দেশে ৫০ শতাংশ আইসিইউ শয্যা খালি

2
Spread the love

ঢাকা অফিস

সারা দেশে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট)-তে শয্যা সংখ্যা ৩৭৪টি। এরমধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ১৮৬টিতে। খালি আছে ১৮৮টি। সেই হিসাবে দেশের ৫০ দশমিক ২৭ শতাংশ আইসিইউ শয্যা খালি পড়ে রয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, সারা দেশে করোনা রোগীদের জন্য সাধারণ শয্যা সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৬৪টি, সাধারণ শয্যায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ১৬৭ জন এবং খালি ১০ হাজার ৭৯৭টি শয্যা। এছাড়া ঢাকা শহরের হাসপাতালে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ৬ হাজার ৩০৫টি। সাধারণ শয্যায় ভর্তিকৃত রোগী ২ হাজার ৫১ জন। শয্যা খালি আছে ৪ হাজার ২৫৪টি। নাসিমা সুলতানা জানান, ঢাকা মহানগরীতে আইসিইউ শয্যা ১৪২টি, ভর্তি আছেন ৮৭ জন, খালি আছে ৫৫টি শয্যা। চট্টগ্রাম মহানগরীতে আইসিইউ শয্যা ৩৯টি, ভর্তি আছেন ১৯ জন, খালি আছে ২০টি। চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাধারণ শয্যা ৬৫৭টি, ভর্তি আছেন ৩১১ জন, খালি আছে ৩৪৬টি। তিনি আরও জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বাদে দেশের অন্যান্য জেলার হাসপাতালে শয্যা আছে ৭ হাজার ৭০২টি। এখানে রোগী ভর্তি আছেন এক হাজার ৮০৫ জন, খালি আছে ৫ হাজার ৮৯৭টি বেড। আইসিইউ শয্যা আছে ১৯৩টি, রোগী ভর্তি আছেন ৮০ জন এবং খালি আছে ১১৩টি আইসিইউ শয্যা।

লাখের দ্বারপ্রান্তে মোট সুস্থের সংখ্যা

ঢাকা অফিস

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো দুই হাজার ৩৯১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৯৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন এক লাখ ৮৬ হাজার ৮৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭০৩ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯৮ হাজার ৩১৭ জন। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা  হয়েছে ১২ হাজার ৩৫৮টি, আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৪২৩টি। এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫২ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৮৯০ জন এবং নারী ৫০১ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন এবং ০ থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে একজন, রংপুর বিভাগে ২ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন, খুলনা বিভাগে ৭ জন এবং বরিশাল বিভাগে ৩ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৪ জন এবং বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৭৬৫ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৭ হাজার ৩৭১ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৭১৩ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ১৯ হাজার ৮৯৯ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৩৭ হাজার ২৭০ জনকে।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ৪০১ জনকে। এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২৫৫ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন ৩ হাজার ২৭৩ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬২ হাজার ২১১ জন।