিত কর্মসুচী অনুযায়ী  শ্রমিক জনসভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সাধারণ  শ্রমিক কর্মচারী  নেতৃবৃন্দ।

 রূপালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা চিরকুমার খালেকুজ্জামানের ইন্তেকাল

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

শিরোমণি পূর্বপাড়া নিবাসী মরহুম খন্দকার আব্দুল মজিদের পুত্র ও দৌলতপুর শাখা রূপালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবক খন্দকার খালেকুজ্জামান(৭৫) ২১ জুলাই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ( ইন্নাল্লি………. রাজিউন )। মৃত্যুকালে তিনি মা    সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন ।  মঙ্গলবার জোহর নামাজ বাদ শিরোমণি পূর্বপাড়া আল আকসা জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাযায় উপস্থিত ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, খান নাসির উদ্দীন, খম লিয়াকত আলী, খন্দকার আব্দুস সহিদ, খান সৈয়দ আলী,খন্দকার খলিলুর রহমান,কাজী হাফিজুর রহমান, শেখ শাহিনুর রহমান, সাংবাদিক গাজী মাকুল উদ্দীন, এ্যাড. তারিক হাসান, খান মুস্তাক আহম্মেদ,খন্দকার জাহিদুর রহমান, মুক্ত আহম্মদ, জুয়েল সহ শিরোমণি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। জানাযায় ইমামতি করেন শিরোমণি হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মোহাম্মাদ ইব্রাহীম।

একযুগ পর মেহেদী হাসান কুষ্টিয়া টিটিসিতে বদলী: কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসাবে মনিরুল ইসলামের যোগদান

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

খুলনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মো. মেহেদী হাসানকে কুষ্টিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বদলী করা হয়েছে। তার স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির উপাধ্যক্ষ মো. মনিরুল ইসলাম। গত ২০ জুলাই বিদায়ী অধ্যক্ষ মো. মেহেদী হাসানের নিকট দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। ২১ জুলাই মঙ্গলবার তিনি অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত)হিসাবে দায়িত্বপালন করেন। প্রথম কর্মদিবসে নতুন দায়িত্ব পেয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন দেশের সার্বিক উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং বিশে^ জনশক্তি রপ্তানিতে বর্তমান সরকার বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। এরই ধারাবাহিকতায়  সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে এই খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্ধ দিয়েছে। তিনি বলেন  দেশের জনসম্পদকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তিতে রুপান্তর করতে এই প্রতিষ্ঠান বিশেষ ভুমিকা পালন করে আসছে।  প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ট ও সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) মো. মনিরুল ইসলাম ২০১৭ সালের মে মাসে এই প্রতিষ্ঠানে উপাধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ফরিদপুরের রাজবাড়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ছিলেন। উল্লেখ্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মো. মেহেদী হাসান দীর্ঘ একযুগ এই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে ২০২০ সালের ২০ জুলাই পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

কুয়েটের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুলের ইন্তেকাল

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

কুয়েটের মেডিকেল সেন্টারের (ল্যাব এ্যাটেনডেন্ট) অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম(৬৫) ২১ জুলাই মঙ্গলবার ভোর ৫টায় মহেশ^রপাশা বনিকপাড়ায়(কান্দর) নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্নানিল্লাহি .. রাজিউন) । তিনি দূরারোগ্যব্যধী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও তিন কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুনোগ্রাহী রেখেগেছেন। গতকাল যোহরবাদ খানাবাড়ী ঈদগাহে জানাযা শেষে যোগিপোল কবরস্থানে   দাফন করা হয়। জানাযায় কুয়েটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রকৌশলী মো. আসলাম পারভেজ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হায়াৎ, কেসিসি ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. শাহাদাৎ হোসেন মিনা, খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান, ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউসুফ আলী খলিফা, সাধারণ সম্পাদক মোড়ল হাবিবুর রহমান, খানজাহান আলী থানা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মিজানুর রহমান রুপম, অলিয়ার রহমান রাজু, কুয়েট কর্মচারী সমিতির(৩য় শ্রেনী) সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরুল ইসলাম, কর্মচারী সমিতি(৪র্থ শ্রেনী) সভাপতি শেখ এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমানসহ কুয়েট ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটে সুদখোরের অত্যাচারে স্কুল শিক্ষিকার আত্মহত্যা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে সুদখোরদের পাশবিক অত্যাচার-নির্যাতন সইতে না পেরে হাসিকনা বিশ্বাস (৩৮) নামের এক স্কুল শিক্ষিকা আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার বিকেলে উপজেলার চরবানিয়ারী ইউনিয়নের খড়মখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁস দেওয়া তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ । এ ঘটনার পর শত শত মানুষ উপস্থিত হয়ে সুদখোরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দায়ী সুদখোরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন। সুদখোরদের নির্যাতনে এর আগেও চিতলমারীতে একাধিক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। শুধু চিতলমারী নয় বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় সুদী ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে নিঃশ্ব হচ্ছেন অসংখ্য পরিবার। কেউ কেউ এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছেন। কেউ কেউ বাপের ভিটা বিক্রি করে পাড়ি জমাচ্ছেন অন্য এলাকায়। কেউ কেউ বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার মত কঠিন পথ। করোনাকালেও থেমে নেই সুধখোর দের থাবা।

শিক্ষিকা হাসিকনার স্বামী যুগল কান্তি স্থানীয় একটি কিন্ডার গার্টেনের প্রধান শিক্ষক। আর্তনাদ করতে করতে তিনি জানান, বসবাসের জন্য জায়গা কেনা ও ঘর নির্মানের জন্য তিনি চিতলমারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি’র (থ্রি স্টার) কাছ থেকে চড়া সুদে ৫ লাখ, রত্মা-বিকাশের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা, অনুপ বসু-রেফাফুল খার কাছ থেকে ২ লাখ, ঔষধ কোম্পানীর বিপ্লবের কাছ ৪ লাখ, রবিন সরকারের কাছ থেকে ১ লাখ ও জ্যোতিষের কাছ থেকে কারেন্ট সুদে টাকা নিয়ে মোট ২৬ লাখ টাকা দিয়ে খড়মখালী গ্রামে ৩২ শতক জমি ক্রয় করেন। টাকা সুদে নেওয়ার বিনিময়ে তাদের (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ের কাছ থেকে ফাঁকা ১০ চেকে স্বাক্ষর নেয় ওই সুদখোরেরা। দেনার চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুণ টাকা পরিশোধ করেন। তারপরও টাকা পরিশোধ হয়নি বলে ওই সুদখোরেরা দাবী করে। স্বাক্ষর নেওয়া ফাঁকা চেকও ফেরৎ দেয় না। উল্টো অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতন করতে থাকে। একপর্যায়ে সুদের টাকার দায়ে চিতলমারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি (থ্রি স্টার) তার বসত বাড়িসহ ভিটেমাটি সব জোর কারে লিখে নেয়। এরপর থেকেই অন্য সুদে কারবারিরা চড়াও হয় তাদের উপর। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে বিকাশ ও রত্মা তাকে ও তার স্ত্রীকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্চিত করে। এদিন দুপুরে তিনি বাড়ি না থাকার ফাঁকে অনুপ বসু ও রেফাজুল খা বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী হাসিকনাকে নির্মম মানসিক নির্যাতন করে। তিনি বাড়ি ফেরার পথে অনুপ ও রেফাজুলের সাথে তার দেখা হয়। তিনি বাড়িতে ফিরে দেখেন তার স্ত্রী হাসিকনা ঘরের আড়ায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছে। তিনি তার স্ত্রীর আত্মহত্যার জন্য যারা দায়ি তাদের বিচার দাবি করেছেন। চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানা আনা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

আহত মেধাবী শিক্ষার্থী সাব্বিরকে বাঁচাতে প্রয়োজন ২ লক্ষ টাকা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে অভাবের তাড়নায় নির্মান শ্রমিকের কাজ করতে গিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী সাব্বির মোল্লা গুরুতর আহত হয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাব্বিরের সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন দুই লক্ষাধিক টাকা। টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই অবস্থায় সাব্বিরকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন তার নানা-নানী ও পরিবারের লোকেরা।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের সাইদুল মোল্লা ও বাক প্রতিবন্ধী বিউটি বেগমের ছেলে এবং কচুয়া সরকারি সি এস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

সাব্বিরের নানা আব্দুল মজিদ শেখ বলেন,  সাব্বিরের পিতার কোন জমি না থাকায় সাব্বিরের মা ছোট বেলা থেকে আমাদের এখানে থাকে। পরিবারের আর্থিক কষ্টের কারণে লেখাপাড়ার পাশাপাশি বাধ্য হয়ে মাঝে মাঝে নির্মান শ্রমিকের কাজ করত সাব্বির। ১০ জুলাই কচুয়া উপজেলার গোয়ালমাঠ রসিকলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ছাদ ভাঙার সময় সাব্বিরসহ চার জন শ্রমিক আহত হয়। সাব্বিরকে প্রথমে বাগেরহাট  সদর হাসপাতালে, পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেষ পর্যন্ত খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়। ৫ দিন আইসিউতে থাকার পরে কিছুটা স্বাভাবিক হয়। কিন্তু সাব্বিরের বুকের পাজরের ১৬ টি হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় এবং ফুসফুসে রক্ত জমে আছে। সাব্বিরের চিকিৎসার জন্য আমাদের প্রায় লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়ে গেছে। আরও দুই লক্ষ টাকার প্রয়োজন সাব্বিরকে বাঁচাতে। আসলে টাকার অভাবে এখন সাব্বিরের চিকিৎসা প্রায় বন্ধ। সাব্বিরকে বাঁচাতে সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

সাব্বিরকে সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করুণ এই নাম্বারে ০১৯০৮৫০৮৮৬৯ (সাব্বিরের চাচা সাবুল মোল্লা)।

বাগেরহাটে শসার দরপতনে চাষিরা উদ্বিগ্ন

বাগেরহাট প্রতিনিধি

করোনার ক্রান্তি কালকে উপেক্ষা করেও বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চাষিরা ব্যাপক সবজির চাষ করেছেন। বহু কষ্টে উৎপাদিত শসাসহ বিভিন্ন সবজি মোকামে (আড়তে) আসতে শুরু করেছে। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে এখানে শসার দাম কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। তাই ব্যাংক, এনজিও ও সুদে কারবারিদের দেনায় জর্জরিত সবজি চাষিরা ফসলের হঠাৎ এ দরপতনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা এ দাম কমাটা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট কি-না তা তদারকি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।

চিতলমারী কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় কমপক্ষে ১৬ হাজার সবজি চাষি পরিবার রয়েছেন। এ বছর চাষিরা এক হাজার ৫৭৬ একর জমিতে শসা, ৪৬৫ একর জমিতে করল্লা, ১৩১ একর জমিতে মিষ্টি কুমড়া, ১০৪ একর জমিতে চাল কুমড়া ও ৫৯৫ একর জমিতে অন্যান্য সবজিসহ মোট ২ হাজার ৮৭১ একর জমিতে সবজি চাষ করেছেন। বর্তমানে বাজারে শসা উঠতে শুরু করেছে। সামনে ব্যাপক হারে শসা আড়তে ভরে যাবে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার খড়মখালী গ্রামের বিকাশ হীরা, কংকন মজুমদার ও অনন্ত মন্ডলসহ সবজি চাষিরা জানান, আজ (২০ জুলাই) এখানে প্রতিমন শসা ৫০০-৬০০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। যা রবিবার (১৯ জুলাই) প্রতিমন এক হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তারা নিরুপায় হয়ে কম দামে উৎপাদিত ফসল বিক্রি করছেন। তারা আরও জানান, এ অঞ্চলের অধিকাংশ চাষি বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও ও সুদে কারবারিদের দেনায় জর্জরিত। তাই সবজি চাষিরা ফসলের হঠাৎ এ দরপতনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা এ দাম কমাটা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট কি-না তা তদারকি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সবজি ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া, উত্তম বাড়ৈ ও সুমন্ত বিশ্বাস জানান, ঢাকার বাজার ভালোনা। হঠাৎ করে দাম কমে গেছে। আবার মাওয়া ঘাটে সময় মতো ফেরি পাওয়া যায় না। তাই শসার দাম অর্ধেকে নেমে আসছে।

তবে চিতলমারী উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার জানান, বাজারে অল্প অল্প করে শসা আসতে শুরু করেছে। তবে দামের বেলায় সবাইকে একটু সচেতন হতে হবে। যতোটা শুনেছি ফেরি পারাপারের কারণে ব্যপারিদের কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তাই হয়ত হঠাৎ শসার দাম কমছে।

শরনখোলায় একই রাতে দুই বাড়িতে চুরি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরনখোলায় একই রাতে ২টি বাড়িতে চুরি হয়েছে। সোমবার দিবাগত (২১ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম খাদা গ্রামের মৌলভী জয়নাল আবেদীন আকন ও আবু সালেহ আকনের বাড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ আবু সালেহ আকন জানান, আনুমানিক রাত দুইটার দিকে সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে খাটের উপরে থাকা ১টা এন্ড্রয়েড ফোন, ১টা বাটন ফোন ও ট্রাংকের মধ্যে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা ও  তারই আপণ চাচা  মৌলভী জয়নাল আবেদিন আকনের একই ভাবে ঘরে প্রবেশ করে ২টি দামী এন্ড্রয়েড ফোন, ২টা কমদামী ফোন ও ওয়ারড্রবের মধ্যে ভ্যানিটিব্যাগের মধ্যে থাকা নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

আবু সালেহ আরো জানান, ঘুম থেকে জেগে ঘরের মধ্যে অগোছালো দেখে সন্দেহ হয় এবং বাহিরে বের হলে বাগানের মধ্যে ট্রাংকটি পড়ে থাকতে দেখেন। সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার সকালে খাদা ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে চোর চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

বাগেরহাটে  দু’টি গরু চুরির ঘটনায়  থানায় অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পঞ্চকরণ গ্রামে গভীর রাতে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শামীম শেখকে প্রধান আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পঞ্চকরণ গ্রামে তালুকদার মো. বজলুল হকের বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে সোমবার ভোর রাতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাদা ও লাল রংয়ের দুটি ষাড় গরু যার মূল্য ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা গরু দুটি নিয়ে ট্রলারযোগে নদী পথে মোংলা সিমান্তের দিকে চলে যায়। তাৎক্ষনিক বাড়ির মালিক দু’জনকে টর্চের আলোতে দেখতে পায়। এ ঘটনায় সোমবার ক্ষতিগ্রস্থ গরুর মালিক তালুকদার মো.বজলুল হক বাদি হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

উল্লেখ্য, এ সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় কয়েকটি বাড়ি থেকে প্রতিনিয়ত রাতের আধাঁরে গরু চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করছে। এলাকাবাসি আতংকে এখন রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত গরু চুরির প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করছেন তারা। এ সর্ম্পকে পঞ্চকরণ ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার বলেন, এক মাসের ব্যবধানে এ নিয়ে ৩ বারে গরু চুরির হয়েছে। বিষয়টি তিনি থানা অফিসার ইনর্চাজকে অবহিত করেছেন।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে  বৃক্ষরোপন

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সোমবার দুপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি-২০২০ এর শুভ উদ্ধোধন করা হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই-আলম বাচ্চু বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেলোয়ারা হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম।

উপজেলা পরিষদ চত্বরে ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভিন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ, মোরেলগঞ্জ প্রেস কাব সভাপতি মেহেদী হাসান লিপন, সহ-সভাপতি গনেশ পাল, অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক এম পলাশ শরীফ প্রমুখ।

গাঁজাসহ মাদক স¤্রাট ডালিম আটক

বাগেরহাট প্রতিনিধি

পুলিশ বা র‌্যাব নয় খুলনা থেকে মাদকদ্রব্য নিয়স্ত্রণ অধিদফতরের সদস্যরা বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় এসে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক স¤্রাট ডালিমকে আটক করেছে। চিহ্নিত ও পেশাদার অবৈধ মাদক বিক্রেতা ডালিমকে উপজেলার দারিয়ালা আশ্রায়ণ প্রকল্প এলাকা থেকে সোমবার সকালে আটক করে মোল্লাহাট থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগ। ডালিম মোল্লা উপজেলার উত্তরকুলিয়া গ্রামের সেকেন্দার মোল্লার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছিল। মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী গোলাম কবির জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর খুলনার একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে ১ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ ডালিম মোল্লাকে আটক করে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। দুপুরের পর তাকে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়।

বাগেরহাটে ক্রেতা শুন্য কোরবানি পশুর হাটে

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে কোরবানির পশুর হাট ক্রেতা শুন্য । হতাশা বিরাজ করছে খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। কিন্তু মৌসুমি ব্যবসায়ীরা দুই একটি গরু কিনলেও কাঙ্খিত দাম পাচ্ছেন না খামারিরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা সদরের অন্যতম বৃহৎ পশুরহাট যাত্রাপুরের হাটে প্রচুর পরিমাণ পশু দেখা যায়। পশুর সাথে হাটে মানুষের সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু ক্রয় বিক্রয় নেই। হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি পালনের প্রচেষ্টা থাকলেও ক্রেতা বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। খামারিরা বলছেন, সারা বছর গরু লালন-পালন করি কোরবানিতে বিক্রি করার জন্য। এবার করোনা আসার পরে গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরেও বাধ্য হয়ে খাবার খাইয়াছি। কিন্তু হাটে ক্রেতা নেই বললেই চলে। যারা আছে তারা গরুর প্রকৃত দামের অর্ধেকও বলে না। কোরবানির আছে মাত্র কয়েকদিন। এখন ভাল দামে না বিক্রি করতে পারলে আর কি করব। এবার লোকসানের আর শেষ নেই আমাদের।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানি উপলক্ষে এ বছর যে গরু কিনেছি তাতে আমাদের লাভ হবে না। প্রত্যেকটি গরুর দাম ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা কম বলছে বাজারে। বাজারে ক্রয়-বিক্রয় একদম কম। হাট ইজারাদাররা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গেল বছরের থেকে এ বছর ক্রয় বিক্রয় অনেক কম। আমরা চেষ্টা করছি হাটে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে।

সাতক্ষীরা ইসলামী হাসপাতালে রক্তের ভুল রিপোর্ট: অল্পের জন্য বেঁচে গেল রোগী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডের বিরুদ্ধে রক্তের গ্রুপের ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রাবেয়া বেগম(৬০) নামের এক বৃদ্ধা। তিনি সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার মৃত আব্দুর গফুর সরদারের স্ত্রী। তার শরীরে নতুন রক্ত দেওয়ার সময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ অন্যান্য স্বনামধন্য হাসপাতাল প্রদত্ত রক্তের গ্রুপকে তোয়াক্কা না করে ইসলামী হাসপাতালে বাধ্যতামূলক রক্তের গ্রুপিং করানো ও ভুল রিপোর্ট প্রদান করে ওই বৃদ্ধা রোগীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। ভুক্তভোগী রোগীর ছেলে মো. গোলাম মোস্তফা জানায়, ‘আমার মায়ের লিভারের সমস্যা আছে। দীর্ঘদিন থেকে মাঝে মাঝে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রায় বছরান্তে নতুন রক্ত দেয়া লাগে। ইতোপূর্বে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে আমার মায়ের শরীরে রক্ত দেয়া হয়েছে। আমার মা রাবেয়া বেগমের রক্তের গ্রুপ ‘বি পজিটিভ’ হওয়ায় যথারীতি বি পজিটিভ রক্ত মায়ের শরীরে প্রবেশ করানো হয়। কিন্তু সম্প্রতি কিছুদিন আগে আমার মা অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পুনরায় রক্ত দেয়ার জন্য বলা হয়। তারপর গত ১৬ জুলাই আমার মাকে রক্ত দেয়ার জন্য সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে নেয়া হয়। তখন ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আমার মায়ের রক্ত দেয়ার পূর্বের কাগজ দেখালেও তারা বলে এখানে বাধ্যতামূলক রক্তের গ্রুপিং করতে হবে। রক্তের গ্রুপিং না করে আমরা কোন রোগীর শরীরে রক্ত দেই না। এজন্য ইসলামী হাসপাতালে পুনরায় রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। সেখানে আমার মায়ের রক্তের গ্রুপ আসে ‘এবি পজিটিভ’। যার বিল নম্বর-২৮৮০৭৫’। তিনি আরও জানান, ‘সে সময় রক্ত দেওয়ার জন্য এবি পজিটিভের ডোনারও প্রস্তুত করা হয়েছিলো। হঠাৎ আমার মনে হয় মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ পরিবর্তন হয় কীভাবে? তাই আমিভেবে চিন্তে ইসলামী হাসপাতাল থেকে আমার মায়ের রক্ত দেয়নি। পরে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করি। সেখানে বি পজিটিভ আসে এবং সেখান থেকেই আমার মায়ের শরীরে রক্ত দেয়া হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমার মা এখন সুস্থ্য আছে’। এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটিডের পরিচালক আনোয়ার হোসাইন জানান, ‘অনেক সময় ভুল হতে পারে। তবে সন্দেহ হলে ওই রিপোর্টটা রিপিট করে পুনারায় কি রেজাল্ট আসে তা দেখা দরকার ছিলো। তিনি আরও জানান, ‘আমরা ইতিপূর্বে সাতক্ষীরা,খুলনা সহ বিভিন্ন হাসপাতালের রক্তের গ্রুপ রিপোর্টের ব্যতিক্রম রিপোর্ট পেয়েছি এবং আমরা রিপিট করে তা পুনরায় আমাদের প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা রক্তের গ্রুপের উপর ভিত্তি করে রোগীর শরীরে রক্ত দিয়েছি। অনেক সময় সদর হাসপাতাল থেকেও ভুল রিপোর্ট আসে আমরা তা রিপিট করে সঠিক রিপোর্ট তৈরি করেছি। সুতরাং রক্তের গ্রুপের বিষয়ে যদি ভুল হয় তবে তা রিপিটের সুযোগ দিতে হবে। রিপিটের আগে অভিযোগ হলে বলা যায় এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত’। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত বলেন, ‘একজন মানুষের শরীরে যে রক্তের গ্রুপ থাকে সেই গ্রুপের রক্ত ছাড়া অন্য কোন রক্ত দিলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। তবে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল লিমিটেড যদি এমন ভুল রিপোর্ট দেয় তাহলে সেটা খুবই দু:খজনক’। তিনি আরও জানান, ‘রোগীর স্বজনরা অভিযোগ দিলে অবশ্যই তদন্ত করে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

পাইকগাছায় আলেয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের নাম বাদ দিয়ে নিরাপরাধ ব্যক্তির নামে চার্জশীট

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় আলেয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের নাম বাদ দিয়ে নিরাপরাধ ব্যক্তিকে আসামী করে চার্জশীট গঠন করে চালান দেয়া আসামীর জামিন লাভ। জামিন গ্রাপ্তকে সংবর্ধনা ও চার্জশীটে নাম দেয়ায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা করেছে। 

পাইকগাছার কলমিবুনিয়া গুচ্ছ গ্রামে বিধবা আলেয়া বেগম গত ২০ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে খুন হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আলমগীর বাদী হয়ে স্থানীয় আরশাদ বিশ্বাসসহ ৪ জনের নামে হত্যা মামলা করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারে ঊল্লেখিত আসামীদের নাম বাদ দিয়ে নিহতের ভাগ্নে আহসানুর রহমানের নামে চার্জশীট প্রদান করেছেন। এসময় আহসানুরকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায়। গত বুধবার আদালত থেকে জামিন পেলে মঙ্গলবার দুপুরে এলাকাবাসী তাকে গণসংবর্ধনা দেয় ও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কালামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, মোঃ লুৎফর রহমান, ছাত্রলীগনেতা এ্যাড. ফরহাদুজ্জামান তুষার, শিমুল গাজী ও আব্দুল হামিদ। বক্তারা বলেন, খুনির ঘটনায় প্রকৃত আসামীদের বাদ দিয়ে মামলাটি ভিন্নখাতে নিতে মামলায় উল্লেখিত সাক্ষীদের নামে চার্জশীট প্রদান করা হয়েছে। পুলিশের দেয়া চার্জশীটের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজী পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) মোঃ আশরাফুল আলম জানান, অহেতুক কারোর নামে চার্জশীট প্রদান করা হয়নি। আসামীদের দেয়া আদালতের ১৬৪ ধারা জবানবন্দি ও তদন্তকালে প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে চার্জশীট প্রদান করা হয়েছে।

পাইকগাছায় দেনাদার কর্তৃক পাওনাদারকে পিটিয়ে আহত

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় দেনাদার কর্তৃক পাওনাদারকে ডেকে নিয়ে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ভিলেজ পাইকগাছায়।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় ভিলেজ পাইকগাছার করিম বক্স মোড়লের ছেলে ইকরামুল মোড়ল পাওনাদার রাশেদকে মোবাইলে তার দোকানে ডেকে নিয়ে আসে। এ সময় তার কাছে জানতে চাই তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হয়েছে কিনা। এর জবাব দেয়ার আগেই তার দোকানের জানালার হাঁক দিয়ে তাকে কান বরাবর বাড়ী মেরে আহত করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে এলাকাবাসী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। রাশেদ জানায়, ২০১৬ সালে বিদেশে পাঠানোর নামে ইকরামুল মোড়ল সাড়ে ৩ লাখ টাকার চুক্তিতে রাশেদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ১০ হাজার নেয়। বিদেশে পাঠাতে না পারায় ১ লাখ টাকা কিস্তিতে ফেরত দেয়। বাকী ১০ হাজার টাকা প্রদানে তালবাহানা করতে থাকায় সে থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি নেয়। এ সংবাদ পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তাকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে মারপিট করে আহত করে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

বাংলাদেশ জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতি ও ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী খুলনা সিটি কর্পোরোশনের সাবেক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব শেখ মজনু কোভিন-১৯ আক্রান্ত হয়ে গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ও বাংলাদেশ জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির উপদেষ্টা বিশিষ্ট জ্বালানী তেল ব্যাবসায়ী মাগুরাস্থ সৈয়দ নুরুল হাসান বকু গত ১৪ই জুলাই মঙ্গলবার ১২ টা ৩০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেন । (ইন্নালিল্লাহি………রাজিউন। তাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে।  তাদের রুহের আত্মর মাগফিরাত কামনা শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। বাংলাদেশ জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফফার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুরাদ হোসেন, বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন সহ সমিতির সকল নেতৃবৃন্দ।

রূপসায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে কঠোর আন্দোলন

স্টাফ রিপোর্টার

রূপসা উপজেলার ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাধন অধিকারীর বিরুদ্ধে সড়যন্ত্র মূলকভাবে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে কঠোর আন্দোলন করা হবে। তার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রি মহল মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা করে হয়রানি করছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেস কাবের অভ্যর্থনা কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ (মেম্বর) এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।  লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংরক্ষিক ওয়ার্ডের সদস্য লাভলী বেগম। সম্মেলনে তিনি বলেন, বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন সাধন অধিকারী। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জনগণের দেয়া তথ্যমতে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করে আসছেন। এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু-কালভার্ট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বদা সততার সাথে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং আওয়ামী লীগ বিরোধীরা একত্রিত হয়ে চেয়ারম্যান সাধন অধিকারীকে ফাঁসানোর লক্ষ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ জুলাই রাত সোয়া ১২ টা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আব্দুর রউফ শিকদার বাদী হয়ে রূপসা থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং: ৫। বাদী আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ওই থানায় ২০১৮ সালের  সেপ্টেম্বর দায়ের করা একটি নাশকতা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। যার মামলা নং ০৩/২৪৭। একজন চার্জশীট ভূক্ত আসামী কি করে থানায় হাজির হয়ে মামলা করে। পুলিশ তাকে আটক করেনি। সম্মেলনে তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদের একটি উন্নয়ন কমিটি রয়েছে। রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা কমিটিও। উপজেলা পরিষদের কমিটির সদস্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দরা। ঠিক একই ভাবে কমিটির সদস্য রয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ। কোন তদন্ত না করে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের ম্যানুয়াল অনুযায়ী ইউনিয়নের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সভাপতি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতিও বটে। চেয়ারম্যান উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতির নামে কোনরকম তদন্ত ছাড়া মিথ্যা সাজানো ঘটনার মাত্র ৪ ঘন্টা ব্যবধানে এমন মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। রাস্তাটিতে নি¤œ মানের ইট ও বালি ব্যবহার করায় গত ১৩ জুলাই  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাধন অধিকারী লিখিত ভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছিলেন। তার ঠিক দুই দিন পরে মামলা করা হয়। মামলার বাদী রাস্তার কাজের বালি সরবকরাহকারী। তিনি রাস্তায় নি¤œমানের বালি দিয়ে ঠিকাদারকে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে সহযোগিতা করেন। এই অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তার নামে মিথ্যা মামলা করা হয়। এই কাজের ঠিকাদার হচ্ছেন মো. ইদ্রিস আলী। সম্মেলনে তিনি অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাজহারের দাবী জানান। তা নাহলে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলন করা হবে। এ সময় ইউপি সদস্যদের মধ্যে সুনীতি রায়, মো. মনিরুল ইসলাম, দিবাংসু মালাকার, সহাদেব বৈরাগী, মো. শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম মিঠু, সজীব মোল্লা ও মো. সেকেন্দার মোল্লাসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মহেশপুরে গোপনে নিহত ব্যক্তির লাশ দাফনের পর উত্তোলন ও ময়না তদন্ত চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

মহেশপুর থানা পুলিশকে না জানিয়ে গোপনে নিহত গোলাম হোসেনের (৬২) লাশ তরি ঘরি করে দাফনের ২০ দিন পর লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য আবেদন করেছেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের নিকট। আবেদনটি করেছেন নিহত গোলাম হোসেনের ফুফাতো ভাই শওকত আলী।

শওকত আলী জানান, গোলাম হোসেনকে মেরে তার লাশ তরি ঘরি করে দাফনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনেই তিনি জেলা প্রশাসকের নিকট লাশ উত্তোলন চেয়ে আবেদনটি করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে গোলাম হোসেন লেবুতলা গ্রামের শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করে আসছিলো। প্রায় দিনই অসহাই গোলাম হোসেনকে তার স্ত্রী,পুত্র ও শ্যালকরা মারপিট করে আসছিলো। গত ২৯ জুন দুপুরে শ্বশুর বাড়ীতে বসবাসকারী গোলাম হোসেনকে মারপিট ও ৩০ জুন দুপুরে লেবুতলা গ্রামের রেজাউল ইসলামের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় গোলাম হোসেনের লাশ পাওয়া যায়।

নিহত গোলাম হোসেনের ফুফাতো ভাই শওকত আলী জানান, পুকুর থেকে লাশ তুলে এনে তারা থানা পুলিশ বা কোন আতœীয় স্বজনদেরকে না জানিয়ে তরি ঘরি করে আমার ভায়ের লাশ দাফন করা হয়েছে। তা ছারা আমার ভায়ের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিলো।

মহেশপুর থানার এস আই আবুজার গিফারী জানান, আমি ঘটনা স্থলে গিয়ে তার গায়ে আঘাতের চিহ্ন ও পুকুরের পানিতে লাশ পাওয়া ঘটনা জানতে পেরেছি। তবে তারা কি কারনে পুলিশ না জানিয়ে দাফন করলো তা আমার জানা নেই।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খান জানান, আমি অভিযোগটা পাওয়ার পরই থানার এস আই আবুজার গিফারীকে ঘটনা স্থলে পাঠিয়ে ছিলাম। তবে তার স্ত্রীসহ সন্তানরা কেউ কোন অভিযোগ দেননি।

যশোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পিকুল শার্শায় মঞ্জু করোনায় আক্রান্ত

যশোর অফিস

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জেনোম সেন্টার সোমবার যশোর জেলার যে ৬৭ জনকে করোনা পজেটিভ বলে শনাক্ত করেছে, তার মধ্যে যশোর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল ও শার্শা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মঞ্জু রয়েছেন। এছাড়া রয়েছেন শার্শার একজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা, বয়সের নারী-পুরুষ।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এদিন শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যশোর সদর উপজেলার ৪৪ জন, চৌগাছা উপজেলার দুই, কেশবপুরের চার, শার্শার পাঁচ, বাঘারপাড়ার দুই, ঝিকরগাছার সাত, অভয়নগরের দুইজন রয়েছেন। একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

যশোর শহরসহ সদর উপজেলায় শনাক্তরা হলেন, বড় বেইলি বনগাঁয়ের মোস্তাফিজুর রাজু (৫০), তাহরিমা (১৯), হ্যাপি (৩৮) ও মুনতাসিম (১১), শহরের ঘোপ জেল রোডের সাথী (২০), লিমা আক্তার (৩২), আকলিমা(৩৮), এস কে মো. আব্দুস সামাদ (৬১), সিয়াম (১৪) ও মো. শহিদুল ইসলাম (৪৫), আর এন রোডের মো. কায়েম আলী (৫৬) ও আশরাফুল ইসলাম (৩৩), নাসরিন আলম(৫০), চাঁচড়ার শাপলা (৪২) ও ফারিন (১৮), লোন অফিসপাড়ার সেলিনা (৪৮), পুরাতন কসবার সাইফুজ্জামান পিকুল (৬৪) ও জসিম (৫০), শংকরপুরের খলিলুর রহমান(৭০) ও সুরাইয়া (৪০), ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মোকছেদ (৪৮), কাজীপাড়ার ডা. রাজিবুল (২৮) ও ডা. সুখরঞ্জন সেন (৫৫), ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের সুজন (২৩) ও ফারুকুল ইসলাম (৪৯), কাশিমপুরের আব্দুল কাদের (৩৪), পালবাড়ির শারমিন (৩৫), পুলিশ লাইনের ইমদাদুল (৫৪), বারান্দিপাড়ার জুম্মন (৪০), খড়কির হোসনে আরা (৫২) এবং কালীগঞ্জের (নমুনা দিয়েছিলেন যশোরে) আসাদুজ্জামান (৩২)।

সদর উপজেলায় শনাক্তদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া যায়নি লাকি সাহা (৪০), তাহমিনা পারভীন (৩৭), হেলাল (৩৫), রফিকুল (৪৩), মো. মুরাদ হোসেন (৪০), হাসিনা (৩৭), ইউনুস (৫৫), মিকাইল (৫০), ইসমাইল হোসেন (৬০), নাজমা খাতুন (৩৬) এবং মো. দাউদ হোসেনের (৪৫)।

কেশবপুর উপজেলায় আক্রান্তরা হলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সানজিদা খাতুন (৩৩) ও ডা. মো. আহসানুল মিজান (৩৬)। পরিচয় পাওয়া যায়নি রিজিবুল ইসলাম(৪৬) ও কাজী মাসরুর ইসলামের (৩৮)।

বাঘারপাড়া উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন আইয়ুব আলী (৬০) ও ওবাইদুর রহমান (১৮)।

ঝিকরগাছা উপজেলায় আছেন মো. জাকির হোসেন(৪০), মো. শাহিন হাসান (৩৫), সুমন রেজা (৩৩), আল মুজাহিদ হৃদয় (২২), মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৪৪), মো. মফিজ উদ্দিন (৬৫) এবং ইকবাল আহমেদ (৫৩)।

শার্শা উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন সিরাজুল হক মঞ্জু (৭৩), মো. আশরাফ হোসেন (৪২), মুক্তার আলী (৩০), মো. বক্কর সিদ্দিকি (৬৫) এবং নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ (৫০)।

চৌগাছা উপজেলায় আছেন আব্দুর রউফ খান (৫২) ও আরবিনা খাতুন (৩৫)। মো. সিয়াতিতুর নামে এক ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

অভয়নগর উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন রাশিদা খাতুন (৩৪) ও ছয় নম্বর গুয়াখোলা ওয়ার্ডের লাইলা খাতুন (৩২)।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহাদাত হোসেন বাচ্চুর রোগ মুক্তি কামনা উন্নয়ন কমিটির

খবর বিজ্ঞপ্তি

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির আজীবন সদস্য পাইকগাছার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহাদাত হোসেন বাচ্চুর রোগ মুক্তি কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, মহাসচিব শেখ আশরাফ উজ জামান, সহ-সভাপতি নিজাম উর রহমান লালু, শাহিন জামান পন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম দাউদ আলী, মীনা আজিজুর রহমান, অধ্যাপক আবুল বাশার, শেখ আব্দুলাহ, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, কোষাধ্যক্ষ মাস্টার বদিয়ার রহমান, যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মো: মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান বাবু, মিজানুর রহমান জিয়া, আফজাল হোসেন রাজু, রকিব উদ্দীন ফারাজি, এসএম ইকবাল হোসেন বিপব, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান টিংকু, মতলেবুর রহমান মিতুল, এসএম আক্তারউদ্দিন পান্নু, শেখ মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, মো: খলিলুর রহমান, সরদার রবিউল ইসলাম, মো: মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: আজম খান, এস এম দেলোয়ার হোসেন, রসু আক্তার, সরদার জিহাদুল ইসলাম প্রমুখ।

মহেশপুরে ১৬৮ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি ঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে পৃথক দুই অভিযানে ১৬৮ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেন মহেশপুর থানা পুলিশ। গতকাল রবিবার রাতে মহেশপুর থানা পুলিশের অভিযানে উপজেলার যাদবপুর ইউপির ধান হাড়িয়ার পশ্চিম পাড়া থেকে ৬০ বোতল ফেনসিডিলসহ বড়বাড়ী বাজার পাড়ার মনু মিয়ার ছেল  ইসমাইল হোসেন (২০) ও জাগুসা হঠাৎপাড়া থেকে ১০৮ বোতল ফেনসিডিলসহ যশোর কোতয়ালি থানার জগহাটি গ্রামের আনিচুর রহমানের ছেলে আবু বকর (রিপন) ৩২কে আটক করা হয়। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোর্শেদ হোসেন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই কাশেম এএসআই রওশন হোসেন পৃথক অভিযান চালিয়ে ধানহাড়িয়া ও জাগুসা থেকে ১৬৮ বোতল ফেনসিডিল ও একটি ১০০সিসি সিটি গান্ডেট মোটরসাইকেলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় মাদক আইনে পৃথক পৃথক মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার সকলে আসামীদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

মণিরামপুরে হাসপাতালের নার্সসহ সাত জনের করোনা সনাক্ত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুরে নতুন সাত জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে এই তথ্য জানানো হয়। আক্রান্তের মধ্যে হাসপাতালের স্টাফ, এনজিও কর্মী ও পল্লীবিদ্যুতের স্টাফ রয়েছেন। মণিরামপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অনুপ কুমার বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নতুন করোনা সনাক্ত সাত জন হলেন, মণিরামপুর হাসপাতালের স্টাফ নার্স সুমিত্রা ম-ল, উপজেলার চালুয়াহাটি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, মুজগুন্নি গ্রামের সমাধন এনজিও কর্মী আজাদ হোসেন, মোহনপুর এলাকার পল্লী বিদ্যুতের স্টাফ রফিকুল ইসলাম, যশোর সদর উপজেলার রুপদিয়া গ্রামের আশা এনজিও’র কর্মী সেলিনা পারভিন, মণিরামপুরের শ্যামকুড় গ্রামের শাহিদা বেগম এবং ঢাকুরিয়া গ্রামের আজিবার রহমান।

ডা. অনুপ বসু বলেন, গত ১৮ ও ১৯ জুলাই (শনিবার ও রোববার) মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে ৩৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে আজ (মঙ্গলবার) সাত জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। নতুন আক্রান্ত সবাই নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করতে ইতিমধ্যে প্রশাসনকে তালিকা দেওয়া হয়েছে। এই পর্যন্ত মণিরামপুরে মোট ৭৮ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। যারমধ্যে ৫২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাকি ২৬ জন বাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, বলেন ডা.বসু।

তেরখাদার বারাসাত গ্রামে আইন শৃংখলা উন্নয়নে মত বিনিময় সভা

তেরখাদা প্রতিনিধি

গতকাল বিকাল ৪ টায় তেরখাদা উপজেলার বারাসাত গ্রামে এস, এম এ মজিদ স্মারক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে বারাসাত ইউপি চেয়ারম্যান কে, এম আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে এলাকার দাঙ্গা হাঙ্গামা নিরসন বিসয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল এস, এম রাজু আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা, থানা তদন্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায়, পুলিশিং কমিটির সভাপতি বদরুল আলম বাদশা, আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, পূর্জা উদযাপন কমিটির সভাপতি অর বিন্দ প্রসাদ সাহা, এস, এম এ মজিদ স্মারক মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এস, এম খবিরুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী পাপিয়া সুলতানা, ডাঃ দীন মোহাম্মদ, অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন তেরখাদা থানার এস, আই নাজমুল হক। উক্ত অনুষ্ঠানে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ প্রায় ৫০০ শতাধিক লোকের উপস্থিতি চোখে পড়ে।

দলিত পরিষদের আয়োজনে হত দরিদ্রদের মাঝে করোনার ত্রান বিতরন

তেরখাদা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ দলিত পরিষদ এর আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি জয়দেব কুমার বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে ও বিল্লে মুনির পরিচালনায় দলিত জনগোষ্ঠির জীবন মান উন্নয়ের লক্ষে সংগঠনের হত দরিদ্রদের মাঝে নির্বাহী কর্মকর্তার সহোযোগীতায় করোনার ত্রান বিতরণ করেন। বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তেরখাদা উপজেলা প্রেসকাব সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিফাত, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর বিন্দ প্রসাদ সাহা, সাংবাদিক মোল্যা সেলিম আহমেদ, মোঃ রবিউল ইসলাম সহ দলিত সংগঠনের ৬ ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও উপকার ভোগী ৩৬ জন হত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। 

তেরখাদায় পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী মৃত্যু দাবীর কেচ বিতরন

তেরখাদা প্রতিনিধি

গত ১৮ জুলাই বিকাল ৩ টায় পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর বিভাগীয় জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দ সাইফুল ইসলাম রুবেল তেরখাদা উপজেলার আটলিয়া গ্রামের সাহেব আলী চৌহদ্দীর স্ত্রী শিল্পী বেগমের মৃত্যুতে তার নমিনীকে এবং আঃ জলিল মোল্যার পুত্র তরিকুল মোল্যার মৃত্যুতে নমিনী তার মায়ের নিকট মৃত্যুদাবীর ৭২০০০ টাকা করে ১,৪৪,০০০ টাকার চেক হস্থান্তর করেন। চেক বিতরন অনুষ্ঠানের সভাপতি ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম তারকিচ এবং পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স আলামিন বীমা প্রকল্পের তেরখাদা ইনচার্জ মোল্যা সেলিম আহম্মেদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তেরখাদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তেরখাদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এফ, এম অহিদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের বিভাগীয় ইনচার্জ এইচ, এম পারভেজ, আওয়ামীলীগ নেতা শামচুল হক সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ঝিনাইদহে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বাজার তদারকি অভিযান ॥ দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর সার্বিক নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহ কার্যালয় হতে বাজার তদারকি করা হয়।

জেলা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সুচন্দন মন্ডল জানান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল বাজারে ড্যাপ সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬ টাকা কেজি এর পরিবর্তে ২৫ টাকা কেজি মূল্যে এবং বাংলা ড্যাপ ৩৪ টাকা কেজি মূল্যে বিক্রয় করার অপরাধে রশিদ ট্রেডার্সকে ২৫ হাজার টাকা এবং জিয়ানগর বাজারে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ভাই ভাই হোটেলকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি চায়ের দোকানে ভিড় কমাতে বেঞ্চ সরিয়ে ফেলতে ও সার্বক্ষণিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ফকিরহাটে নলধা-মৌভোগ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোড়ল আজহার আর নেই

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ

ফকিরহাটে নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোড়ল আজাহার উদ্দিন (৬০)মারা গেছেন। মংগলবার ২১ জুলাই বিকাল পাচটায় হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৃতের পারিবারিক সূত্র জানায়,সাবেক চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় আওয়ামীলীগ নেতা এদিন বিকালে নলধা গ্রামের নিজ বাড়ীতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে  খুলনার একটি বেসরকারী হাসপাতালের পথে রওনা করেন। হাসপাতালে পৌছালে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষনা করেন। হাসপাতাল সূত্র নিশ্চিত করেছে, ষ্ট্রোকজনিত কারনে পথিমধ্যেই চেয়ারম্যানের মৃত্যু হয়েছে। মোড়ল আজাহার উদ্দিন নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নে একাধিকবারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার হঠাত মৃত্যুতে রাজনৈতিক অংগন সহ গোটা এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৭

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৭বোতল ফেন্সিডিল ও ১৫৫ গ্রাম গাঁজাসহ ৭মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন ছোট বযরা হাসানবাগ এলাকার সুজিত সরকারের ছেলে সুজন সরকার (২০), গল্লামারী ইসলামনগর কাদেরের খাল শফি নেভীর বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত. হারুন অর রশিদ হাওলাদারের ছেলে  মো. সোবাহান হাওলাদার (২৯), আড়ংঘাটা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে আনিচ সড়কের

মো. সুলতান খাঁর ছেলে মো. সুমন খাঁ (২৫), মহেশ্বরপাশা গোলকধাম এলাকার

মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. বিপ্লব শেখ (২৩), মহেশ্বরপাশা দিঘীর পশ্চিম পাড়ের খ্রিষ্টান হাসপাতালের পিছনে মাস্টার বাড়ীর ভাড়াটিয়া চাঁন মিয়া হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৫), খালিশপুর হার্ডবোর্ড গেইট সিকিউরিটি ব্যারাক এলাকার মো. আব্দুল শুকুরের ছেলে মো নাঈম (৩০) ও ৯৫/১, হাজী ইসমাইল লিংক রোডের আলামিন মহল্লার নাজমুন নাহার ওরফে সনেট এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া মো. কাদের শিকদারের ছেলে পারভীন আক্তার (৪০)। 

কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ৭বোতল ফেন্সিডিল ও ১৫৫ গ্রাম গাঁজাসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৭টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

বাগেরহাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট জেলা সদরের কুলিয়াদাইড় গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫৬ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন বাগেরহাট জেলা সদরের কুলিয়াদাইড় গ্রামের কদমতলা বাবুল চন্দ্র কর্মকার এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া সমীরন সাহার ছেলে সজীব সাহা (২৮)।

র‌্যাব-৬ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বাগেরহাট জেলা সদরের কুলিয়াদাইড় গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ওই গ্রামের বাবুল চন্দ্র কর্মকার এর স্বপ্ন কুঠীর নামক বাড়ির একতলা বিল্ডিং এর সামনে থেকে ৫৬ পিস ইয়াবাসহ সজীব সাহাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বাগেরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।