মাঠে ময়দানের খবর

1
Spread the love

করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে বিসিবিও
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। এটা দুপুরের খবর। ক্রিকেটারদের দেখাদেখি করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বিসিবির এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন বিসিবির শীর্ষ দুই কর্মকর্তা।
বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন এবং পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তারা দু’জন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড করোনা সংকট মোকাবিলায় দেশ ও জাতির সেবার সরকারের পাশে দাঁড়াতে চায় এবং দাঁড়াবে।
দুপুরেই মাশরাফি, তামিম, মুমিনুল এবং মাহমুদউল্লাহসহ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের উদ্যোগে করোনা আক্রান্তদের জন্য ৩১ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেয়া হয়। ক্রিকেটারদের অর্থ দেয়ার ঘোষণার মুহূর্ত থেকে ক্রিকেট অনুরাগীদের মুখে একটি কথাই উচ্চারিত হয়েছে। তাহলো- জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা সাধ্যমত নিজেদের বেতনের টাকা দান করলেন করোনা ফান্ডে। এখন দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক বিসিবি তো অনেক সমৃদ্ধ। তারা কি করবে?
এমন প্রশ্ন রাখা হলে বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস বলেন, ‘দেশের করোনা সংকটে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা বোর্ডের পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব করবো। তবে বিসিবি ঠিক কত টাকা দেবে? এ মুহূর্তে তা বলতে পারছি না। সেটা আমরা নিজেরা কথা বলে ঠিক করে নেবো।’
বিসিবি সিইও নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি আরও একধাাপ এগিয়ে জাগো নিউজকে জানালেন, ‘বোর্ড অতি অবশ্যই করোনা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সবরকম সহযোগিতা করবে। তবে কিভাবে করবে? নগদ অর্থ দিয়ে না অন্য কোনভাবে? সেটাই খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।’
বিসিবি সিইও আরও জানান, করোনা ভাইরাস অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় যে, ত্রাণকার্য পরিচালনার জন্য হয় ত্রাণ সামগ্রী নাহয় নগদ অর্থ দেয়া যাবে। বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারের সাথে কথা বলা হচ্ছে, ইতোমধ্যে সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছেও এবং আলোচনা হচ্ছে। আমরা সরকারের সাথে কথা বলেই ঠিক করবো কিভাবে করোনা সংকটে বিসিবি ভুমিকা রাখতে পারে।’
বিসিবি প্রধান নির্বাহীর কথা শুনে মনে হলো, সরকারের উর্ধ্বতন মহল যেভাবে চাইবে, বিসিবি তাই করবে। অর্থ হলে অর্থ। কিংবা অন্য কোন সামগ্রী বা আনুসাঙ্গিক উপকরণ দরকার হলে তাই দেয়ায় সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। তবে বিসিবির ইচ্ছে সহযোগিতার হাত যতটা সম্ভব এগিয়ে দেয়ার।

২৬ লাখ টাকা অনুদান দিলেন ক্রিকেটাররা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বরাবরই জাতীয় দুর্যোগে এগিয়ে আসেন। সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন। এবার করোনাভাইরাস মোকাবিলায় তাঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছেন।
জাতীয় দলের ২৭ ক্রিকেটার এপ্রিল মাসের বেতনের অর্ধেক টাকা অনুদান দিয়েছেন। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকে জানা গেছে, করোনা ইস্যুতে ২৭ ক্রিকেটার মোট ৩১ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। ট্যাক্স কাটার পর কোষাগারে জমা হয়েছে ২৬ লাখ টাকা।
এক বার্তায় ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আপনারা সবাই জানেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণে চারদিকে ক্রমেই ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯ রোগ। এই রোগ প্রতিরোধে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে যার যার জায়গা থেকে। ‘
‘সেটির অংশ হিসেবে আমরা ক্রিকেটাররা একটা উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি, যেটি হয়তো অনুপ্রাণিত করতে পারে আপনাদেরও। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এপ্রিল মাসের বেতনের ৫০ শতাংশ দিয়ে একটা তহবিল গঠন করব। এই তহবিল ব্যয় হবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত ও সাধারণ মানুষ যাদের গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় জীবন চালিয়ে নিতে অনেক কষ্ট হয়।’
‘তহবিলে জমা পড়েছে প্রায় ৩১ লাখ টাকার মতো। কর কেটে থাকবে ২৬ লাখ টাকা। করোনার বিরুদ্ধে জিততে হলে আমাদের এই উদ্যোগ হয়তো যথেষ্ট নয়। কিন্তু যাদের সামর্থ্য আছে সবাই যদি এক সঙ্গে এগিয়ে আসেন কিংবা ১০জনও যদিও এগিয়ে আসেন, এই লড়াইয়ে আমরা অনেক এগিয়ে যাব। হ্যাঁ, এরই মধ্যে করোনা মোকাবিলায় অনেকে এগিয়ে এসেছেন। তাদের অবশ্যই সাধুবাদ জানাই। কিন্তু বৃহৎ পরিসরে যদি আরও অনেকে এগিয়ে আসে, তাহলে আমরা এই লড়াইয়ে জিততে পারব ইনশাআল্লাহ।’
বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে ১৭জন ক্রিকেটারকে রাখা হয়েছে এবং জিম্বাবুয়ে সিরিজসহ সম্প্রতি জাতীয় দলে খেলেছে, এমন আরও ১০ জন, সব মিলিয়ে ২৭ ক্রিকেটার এগিয়ে এসেছেন। সেই তালিকায় আছেন সাইফ হাসান, মাহাদি হাসান, নাসুম আহমেদ, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, হাসান মাহমুদ, ইয়াসির আলী রাব্বীর মতো নতুন ক্রিকেটাররা।

নির্বাচন নিয়ে বাফুফের জরুরি সভা নয় ‘জরুরি মতামত’
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আগামী ২০ এপ্রিল নির্ধারিত তারিখে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন যে হবে না- সেটা পরিষ্কার। ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন নিজেই চেষ্টা করছেন নির্বাচন পেছাতে। কারণ, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নির্বাচন করার মতো নেই।
নির্বাচন পেছাতে হলে দুটি অনুমোদন লাগবে বাফুফের। একটি নিজেদের নির্বাহী কমিটির এবং দ্বিতীয়টি ফিফা-এএফসির। প্রথমে নিতে হবে নির্বাহী কমিটির অনুমোদন। যে কারণে বাফুফে সভাপতি কাল শুক্রবার নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা ডেকেছেন। তবে সভা ডাকলেও সেটা সদস্যদের একসঙ্গে বসে হচ্ছে না। জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং ঘরের বাইরে কম যাওয়ার সরকারি যে নির্দেশনা আছে সেটা মেনে বাফুফে জরুরি সভাটি করছে সদস্যদের যার যার অবস্থান থেকে মতামতের ভিত্তিতে।

অলিম্পিক পেছানোয় লাভটা রোমান সানার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এখন যে পরিস্থিতি তাতে পুরো দেশই এখন লকডাউনে। যার যার বাড়িতে চলে গেছেন আর্চাররা। আপাতত ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাম্প বন্ধ থাকছে। স্বাভাবিকভাবে এমন মহামারীতে খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আক্রান্ত হতে পারেন যে কেউ।
অলিম্পিক বন্ধ হয়ে যাওয়াতে রোমান সানা অবশ্য মনে করছেন লাভটা হয়েছে তার নিজের। কীভাবে? রোমান বলেছেন, ‘করোনার কারণে বিশ্বের কোন প্রতিযোগিতাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। হয় প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়েছে, নয়তো স্থগিত। এখন এই অবস্থায় টোকিও অলিম্পিকে খেলা আমার জন্য কঠিন হয়ে যেতো। বর্তমান অবস্থায় এক বছর সময় পাওয়া গেলো। তাতে করে নিজেকে আরও শাণিত করে নেওয়ার সুযোগ মিললো।’

করোনা প্রতিরোধে মেসির প্রায় ১০ কোটি টাকা দান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে করোনাভাইরাস বিপজ্জনক হারে বেড়েই যাচ্ছে। ইতালিতে প্রবলভাবে করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ার পর স্পেনেও বাড়ছে অস্বাভাবিক গতিতে।
করোনা প্রতিরোধে তাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনার তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি। রেকর্ড ছয়বারের এই ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার জন্য বার্সেলোনা হাসপাতালকে এক মিলিয়ন ইউরো দান করেছেন। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে ইতিমধ্যে মারা গিয়েছেন প্রায় ১৯ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রায় ৭ হাজার মারা গিয়েছেন ইতালিতে। এরপর চীনে ৩২৮১ জন। তবে ইউরোপে ইতালির পর স্পেনেই করোনাভাইরাস সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করেছে। মোট ৪২ হাজার ৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন এ পর্যন্ত। মারাও গিয়েছেন ২ হাজার ৯৯১ জন।
আর্জেন্টাইন তারকা মেসি গত ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে স্পেনে বসবাস করছেন। বার্সায় খেলার সুবাদে এখানে সংসার পেতেছেন তিনি। ফলে আর্জেন্টিনার মতো কাতালুনিয়া শহরেও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করে থাকেন মেসি। গত বছর একটি শিশু হাসপাতালে বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছিলেন বার্সার হয়ে সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। সে ধারাবাহিকতায় করোনা বিপর্যস্ত সময়ে আবার বার্সেলোনা হাসপাতালে অর্থ দান করলেন মেসি।

জাপানের ক্ষতি এক লাখ কোটি টাকা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট, বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রজেক্ট। এটির জন্য প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ওপরের দুই বাক্য পড়েই যেকোনো বাংলাদেশির পিলে চমকে যাবে। সেখানে যদি এক লাখ কোটি টাকার ক্ষতি গুনতে বলা হয়! তবে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে কেউ মারা গেলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।
না, বাংলাদেশের কাউকে বা রাষ্ট্রকেও এতবড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে না। তবে এ পরিমাণ অর্থের ক্ষতি গুনতে হচ্ছে জাপান সরকারকে। প্রাণঘাতী করোনভাইরাসের কারণে চলতি বছর অলিম্পিকের আসর হবে না বলে জানিয়েছে অলিম্পিক কমিটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম পেছাতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া আসর। করোনাভাইরাস যেভাবে বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালাচ্ছে তাতে ভাইরাসটিকে ইতিমধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলে আখ্যায়িতও করেছে অনেকে। আর অলিম্পিক পেছানোতে জাপান সরকারের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ক্ষতি গুনতে হবে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ‘এক লাখ কোটি’ টাকার সমান। দেশটির সরকার ইতিমধ্যে এ পরিমাণ অর্থ খরচ করে ফেলেছে অলিম্পিক আয়োজন করার জন্য। এছাড়াও স্পন্সর ও সম্প্রচারের দিক থেকেও অনেক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে দেশটি।

তবে কি বাতিল হবে এবারের আইপিএল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
‘অলিম্পিকের মতো আসর করোনার জন্য এক বছর পিছিয়ে গেলে, আইপিএল তো তার তুলনায় কিছুই না।’-চলতি বছরের আইপিএল কি বাতিল হবে কিনা এমন প্রশ্নে এভাবে উত্তর দেন বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সর্বশেষ সভা শেষে সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, ‘করোনা আতঙ্কে আমরা আইপিএল বন্ধ করবো না। আমাদের যথেষ্ঠ সুরক্ষার ব্যবস্থা আছে।’ তবে এরপরে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের সঙ্গে কথা বলে আইপিএল দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে সৌরভ। সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও আইপিএল ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হবে বলে জানায় বিসিসিআই। তবে এবার সে সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসতে চলেছে বিসিসিআই। ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, ‘এটা আয়োজন করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। ঠিক এ মুহূর্তে সরকারও বিদেশি কোনো খেলোয়াড়কে দেশে আসার অনুমতি দিচ্ছে না।’

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলেন রোনালদো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
নিজে খেলেন ইতালিতে। সতীর্থ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে নিজের এলাকায় গিয়ে ১৪দিনের কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কোয়ারেন্টাইন থেকে বের হয়ে দেখলেন তার নিজের দেশ পর্তুগালও করোনায় বিপর্যস্ত। দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ২৩ জন।
এ পরিস্থিতিতে ঘরে বসে থাকতে পারলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নিজের বন্ধু এবং এজেন্ট হোর্হে মেন্ডেজকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। করোনায় আক্রান্তদের যথাযত চিকিৎসার্থে দুই বন্ধু মিলে গঠন করলেন ১ মিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ১০ কোটি টাকা) তহবিল। এই বিশাল অংকের তহবিল নিয়ে পর্তুগালের তিনটি হাসপাতালে নতুন করে তিনটি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) গড়ে তুলছেন রোনালদো এবং মেন্ডেজ। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে পর্তুগালের রাজধানী লিজবনে, অন্যটি হচ্ছে পোর্তোয়।

আর্জেন্টাইন বার্কোস ব্রাজিলে ‘ঘরবন্দি’
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এবারই প্রথম এএফসি কাপে খেলছে বসুন্ধরা কিংস। এশিয়ার লড়াইয়ের জন্য তারা আর্জেন্টিনা থেকে উড়িয়ে এনেছে স্ট্রাইকার বার্কোসকে। প্রতিযোগিতাটির প্রথম ম্যাচে আস্থার প্রতিদানও দিয়েছেন বার্কোস, মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পথে একাই করেছিলেন ৪ গোল।
গত সপ্তাহে তিনি ঢাকা ছেড়েছেন। ব্রাজিলে গিয়েছেন স্ত্রীর কাছে। তবে সেখানে গিয়ে ‘ঘরবন্দি’ জীবন কাটাতে হচ্ছে বার্কোসকে। এরপরও নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবতে পারেন, কেননা দলের একমাত্র বিদেশি হিসেবে ঢাকা ছাড়তে পেরেছেন এই আর্জেন্টাইন । বসুন্ধরার স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজনসহ বাকিরা ঢাকাতেই আছেন।

দুই হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন আফ্রিদি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
পুরো বিশ্বই এখন করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে জর্জরিত। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বাধ্য হয়েই স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টিনে যেতে হচ্ছে মানুষকে। এ সময় অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ক্রীড়া তারকাসহ অনেকেই।
পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি বেশ কয়েকদিন আগে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর কথা। তারই ধারাবাহিকতা নিজ দেশে দুই হাজার পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার মানুষ। এর মধ্যে মারা গেছেন ৭জন। দেশের এই পরিস্থিতিতে আফ্রিদি বেশ কিছুদিন ধরেই করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে সাবান ও খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন। নিজ হাতে গড়ে তোলা ‘শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন’ এর পক্ষ থেকে আফ্রিদি নিজে এবং তার কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সামগ্রী পৌঁছে দেন।

করোনা মোকাবিলায় ১ মিলিয়ন ইউরো দিলেন গার্দিওলা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্ব আতঙ্কিত। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রতিদিনই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন অনেকেই। বাদ নেই ক্রীড়া জগতের তারকারাও।
করোনার বিপক্ষে লড়াইয়ের জন্য ১ মিলিয়ন ইউরো দান করেছেন ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে কোচিং করালেও গার্দিওলার বাড়ি বার্সেলোনায়। সেখানেই নিজের এই অর্থ দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তার এই দান করা অর্থ বার্সেলোনার মেডিকেল কলেজ এবং আনহেল সোলের দানিয়েল ফাউন্ডেশনের কয়েকটি ক্যাম্পেইনের জন্য ব্যয় করা হবে। অর্থাৎ এই টাকায় মেডিকেল সরঞ্জাম কেনা হবে।

ভক্ত-সমর্থকদের ঘরে থাকার আহ্বান জোকোভিচ-ফেদেরারের
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব টেনিসের প্রায় সব শীর্ষ তারকারাই এখন নিজ ঘরে পরিবারের সাথে অলস সময় কাটাচ্ছেন। তার মাঝেই বিশ্বের দুই শীর্ষ তারকা নোভাক জোকোভিচ ও রজার ফেদেরার তাদের ভক্ত-সমর্থকদের এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিজ নিজ ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
জোকোভিজ তার ইন্সটাগ্রামে রবিবার তার ভক্তদের উদ্দেশ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিজেও সেটা করছেন বলে জানিয়েছেন। বিশ্বের এই এক নম্বর খেলোয়াড় বলেছেন এর মাধ্যমেই ধীরে ধীরে সারা বিশ্বজুড়ে করোনার বিস্তার কমিয়ে আনা সম্ভব। একইসাথে তিনি মেডিকেল স্টাফদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
জোকোভিচ লিখেছেন, ‘এটা আমদের সকলের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং একটি সময়। আমি সকলের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি ও প্রার্থনা করছি। দয়া করে সবাই ঘরে থাকুন এবং সকল মেডিকেল স্টাফদের সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসুন। এই সংকটময় মুহূর্তে তাদের উপর আর বোঝা বাড়াবেন না।