সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

15
Spread the love

পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতির বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল ২০২০ সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও লক ডাউন সরকারী ঘোষণা কার্যকর করার আহ্বান ও পোল্ট্রি ডেয়ারী খামারের উৎপাদন সচল রাখা, খাবার মুরগী-মাংসের দোকান খোলা রাখা ও আমিষের সরবরাহের নিশ্চিতকল্পে সীমিতভাবে বিক্রয়ের জন্য মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে খুলনাসহ দেশব্যাপী বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ করে বিবৃতি দিয়েছেনÑবাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের ও খুলনা পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতির পক্ষে সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা ইব্রাহিম ফয়জুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও খুলনা পোল্ট্রি সমিতির মহাসচিব প্রাণিপ্রেমী এস এস এম সোহরাব হোসেন। বিবৃতিতে তাঁরা আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য-কৃষিপণ্য-মুরগীর ডিম-মাংস-দুধ, মাছ-মুরগীর খাবার বিক্রয় ও সরবরাহের নিশ্চিতকল্পে স্বল্প পরিসরে দোকান-প্রতিষ্ঠান খোলা ও অবস্থান জরুরী কার্যবলীর আওতায় পড়ে, সুতরাং আইন প্রয়োগকারীদের বিষয়টি অত্যন্ত সতর্ক ও সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করার আহ্বান জানান এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে সুস্থ ও স্বাস্থ্য রক্ষায় আমিষের চাহিদা পূরণে ডিম-মাংস-দুধ নিয়মিতভাবে খাবার অনুরোধ জানান।

পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
পাইকগাছা প্রতিনিধি
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও মজুতদারি প্রতিরোধে পাইকগাছার বাঁকা ও কাটিপাড়া বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার সকালে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্যনিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল, পেশকার প্রতুল জোয়াদ্দার ও সঙ্গীয় ফোর্স।এ সময় চাউলের দোকানদারদের মূল্য তালিকা না টানানোর অপরাধে এবং চাউলের দাম বেশি রাখার অপরাধে ৫ চাউল ব্যবসায়ীকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া স্থানীয় জনগণকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করা এবং নিজ গৃহে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় চাল, আটা, ডাল, তেল, পেয়াজ, রসুনসহ সকল প্রকার মালামাল পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ আছে। তাই আতংকিত হয়ে অতিরিক্ত দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় ও মজুদ না করার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করেছেন সহকারী কমিশার (ভূমি)। তিনি আরো বলেন, সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ীদের সাবধান করা হচ্ছে যেন অহেতুক দাম বৃদ্ধি করে জনজীবন অতিষ্ঠ না করেন। অন্যথায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আরো কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাইকগাছায় নবাগত ওসির সাথে প্রেসকাব নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
পাইকগাছা প্রতিনিি
পাইকগাছা থানার সদ্য যোগদানকৃত ওসি মোঃ এজাজ শফী করোনা ভাইরাস সংক্রামক রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে করনীয় বিষয়ে পাইকগাছা প্রেসকাব নেতৃবৃন্দ সহ কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। বুধবার বিকেলে থানায় মতবিনিময় কালে তিনি বিদেশ ফেরতদের সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করা, নিত্য পন্য দ্রবোর বাজার নিয়ন্ত্রন সহ সার্বিক বিষয়ে গনমাধ্যম কর্মিদের সহযোগিতা চেয়ে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে ইতোপুর্বেকার ওসিদের মতো ধারাবাহিকতা বজায় থাবকে বলে মত প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসকাব সভাপতি এ্যাডঃ এফএমএ রাজ্জাক, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সম্পাদক এম. মোসলেম উদ্দীন আহম্মেদ, যুগ্ম সম্পাদক এন. ইসলাম সাগর, কোষাধ্যক্ষ এস,এম, বাবুল আক্তার, দপ্তর সম্পাদক স্নেহেন্দু বিকাশ, আলাউদ্দীন রাজা, জি,এ, গফুর, নজরুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, প্রমথ সানা, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, অমল কৃষ্ণ মন্ডল, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, এফএম বদিউজ্জামান প্রমুখ।

সাতক্ষীরায় আইসোলেশনে ভর্তি যুবকের শরীরে কোন করোনার ভাইরাসের সংক্রমন পাওয়া যায়নি, দেয়া হয়েছে ছাড়পত্র
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল আইসোলশনে ভর্তি শ্যামনগর উপজেলার দাতনিখালী গ্রামের এস.এম সুলতান মাহমুদ সুজন নামের ওই যুবকের শরীরে কোন করোনা ভাইরাসের সংক্রমন পাওয়া যায়নি বলে আইইডিসিআরের বরাত দিয়ে নিশ্চিত হরেছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন সাফায়েত। তিনি দুপুর ২ টায় সাংবাদিকদের আরো জানান, তাকে ইতিমধ্যে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। হাসপাতাল ছেড়ে তিনি ফিরেছেন নিজ বাড়িতে। এদিকে, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় বিদেশ ফেরত আরো নতুন ৪০২ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এনিয়ে গত ৮ দিনে বিদেশ ফেরত সাতক্ষীরার ১৫৬২ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১৬৩ জন, আশাশুনি উপজেলায় ১০৮ জন, দেবহাটা উপজেলায় ১৮৭ জন, কালিগঞ্জ উপজেলায় ২২২ জন, কলারোয়া উপজেলায় ৪৭০ জন, শ্যামনগর উপজেলায় ২০৪ জন ও তালা উপজেলায় ২০৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিদেশ ফেরতদের ইতিমধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের বাড়িতে,বাড়িতে টানানো হচ্ছে লাল ফাগসহ তাদের হাতে মারা হচ্ছে সনাক্তকরন সিল। এছাড়া বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে সকল পর্যটন কেন্দ্র ও গোহাট। নিষিদ্ধ করা হয়েছে জেলায় সকল ধরনের সভা সমাবেশ, সেমিনার, সামাজিক অনুষ্ঠানসহ সকল প্রকার গণজমায়েত। চলছে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান।

করোনা ভাইরাস রোধে জেলা পরিষদ কর্তৃক দরিদ্রগোষ্ঠির মাঝে উপকরণ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা পরিষদ কর্তক জেলা পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডের অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে “করোনা” ভাইরাস প্রতিরোধ কল্পে সাবান, হ্যান্ড ওয়াস, মাস্ক বিতরনের কার্যক্রম গ্রহন করা হয়। একই সাথে জনসাধারণকে সতর্ক করার জন্য লিফলেট বিতরণসহ খুলনা জেলার সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং এর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তারই সূত্র ধরে বুধবার বেলা ১২.০০ টায় জেলা পরিষদ প্রঙ্গন হতে স্যানিটারী সামগ্রী (সাবান, হ্যান্ড ওয়াস, মাস্ক) বিতরনের কার্যক্রম শুরু করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ, খুলনা ও সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, খুলনা জেলা শাখা, খুলনা। জেলা পরিষদের আওতাধীন ১৫টি ওয়ার্ডের মোট ১৯জন সদস্যদের মাধ্যমে স্ব স্ব ওয়ার্ডে বিতরণের জন্য প্রত্যেক সদস্যকে পর্যাপ্ত পরিমান মাস্ক, সাবান এবং বিশেষ স্থানে ব্যবহারের জন্য হ্যান্ড ওয়াস প্রদান করা হয়।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মোঃ আছাদুজ্জামান সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস. এম. মাহাবুবুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, হিসাব রক্ষক সোমা দাসসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ তাছাড়া বিশিষ্ট সমাজ সেবকগন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মোড়েলগঞ্জে সকল বাজার-ঘাট ও জনসমাগম বন্ধ রাখার নির্দেশ
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমন এড়াতে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সকল বাজার-ঘাট ও জনসমাগম বন্ধ রাখার নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে কাজ করছে মোবাইলকোর্ট। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বুধবার বেলা ১১টা থেকে উপজেলা সদর বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালান। থানা অফিসার ইনচার্জ কেএম আজিজুল ইসলাম এ সময় তার সাথে ছিলেন। নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, করোনা সংক্রমন এড়াতে রাষ্ট্রীয় ঘোষণা বাস্তবায়ন জরুরি। তাই মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করায় কয়েকজন মটরসাইকেল চালককে জরিমানা করা হয়েছে। মোড়েলগঞ্জে ইতোমধ্যে বিদেশফেরত ৪০৯ জনের বাড়িতে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৬৩ জন। কোনো রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মোড়েলগঞ্জে ১০ টাকার চাল বিতরণে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজি জনপ্রতি ৩০ কেজি চাল বিতরণে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন সুবিধাভোগীরা।অতিরিক্ত আদায় করা হয়েছে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে প্রতি বস্তায় ২০ টাকা করে। বুধবার দুপুরে মোড়েলগঞ্জের বহরবুনিয়া ইউনিয়নের ফুলহাতা বাজার চাল বিক্রেতা ডিলার রফিকুল ইসলাম, কলেজ বাজারে শাহাজামাল পারভেজ ও ঘষিয়াখালী বাজারের উজ্জল ফকির কার্ডধারীদের নিকট থেকে প্রতি ৩০ কেজি চালের বস্তায় ৩২০ টাকা করে আদায় করেছে। তাৎক্ষনিক স্থানীয়দের প্রতিবাদে তোপের মুখে পড়ে ডিলাররা।
একই দিনে খাউলিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে চাল বিতরণকালে ডিলার শেখ কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সুবিধাভোগীরা অভিযোগ তুলেছেন কার্ডধারী অনেকের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। চাল আনতে গেলে ডিলার জানান, তাদের নাম নেই। তাদের দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থেকে বাড়ি যেতে হচ্ছে খালি হাতে। সুবিধাভোগী চালিতাবুনিয়া গ্রামের নজরুল আকন (৬০), খাউলিয়া গ্রামের আছিয়া খাতুন(৫২), মহারাজ শেখ(৪৮), সালেহা বেগম (৫১)সহ একাধিক নাম পরিবর্তন কার্ডধারীরা ক্ষোভের সাথে জানান, বিগত ২ বছর ধরে তারা চাল পেয়েছে। হঠাৎ করে তাদের নাম কেটে দিয়েছেন চেয়ারম্যান-মেম্বররা। স্থানীয়ভাবে চেয়ারম্যানের প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর গ্রুপ করেছেন তারা। তাই তাদের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। সুবিধাভোগীদের অভিযোগ এ সব অনিয়মের ঘটনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান জানতে পেরে তাৎক্ষনিক এসব ডিলারকে চাল বিতরন বন্ধ করার নির্দেশ দেন।
এ সর্ম্পকে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা খাদ্যগুদাম ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চাল বিতরণে ডিলারদের অনিয়মের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের পরবর্তীতে নির্দেশনা অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হবে। এ বিষয়ে খাউলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল খায়ের বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক গ্রুপের বিষয় নয়। কে কোন গ্রুপ কেরেছে সেটা কখনও দেখা হয়নি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হতদরিদ্র সুবিধাভোগীরা সরকারের একাধিক সুবিধা ভোগ করতে পারবে না।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মোংলায় নেমেছে নৌবাহিনী
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
করোনাভাইরাস সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি ও স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য মোংলায় নেমেছে নৌবাহিনী। বুধবার দুপুরে নৌবাহিনীর ‘মোংলা কন্টিনজেন্ট’ মোংলা বন্দর এলাকা, পৌর শহর ও শহরতলীতে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। বিদেশ থেকে আগতদের নিজ বাড়ীতে থাকা এবং করোনা সংক্রমন রোধে সরকারের দেয়া সকল নির্দেশনা পালন ও বাস্তবায়ন করবে নৌবাহিনী। নৌবাহিনীর মোংলা কন্টিজেন্টের দুই প্লাটুনে সদস্য রয়েছেন ২০ জন। দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রাহাত মান্নানের সাথে বৈঠক শেষে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করবেন।
নৌবাহিনীর মোংলা কন্টিনজেন্ট কমান্ডার লে: কমান্ডার সালাউদ্দিন বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এখানে নিয়োজিত হয়েছি। পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন অর্থাৎ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে একসাথে কাজ করবো।
খুবির একাডেমিক কার্যক্রম ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ: আবাসিক হল খুলবে ১১ এপ্রিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাস থেকে সতর্কতায় মন্ত্রিপরিষদের সভার সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিলো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এবং ১১ এপ্রিল সকাল ১০ টায় আবাসিক সকল হল খুলে দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে রিফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশন মালিক সমিতির সাবান ও মাক্স বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ও প্রতিরোধ করতে খুলনা রিফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশন মালিক সমিতির সাবান ও মাক্স বিতরণ করেছেন। গতকাল বুধবার সকালে সমিতির সদস্যদের মাঝে এই উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রতিজন সদস্যকে একটি করে সাবান ও মাক্স দেয়া হয়।
এ সময় সভাপতি হাজি জাহিদ মোল্লা, সহ-সভাপতি এজাহারুল হাসান এজাজ, সাধারণ সম্পাদক সচীন সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, দপ্তর সম্পাদক ফজলুল কাদের মল্লিক, প্রচার সম্পাদক জহির রায়হান, কোষাধ্যক্ষ এস এম ফারুক, পি কে হালদার বিষ্ণু, মামুনুর রশীদ ও সুবির কুমার মল্লিক উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ করোনা ভাইরাসে আতংকিত না হয়ে সদস্যদের সচেতন হবার ও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার আহবান জানান।
আনসার ও ভিডিপির করোনা সচেতনতায় প্রচারপত্র বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে আনসার ও ভিডিপি খুলনা রেঞ্জের পরিচালক মোল্লা আমজাদ হোসেন এর নির্দেশনায় ও জেলা কমান্ড্যান্ট, খুলনা হাফিজ আল মোয়াম্মার গাদ্দাফীর উদ্যোগে খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা ও মহানগরীর ৫টি থানার আনসার কমান্ডার, ইউনিয়ন-ওয়ার্ড দলনেতা-দলনেত্রীদের সহায়তায় একযোগে বিভিন্ন স্তরের জনসাধারণ ও পথচারীদের মধ্যে এই সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।
বর্তমানে বিভিন্ন উপজেলায় প্রচারপত্র বিতরণ কার্যক্রম চলছে। প্রচারপত্র বিতরণ প্রসঙ্গে জেলা কমান্ড্যান্ট, খুলনা হাফিজ আল মোয়াম্মার গাদ্দাফী বলেন, দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী সনাক্তের পর থেকে আতঙ্কে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। শুধু সচেতনার মাধ্যমে এ ভাইরাস থেকে বাঁচা সম্ভব। সাধারণ মানুষসহ বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের সদস্যদের সচেতন করতেই আমাদের এ আয়োজন। সামনের দিনগুলোতে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় খুলনা জেলা পুলিশের নানামূখী কার্যক্রম
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলা পুলিশের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৫৭৭ জন বিদেশ ফেরত যাত্রীর মধ্যে ৫৩২ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ জন যাত্রীর ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরামর্শক্রমে তাদেরকে কোয়ারেন্টাইন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে ৫৩২ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তির হোম কোয়ারেন্টইন চলমান আছে। গত ২৪ ঘন্টায় মঙ্গল ও বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১০ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রত্যেক থানা এলাকার গ্রাম পর্যায়ে মাইকিং করা হচ্ছে। জনগণকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে “লিফলেট” বিতরণ করা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের বাড়ির সামনে “হোম কোয়ারেন্টাইন” স্টিকার লাগানো ও লাল পতাকা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসব ব্যক্তির উপর সার্বক্ষনিক নজরদারী অব্যাহত আছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিচুর রহমান বলেন, পুলিশ ইউনিট সমূহে আগত সেবা প্রার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ইউনিটের প্রবেশ মূখে ‘হাত ধোয়ার স্থান,’ নির্দিষ্ট করে সাবান-হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের মধ্যে যারা জনসমাগম স্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের জন্য সীমিত পর্যায়ে সরবারাহ করা হয়েছে। আরো পিপিই সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও মজুদদারী প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস: বড় বাজার ১০ দিন বন্ধ
স্টাফ রিপোর্টার
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এবং প্রতিরোধে খুলনা বড় বাজার ১০ দিন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতি আজ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ৪ এপ্রিল শনিবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে প্রত্যেক ব্যবসায়ীর কাছে বন্ধের নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি শ্যামা হালদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ দেওয়ান করোনা ভাইরাসে কাউকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়া ও বাড়ীতে থাকা এবং ব্যবসায়ীদের জানমাল রক্ষার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

সিপিবি, যুব ইউনিয়ন ও ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিÑসিপিবি, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ও বাংলাদশ ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে শ্রমজীবী মানুষের মাঝে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হেক্সসল-স্যানেটাইজার দ্বারা হাত ধোয়ানো এবং মাস্ক, চাল-ডাল ও ডিটারজেন্ট পাউডার বিতরণ করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑসিপিবির কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা এস এম চন্দন, খুলনা জেলা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি উত্তম রায়, সাবেক ছাত্রনেতা আবুল হাসেম প্রমুখ।
অপরদিকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে এক জরুরী সভায় করোনা প্রতিরোধে খুলনায় সিপিবি’র স্বেচ্ছাসেবকবাহিনী গঠন করা হয়। পার্টির খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশকে সমন্বয়ক, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদারকে সদস্য করে এক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটিতে খুলনা ও মহানগরের সকল থানা ও উপজেলার সাধারণ সম্পাদকগণ সদস্য হিসেবে থাকবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবকের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাগেরহাটে বিদেশ ফেরত ৪২০০, হোম কোয়ারেন্টাইনে ১১৪৫ নির্ধারিত সময় পূর্ন হওয়ায় ৪‘শ ৪৫ জনের স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন
মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট
বাগেরহাট জেলায় ৩৮টি দেশ থেকে ৪ হাজার ২‘শ ফেরত আসা প্রবাসী বর্তমান অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ১১‘শ ৪৪ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্ধারিত সময় পূর্ন হওয়ায় ৪‘শ ৪৫ জনের তারা স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। এদিকে করোনা সন্দেহে বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে থাকা তরুণ তরুনী সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।
এর আগে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে‘র আইসোলেশনে থাকা বৃদ্ধের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি না থাকায় তাকেও বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ৩৮টি দেশ থেকে ৪২‘শ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। এর অধিকাংশ ভার থেকে এসেছেন। এদের মধ্যে ১১‘শ ৪৪ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ইমেগ্রেশন পুলিশের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী প্রবাসীদের বাড়ি বাড়ি খুজে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি। আমরা তালিকা পাওয়ার আগেই প্রায় ৮‘শ প্রবাসী ১৪ দিন অতিবাহিত করেছেন। তাই তাদের আর হোম কোয়ারেন্টাইন প্রয়োজন নেই। এছাড়া বাগেরহাট সদর হাসপাতালে করোনা সন্দেহে যে দুইজন ভর্তি ছিলেন। তারা সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) রোগী মুক্ত।
তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও যদি আক্রন্ত হয় তাহলে চিকিৎসার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা রয়েছে। বাগেরহাটের চিকিৎসক ও নার্সদের পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) সংকট ছিল। তার সমাধান হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভূমি বুক ক্যাফে ও সিটি ল্যাব নামক দুটি প্রতিষ্ঠান আমাদের ৪‘শ মাস্ক ও বেশকিছু পিপিই সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে করোনার বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি।

খোলা থাকছে ওষুধ, জ্বালানী, মুদি ও কাঁচামালের দোকান করোনায় মোংলায় সকল দোকানপাট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সকল দোকানপাট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর থেকে মোংলায় নিয়োজিত নৌবাহিনীর সদস্যরা সন্ধ্যা ৬টার পর টহলে নেমেই সকল ধরণের দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। তবে শুধু খোলা রাখা হয়েছে ওষুধ, জ্বালানী, মুদি ও কাঁচা তরকারীর দোকান।
মোংলা নৌবাহিনী কন্টিনজেন্টের কমান্ডার লে: কমান্ডার সালাউদ্দিন বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ওষুধ, জ্বালানী, মুদি ও কাঁচা মালামালের দোকান ছাড়া অন্য সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও জনসাধারণের সুরক্ষার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

কুষ্টিয়া ও গোপালগঞ্জে দুর্ঘটনায় নিহত ৪
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
সড়ক দুর্ঘটনাকুষ্টিয়া ও গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় চার জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ও মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়ার মিরপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকচালকসহ দু’জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ৭টার দিকে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের নওদা গোবিন্দপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন, ট্রাকচালক নাবিল (৩০) ও ভেকুর চালক ইব্রাহিম (৪৫)। স্থানীয় তালবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানবেন্দ্র বিশ্বাস জানান, গোবিন্দপুর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত থেকে আসা ট্রাককে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক ও সহকারী নিহত হয়। খবর পেয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, গোপালগঞ্জে আলাদা তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ২৬ জন। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিজয়পাশা, চন্দ্রদিঘলীয়া ও কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দু’জনের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম হাবিবুর রহমান। মারাত্মক আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান জানান, মোটরসাইকেলে করে গোপালগঞ্জে শহরে ফিরছিলেন হবিবুর রহমান। এসময় মোটরসাইকেলটি বিজয়পাশা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে হাবিবুর নিহত হন। পরে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেল চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির পেছনে ধাক্কা মারে। এতে ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল আরোহী অজ্ঞাত (৩০) নামের এক যুবক নিহত ও অপর আরোহী যুবক (২৮) মারাত্মক আহত হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে আসে।

অন্যদিকে, কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোপালগঞ্জগামী সুবর্ণ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা রাজধানী পরিবহনের অপর একটি যাত্রীবাহী বাসকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে ফেলে দেয়। এতে বাসের অন্তত ২৫ যাত্রী আহত হন।

কেশবপুরে আলোচিত শরিফুল হত্যার রহস্য উদঘাটন, খুনি আটক

যশোর অফিস

যশোরের কেশবপুরের সাতবাড়িয়ায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারী কর্তৃক বেকারী ব্যবসায়ী শরিফুলকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় হত্যার কারণ উদ্ঘাটন করেছে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ফজলে রাব্বি। তিনি খুনি ইদ্রিসকে গ্রেফতার এবং ঘটনাস্থলের অদূরে একটি পুকুর থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।

আসামী ইদ্রিস ঘটনার দায় স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

টাকা-পয়সা লেনদেনের ঘটনার জের ধরে খুন করা হয় বলে আদালতে স্বীকারুক্তি দেয় ঘাতক ইদ্রিস আলী। দুই দিন রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার যশোর আদালতে হাজির করা হলে ইদ্রিস আলী বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে দাঁড়িয়ে এ জবানবন্দি দেয়।

ইদ্রিস আলী সাতাড়িয়া গ্রামের মুনাম মোড়লের ছেলে। সে নিহত ব্যবসায়ী শরিফুলের ছেলে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দীন জানান, ব্যবসায়ী শরিফুল শুক্রবার রাতে মার্ডার হওয়ার পর শনিবার রাতে ইদ্রিসকে আটক করে ২ দিনের রিমান্ডের আবেদন চেয়ে যশোর আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালত সেটি মঞ্জুর করেন।

থানা রিমান্ডে আটক ইদ্রিস স্বীকার করে বলেন, টাকা-পয়সা দেনদেনের ঘটনা নিয়ে তাদের দুই বন্ধুর মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে এই লেনদেনের ঘটনার জের ধরে গত ২০ মার্চ রাতে সে নিজে তার বন্ধুকে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে ছুরি দিয়ে খুন করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থলের পার্শের একটি পুকুর থেকে খুনে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের ইমদাদুল হক মোড়লের ছেলে শরিফুল ইসলাম প্রতিদিনের ন্যায় গত বৃহস্পতিবার তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে করে পাটকেলঘাটা বাজারের আল মদিনা বেকারী থেকে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে দিনের বেলায় বিভিন্ন এলাকায় দোকানে সরবরাহ শেষে রাতে ওই সব দোকান থেকে টাকা আদায় করে বাড়ি ফেরার সময় পতিমধ্যে সাতবাড়িয়া-কড়িয়াখালী বাজারের মাঝখানে মর্শিনা বিলপাড় এলাকায় খুন হয় সে। এঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে ২০ মার্চ কেশবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-১৩।

যশোরে অধিকাংশ কিনিকের বহির্বিভাগে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ

যশোর অফিস

চিকিৎসকদের রোগী দেখার অনীহার কারণে যশোরের অধিকাংশ কিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের বহির্বিভাগে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হয়ে গেছে। নার্স এবং ওয়ার্ড-বয়রা কাজে আসতে রাজি না হওয়ায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে ভর্তি থাকা রোগীদের সেবা কার্যক্রমও।

জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ইতোমধ্যে জেলায় বিভিন্ন সর্তকতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে আশেপাশের হাসপাতালে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিতদের পারসোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) নিশ্চিত না হওয়ায় যশোরের অধিকাংশ কিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে বহির্বিভাগের স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু বড় কিনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেও কমে গেছে রোগীর সংখ্যা।

যশোর কুইন্স হসপিটালের ম্যানেজার মিঠু সাহা জানান, তারা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তবে বহির্বিভাগে চিকিৎসকদের উপস্থিতি কম। জীবানুনাশক দিয়ে রোগীকে পরিচ্ছন্ন করার পর চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘শহরের অধিকাংশ কিনিকে ২৩ মার্চ থেকেই চিকিৎসকরা বহির্বিভাগে রোগী দেখছেন না। পরিস্থিতি খারাপ হলে সেই পথে যেতে হতে পারে।’

সপ্তাহে দুইদিন রোগী দেখেন ফরিদপুর ডায়াবেটিস সোসাইটি মেডিক্যাল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. ইসহাক আলী খান। তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহেও রোগী দেখেছি। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে চলতি সপ্তাহ থেকে আর যশোরের কিনিকে রোগী দেখবো না।’

মডার্ন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের পরিচালক আসাদুজ্জামান বলেন, ‘২২ মার্চ থেকেই আমাদের হসপিটালে রোগী দেখা বন্ধ হয়ে গেছে।’

যশোর বেসরকারি কিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি ডা. আতিকুর রহমান জানান, যশোরের ৪০-৪২টি কিনিকে অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিভাগে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। তবে এখন থেকে বহির্বিভাগে কোনও চিকিৎসক রোগী দেখবেন না বলে জানিয়েছেন। চিকিৎসক ও কিনিক মালিক কেউ ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। এছাড়া নার্স এবং ওয়ার্ড-বয়রাও কাজ করতে আসতে রাজি হচ্ছেন না। ফলে অচিরেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব ধরনের সেবা।

বেনাপোল পোর্ট দিয়ে দেশে ফিরতে পারলেন না ১৫০ ভারতীয়

যশোর অফিস

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে থাকা ভারতীয় নাগরিকরাবাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরতে পারলেন না ভারতীয় ১৫০ নাগরিক।  মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সারাদিন অপেক্ষার পর দেশে ফিরতে না পেরে ৭৫ মেডিক্যোল শিক্ষার্থী হোস্টেলে এবং বাকিরা হোটেল ও আত্মীয়ের বাড়ি ফিরে যান।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, সকালে প্রায় ১৫০ ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী নিজ দেশে ফেরার জন্য বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আসেন। ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পেরে বেনাপোল ইমিগ্রেশনকে জানিয়ে দেন ভারতে ৮০টি শহরে লকডাউন চলছে। ট্রেন-বাস সবই বন্ধ। তাই কোনোভাবেই তাদের এখন ফেরত নেওয়া হবে না।  সর্বশেষ বিষয়টি শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলোক কুমার মন্ডলকে জানানো হয়। পরে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন। এসময় পোর্ট থানার ওসি মামুন খান এবং বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির একসঙ্গে বসে তাদেরকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা ফিরে যান।

ভারতীয় মেডিক্যাল শিক্ষার্থী ইমরোজ মুক্তার জানান, তারা সবাই ভারতীয় নাগরিক। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তারা দেশে ফেরত যেতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু কী কারণে দেশে ফিরতে পারলেন না ভারতীয় ইমিগ্রেশন সঠিকভাবে জানাননি।

যশোর জেলা প্রশাসককে ৭০০ স্যানিটাইজার দিল যবিপ্রবি

যশোর অফিস

প্রাণঘাতি কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে যশোর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য বিনামূল্যে ৭০০টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রদান করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।

বুধবার দুপুরে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের হাতে ৭০০টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার হস্তান্তর করা হয়। এর আগে বিশ^বিদ্যালয়ের ডা. এম. আর. খান মেডিকেল সেন্টারের জরুরি সহায়তার জন্য ৫০টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রদান করা হয়। 

হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়ার পর যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ যবিপ্রবি উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানান এবং জাতির ক্রান্তিকালে এ ধরনের সহায়তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   

হ্যান্ড স্যানিটাইজার হস্তান্তরের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও নার্সিং অ্যান্ড হেল্থ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. তানভীর ইসলাম, রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ, নিরাপত্তা কর্মকর্তা মু. মুন্সী মনিরুজ্জামান প্রমুখ। বিশ^বিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগ, ফার্মেসী বিভাগ ও রসায়ন বিভাগের কারিগরি সহায়তায় বিশ^বিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করা হয়।      

এর আগে করোনা ভাইরাসের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বিশ^বিদ্যালয়ে সেমিনার, যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে বিলবোর্ড স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রচারপত্র বিলি, বিশ^বিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ, বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের প্রবেশমুখে জীবাণুনাশক রাখাসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়।

যশোরে জনতা এক্সপ্রেসের পক্ষ মাস্ক সাবান, লিফলেট বিতরণ

যশোর অফিস

যশোরে সামাজিক সংগঠন জনতা এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে মাস্ক, সাবান ও লিফলেট বিতরণ।

যশোরে সামাজিক সংগঠন ‘জনতা এক্সপ্রেস’ গ্রুপের পক্ষ থেকে ২৫০ মানুষের মধ্যে মাস্ক, সাবান এবং জনসচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালের সামনে এই কার্যক্রম শুরু করে শহরের দড়াটানা মোড়, চিত্রার মোড়, চুয়াডাঙ্গা বাসস্টান্ড,পালবাড়ি ও ক্যান্টনমেন্ট খয়েরতলা বাজারে গিয়ে এই কার্যক্রম শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদুর রহমান,যশোর ফটোজার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সূবর্ণভুমি ডটকমের তারিক হাসান বিপুল, বনিফেস সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বনি বিল্লাহ, জনতা এক্সপ্রেস সামাজিক সংগঠন গ্রুপের পরিচালক ও দৈনিক প্রজন্মভাবনার স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান শাওন, সদস্য ফারদিন হাছান শাহারুল, তুহিন, আলিনুর, আলমগীর,ও মুস্তাকিন প্রমুখ।

আইসোলেশনে থাকা এক রোগীর নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানের উদ্যোগ

যশোর অফিস

করোনা সন্দেহে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে। ইতোমধ্যে পুরুষ রোগীর নমুনা জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে আউটডোরে সাধারণ রোগীর উপস্থিতি খুবই কমেছে।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হানুয়ার গ্রামের এক নারী (২৪) বুধবার ভোরে সর্দি, জ¦র, কাশি ইত্যাদি কারণে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আসেন। এসময় জরুরী বিভাগের ডাক্তার আহম্মেদ তারেক সামস তাকে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেন।

একই দিন মণিরামপুরের সেকেন্দার শেখ (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হাসপাতালে আসেন। তার বর্ণনা এবং যেসব উপসর্গ দেখা যায় তাতে আইনসোলেশনে পাঠানো হয়। এবং রোগীর নমুনা জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) পাঠানো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহমেদ। তিনি জানান, জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) কর্তৃপক্ষকে এ রোগীর কথা জানানো হয়েছে। এদিকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে ১৬৬৭জনকে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় পাঠানো হয়েছে ৩১৩জনকে। তবে গত ২৪ ঘন্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৯৭জনকে।

করোনা সচেতনতা সৃষ্টিতে সাংস্কৃতিক জোট আজ মাঠে নামবে

যশোর অফিস

যশোরের সাংস্কৃতিক জোট বৃহস্পতিবার থেকে করোনার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজ্রার বিতরণ করবে। একই সাথে টেলিমেডিসিন সহায়তা প্রদান করবে। বুধবার সকালে যশোর প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান জোটের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার আলম খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারু, জেলা শিল্পকলার সম্পাদক অ্যাড, মাহমুদুল হক বুলু, অ্যাড বাসুদেব বিশ্বাস, দিপংকর দাস রতন, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, যশোরে সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাস সমূহ ২০ মার্চ থেকে বন্ধ করা হয়েছে। করোনার সচেতনতার পাশাপাশি ১০ হাজার ব্যক্তিকে মাস্ক বিতরণ করা হবে। যশোর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ডা. জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ২৪ ঘন্টা টেলিমেডিসিন সহায়তা দেয়া হবে। এছাড়া হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিনামুল্যে বিতরণ করা হবে।

ফুলতলায় এনজিও’র কিস্তি আদায় শিথিলের দাবি সিপিবি’র

ফুলতলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি (সিপিবি) এর ফুলতলা উপজেলা শাখার সভাপতি কম. শেখ দিদারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার রোজার এক বিবৃতিতে অভিযোগ করে বলেন, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের মত মহা দূর্যোগের কথা বিবেচনায় এনে বাম  গণতান্ত্রিক জোটের দাবীর প্রেক্ষিতে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটারিটি অথরিটি দেশে সকল এনজিও কিস্তি আগামী জুন মাস পর্যন্ত শিথিল করা হয়। অথচ ফুলতলা এলাকায় কয়েকটি এনজিওর কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারী কেন্দ্রীয় ঘোষিত নির্দেশনা অমান্য করে হাট বাজার ও গ্রাম গঞ্জে কিস্তি আদায়ের নামে গ্রাহকদের হয়রানি করছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হয়রানী বন্ধ করে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী কিস্তি আদায় শিথিলের দাবি জানান।

ফুলতলার দামোদর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাস্ক ও সাবান বিতরণ

ফুলতলা প্রতিনিধি

ফুলতলার দামোদর ইউনিয়ন পরিষদের উদোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতার জন্য বুধবার বিকালে ফুলতলা বাজার এলাকায় জনসাধারণের মাঝে মাস্ক ও সাবান বিতরণ করা হয়। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু, সদস্য কায়েস সরদার, মহাসিন বিশ্বাস, সরদার আ: রহমান, মোঃ ইব্রাহীম গাজী, কবির মহলদার, গাজী আলমগীর হোসেন, মাসুদ পারভেজ মুক্ত, শেখ আঃ রশিদ, নজরুল ইসলাম, বেগম শামসুন্নাহার, মিসেস কেয়া খাতুন, আকলিমা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ফুলবাড়ীগেট বাজারে হাত ধৌত করার বেসিনসহ তার উপকরণ স্থাপন করেন বণিক সমিতির সাবেক নেতা আজাদ

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি ঃ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ফুলবাড়ীগেট বাজারে হাত ধৌত করার বেসিন সহ এবং তার উপকরণ স্থাপন করেন বাজার বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ বেগ বাবু । গতকাল বেলা ১২টায় নগরীর ফুলবাড়ীগেট বাজার এলাকায় মৎস পট্টি, মাংস পট্টি, মুরগী পট্টি ও মুদি পট্টিতে করোনা ভাইরাস পতিরোধে হাত ধৌত করণের জন্য ৪টি বেসিন ও তার উপকরণ স্থাপন করেন। এসময় তার সাথে ছিলেন  কেসিসি ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ আব্দুর রাজ্জাক, ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সাইফুল ইসলাম, আ’লীগ নেতা আব্দুল জলিল হাওলাদার, মোঃ মোতালেব হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, মোঃ জামাল হোসেন, দোলাল প্রমুখ।

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সচেতনতা মুলক প্রচারণা এবং উপকরণ বিতরণ

 ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শিরোমণি বাজার পরিদর্শণ ও করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা মুলক প্রচারণা করেন। গতকাল সকাল ১০টায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল মুকিম সরকার শিরোমণি বাজার পরিদর্শণ ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হাত ধৌত করণের জন্য সাধারণের মধ্যে সাবান, স্যাবলন, স্যানিটাইজার বিতরণ করেন। এসময় তার সাথে ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জিহাদ, পিএস মোন্তাসির মামুন,শিরোমণি কেডিএ মার্কেটের সুপারিন্টেনডেন্ট মোঃ আব্দুল্লাহ আল নাসির বুলবুল, শিরোমণি বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ জাকির হোসেন, মোঃ মোশারেফ হোসেন,সাইদুল ইসলাম, ইয়াসিন হোসেন, বাবুল হোসেন প্রমুখ।

অভয়নগরে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

অভয়নগর প্রতিনিধি-

অভয়নগরে করোনা প্রতিরোধে অসহযোগিতার দায়ে ৪ জনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত সূত্র জানায়, বুধবার সকালে উপজেলার ডহর মশিহাটি গ্রামের শিপপদ বিশ্বাসের ছেলে ভারত ফেরত মনিশান্ত হোম কোয়ারেন্ট না মানার করনে ২ হাজার টাকা, আড়পাড়া গ্রামের সবুর মোল্যার ছেলে টিপুসুলতানকে ৫ হাজার টাকা, দত্তগাতির আশুতষ কুমার মন্ডলের ছেলে বাপ্পিকে ৩ হাজার টাকা , পাচাঁখড়ি গ্রামের অধির কুমার বিশ্বাসের ছেলে বিবেকান্দ বিশ্বাসকে ৫ হাজার অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেএম রফিকুল ইসলাম।

নওয়াপাড়া পৌর ৪নং ওয়ার্ডে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনার মূলক লিফলেট বিতরণ

অভয়নগর প্রতিনিধি-

নওয়াপাড়া পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ডে আব্দুস সালামের উদ্দ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনিয় বিষয়ে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ কার হয়। বুধবার বিকালে বেঙ্গল রেলগেট থেকে যশোর-খুলনা মহাসড়কের দু’ধারে দোকানপাট সহ পথচারিদের মাঝে  এই লিফট বিতরণ করা হয়। এসয়ম উপস্তিত ছিলেন, আ’লীগ নেতা আলম মিনা সহ ওয়ার্ড আ’লীগ নেতৃবৃন্দ।

মণিরামপুর পৌরবাসীকে ঘরে থাকার নির্দেশ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুর পৌরবাসীকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন পৌর মেয়র। বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত পৌরসভার বাসিন্দাদের অকারণে বাইরে বের না হতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনাপত্রটি মাইকে প্রচার করা হয়।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বৃহস্পতিবার হতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকল স্তরের জনগণকে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করতে হবে।

বৃহস্পতিবার থেকে প্রশাসন ও সেনাবাহিনী মাঠে থাকবেন। জরুরি প্রয়োজন যেমন: চিকিৎসা, ওষুধ বা খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে আসবে না বা ঘোরাফেরা করবে না। এই নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে প্রশাসন ও সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, এখনই লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া যাচ্ছে না। এটা প্রাথমিক নির্দেশনা। সবাইকে তা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একুশের আলো ব্লাড ব্যাংকের মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

গতকাল  বুধবার সকাল ১০টায়  একুশের আলো ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে খুলনা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এবং জেলখানা ঘাটে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।  উক্ত কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ। সংগঠনের নির্বাহী প্রধান মোঃ মাহাবুবুল হকের পরিচালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন খালিশপুর থানা কমিটির সম্পাদক খলিলুর রহমান সুমন, অবকাশ গণগ্রন্থাগারের সাঃ সম্পাদক খন্দকার খলিলুর রহমান, সংগঠনের সদস্য লিটন শেখ, মনিরা খাতুন, আবু নাঈম, ওয়ারিদ মাহমুদ, রাজখান জীবন, ফরহাদ হোসেন প্রমূখ।

মোংলায় করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ফ্রি মাস্ক বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলায় করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে মাস্ক’র ব্যবহার ও সকলকে মাস্ক ব্যবহারে উদ্ভুদ্ধ করতে ফ্রি মাস্ক বিতরণ করেছেন স্থানীয় এক সাংবাদিক ও শিপিং ব্যবসায়ী। মোংলা প্রেস কাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক জনকন্ঠ’র স্থানীয় প্রতিনিধি ও শিপিং ব্যবসায়ী আহসান হাবিব হাসান বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর শহরের প্রধান কাঁচা বাজার, মাছ, মাংস ও মুদি বাজারসহ সিঙ্গাপুর মার্কেট এলাকায় ব্যতিক্রম এ প্রচারণা চালান। এ সময় তিনি পথচারীদের হাতে একটি করে মাস্ক তুলে দেন এবং নিজ হাতে তা তাদেরকে পরিয়েও দেন। তিনি স্থানীয় সংবাদকর্মী ছাড়াও প্রায় দুইশত দরিদ্র (ভ্যান চালক ও দিনমজুর) মানুষের মাঝে এ মাস্ক বিতরণ করেন। তিনি বলেন, অনেকেই আছে যাদের মাস্ক কেনারও সামর্থ্য নেই। যেমন রিক্সা-ভ্যান চালক, ভিক্ষুক, দিনমজুর, আমি রাস্তায় হেটে হেটে খুজে এ সকল লোকজনকে মাস্ক দিয়েছি। যাতে তারা এটি ব্যবহার করেন এবং করোনা সম্পর্কে সচেতন হন।

বৈধ সড়কে অবৈধভাবে চলছে সড়কের শত্রু দৈত্যাকৃতির দানব গাড়ী হচ্ছে পরিবেশ দূষণ, বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনাও

শাহজাহান সিরাজ (কয়রা)

সুন্দরবন উপকূলীয় জনপদ কয়রায় চাষাবাদের জন্য কেনা ট্রাক্টর দিয়ে বানানো হয়েছে ট্রাক বা ট্রলি। এসব অবৈধ যানের অবাধ চলাচলের কারনে হচ্ছে পরিবেশ দূষণ। বাড়ছে দুর্ঘটনা। লাইসেন্সবিহীন এসব অবৈধ ট্রাক বা ট্রলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন। জানা গেছে, কৃষি কাজের জন্য এসব ট্রাক্টর ক্রয় করা হলেও মালিকরা এগুলো ব্যবহার করছে ইট, বালু, মাটি বহনকারী ট্রলির দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। এদের বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ফলে অকালে ঝরে যাচ্ছে তরতাজা প্রাণ্ কাউকে আবার সারা জীবনের মতো বরণ করতে হচ্ছে পঙ্গত্ব। এছাড়া এগুলোর বেপরোয়া গতি ও কানফাটা আওয়াজে চলাচলকারী এসব ট্রলি, আলমশাদু, নছিমন, করিমনের কারনে শহরের পাশাপাশি গ্রামগুলোতে ব্যাপকভাবে পরিবেশ দুষণ দেখা দিয়েছে। এছাড়া এদের বিশাল দৈত্যাকৃতি চাকার কারনে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। পাকা রাস্তার পেভমেন্ট ভেঙ্গে যাচ্ছ্ েচুর্নবিচুর্ন হচ্ছে ইটের রাস্তা। গ্রামের মেঠো রাস্তা গুলোর ইট উঠে হয়ে যাচ্ছে এবং পরিণত হচ্ছে মরন ফাঁদ। ফলে পথচারীসহ জনসাধারণকে সার্বক্ষনিক আতংকের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাস্তাঘাট বিনষ্ট হচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক দিক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর( এলজিইডি) অফিসের একজন উপ সহকারি প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওই দানব আকৃতির যান রাস্তায় চলাচলের সময় রাস্তা কাঁপতে থাকে। পাকা রাস্তার বেহাল দশা করেছে এই দৈত্যাকৃতির যান ট্রলি। শ্রীঘ্রই এই দৈত্যাকৃতির যান ট্রলি সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ না করলে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামীন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিধ্বস্ত হয়ে পড়বে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, এসব ট্রলির বেপরোয়া চলাচলের কারনে গ্রামীন রাস্তাঘাট ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। ধুলাবালির কারনে সড়কের দুই পাশের বাড়ী ও গাছপালা ধুলোয় তলিয়ে গেছে। কয়েক মিনিট পরপরই মাটি, বালি, ইটভর্তি ৪ টি-৫ টি ট্রলি বেপরোয়া চলাচল করছে।

একটি নির্ভর যোগ্য সূত্র জানায়, কয়রা উপজেলায় অন্তত ৪৫০/ ৫০০ টি এমন যান রয়েছে। দৈত্যাকৃতির যানটির চালকের কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকলেও মুনাফা লোভীদের ছত্রছায়ায় সকল সড়কে ফ্রি-স্টাইলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ এই যানের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে ইতোমধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে এই উপজেলায়।

পথচারী আবুল কালাম বলেন, উপজেলায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন  ইট ভাটার মালিকরা ইট বালি ব্যবসায়ীরা এসব ট্রলি ব্রবহার করে রাস্তাঘাট ভেঙে গুড়িয়ে দিচ্ছ্ েযে কারনে ১০ মিনিটের রাস্তা যেতে ৩০ থেকে ৫০ মিনিট সময় লাগে। পাশাপাশি ধুলোবালির কারনে ১০ গজ দুরের কোনো কিছু চোখে পড়ে না। কয়রার নাকশা ও মসজিদকুড় সড়কে দৈত্যাকৃতি দানব গাড়ীর উৎপাতে অতিষ্ঠ জনসাধারণ। সারা উপজেলায় অবৈধভাবে ছোট ছোট অদক্ষ ড্রাইভার দিয়ে দাপিয়ে চলছে এই পন্য পরিবহনের যানটি। এখনই যদি এ যন্ত্রদানবকে থামানো না যায় তাহলে মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হবে এ দুটি মহাসড়ক। সন্তান হারাবে পিতামাতা। মেধাবী শিক্ষার্থী হারা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, এসব অবৈধ ট্রলির অদক্ষ ড্রাইভারের সাথে কথা বললে হুমকী দিয়ে বলে সব গাড়ী বন্ধ হলেও ট্রলি বন্ধ হবে না এমনকি রাস্তাঘাট ও পরিবেশ মারাক্তক ক্ষতি করলেও এসব বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।

সম্প্রতি উপজেলার নাকশা গ্রাম হইতে মসজিদকুড় রাস্তায় অনিয়ম ভাবে ট্রলি চলাচল করলে এটি বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসি এর প্রতিকার চেয়ে সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেনের নিকট লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। অভিযোগে ট্রলি চলাচল বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। উপজেলার কৃষকলীগ নেতা নাকশা গ্রামের শাহিনুর রহমান লিখিত অভিযোগে জানায়,নাকশা মসজিদকুড় রোডটি নতুন ভাবে সংস্কার কাজ চলছে। এই রাস্তা দিয়ে নিয়মিত ইট বালু ভর্তি ভারী ট্রলি চলাচল করায় রাস্তা ভেঙ্গে চুরে মানুষের চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ছে। ট্রলি চালোনোর সমস্যায় ধুলো উড়ানোর কারনে কোমল মতি ছেলেমেয়ে সহ সাধারন মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছে। এমনকি দ্রুত ট্রলি চালানোর জন্য পরিবেশ দুষনের মতো ঘটনা ঘটছে। তিনি অভিযোগে আরও জানায় ট্রলি মালিকদের ঝুকিপুর্ন এই রাস্তায় চলাচলের জন্য নিষেধ করা হলেও তারা তা আমলে না নিয়ে আরও বেপোরেয়া চলাচল করছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা করে ট্রলি চলাচলকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হলেও তার পরেও আবারও তারা অবৈধ এ সকল ট্রলি চালাচ্ছে। এটি দ্রুত বন্ধের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসি। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন বলেন,অবৈধ ট্রলির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

চিতলমারীতে ১৬১ প্রবাসীকে হ্নিত করতে বাড়িতে উড়ছে লাল নিশান

মো: কাসরুজ্জামান চিতলমারী

প্রানঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রণ রোধে চিতলমারীতে ১৬১ জন প্রবাসীর বাড়িতে লাল নিসান উড়ানো হয়েছে। সদ্য বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৪৪৮ জন প্রবাসীর মধ্যে ২৫৬ জন হোম কোয়ারেন্টিন শেষ করেছেন।বাকি ১৬১ জন হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন, কিছু প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিন নাকরে  ঘুরে বেড়ানোয় ও ৩১জন বিদেশ ফেরতদের সন্ধান না পাওয়ায় উপজেলা ব্যাপী ভিতিকর পরিস্থির সৃষ্টি হয়েছে।ফলে বিদেশ ফেরতদের হ্নিত করতে বাড়িতে বাড়িতে লাল নিসান উড়ানো হয়েছে।

এরপর থেকে উপজেলা প্রশাসন বিদেশ ফেরতদের তালিকা ধরে নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য ওপ:প: কর্মকর্তা , থানার ওসিসহ প্রতিরোধ কমিটির লোকজন সাথে থেকে এসব বাড়িতে লাল পতাকা উড়ায়। চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মারুফুল আলম ও স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডাঃ মামুন হাসান জানান, জেলা করোনাভাইরাস কমিটির সিদ্ধান্তে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বিদেশফেরতদের বাড়িতে বাড়িতে লাল পতাকা ওড়ানো হয়েছে।এই লাল পতাকা দেখে সাধারণ মানুষ নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে ওই সব বাড়িসহ সেখানকার রোকজনকে এড়িয়ে চলতে পারবে। এতে প্রান ঘাতিকরোনাভাইরাস  সংক্রমণ ঠেকানো সহজতর হবে।

এছাড়া মঙ্গবার সন্ধায় বিদেশ ফেরত এক প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে নাথাকায়  ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্থদন্ড দিয়েছেন।

বটিয়াঘাটাঢ (ঈঙঠওউ-১৯) প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় প্রস্তুতি

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বিশ্বব্যাপী মহা সংক্রামক করোনা ভাইরাস (ঈঙঠওউ-১৯) প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। গত ১৮ মার্চ করোনার বিস্তার রোধে অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল কবিরের নেতৃত্বে অদ্যাবধি পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ হতে আগত ৯৬ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের বাড়ীতে লাল পতাকা টানিয়ে পরিবারের সদস্য সহ অন্যান্য প্রতিবেশীদেরকে সচেতন করা হয়েছে। তাছাড়া প্রত্যেক হোম কোয়ারেন্টাইন কত তারিখে শেষ হবে, সে লক্ষ্যে প্রত্যেকের ঘরের সামনে একটি ফরম টানিয়ে দিয়েছে। অত্র থানা এলাকায় প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারিও রাখা হয়েছে। কে কবে কখন কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে তথা অত্র থানা এলাকায় নিজ বাড়ীতে অথবা আত্মীয়  বাড়ীতে আগমন করেছে তা  তাৎক্ষণিকভাবে এন্ট্রি পূর্বক যাচাই বাছাই করে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। থানায় আগত ব্যক্তিদের থানার অভ্যন্তরে প্রবেশের পূর্বেই ভালোভাবে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি করোনার প্রতিরোধ অত্র বটিয়াঘাটা থানায় একটি হেল্প ডেক্স খোলা হয়েছে। করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে কোন অসাধু ব্যবসায়ী যাহাতে অর্থনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে লক্ষ্যে অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে নিয়মিতভাবে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে অত্র থানা এলাকায় মাইকিং করে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে করনীয় এবং বর্জনীয় সম্পর্কে খুলনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জনসাধারনের মাঝে লিপলেট বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি থানার প্রত্যেকটি রিট অফিসারের মাধ্যমে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিয়মিতভাবে খোজখবর রাখা হচ্ছে।

দেবহাটায় গ্রাম্য ডাক্তার সমিতির সভাপতির উদ্যোগে মাস্ক ও লিফলেট বিতরন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা

দেবহাটা উপজেলা গ্রাম্য ডাক্তার সমিতির সভাপতি ডাঃ শেখ আকতার হোসেনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সতর্কতায় সাধারন মানুষের মাঝে মাস্ক, সাবান ও লিফলেট বিতরন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা গ্রাম্য ডাক্তার সমিতির সভাপতি শেখ আক্তার হোসেনের পক্ষে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মাঝে নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক, সাবান ও লিফলেট বিরতন করা হয়েছে। দিনব্যাপী বিভিন্ন এলাকার ভ্যান চালক, পথচারী, দোকানদার, মুসল্লিসহ সাধারন মানুষদের মাঝে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে উক্ত সামগ্রী বিতরন কাজের উদ্ধোধন করেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাবেক সহ সভাপতি ও সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক শেখ আব্দুর রউফ, দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নয়ন চৌধুরী, দেবহাটা প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক আর.কে.বাপ্পা, এসআই আবু হানিফ, এসআই আসিফ মাহমুদ, কার্য্যনির্বাহী সদস্য ও দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, কোষাধ্যক্ষ কে.এম রেজাউল করিম, দপÍর সম্পাদক আজিজুল হক আরিফ, উপজেলা গ্রাম্য ডাক্তার সমিতির সাধারন সম্পাদক ডাঃ শফিকুল ইসলাম, প্রেসকাবের সদস্য নাসিরউদ্দীন প্রমুখ। দিনব্যাপী ২শত মাস্ক, ২শত সাবান ও লিফলেট বিতরন করা হয়েছে।

মণিরামপুরে করোনা সচেতনতায় আনসার-ভিডিপি

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুরে করোনা সচেতনতা বাড়াতে জনসাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেছে উপজেলা আনসার-ভিডিপি সদস্যরা। বুধবার (২৫মার্চ) দুপুরে তারা মণিরামপুর বাজারে এই লিফলেট বিতরণ করেন। একইসাথে তারা ব্যবসায়িদের হাত ধোয়ায় উদ্বুদ্ধ করেন।

উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা

(ভারপ্রাপ্ত) ফারুক হোসেন ,উপজেলা কোম্পানি কমান্ডার আবুল হোসেন, ইউনিয়ন দলপতি নারায়ণ চন্দ্র সরকার, আবুল কালাম, জুবায়ের হোসেন, মোশারফ হোসেন, বিল্লাহ হোসেন, লাভলী পারভীন, ওয়ার্ড দলপতি সুমন হোসেনসহ উপজেলা আনসার ভিডিপির সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মণিরামপুরে প্রবাসীদের বাড়িতে লাল নিশানা, কোয়ারেন্টাইনে ১১২ জন

মণিরাপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুরে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বাড়িতে লাশ নিশানা উড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেল থেকে এই নিশানা টানানোর কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার রোহিতা ও মশ্মিমনগর ইউনিয়নের ৬৪ জনের বাড়িতে এই নিশানা টানানোর কাজ চলছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ এবং এলাকাবাসীকে সচেতন করাসহ বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ দিতে তাদের বাড়িতে এই নিশানা টানানো হচ্ছে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন দেশ থেকে মণিরামপুরে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বেশিরভাগই কোয়ারেন্টাইন আইন মানছেন না। তারা বাড়িতে অবস্থান না করে বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন। ফলে তাদেরকে নিয়ে আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

কোয়ারেন্টাইন না মানায় ভারত থেকে ফেরা বাসুদেবপুর গ্রামে পলাশ নামে এক যুবককে মঙ্গলবার ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া বাড়িতে না থেকে বাজারে ঘোরাঘুরি করায় রোহিতা ইউনিয়নের বিদেশ ফেরত এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা মারপিট করেছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, গত ৪ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত ভারত, মালয়েশিয়া, দুবাই, আমেরিকা ও চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এক হাজার ৫৬ জন প্রবাসী মণিরামপুরে তাদের বাড়িতে ফিরেছেন। কিন্তু বুধবার (২৫মার্চ) পর্যন্ত মাত্র ১১২ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনতে পেরেছেন প্রশাসন। বিদেশ ফেরত সবার প্রতি কোয়ারেন্টাইন নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ থাকলেও বাকিরা এই নিয়ম মানছেন না।

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ ১১২ জনকে কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোহিতা ইউপি সচিব কৃষ্ণ গোপাল মুখার্জী জানান, মঙ্গলবার এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসানের উপস্থিতিতে ১৪ জন বিদেশ ফেরতের বাড়িতে লাল নিশানা টানানো হয়েছে। আজ (বুধবার) এই নিশানা টানানোর কাজ চলছে। উপজেলার মশ্মিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন জানান, বুধবার ওই ইউনিয়নে বিদেশ ফেরত ৪০ জনের বাড়িতে নাল নিশানা টানানো হয়েছে। এর সংখ্য আরও বাড়বে। মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম বলেন, বিদেশ ফেরতরা যেন ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন নিয়ম মেনে চলেন, এলাকাবাসী যেন সহজে বিদেশ ফেরত বাড়ি চিনতে পারেন এবং সেই বাড়িতে যাতায়াত থেকে দূরে থাকেন সেই জন্য তাদের বাড়িতে লাল নিশানা টানানোর কাজ চলছে।

কপিলমুনির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বৈদ্য পাল পরলোকে

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ঃ

খুলনার কপিলমুনির বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী পাল ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারী বৈদ্যনাথ পাল (৯০) পরলোক গমন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯ টার দিকে নিজ বাস ভবনে বার্ধক্য জণিত কারণে মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও তিন কন্যা সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে পিপিই বিতরণ করছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার সরঞ্জাম পিপিই বিনামূল্যে বিতরণ করেছে স্থানীয় বেসরকারী ডায়াগষ্টিক ও কনস্যালটেশন সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবিরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পিপিই তুলে দেন সিটিল্যাবের পরিচালক বাগেরহাট সদর উপজেলা চেয়াম্যান সরদার নাসির উদ্দিন। এসময় সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনস্যালটেন্ট (অর্থপেডিক্স) ডা. এস এম শাহনেওয়াজ, মেডিসিন কনস্যালটেন্ট সাঈদ আহমেদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিটিল্যাব ডায়াগষ্টিক ও কনস্যালটেশন সেন্টারের পরিচালক সরদার নাসির উদ্দিন বলেন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় অজানা শঙ্কায় বাগেরহাট সদর হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষা কথা বিবেচনা করে সরকারের পাশাপাশি আমরা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধক মানসম্মত পিপিই তৈরি করার উদ্যোগ নেই। আমাদের সেচ্ছাসেবকরা নিয়মিত তৈরি করছে পিপিই ও মাক্স। যতদিন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থাকবে ততদিন আমরা সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত থাকা কর্মীদের পিপিই ও মাক্স বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা বাগেরহাট পৌরসভা ও সদর উপজেলার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে মাক্স তৈরি করছি। আমরা আট টাকা দামে প্রতিটি মাক্স তাদের কাছে বিক্রি করছি।