সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

20
Spread the love

পাইকগাছা সোলাদানায় গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক করোনায় ঘরবন্ধি মানুষের মাঝে  প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক  প্রদত্ত ৫ কেজি  করে চাউল ৯শ পরিবারের মাঝে বিতরন করেছেন।

বুধবার সকালে সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, সরকারী নির্দেশনা মেনে এ চাউল বিতরন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সচিব শেখ মিরাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার দিবাশিষ দাশ, সদস্য ঠাকুর দাস সরদার, কল্যানী মন্ডল, আনিছুর রহমান সানা, আব্দুস সবুর  আবুল কাশম, নূরুল ইসলাম, ইউনিয়ন উপ-সহকরী কৃষি অফিসার এনামুল, গ্রাম আদালত সহকরী রাজু।

জুটি মিল বন্ধ করার সরকারি ঘোষণার প্রতিবাদে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের মানববন্ধন ও সমাবেশ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বুধবার বেলা ১১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে সকল জুট মিল বন্ধ করার সরকারি ঘোষণার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হয়। জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, খুলনা জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার উদ্দিন দিলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা ভাইরাসের এই মহামারীর মুহূর্তে যখন অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছে, বহু মানুষ তাদের কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে অসহায় জীবন-যাপন করছে, অসংখ্য কারখানা, দোকান, প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, এমন সময় এ দেশের মানুষ আশা করেছিল যেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শ্রমিকবান্ধব, শিল্পবান্ধব, গরীবের দরদী নেত্রী, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটকল শ্রমিক-কর্মচারীদের পাশে দাঁড়াবেন। অতীতের ঘটনা প্রমাণ করে যে, তিনি বিএনপি জামাতের সময় বন্ধ করা জুট মিলগুলো পুনরায় চালু করেন, সেই নেতৃত্বের হাতে সকল মিল বন্ধ হয়ে যাবে এ কথা চিন্তাও করা যায় না। এক আদমজী জুট মিল বন্ধ করে বিএনপি জামাত কলঙ্কিত হয়ে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। সেখানে সবকটি জুট মিল বন্ধ করে দিলে আপনার কি অবস্থা হবে তা কেউ জানে না। যত টাকা খরচ করে শ্রমিকদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে তার সামান্য অংশ খরচ করে ৫০/৬০ বছর আগের জরাজ্বীর্ণ মেশিনগুলো প্রতিস্থাপন করলে মিলগুলো অনেক ভালোভাবে উৎপাদন করে লাভজনকভাবে চলতে পারতো। সেদিকে না গিয়ে কোন্ অদৃশ্য শক্তিকে খুশি করতে সরকার মিলগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাঙ্গালী জাতীয় পরিচয়ের আরেক নাম সোনালী আঁশÑপাট, এই পরিচয় শেষ করে না দিতে বক্তাগণ সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। সমাবেশে বক্তৃতা করেনÑওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড দিপংকর সাহা দিপু, পার্টির মহানগর কমিটির নেতা কমরেড নারায়ণ সাহা, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম ফারুখ-উল-ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য ও পাটকল নেতা খলিলুর রহমান, খুলনা জেলা কমিটির নেতা আঃ সাত্তার মোল্যা, আমিনুর রহমান, হাফিজুর রহমান, খায়রুল বাশার প্রমুখ।

দিঘলিয়ায় পাটকল শ্রমিকদের আনন্দ র‌্যালী

দিঘলিয়া প্রতিনিধি

দিঘলিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত পাটকল শ্রমিকরা প্রধানমšী¿ শেখ হাসিনাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে বুধবার বেলা ১১ টায়  উপজেলা  চত্বরে এক আনন্দ র‌্যালী বের করে। অবসরপ্রাপ্ত পাটকল শ্রমিকদের আয়োজনে শ্রমিকদের সাথে টেলি কনফারেন্সে বক্তব্য করেন খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আলী রেজা, মততাজ শিরিন ময়না, সহকারী পুলিশ সুপার রাজু আহমেদ,সেনহাটী ইউপি চেয়ারম্যান জিয়া গাজী, এস এম গোলাম রহমান, আনিস খান,দিঘলিয়া প্রেসকাবের সভাপতি শেখ আবজাল হোসেন, শেখ মন্জুর হোসেনসহ ষ্টার জুট মিলের  শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এমপি প্রতিটা শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা পরিশোধের জন্য কাজ করবেন।যারা কর্মক্ষম শ্রমিক তাদের উক্তপ্র প্রতিষ্টানে  চাকুরির ব্যায়স্থা করবেন এবং মিল চলাকালিন সময়ের মধ্যে প্রতিটি শ্রমিকের একাউন্টের মাধ্যমে এক কালিন টাকা পরিশোধের আশ্বাস প্রদান করেন ।

সাতক্ষীরায় ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ করলেন এমপি রবি

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

জাতীয় সংসদ সদস্য সাতক্ষীরা-০২ এর ঐচ্ছিক তহবিল হতে অনুদান মঞ্জুরির চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (০১ জুলাই) বেলা ১২টায় সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্ণারে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য নৌ-কমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন,‘করোনা প্রতিরোধে বয়স্ক ও শিশুদের প্রতি অনেক বেশি যতœবান হতে হবে। মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মানুষকে আরো বেশি সতর্ক ও সজাগ হতে হবে। স্বাস্থ বিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান এমপি রবি।’ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল খায়ের সরদার, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সাপ্তাহিক ইচ্ছেনদী’র চীফ এডিটর শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউর বিন সেলিম যাদু প্রমুখ। সাতক্ষীরা সদর নির্বাচনী এলাকার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৭৪ জন দূঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় রেডজোন বাদে সপ্তাহে চারদিন দোকানপাট খোলা থাকবে

তথ্য বিবরণী

রেডজোন বাদে খুলনা জেলা ও মহানগরীর সকল দোকানপাট ও শপিংমল সপ্তাহে শনি, রবি, সোম ও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ০৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। অন্য দিনগুলোতে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৩০ জুন তারিখে জারিকৃত পত্রে করোনাভাইরাস-এর বিস্তার রোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের সার্বিক কার্যাবলি এবং জনসাধারণের চলাচলের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। উল্লিখিত পত্রের আলোকে খুলনা জেলা ও মহানগরীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ অধিক হারে বেড়ে যাওয়ায় খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, খুলনা চেম্বার অব কমার্স এবং বিভিন্ন বাজার কমিটির সাথে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এছাড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে নি¤েœাক্ত শর্তাবলি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন-সৎকার) বাসার বাইরে আসা যাবে না। বাসার বাইরে মাস্ক পরিধান, পারস্পরিক দূরত্ব বজায় ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

হাট-বাজার, দোকানপাটে ক্রয়-বিক্রয়কালে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা এবং স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহনসমূহকে অবশ্যই জীবানুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত এবং অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ আগামী ০৪ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সকল জনসাধরণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এ আদেশ মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ আদেশ ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। খুলনা জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

শরণখোলায় ইলিশসহ ফিসিং ট্রলার আটক

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরে ফিরে আসার পথে এফ.বি মা-বাবার দোয়া-১ নামের বরগুনার একটি ফিসিং ট্রলার আটক করেছে শরণখোলা উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টায় বলেশ্বর নদী থেকে ট্রলারটি আটক করা হয়। বুধবার সকালে ট্রলারের মালিককে জরিমানা এবং ইলিশ মাছ নিলামে বিক্রী করে দেয় প্রশাসন।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, ইলিশ প্রজননের জন্য সরকার বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু কিছু অসাধু মৎস্য ব্যাবসায়ী গোপনে জেলেদের প্রলোভন দিয়ে ইলিশ মাছ ধরতে সাগরে যায়। বরগুনার ফোরকান হাওলাদারের ট্রলারটি বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরে বলেশ্বর নদী দিয়ে বাগেরহাট মোকামে যাচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে শরণখোলার সীমানা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রলারটিকে থামানোর জন্য সংকেত দেন তারা। কিন্তু জেলেরা ট্রলারটি না থামিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় স্প্রিড বোড নিয়ে ধাওয়া করে তাদের কুমারখালী এলাকা থেকে ট্রলারটি আটক করে রায়েন্দা মৎস্য ঘাটে নিয়ে আসা হয়। পরদিন সকালে ট্রলারের মালিকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া ইলিশ মাাছ নিলামে বিক্রী করে ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়। এসময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিকদের পাওনা শতভাগ পরিশোধ করে পিপিপি-এর ভিত্তিতে চালু হবে খুলনার পাটকলগুলো

তথ্য বিবরনী

খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের পাওনা শতভাগ পরিশোধ করেই সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে মিলগুলো চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে ২০১৪ সাল থেকে অবসরে যাওয়া এবং বর্তমানে কর্মরত শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা এককালীন পরিশোধের সারসংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক আরও জানান, শ্রমিকদের পাওনা টাকায় যাতে কোন মধ্যস্বত্ত্বভোগী ভাগ বসাতে না পারে সেজন্য সরকারি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে তাঁদের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। এছাড়া পিপিপি’র ভিত্তিতে মিলগুলোর চালু হলে এখানকার দক্ষ শ্রমিকের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। জেলা প্রশাসক বুধবার দুপুরে তাঁর সম্মেলনকক্ষে পাটকল শ্রমিকদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট ১০ দফা দাবি পেশ করেন। উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো; শ্রমিকদের পাওনা শতভাগ এককালীন দিতে হবে, পিপিপি’র মাধ্যমে মিল চালু হলে তাঁদের যেন কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হয়। যে সমস্ত শ্রমিক কলোনিতে বসবাস করছে তাঁদের যেন সেখানেই বসবাসের সুযোগ দেয়া হয়। এছাড়া মিল বন্ধের নোটিশ পরবর্তী শ্রম আইন অনুসারে দুই মাসের বেতন এবং ঈদ-উল-আযহার বোনাস পাওয়ার জন্য শ্রমিকরা দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে খুলনার পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগসহ পাটকল শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মণিরামপুরে ব্যাংকার ও ব্যবসায়ীর করোনা সনাক্ত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

হঠাৎ করেই যশোরের মণিরামপুরে বাড়তে শুরু করেছে করোনা রোগীর সংখ্যা। প্রায় প্রতিদিনই উপজেলার কোন না কোন এলাকায় করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার খবর আসছে। বুধবার (১ জুলাই) নতুন দুই জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাদের একজন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং অপরজন ব্যবসায়ী।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) একসাথে সাতজনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এই নিয়ে মণিরামপুরে করোনা আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা ৩১।

আক্রান্ত ব্যাংকারের বাড়ি উপজেলার বাসুদেবপুর মাঠপাড়ায়। তিনি ঝিকরগাছা সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা। আর ব্যবসায়ীর বাড়ি পৌরএলাকার বিজয়রামপুরের বাঁধাঘাটায়। তিনি মণিরামপুর বাজারের মোল্লা হার্ডওয়ারের মালিক।

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডা. শুভ্রা বলেন, গত সোমবার (২৯ জুন) জ্বর ও কাঁশি নিয়ে ঝিকরগাছা হাসপাতালে নমুনা দেন ব্যাংকার আরশাদ আলী। একই দিনে একই উপসর্গ নিয়ে যশোর সদর হাসপাতালে নমুনা দেন মণিরামপুর পৌরসভার কাউন্সিলর বসু মোল্লার বড় ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিক। আজ (১ জুলাই) সকালে যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে তাদের করোনা পজেটিভ তথ্য জানানো হয়।

রিপোর্ট আসার পর থেকে আক্রান্ত দুই জনই নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন বলে জানান ডা. শুভ্রা।

ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম গত আটদিন আগে জ¦র ও কাঁশিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত পাঁচ দিন ধরে তার জ্বর বা কাঁশি কোনটাই নেই। তবে তিনি পুরনো এজমার রোগী, এমনটি জানিয়েছেন তার ছোটভাই মণিরামপুর উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আরিফুল ইসলাম।

আরিফুল ইসলাম বলেন, ভাই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তারপরও সতর্কতার জন্য রিপোর্ট আসার পর থেকে তিনিসহ আমরা পরিবারের সবাই কোয়ারেন্টাই আছি।

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. অনুপ বসু বলেন, আক্রান্ত ব্যাংকারের সাথে কথা হয়েছে। তার শরীরে এখন জ¦র নেই। হালকা কাঁশি আছে। আক্রান্ত দুইজনকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ বলেন, বুধবার পর্যন্ত মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে ২৭৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া উপজেলার অনেকেই যশোর সদর হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নমুনা দিয়েছেন। তারমধ্যে মণিরামপুরে মোট ৩১ জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। যাদের ১৩ জন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরেছেন।

মণিরামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, খবর আসা মাত্রই নতুন আক্রান্ত দুই জনের বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে।

কুয়েটে ১২ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ¯œাতক শ্রেণীর অনলাইন কাস

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) আগামী ১২ জুলাই ২০২০ইং রবিবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ¯œাতক পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গরূপে ¯œাতক পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ০৯ আগস্ট। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটির রিপোর্টের আলোকে গত ২১ জুন ২০২০ইং তারিখ বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ৬৯তম (জরুরী) অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ জুন ২০২০ইং তারিখ থেকে বিশ^বিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পাঠদান অনলাইনের মাধ্যমে শুরু হয়।

ভৌমিক জুয়েলার্স এর স্বত্বাধীকারীর পরলোকগমন

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মানীত সদস্য, মেসার্স ভৌমিক জুয়েলার্স ৭, স্যার ইকবাল রোড, খুলনা এর স্বত্বাধীকারী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নিমাই চন্দ্র সরকার (৭৫) গত ৩০ জুন, ২০২০ তারিখ মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১১:৩০ ঘটিকায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন। স্বর্গীয় নিমাই চন্দ্র সরকার অত্যন্ত সদালাপী, মিষ্টভাষী ও দানশীল ছিলেন। তার এ মৃত্যুতে খুলনার সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজি আমিনুল হক, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ¦ উজ জামান এবং খুলনা চেম্বারের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক: সিটি মেয়র

তথ্য বিবরনী

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আন্তরিক। সরকার ভর্তুকি দিয়ে কোন মিল চালাবে না এবং কোন মিল বন্ধও করবে না। সরকার এবং প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর মাধ্যমে মিলগুলো চালু থাকবে। এতে করে মিলগুলো আরো আধুনিকায়ন হবে।

মেয়র বুধবার সকালে খুলনা নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় ঘরে থাকা পাঁচশত ৭১ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চাল ও নগদ অর্থসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সক্ষম শ্রমিকদের দিয়ে মিলগুলো চালানো হবে। অবসরে যাওয়া শ্রমিকদের সকল পাওনা আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ এককালীন পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শ্রমিকদের পাওনা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরিফ হোসেন মিঠু, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জিয়াউল ইসলাম মন্টু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদারসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ৩০, ২৭, ২৫, ২০, ২১, ১৬, ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮ জন করে মোট দুই হাজার নয়শত ৯৬ ঘরে থাকা কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবীদের মাঝে সাত কেজি করে চাল ও সবজি ক্রয়ের জন্য নগদ একশত করে টাকাসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

দাকোপে আমন বীজ সংকটে কৃষকরা দিশেহারা

মোঃ জাহিদুর রহমান সোহাগ, দাকোপ

চলতি আমন মৌসুমে খুলনার দাকোপে আমনের উচ্চ ফলনশীল বীজের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে এলাকার হাজারো কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বিএডিসির ডিলারদের দোকানে দোকানে ধরনা দিয়েও বীজ পাচ্ছে না এলাকার কৃষকরা। আবার কোথাও বীজ পাওয়া গেলেও ডিলাররা দ্বিগুনেরও বেশি দাম নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে আমন চাষ ব্যহত হতে পারে বলে আংশঙ্কা করা হচ্ছে। এলাকার কৃষক ও কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তিনটি পৃথক দ্বীপের সমন্বয় ৯টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে এই উপজেলা গঠিত। এখানে চলতি মৌসুমে আমনের লক্ষমাত্র ধরা হয়েছে মোট ১৮ হাজার ৯০০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে উচ্চ ফলনশীল উপসি চাষ যোগ্য ১৫ হাজার হেক্টর বাকি ৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের ধান। স্থানীয় এবং উপসি মিলে প্রায় ৫২৪ মেঃ টন বীজের চাহিদা রয়েছে। এ জন্য বিএডিসির ২৪ জন ডিলার ও ৬৫ জন খুচরা বিক্রেতা নিয়োগ রয়েছেন। কিন্তু এসমস্ত ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা বীজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এলাকার কৃষকদের কাছে থেকে অধিক মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছেন। এলাকার কৃষকরা এসব ডিলারদের দোকানে দোকানে সারাদিন ধরনা দিয়েও বীজ পাচ্ছে না। ফলে নিরুপায় হয়ে অধিকাংশ কৃষক চড়া মূল্যে অন্য কম্পানির বীজ ক্রয়ে করছেন। বিএডিসির গাফিলতির কারনেই এ বীজের সংকট দেখা দিয়েছে বলে এলাকার সচেতন মহল মনে করেন।

খাটাইল এলাকার কৃষক মোজাফ্ফার হোসেন, বাজুয়ার শামীম হাসান, চুনকুড়ির জীবনানন্দ মন্ডল, বটবুনিয়ার প্রনব কবিরাজ, তিলডাঙ্গার দুলাল মন্ডলসহ আরও অনেকে জানান প্রথমে দুই একজন ডিলার বিএডিসির ১০ কেজি ওজনের বীজের বস্তা সরকার নির্ধারিত ৩০০ টাকার মূল্যের চেয়ে একটু বেশি দামে বিক্রি করলেও এখন সে বীজের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে অন্য কম্পানির চড়া মূল্যের বীজ অর্থাৎ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় ক্রয়ে করছেন বলে জানান।

উপজেলা সিনিয়র কৃষি অফিসার মেহেদী হাসান খান বলেন গত বারের তুলনায় এবার বিএডিসির বীজের বরাদ্দ বেশি। অথাৎ এবার ৭৭.১৩৬ মেঃটন বীজ বরাদ্দ। এর মধ্যে পাওয়া গেছে সরকারী বেসরকারী মিলে ৮২ মেঃটন বীজ। কিন্তু বিএডিসির অন্যান্য জাতের ৭.১১ মেঃটন বীজ মজুদ থাকলেও শুধু ২৩ আর ১০ বীজ ধানের সংকট দেখা দিয়েছে। কারণ হিসেবে বলেন ফলনে প্রায় অন্যান্য  জাতের ধান সমান হলেও এ অঞ্চলের কৃষক বেশি ২৩ আর ১০ ধান চাষে অভস্ত। সংকট সমাধানে তিনি বিএডিসির কর্মকর্তাদের লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। আগামী ৪/৫ দিনের মধ্যে এ সংকট কেটে যাবে বলে তিনি মনে করেন। বীজ ধানের সংকট দুই একদিনের মধ্যে সমাধান হবে বলে উপজেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল ওয়াদুদ জানান।

বিএডিসির খুলনা জোনের উপ-পরিচালক মোঃ লিয়াকত আলী বীজ সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন আসলে কিছু আপদকালিন বীজ মন্ত্রালয়ের হাতে আছে। মন্ত্রালয় বীজ চাওয়া হয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে সংকট কেটে যাবে। তাছাড়া যে অঞ্চল থেকে তারা ২৩ ও ১০ ধানের বেশি বীজ সংগ্রহ করেন গতবার সেখানে নানা সমস্যার কারণে খুব কম বীজ সংগ্রহ হওয়ায় এসমস্যা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

দুই মাস সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

১লা জুলাই বুধবার থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাস সুন্দরবনের সকল নদী-খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বনবিভাগ। মাছের প্রজনন মৌসুমকে ঘিরে বনবিভাগের এ সিদ্ধান্ত। এর ফলে গত ২৪ জুন থেকে জেলেদের বনে প্রবেশের পাস-পারমিট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সুন্দরবনের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আইআরএমপি’র সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে বনবিভাগ প্রজনন মৌসুমের এই দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আসছে।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্লানস’র (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবনে ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সকল নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। এবারও ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। এই দুই মাসই সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম। যার ফলে এ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও উৎপাদন বহুলাংশে বেড়ে যাবে।

সদর থানা আ’লীগ ও আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. সাইফুল অসুস্থ্য : নেতৃবৃন্দের সুস্থ্যতা কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ ও খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম শ্বাস কষ্ট জনিত কারনে অসুস্থ হলে তাকে প্রথমে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরবর্তীতে নার্গিস মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের অসুস্থ্যতার খবর পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক ও মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা হাসপাতালে দেখতে যান। নেতৃবৃন্দ সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং চিকিৎসার খোজ খবর নেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, অধ্যা. মিজানুর রহমান, তসলিম আহমেদ আশা, সমীর কৃষ্ণ হীরা, মো. শওকাত হোসেন, ইউসুফ আলী সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শুভানুধায়ীরা। এদিকে এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

॥ সংসদ সদস্যের বিবৃতি ॥

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ ও খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

॥ এস এম কামাল হোসেনের বিবৃতি ॥

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ ও খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।

॥ শেখ সোহেলের বিবৃতি ॥

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ ও খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল।

।। খুলনা চেম্বার।।

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ ও আইনজীবী পরিষদের সভাপতি এবং খুলনা চেম্বারের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম শারিরীকভাবে অসুস্থ হয়ে বর্তমানে খুলনাস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার আশু সুস্থতা কামনা করে খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হকসহ পরিচালনা পরিষদ মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে দোয়া করেন যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জ¦ল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান।

টহলের পাশাপাশি করোনা প্রতিরোধেও তৎপর নৌবাহিনী

খবর বিজ্ঞপ্তি

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের বহুমুখী প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। দিন দিন ভয়ানক রূপে বৃদ্ধি পাওয়া কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধকল্পে নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের ১৯টি উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরী উদ্ধারকার্য পরিচালনার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে নৌ সদস্যরা। একই সাথে করোনা প্রতিরোধে নৌবাহিনীর বিশেষ মেডিকেল ইউনিট তাদের সর্বাত্ত্বক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। খুলনা নৌবাহিনী হাসপাতাল বানৌজা উপশম কর্তৃক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার সাথে সাথে বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে থাকে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য নৌ সদস্যদেরকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে প্রেরণ করে। এছাড়া করোনা প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট মোংলা উপজেলার কানাইনগর, দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, কচুবুনিয়া, হাসপাতাল চত্ত্বর, ফেরিঘাট, বরগুনা জেলা সদর, বেতাগী ও পাথরঘাটা এলাকায় নিয়মিত সচেতনতামূলক টহল প্রদান করে। পাথরঘাটা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ ১০৯৫টি অসহায় পরিবার ও বুড়িরডাঙ্গা এলাকায় ২৮৪টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে। এছাড়া উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ২১০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে।

বাগেরহাটে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় একমাসে ৯ লাখ টাকা জরিমানা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগে বাগেরহাটে গেল এক মাসে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৯ লাখ ২৮ হাজার ৭৭০ টাকা জরিমানা করেছে। ১লা জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। এসময়ে ১ হাজার ৩৮১ জনকে ২৯২টি মামলা করা হয়। বুধবার (০১ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকে জেলায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সচেতন করতে জুন মাস থেকে জেলার ৯টি উপজেলায় আমাদের ৩০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করেছে। ত্রিশ দিনে আমরা ২৯২টি মামলা এবং ১ হাজার ৩‘শ ৮১ জনকে ৯ লাখ ২৮ হাজার ৭৭০ টাকা জরিমানা করেছি। এসময় অনেক মানুষের মাঝে জেলা ও উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় মাস্ক বিতরণ করেছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে

৪০০গ্রাম গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর জোড়াকল বাজার সোহাগদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত. গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাশের ছেলে পাপ্পু চন্দ্র দাশ (২১), কৃষ্ণনগর চরার মৃত. সেলিম হাওলাদারের মেয়ে শিরিন আক্তার (২৫) ও সোনাডাঙ্গা সোনালী নগর ২১ পরিবার আমির এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মো. সাকিল হাওলাদার (১৬)। 

কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ৪০০গ্রাম গাঁজাসহ ৩মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

কেশবপুরে অবৈধ্যভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কেশবপুর প্রতিনিধি,

যশোরের কেশবপুরে হরিহর নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড় পাথরা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা হরিহর নদ থেকে ঘাঘা গ্রামের মৃত কোরবান গাজীর ছেলে হাফিজুর রহমান ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিলেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সত্যতা যাচাই করে হাফিজুর রহমানকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৫(১) ধারার অপরাধ ও ১৫(১)ধারা অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, হরিহর নদ, বুড়িভদ্রা ও আপারভদ্রা নদীসহ ৭টি সংযোগ খাল দীর্ঘমেয়াদি খনন কাজ চলছে। এ জন্য ৪৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। যে কাজ এখনো চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে হরিহর নদের বড় পাথরা এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। যে কারণে নদের দু’পাড় ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ফুলতলায় ইউপি সদস্য’র পিতার ইন্তেকাল

ফুলতলা প্রতিনিধি

ফুলতলা সদর ইউপি সদস্য এবং বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আলমগীর হোসেন মোল্যার পিতা ও তাজপুর গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবক রেজাউল ইসলাম মোল্যা (৭৭) বুধবার বেলা ১১টায় খুলনার একটি কিনিকে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহী রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২পুত্র, ৩ কন্যাসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে যান। বাদ আছর তাজপুর গ্রামস্থ তাদের রাইস মিল চত্বরে মরহুমের জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গাউসুল আজম হাদি, মুক্তিযোদ্ধা কাজী আশরাফ হোসেন আশু, শিল্পপতি আলহাজ্ব হাসান ইমামুল হক, মোল্যা হেদায়েত হোসেন লিটু, সাংবাদিক শামসুল আলম খোকন, তাপস কুমার বিশ্বাস, মোঃ নেছার উদ্দিন, আবু দাউদ শেখ, মহির শেখ, বকতিয়ার হোসেন, শেখ লুৎফর রহমান, রবিউল ইসলাম মোল্যা, সিদ্দিক মোল্যা, রঞ্জু খান, শফিউল আলম, রাজু মল্লিক, খন্দকার শাহীন হোসেন, জিএম মাসুদ প্রমুখ।

মোড়েলগঞ্জে গ্রামীন রাস্তা উন্নয়নের কাজে ফাঁকি, এলাকাবাসি ক্ষুব্ধ

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীন রাস্তা উন্নয়নের কাজে চরম ফাঁকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জনস্বার্থে ইটের সলিং রাস্তা নির্মানে  টেন্ডার বিধিমতে কাজ না করে বেশী লাভের আশায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার  ২ নম্বর ইট ও   দেড় থেকে দুই ইঞ্চি বালু  দিয়ে বনগ্রাম ইউনিয়নের বিষখালি শনিমন্দির থেকে বাবুল সিংয়ের দোকান পর্যন্ত ৫০০ মিটার রাস্তার কাজ করছে। অথচ টেন্ডার বিধিতে রয়েছে  নতুন এ রাস্তায় ১ নং- বাটার ইট ও  ১০ ইঞ্চি উচু করে  করে বালু দিতে হবে। এ অনিয়ম দৃশ্যমান হলে ওই রাস্তা ব্যবহার কারী এলাকাবাসি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং  স্থানীয় ইউপি মেম্বর সুনিল কুমার মন্ডলসহ এলাকাবাসি অনিয়মের প্রতিবাদ করেন।

এ রাস্তা নির্মানের বিষয়ে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্র জানায়, ২০১৯/২০ অর্থ বছরে ত্রান মন্ত্রনালয়ের আওতায় ওই রাস্তাটি ৫০০ মিটার ইটের সলিং করতে ২৭ লাখ টাকা বরাদ্ধ হয়। যা টেন্ডার করে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। আর এ রাস্তাটি নির্মানের জন্য ওই এলাকায় বাড়ী হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব  উৎপল কুমার দাস এলাকাবাসির স্বার্থে  সুপারিশ করে রাস্তাটি নির্মানের ব্যবস্থা করেছেন।  যার কারনে রাস্তা নির্মান কাজে অনিয়ম দেখে স্থানীয়রা  অতিরিক্ত সচিব কে জানান। এ বিষয়ে মুঠোফোনে সাবেক অতিরিক্ত সচিব উৎপল কুমার দাস জানান, রাস্তাটি নির্মানমান সম্মত হচ্ছে না। স্টিমেট অনুযায়ী ইট ও বালু দেয়া হচ্ছে না। নির্মান কাজের তদারকিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদাসিনতা রয়েছে বলে মনে হয়।  তবে এলাকাবাসি তদারকি করলে এ কাজে অনিয়ম হবে না। এ বিষয়ে বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান রিপন দাস বলেন, রাস্তাটি বিশেষ তদবীরে করা হচ্ছে বলে এখানে অনিয়ম বা নিম্মমানের র্নিমান সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে না।

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বৃদ্ধা এখন হাসপাতালে

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

মোরেলগঞ্জের সিমান্তবর্তী কলারোন গ্রামের বৃদ্ধা কৃষক আবুল হাসেম শেখ(৮০) পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুত্বর জখম হয়ে মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জখমী আবুল হাসেম জানান, মঙ্গলবার সকালে একই গ্রামের প্রতিবেশী মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে গাছ বিক্রি করা পাওনা সাড়ে ৪ হাজার টাকা চাইতে গেলে তাকে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর জখম করে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।

এ সর্ম্পকে মোড়েলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন মুফতি জানান,  বৃদ্ধা আবুল হাসেমের মাথায় জখম রয়েছে। চিকিৎসার পরে তিনি অনেকটাই সুস্থ্য রয়েছে। #

শিরোমণি হুগলী বিস্কুট কোঃ ব্যবস্থাপনা  পরিচালকের  মৃত্যুতে শিরোমণি বিসিক শিল্প মালিক সমিতির শোক

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

শিরোমনি বিসিক শিল্প এলাকার মেসার্স হুগলী বিস্কুট এন্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আক্তার মুন্না (৬৮) ৩০ জুন সকাল ৯টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ( ইন্নালি……রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী , ৩ ছেলে , ২ মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার আছরবাদ খালিশপুর গাবতলা বাইতুল ফালাহ্ জামে মসজিদ মাঠপ্রাঙ্গণে জানাজা শেষে গোয়ালখালী কবর স্থানে দাফন করা হয়।  ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আক্তার মুন্নার মৃত্যুতে শিরোমনি বিসিক শিল্প মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন । যথাক্রমে বিসিক শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি ও মিতালী ফুড ইন্ডাষ্টিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইস্তিয়াক আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক ও হ্যামকো গ্রপের পরিচালক কবির হোসেন তালুকদার , যুগ্নসাধারণ সম্পাদক ও ইউনিভার্সাল ষ্টিল ইন্ডাষ্টিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আমজাদ হোসেন, কোষাধক্ষ্য ও জামান ফাউন্ডারী প্রাঃ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব শাহিদুল ইসলাম, আলহাজ্ব শেখ আকতার হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম,  দিপক কুমার দাস , কাজী মনিরুল ইসলাম, শেখ রেজাউল ইসলাম, শেখ বাবুল হোসেন,  শেখ রুহল আমিন, স্বপন কুমার দাস, শেখ মজিবর রহমান, শেখ ফরিদ আহম্মেদ , শহিদুল ইসলাম শাহিন, মতিয়ার রহমান প্রমুখ ।  অপরদিকে শামীম আক্তার মুন্নার মৃত্যুতে হুগলী বিস্কুট কোম্পানির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

বটিয়াঘাটায় জেলেদের বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার বটিয়াঘাটা

সারাদেশের ন্যায় বটিয়াঘাটায় মাছের বংশ বিস্তারের লক্ষ্যে ২০মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সরকার। সেজন্য এ আপদ কালীন সময়ে জেলেদের বিশেষ ভিজিএফ ৫৬ কেজি করে চাল খাদ্য সহায়তা প্রদান করে। উক্ত খাদ্য সহায়তা প্রদানে এ উপজেলায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী কার্ডধারী খাদ্য সহায়তা বঞ্চিত একাধিক জেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় ৭ টি ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৩৫১৭ জন। জলমায় ৪৫৯ জন, সদরে ৬৩৩ জন, গঙ্গারামপুর ৫৮৭ জন, সুরখালী ৬৮৮ জন, ভান্ডারকোট ৪০৪ জন, বালিয়াডাঙ্গায় ৪৫৮ জন ও আমীরপুরে ইউনিয়নে ২৮৮ জন। এরমধ্যে কার্ডধারী জেলের সংখ্যা ২৯৬০ জন। উক্ত কার্ডধারী জেলেদের বাদ দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য, ট্যাগ অফিসার ও মৎস্য অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীদের যোগসাজশে অর্থের বিনিময়ে জেলে নয় এমন লোকদের চালের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। যে কারনে প্রকৃত কার্ডধারী পূর্বে সহায়তা পেত, কিন্তু বর্তমানে সহায়তা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী কার্ডধারী অভিযোগ দায়ের করা কার্ডধারী প্রকৃত জেলে সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুখেন হালদার ও দেবপ্রসাদ মন্ডল এ প্রতিবেদককে জানান, ট্যাগ অফিসার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কমলেশ বালা, ইউপি সদস্য কিশোর বিশ্বাস ও সুব্রত হালদার মিলে আমাদের কাছে ৫ শত টাকা দাবী করে। আমরা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আমাদের নাম অন্য পেশায় দেখিয়ে বাদ দিয়ে দেয়। আমরা প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। এ ব্যাপারে উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কমলেশ বালার নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ উপজেলায় মোট ৩৫১৭ জন নিবন্ধিত জেলেকে বিশেষ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। অনেকে এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। ইউনিয়ন কমিটি সরেজমিনে গিয়ে যাচাই-বাছাই করে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে ।

মোড়েলগঞ্জে ৭০ ক্ষুদে ব্যবসায়ীকে খাদ্য সহায়তা দিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম 

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া মোড়েলগঞ্জ বাজারের ৭০ ক্ষুদে ব্যবসায়ীকে খাদ্যসামগ্রী ও মাস্ক প্রদান করেছেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক মোজাম।

বুধবার বিকেলে নিজ বাস ভবনে তার ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তায় এ খাদ্যসামগ্রী স্যানিটেশন বিতরণ করেন তিনি। খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিলো জনপ্রতি ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, সাবান ও মাস্ক।

এ সময় যুবলীগ নেতা মোজাম্মেল হক মোজাম বলেন, দেশের এই মহামারী করোনা ভাইরাসে সংকটময় মুর্হুতে সকল শ্রেনী পেশার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। নিজ গৃহে অবস্থান করছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এর নির্দেশনা মোতাবেক স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন ইতোমধ্যে ব্যক্তিগত ও সরকারিভাবে বিভিন্ন খাদ্যসহায়তা বিতরণ করেছেন। দলীয় কর্মীদেরকেও নির্দেশনা দিয়েছেন মানুষের পাশে দাড়াবার। শুধু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, দলীয় কর্মী হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য সকলকে এগিয়ে আশার আহ্বান জানান।  #

সাতক্ষীরার মানবিক ও গরীবের জজ খ্যাত শেখ মফিজুর রহমানের ‘সিনিয়র জেলা জজ’ হিসাবে পদোন্নতি, সাতক্ষীরা বাসী আনন্দিত

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার মানবিক ও গরীবের জজ নামে খ্যাত শেখ মফিজুর রহমান সিনিয়র জেলা জজ হিসাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়েছেন। আর এ সংবাদ শোনার সাথে সাথে পুরো সাতক্ষীরাবাসী আজ আনন্দিত ও উদ্বেলিত । শেখ মফিজুর রহমান, যিনি সাতক্ষীরা বাসীর কাছে অতি পরিচিত নাম।  এ পরিচিতি তিনি অর্জন করেছেন তার ব্যক্তিত্ব, কর্ম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে। সেই ১৯৯৪ সালে বিচার বিভাগে চাকরি লাভের পর সফল প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৯৫ সালের ৩০ নভেম্বর সাতক্ষীরায় সহকারী জজ হিসাবে যোগদান করেন । সেই থেকে টানা ২৬ বছরের কর্মজীবনে ৫ বছর জেলা জজ হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের পর কাকতলীয়ভাবে সেই সাতক্ষীরাতেই অধ:স্তন আদালতের সর্বোচ্চ পদমর্যাদা ‘সিনিয়র জেলা জজ’ পদে অভিষিক্ত হলেন তিনি।

বেনাপোল – পেট্রাপোল বন্দরে আবারও আমদানি বানিজ্য বন্ধ

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ

রফতানি পন্য ভারত গ্রাহন না করায় বাংলাদেশী ব্যবসায়িরা রফতানি পন্য গ্রহনের দাবিতে আমদানি বানিজ্য বন্ধের ডাক দেয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় বেনাপোল চেকপোষ্টে আমদানি পন্য বন্ধের ঘোষনা দেন ব্যবসায়িরা। এ সময় চেকপোষ্ট এলাকায় সিএন্ডএফ এজেন্ড কর্মচারীরা ও ভারত রফতানি পন্য না নিলে আমদানি পন্য বানিজ্য বন্ধের সাথে একাতœতা ঘোষনা করেন।

সারা বিশ্বে করোনা মহামারি দুর্যোগের জন্য বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে গত ৬ জুন এ পথে আমদানি বানিজ্য চালু হলেও রফতানি বানিজ্য বন্ধ রয়েছে। ভারত সরকার ও সেদেশের ব্যবসায়িরা সেদেশের পন্য বাংলাদেশে ঢোকার অনুমতি দিলেও বাংলাদেশী রফতানি পন্য নিতে তারা অস্বীকার করছে। বেনাপোল চেকপোষ্ট এলকাায় রফতানি পন্যর গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। এসব গাড়িতে গার্মন্টস পন্য ও পাটজাত পন্য থাকায় রোদ বৃষ্টিতে ভিজে যেয়ে নষ্ট হওয়ার ্আশঙ্কা করছে ব্যবসায়িরা।

বেনাপোল সিএনএফ কর্মচারী ইউনিয়ন এর সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, ভারত আমদানি পন্য দিলেও তারা রফতানি পন্য গ্রহন করছে না। যার জন্য রফতানি কারক ব্যবসায়িরা আমদানি বানিজ্য বন্ধের ডাক দেয়। এর জন্য আজ সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে ভারত থেকে কোন আমাদানি পন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে নাই। বেনাপোল বন্দরে ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় ৭/৮ শত রফতানি বাহি পন্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন রোডে। এদিকে রফতানি পন্য ভারতে ঢুকাতে না পেরে ট্রাকের ডেমারেজ দিতে হচ্ছে রফতানি কারকদের।

বেনাপোল কাস্টমস এর কার্গো শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শামিমুর রহমান বলেন রফতানি পন্য ভারত গ্রহন না করায় বাংলাদেশের ব্যবসায়িরা আমদানি বানিজ্যে বন্ধের ঘোষনা দেয় । যার জন্য সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে বানিজ্য বন্ধ রয়েছে।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সিএন্ডএফ ওয়েলফেয়ার সংগঠনের সাধারন সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে রফতানি পন্য নেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশের ব্যবসায়িরা যদি মনে করে তারা এই ভাইরাসের কারনে আমদানি পন্য নিবে না তাহলে সেটা তাদের ব্যাপার। আমাদের বিধি নিষেধ থাকার কারনে আমরা বাংলাদেশ থেকে রফতানি পন্য নিতে পারছি না।

বাগেরহাটে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে মৎস্য ঘের নিয়ে বিরোধের জেরে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। বুধবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসকাব মিলনায়তনে ওই মামলার আসামী ও স্বজনরা এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ চান মিয়া হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে মৎস ঘের করা নিয়ে নিজ আতœীয়দের মধ্যে সামান্য বিরোধ হয়। এই বিরোধের জের ধরে ১৬ জুন পার্শ¦বর্তী বহরবুনিয়া ইউনিয়নের শনির জোর গ্রামের দিপা রায়কে দিয়ে  মোরেলগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে প্রতিপক্ষরা। মামলায় আমার চাচাতো ভাই আবুল বাশার (৬৩), নুরমোহাম্মাদ হাওলাদার( ৪৮) ভাগ্নে আলি আকবর ও বায়জিদ হাওলাদার কে আসামী করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয় দিপা রায় তার স্বামীকে সাথে নিয়ে নুর মোহাম্মদের মৎস্য ঘেরে যায় জমির হারীর টাকা আনতে। এ সময় আবুল বাশার ও আকবর দিপার স্বামীকে ধরে নিয়ে জাহিদুলের ঘেরে নিয়ে মারপিট করে আর নুর মোহাম্মাদ তার ঘেরের গৈ-ঘরের মধ্যে নিয়ে দিপা রায়কে ধর্ষনের চেষ্টা করে। আর একজন আসামী বায়েজিদ কি করেছে তা মামলায় উল্লেখ নাই। বাদি দিপা রায়ের জমিতে নুর মোহাম্মাদ ঘের করেনা তাই হারীর টাকা আনতে যাওয়ার এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো। আর ৬৩ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ ধর্ষণে সহযোগিতা করবে এটাও প্রশ্ন থেকে যায়। আসলে আমাদের নিসকট আত্মীয় জাহিদুলের কথামত দিপা রায় এদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেছেন। এ মামলার সকল তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এসময় আসামী আবুল বাশার, আলি আকবর, বায়জিদ হাওলাদার, স্থানীয় মহর আলী গাজী উপস্থিত ছিলেন।

আবুল বাশার বলেন বয়সের ভারে ঠিকমত হাটতে পারি না। তার আরেকজনকে ধরে নিয়ে কিভাবে মারব। সঠিক তদন্ত পূর্বক সত্য ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাই।

গলাচিপায় উল্টো রথযাত্রা উৎসব পালিত

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার শাহা বাড়ি থেকে বুধবার বিকাল ৪ টায় উল্টো রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়েছে। উল্টো রথটি শাহা বাড়ি থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে কেন্দ্রীয় কালী বাড়িতে এসে শেষ হয়। এসময় কেন্দ্রীয় কালী বাড়ির পুরোহিত বাসুদেব চক্রবর্তী জানান, ৭ দিন আগে রথের ঠাকুরকে এনে শাহা বাড়িতে রাখা হয়েছে। আজ শাহা বাড়ি থেকে আবার কেন্দ্রীয় কালীতে নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীবাড়ি কমিটির সভাপতি বাবু দিলীপ কুমার বনিক, সাধারন সম্পাদক তাপস দত্ত, গলাচিপা প্রেস কাবের সভাপতি সমিত কুমার দত্ত মলয় সহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী সাধারন ভক্তরা। কেন্দ্রীয় কালী বাড়ী কমিটির সভাপতি বাবু দিলীপ বনিক জানান, ‘সরকারীভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যতটুক করা সম্ভব সেভাবে সীমিত আকারে এ উৎসব পালিত হল। আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি আমরা বিশ্বের শান্তি কামনায় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যারা করোনা ভাইরাসে মারা গেয়ে তাদের আত্মা যেন শান্তিতে থাকে এবং যারা আক্রান্ত আছে তারা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’

ফকিরহাটের শুভদিয়ায় ৯জন ছাত্রীকে বাইসাইকেল বিতরণ

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে শিক্ষার মান উন্নয়নে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে শুভদিয়া ইউনিয়নে ৯জন ছাত্রীকে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম সহযোগিতায় কন্যা বর্তিকা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলা অডিটোরিয়াম চত্ত্বরে উক্ত ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৯জন ছাত্রীকে বাইসাইকেল বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এসময় সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহিমা সুলতানা বুশরা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা, শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এরপূর্বে গত ২৮জুন উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৬৩জন মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

ফকিরহাটে বালি উত্তোলনের অভিযোগে ৫০হাজার টাকা জরিমানা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর এলাকায় সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে বালি উত্তোলনের অভিযোগে শেখ রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার সকালে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রহিমা সুলতানা বুশরা তাকে এই জরিমানা প্রদান করেন। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের পেশকার শেখ রোস্তম আলীসহ সংগীয় পুলিশ ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

মোরেলগঞ্জে নতুন বিদ্যুৎসংযোগের নামে গ্রাহক হয়রানী, টাকা দিয়েও মিলছেনা সংযোগ

এম.পলাশ শরীফ, মোরেলগঞ্জে থেকে

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নতুন বিদ্যুৎসংযোগের নামে গ্রাহক হয়রানী। টাকা দিয়েও মিলছেনা সংযোগ ভূক্তভোগীদের অভিযোগ। সংযোগের নামে দফায় দফায় উঠানো হচ্ছে টাকা। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী গ্রামবাসি পল্লী বিদ্যুৎতায়ন বোর্ড চেয়ারম্যান, জেনারেল ম্যানেজার পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

প্রাপ্ত অভিযোগ ও সরেজমিন জানাগেছে, তেলিগাতি ইউনিয়নের পশ্চিম তেলিগাতি গ্রামের পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ৩ কিলোমিটার শতভাগ বিদুৎতায়নের আওতায় নতুন সংযোগ কাজ ২০১৮ সালে মের্সাস মাসুদ এন্ড ব্রার্দাস ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্যাকেজ নং-৫৭৫/০১, লড নং-১৭৬৫২ শুরু করার কথা থাকলেও দীর্ঘ ১ বছর পরে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে কাজটি শুরু হয়।

এ সংযোগের আওতায় ওই গ্রামের ৬৮টি গ্রাহক পরিবার রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিদ্যুৎতের খুটি পৌঁছানোর জন্য প্রতি গ্রাহকদের দিতে হয় ২ হাজার টাকা করে। ৪৫টি খুটি আসলেও হেড়মা স্লুইজগেট থেকে কেরিং ও শ্রমিকদের খাবার বাবদ পুনঃরায় তাদের দিতে হয়েছে ১৭ শ’ টাকা। এরই মধ্যে দু’জন ঠিকাদার হাত বদল হলেও বিদ্যুৎসংযোগের কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ কালিকাবাড়ি গ্রামের জনৈক পলাশ নামের এক ইলেকট্রিশিয়ান নিজে কাজটি পেয়েছে দাবি করে বাকি কাজ শুরু করে গ্রাহকদের কাছ থেকে খুটি থেকে সার্ভিজ তার লাগানো বাবদ ৫ থেকে ৯শ’ টাকা আদায় করে প্রতিবন্ধী মোশারেফ পাইকসহ ৯ গ্রাহক টাকা দিতে না পারায় তাদের ঘরে সার্ভিস তার না টেনে ঘোয়াল ঘরে টানিয়ে রেখেছে তার। বাধ্যতামূলক ১ পয়েন্টের কাজ করাতে নতুন করে ১৮শ’ টাকা দাবি করছেন। কাজ না করাতে চাইলে তাদের সাথে করছে দূর-ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।

কথা হয় ভূক্তভোগী গ্রাহক কৃষক রুহুল আমিন শেখ, ব্যবসায়ী মহাসিন শেখ, আব্দুল করিম শেখ, মনিরুজ্জামান মোল্লা, শ্রমিক হাফিজুল ইসলাম, গ্রাম পুলিশ মোল্লা মনিরুল ইসলাম, তরিকুল মোল্লা, সংশ্লিষ্ট ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদসহ একাধিক গ্রাহকরা ক্ষোভের সাথে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেখানে শতভাগ বিদুৎতায়নের জন্য বিনামূল্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিচ্ছেন। সেই মুর্হুতে কাজের নামে কৌশল করে দফায় দফায় টাকা দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের। প্রতিবাদ করলে কাজে বাধাসৃষ্টির পাল্লা অভিযোগও দিচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভ রিবাজ করছে। এলাকাবাসির দাবী এ পর্যন্ত তাদের কাজ থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরৎসহ বিদ্যুৎতের নতুন সংযোগের কাজ দ্রুত গতিতে করার জোর দাবি জানান সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে।

এ বিষয়ে তেলিগাতি ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার বলেন, পশ্চিম তেলিগাতি গ্রামের নতুন বিদুৎসংযোগের আওতায় গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা নেয়ার অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে।

এ ব্যাপারে মোরেলগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার দিলিপ কুমার পাইক বলেন, নতুন বিদুৎসংযোগ কাজ সমাপ্ত করে হস্তান্তর না করা পর্যন্ত তাদের আওতাধিন নয়। তার পরেও অভিযোগ পেলে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে।

এ সর্ম্পকে জনৈক পলাশ ইলেকট্রিশিয়ান জানান, সার্ভিস তারের কাজের সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট নয়। শুধুমাত্র এক পয়েন্টের কাজ করা আমার দায়িত্ব। মালামাল বাবদ ১৩শ’ ও শ্রমিকের মজুরী ৫শ’ মোট ১৮ শ’ টাকা নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক কোন গ্রাহকের কাজ করা হচ্ছে না।

ভার্চুয়াল আদালত বন্ধের দাবীতে ঝিনাইদহে আইনজীবিদের মানববন্ধন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

ভার্চুয়াল কোর্ট বন্ধ ও স্বাভাবিকভাবে আদালতের কার্যক্রম শুরুর দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

বুধবার সকালে জেলা আইনজীবি সমিতির কার্যালয় চত্বরে এ কর্মসূচী পালন করে আইনজীবিরা। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে আইনজীবি নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ আইনজীবিরা অংশ নেয়। এসময় বক্তব্য রাখেন সাবেক জিপি এ্যাড, সুবীর কুমার সমাদ্দার, জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.শেখ আব্দুল্লাহ মিন্টু, আইনজীবি বদিউজ্জামান বদি, মনিরুল ইসলাম মিল্টন, রবিউল ইসলাম, রিপন হোসেন। এসময় আইনজীবিদের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেন জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি খান আখতারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া মিলন।

এসময় বক্তারা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় ভার্চুয়াল কোর্টের কার্যক্রম শুরু হলেও লজেস্টিক সাপোর্টসহ নানাবিধি সমস্যার কারণে তা পরিচালনা করা দুরূহ হয়ে দাড়িয়েছে। ফলে মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমনকি তাদের জামিনে মুক্তি পাওয়ার মানবাধিকারও লংঘিত হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ এই অবস্থায় ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ভার্চুয়াল কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে স্বাভাবিকভাবে আদালতের কার্যক্রম শুরুর দাবি জানান। দৃশ্যমান ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে স্বাভাবিকভাবে আদালতের কার্যক্রম শুরুর দাবি জানান।

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ২০৯ জন।

সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, বুধবার সকালে কুষ্টিয়া ল্যাব থেকে ঝিনাইদহে ৭২ টি রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে ১৪ টি পজেটিভ। আক্রান্তরা হলেন, সদর উপজেলায় ৬ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন, শৈলকুপা উপজেলায় ৪ জন। আক্রান্ত ২০৯ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৮৯ জন। জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩ জন।

ফটোসাংবাদিক শাহ আলমের মৃত্যুতে মৎস্যজীবী লীগের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি :

খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক অনির্বাণ পত্রিকার জ্যেষ্ঠ ফটোসাংবাদিক মো. শাহ আলম (৭৩) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি …………. রাজিউন)। গত সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ। বিবৃতিতে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিদাতারা হলেন জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান (শাহীন), সহসভাপতি মো. রাজু আহমেদ, কাজী তারিক আহমেদ, বিকাশ চন্দ্র বিশ^াস, মো. বাহাদুর শেখ, রাশিদুল হাসান রাজা, মন্মথনাথ সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. অহিদুজ্জামান লাবু, যুগ্ম সম্পাদক শেখ সরোয়ার হোসেন, অর্থ সম্পাদক শেখ শাকিল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ইফতেখার হাসান বাপ্পি, মো. মুরাদ হোসেন, শিক্ষা ও মানবকল্যাণ সম্পাদক জুলফাত উল্লাহ আগা, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস,

আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ জলিল, সমবায় ও কৃষি সম্পাদক মোদাচ্ছের আলী মাস্টার, মহিলা বিষয় সম্পাদক বুলু রাণী ম-ল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তপন কুমার পাল, উপদপ্তর সম্পাদক শেখ ওবায়দুর রহমান, কামরুল হাসান চাঁন, সাগর কুমার নাগ, সিরাজুল ইসলাম বেপারী, রিফাতুল জান্নাত, বঙ্কিম সাহা, শেখ মোস্তাক, তরিকুল ইসলাম, শেখ সবুজ, কাদির, সঞ্চিতা রায়, নিরুপমা গোলদার, কবিতা বেগম, সুফিয়া খাতুন, শেখ সাদ্দাম হোসেন (পাপ্পু), চন্দন রায়, ফাহিম ফেরদাউস, রাজু ম-ল, পৃথ্বিরাজ ম-ল, উৎপল দেবনাথ, পূর্ণিমা ম-ল, মমতাজ বেগম, হাসিনা, বন্যা প্রমূখ।