পাইকগাছায় হাঁস চুরির ঘটনায় দু’দফা মারপিটে উভয়পক্ষের আহত ৩

6
Spread the love


পাইকগাছা প্রতিনিধি


পাইকগাছায় হাঁস চুরির ঘটনায় দু’দফা মারপিটে উভয়পক্ষের ৩জন আহত। ২জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার আলমতলা ও খড়িয়ায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধান ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, খড়িয়া গ্রামে হাঁস চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার সন্ধ্যার পর খড়িয়া গ্রামের আইয়ুব আলী সানার পুত্র মামুন ও ইমরান পাইকগাছা থেকে বাড়ী যাওয়ার পথে আলমতলা গ্রামে পৌছালে স্থানীয় ইমরান ও তার সহযোগীরা প্রতিপক্ষ মামুন ও ইমরানকে গতিরোধ করে মারপিট করে। যাতে মামুনের পা ভেঙ্গে যায়। তারা দু’ভাই আহত অবস্থায় বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলে খড়িয়া খালপারের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রীজের পশ্চিমপাশে পৌছালে সাবেক ইউপি সদস্য বাকী বিল্লাহ তাদের গতিরোধ করে ও তাদেরকে মারপিট করে। রাতে মামুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বাকী বিল্লাহ মাথায় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। স্থানীয় মুদি দোকানদার সুব্রত সানা, সেলিনা আক্তার জানিয়েছেন, বাকী বিল্লাহ’র মাথা কাটার ঘটনা আমরা দেখিনি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উভয়পক্ষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

পাইকগাছায় সরকারি পুকুরের মাছ যথেচ্ছা ধরে বিক্রি ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে পাঠানোর অভিযোগ

পাইকগাছা প্রতিনিধি


পাইকগাছায় লস্কর সরকারি দীঘির মাছ যথেচ্ছা ধরে বিক্রি ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভাই রয়েল প্রতিদিনের ন্যায় মাছ ধরতে থাকে। এ সময় পাইকগাছা থানার এস,আই নিতাই চন্দ্র কুন্ডু শখের বসে হুইল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া মাছ ধরতে বলেন। তবে এ সময় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার ভাই রয়েল নৌকা ও জাল নিয়ে মাছ ধরায় ব্যস্ত ছিল। এস,আই নিমাই চন্দ্র কুন্ডু জিজ্ঞাসা করেন, যিনি মাছ ধরছেন উনি কে এবং কার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছেন। এসময় তারা কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি। এ ঘটনা স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, পুকুর থেকে প্রায়ই মাছ ধরা হয়। যা বিভিন্ন সময় কাটা মার্কেটে বিক্রি করে বলে জানা যায় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বাড়ীতে ও স্থানীয়দের খাওয়ার জন্য নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে তহশীলদার এনামুল হক জানান, পুকুরে মাছ ধরে কখনও বিক্রি করা হয় না। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ মাছ খেয়ে থাকে। কিছু বিক্রি করে পোনা মাছ ছাড়া হয়।