সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

28
Spread the love

লোহাগড়া থানার ওসিকে স্ট্যান্ড রিলিজ

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেনকে স্ট্যান্ড রিলিজ (তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার) দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কাজে অবহেলার দায়ে প্রত্যাহারের পর শনিবার (২১ মার্চ) বিকালে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানান। পুলিশ সুপার জানান, প্রশাসনিক কাজে অবহেলার কারণে ওসি আলমগীরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ওই থানায় দায়িত্ব পাওয়ার চার মাসের মধ্যে তাকে বদলি করা হলো। ওসি আলমগীর হোসেন ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর লোহাগড়া থানার ওসি হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর লোহাগড়া থানার তৎকালীন ওসি মোকাররম হোসেনকে অব্যাহতি দিয়ে তাৎক্ষণিক স্টেশন ত্যাগ করতে বলা হয়। যোগদানের পাঁচ মাসের মধ্যে মোকাররম হোসেনকে বদলি করে আলমগীর হোসেনকে লোহাগড়া থানার ওসি করা হয়। আলমগীর হোসেনকেও চার মাসের মধ্যে প্রত্যাহার করা হলো।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য গুদাম হ্যান্ডলিং ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন এর খাদ্য-সামগ্রী বিতরন

খবর বিজ্ঞপ্তি

নগরীর ৪নং ঘাট এলাকায় অগ্নীকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রবিবার বেলা ১১.০০ টায় সংগঠনের কার্যালয়ে খাদ্য গুদাম হ্যান্ডলিং ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন এর উদ্যোগে চাউল, ডাল, তেল ও লবন বিতরন করেন। উক্ত বিতরন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ সেলিম ফরাজী ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক খাঁ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাঃ সম্পাদক আব্দুর রহিম খাঁ, সহ সাঃ সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী ইউনুস, মোঃ আজিম উদ্দিন, খালেক সিকদার, হাই ইসলাম কচি, তৈয়বুর রহমান, আলামিন আকাশ, খোকন শীল কুটি, মোঃ বাদল, মোঃ রাজু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রাণঘাতী নোবেলা করোনা ভাইরাস কোভিড- ১৯ থেকে মুক্তির জন্য ঘাট এলাকার সর্বস্তরের শ্রমিক সহ উপস্থিত সভাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন এবং আমাদের মাতৃভূমি সহ বিশ্বের সকল মানুষকে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য মহান সৃস্টিকর্তার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

ডুমুরিয়ায় করোনা প্রতিরোধে সচেতন সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রচারপত্র বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়নে সচেতন সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (২২ মার্চ) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এ প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সচেতন সমাজ কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল ইসলাম খান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এস শাহীন আলম, মোঃ ইসমাইল হোসেন, মিকাউর রহমান আকাশ, সংগঠনের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, সাজু রহমান, অহিদুজ্জামান দুলু, মোঃ সোহবার মোড়ল, মোঃ রেজওয়ান সরদার, শফিকুল সরদার, ফারুক মোড়ল, জাহিদুল গাজী, আমিনুর রহমান, মফিজুর রহমান বাপ্পি, আল মামুন হোসেন, সবুজ খান, আলী শেখ, মুকুল হোসেন, ফিরোজ সরদার, হাদীচুর রহমান, মহিবুর রহমান, রাকিব গাজী, মুন্না গাজী, রাকিবুল ইসলাম, ইয়াসিন মোড়ল, আবু দাউদ, মিনারুল শেখ, আল আমিন সোহাগ প্রমুখ। সচেতন সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মোঃ তসলিম হুসাইন তাজ জানান, সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার মানুষ। তাই এই ভাইরাস সম্পর্কে মানুষদের সচেতন করতে মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সচেতন সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। 

৬৭জন হোমকোয়ারেন্টাইনে

করোনা ভাইরাস ঠেকাতে নানা প্রস্তুতি পাইকগাছাউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আগাম সর্তকতা মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। হাসপাতালের ৫ শয্যার আইসোলেশন কর্ণার আছে পাশাপাশি সরকারী ডাকবাংলা কে আইসোলেশন ইউনিট হিসাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হাসপাতালে সেনেটারী পরিদর্শক উদয় মন্ডল কে প্রতিদিন হাসপাতাল বহিঃর্বিভাগে আগত রোগীদের করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতনামূলক লিফলেট, তথ্য ও পরার্মশ দিতে দেখা যায়। ইতোমধ্যে আমাদের দেশে ২০ জনের করোনাভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাস  ঠেকাতে সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে। করোনাভাইরাসের কোন প্রতিকার নেই, প্রতিষেধক নেই, তাই প্রতিরোধের উপর জোর দেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন পর্যায় ও এঘটনার প্রেক্ষিতে আইইডিসিআর (জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান) নানা সর্তকতামূলক পরামর্শ দিয়ে চলেছে। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডাঃ মীরজাদী সেব্রিনা ফোরা প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনসাধারণকে নানা পরার্মশ দিয়ে চলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, এত ঝুঁকির মধ্য থেকেও স্বাস্থ্য সেবা দাতারা বিশেষতো ডাক্তার, নার্সগণ আছে চরম ঝুঁকিতে। কারণ বহিঃর্বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা নিয়ে যত রোগী আসে উনারা নিজস্ব কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একই চিত্র জরুরী ও অন্তঃবিভাগেও যা কোভিড-১৯ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছায় ইতালি, চীন, জার্মানি, দক্ষিন কোরিয়া, আস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ বিদেশ ফেরত ৬৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। তাদের ভিতর ভারত ফেরতের সংখ্যা বেশী। তাদেরকে নজর দাঁড়িতে রাখা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তার নির্দেশনায় মেডিকেল টিম পরিদর্শন পূর্বক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের নিয়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, শুরুতেই চীনে এটি ধরা পরার অর্থাৎ এখান থেকে ২ মাস পূর্ব থেকে এখানে ৫ বেডের আইসোলেশন কর্ণার সব সময় প্রস্তুত ছিল এখনও আছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এই হাসপাতালে ৫ শয্যার আইসোলেশন কর্ণার আছে পাশাপাশি  সরকারী ডাকবাংলা কে আইসোলেশন ইউনিট হিসাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি কোন গুজবে কান না দিয়ে বিদেশ ফেরতদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশ ফেরতদের সর্দি-কাশি হলেই আইইডিসিআর-এর দেয়া হটলাইনে যোগাযোগসহ হাসপাতালে আসার পরামর্শ  দিয়েছেন। যথাসম্ভব  জনসমাগম এড়িয়ে চলা, কোলাকুলি না করা, করমর্দন না করা, ঘনঘন সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধোয়া, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার, যেকোনো খাবার ভালভাবে রান্না করাসহ নানা সর্তকতা অবলম্বনের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৭ ব্যবসায়ীর জরিমানা

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় করোনাকে পুঁজি করে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির কারণে চাঁদখালী বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতে ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে। রবিবার সকালে ভোক্তা অধিকার আইনে চাল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, মোস্তফা, খগেন্দ্র, খলিল ও নজরুলকে ৫শ টাকা করে মুদি ব্যবসায়ী নজরুল ১ হাজার, মিষ্টি ব্যবসায়ী তেজেনকে ২ হাজার, ঔষধ ব্যবসায়ী আবু জাফর ও মিজান ৩ হাজার টাকা, সর্বমোট ৭ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করে। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলিয়া সুকায়না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাতুল আলম। উপস্থিত ছিলেন, প্রসিকিউশন অফিসার উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কৃষ্ণ মন্ডল, দীপংকর প্রসাদ মল্লিক সহ সঙ্গীয় ফোর্স।

ভোমরা স্থল বন্দরে বিদেশীদের প্রবেশ ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও বন্ধ

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

বাংলাদেশের সকল স্থবন্দরের ন্যায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরেও বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের অধিকতর সংক্রমণ রোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ২২ মার্চ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সব স্থলবন্দর দিয়ে বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে নতুন করে কোন বিদেশী নাগরিককে প্রবেশ করতে না দিলেও আগে যারা দুই-দেশে প্রবেশ করেছে তাদের আসা-যাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে ভোমরা ইমিগ্রেশন কর্র্তৃপক্ষ। এদিকে, করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনতার কারফিউ জারি করায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আজ রবিবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর ফলে সরকার একদিনে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে জানিয়েছে কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ।

ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোশিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্গো ওয়েলফেয়ার এ্যসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক জয়দেব সরকার স্বাক্ষরিত একটি পত্রে সে দেশে জনতার কারফিউ জারী করার কারনে এ বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনেকে জানানো হয়। তবে আগামীকাল সোমবার থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আরো জানান। এদিকে, আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ থ্কাায় এ বন্দরে কর্মরত প্রায় সাড়ে ৫ হাজার শ্রমিক আজ অলস সময় পার করছেন। ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টের ওসি বিশ^জিত সরকার জানান, এ বন্দর দিয়ে সকল প্রকার বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে, আগে যারা দুই-দেশে প্রবেশ করেছেন তাদের আসা-যাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে। নতুন করে কোন বিদেশী যাত্রীকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছেনা। একইসাথে বাংলাদেশ থেকে নতুন করে কাউকে ভারতে যেতে দেয়া হচ্ছেনা।

ভোমরা শুল্ক ষ্টশনের সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্গো ওয়েলফেয়ার এ্যসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক স্বাক্ষরিত ওই পত্রে একদিনের জন্য অর্থ্যাৎ শুধু মাত রবিবার আমাদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামীকাল যথারীতি চলবে বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। তিনি আরো জানান, এই একদিনে সরকারের প্রায় সাড়ে তিন কোটি রাজস্ব হারাবে।

করোনা প্রতিরোধে জেলা ও মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতি

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঘোষিত নিয়মাবলী নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, করমর্দন না করা, মাস্ক ব্যবহার করা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, জ্বর-সর্দি-কাশি আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে আরও বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় চিকিৎসক ও সেবিকাদের যথাযথ সুরক্ষা সরঞ্জামাদি নিশ্চিত করতে হবে। কেননা গত সপ্তাহে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎকদের অবহেলায় একজন জ্বর-সর্দি-কাশি-শ্বাসকষ্ট আক্রান্ত রোগী অকাল মৃত্যুবরণ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাকে পূঁজি করে একশ্রেণির অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে চলেছে, যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে সরকারের বাজার মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে সকল পেশায় নিয়োজিত শ্রমিকদের বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করেই সামাজিক সুরক্ষার উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বৈষয়িক এই দুর্যোগের হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করতে লকডাউন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি চিকিৎসা ও খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান।   বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেনÑওয়ার্কার্স পার্টির খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা ও মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, কমরেড মনির আহমেদ, কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য শেখ সাহিদুর রহমান, কমরেড মনিরুজ্জামান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড কৌশিক দে বাপী, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড মোঃ আলাউদ্দিন, কমরেড মনির হোসেন, কমরেড আরিফুর রহমান বিপ্লব, কমরেড আনোয়ার হোসেন, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, কমরেড অজয় দে, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড হাফিজুর রহমান, কমরেড গৌরী ম-ল প্রমুখ।

সরকারের ব্যর্থতা, মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বিভ্রান্তিকর কথাবার্তায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে: খুলনা বিএনপি

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে আবির্ভূত করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের ব্যর্থতা, উদাসীনতা এবং  মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নানান ধরণের বিভ্রান্তিকর অহেতুক কথাবার্তায় জনমনে বিপদগ্রস্ততার আশংকা তীব্র থেকে তীব্রতর হওয়ায় খুলনা মহানগর বিএনপি’র পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

গত ডিসেম্বরে চীনে এই ভাইরাসের মারাত্মক বিস্তার এবং পরবর্তীতে ইতালী ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য সহ ইউরোপের শক্তিশালী দেশসমূহে এই ভাইরাসে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় পাওয়া সত্বেও সরকার এ বিষয়টি একেবারে হালকাভাবে নিয়ে তারা মহাব্যস্ত ছিল কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজনৈতিক উৎসব নিয়ে। সরকারের এইধরণের উদাসীনতা ও পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ব্যর্থতার কারণে আক্রান্ত দেশগুলি থেকে লক্ষ মানুষ অনেকটা নির্বিঘেœ দেশে প্রবেশ করে নানাস্থানে ছড়িয়ে পড়ায় বায়ুবাহিত সংক্রামক এই ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশ। খুলনা মহানগর ও জেলায় সরকারি সুত্রে আজ পর্যন্ত ১১০৭ জন হোম কোয়ারাইন্টাইনে আছেন, এক উপজেলা চেয়ারম্যান বিদেশ থেকে এসে অবাধে অনুষ্ঠানদিতে প্রশাসনের নাকের ডগায় অংশগ্রহণ করছেন, এবিষয়গুলি নগরবাসীসহ খুলনায় মানুষের মধ্যে ব্যাপক ভীতির সৃষ্টি করেছে। সাধারণভাবে জ্বর সর্দি বা অন্যান্য সমস্যায় চিকিৎসা দিতে ডাক্তার ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা রোগীদের এড়িয়ে চলছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের খুব বেশী দোষ দেয়া যাচ্ছে না একারণে যে, চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের নিরাপত্তা পোষাক বা অন্যান্য প্রোটেকশন ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল। যা মারাত্মক বিপদের সমূহ সম্ভাবনা। প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারাইন্টাইন ব্যতীত স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারাইন্টাইন ব্যবস্থা কার্যকর হবে না বলে বিশেষজ্ঞগণ মনে করলেও সরকার সে ব্যাবস্থাপনায় মোটেও সন্তোষজনক উদ্যোগ গ্রহণে মনোযোগী নয়। একজন সাবেক মেয়র যুক্তরাজ্য সফর থেকে এসেই প্রধানমন্ত্রীর সাথে রাজনৈতিক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, ফলে সরকারের সিরিয়াসনেস নিয়ে প্রশ্ন ওঠা একেবারেই স্বাভাবিক। সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বালখিল্য কথাবার্তায় উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরক্তি এখন চরম পর্যায়ে। সরকার করোনার চেয়ে শক্তিশালী, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে আমাদের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী, প্রধানমন্ত্রী আছেন বলেই করোনা কিছুই করতে পারবে না, আমরা চীনের মত হাসপাতাল বানাবো এসব অহেতুক উদ্ভট কথাবার্তায় করোনা নিয়ে আতংকিত মানুষ সরকারের উপর আরো বিরক্ত ও আস্থাহীন হচ্ছে। এখন পর্যন্ত করোনা মোকাবিলায় কোন টাস্কফোর্স গঠন না করা এবং সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণে ব্যর্থতা জনগণের প্রতি সরকারে অবহেলার এক ভয়ংকর দৃষ্টান্ত। অবিলম্বে জাতীয় ঐক্যে সৃষ্টি দেশের সকল পক্ষকে এই মহামারী থেকে বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের প্রয়োজন বলে খুলনা মহানগর বিএনপি মনে করে। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। গোয়ার্তুমি ক্ষমতার অহমিকা আর বালখিল্য কথাবার্তা পরিহার করে অন্যান্য আক্রান্ত দেশগুলির অভিজ্ঞতা কাজ লাগিয়ে সকল রাজনৈতিক শক্তিকে আস্থায় জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে এই মহামারী মোকাবিলায় সরকার উদ্যোগী হবে বলে বিএনপি আশা করে। একইসাথে গুরুতর অসুস্থ প্রতিহিংসার বিচারে কারাবন্দী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জাতির এই দু:সময়ে মুক্তি দিয় সরকার মানবিকতার পরিচয় দিবে বলে সমগ্র দেশবাসী আশা করে। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

দেলুটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির শয্যাপাশে সংসদ সদস্য বাবু

খবর বিজ্ঞপ্তি

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাইকগাছার ৪নং দেলুটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নির্মল কান্তি মন্ডলকে দেখতে রবিবার রাতে হাসপাতালে যান খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু।  এ সময় তিনি তার শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করেন ও কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং তার আশু-সুস্থতা কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসীম উদ্দিন বাবু, যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, হারুন আর রশীদ, অঞ্জন মন্ডল, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি, মনি শংকর মন্ডল, এএইচএম কামাল, শেখ মোঃ শাকিল, মীর ছদরুল আমিন, মোঃ হাছিবুর রহমান, নজির আহমেদ, রাজীব সরকার রাহুল, মুহাইমিন আল মাহিন, রবিউল ইসলাম রিদয় প্রমুখ।

কেশবপুরে সেনকো জুয়েলার্সের মালিকের বাবা বিমল কৃষ্ণ সেনের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুর শহরের স্বর্নপটিতে অবস্থিত সেনকো জুয়েলার্সের মালিক শ্যামল সেনের বাবা স্বর্গীয় বিমল কৃষ্ণ সেনের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী রবিবার কেশবপুরস্থ বাসভবনে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে প্রার্থনা, ধর্মীয় গ্রন্থপাঠ ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম, সভাপতি এস আর সাঈদ-সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য বিমল কৃষ্ণ সেন ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী ৫ পূত্র. ২ কন্যা, স্ত্রী-সহ অসংখ্য গুণাগ্রাহী রেখে ইহলোক ছেড়ে পরলোক গমন করেন।

কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ে এক  মতবিনিময় সভা রবিবার বিকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ আলমগীর ও থানার অফিসার ইনচার্জ জসীম উদ্দীন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের সদস্য হাসান সাদেক, ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বজলুর রহমান খান, উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত, সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ মাষ্টার, সাগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত, বিদ্যানন্দকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, হাসানপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক জুলমাত আলী, গৌরীঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, থানা, পৌরসভা, উপজেলা প্রেসকাব ও সকল ইউনিয়ন পরিষদ নানামুখী কর্মসূচী গ্রহণ করেন।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সদর থানা শাখার আলোচনা সভা ও দোয়া

খবর বিজ্ঞপ্তি

গত শনিবার, সন্ধা ৭টায়, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সদর থানা শাখার সভাপতি মুফতী ফখরুল হাসান কাসেমীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাদের এর পরিচালনায় রেলওয়ে ষ্টেশন মসজিদে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী গোলামুর রহমান। প্রধান অতিথি বলেন- জল-স্থলে যে বিপর্যয় এটা মানুষের হাতের কামাই ও কর্মফল। তিনি বলেন আমাদের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি তওবা এস্তেগফার করে ভালোর পথে ফিরে আসতে হবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের বালা মুসিবত দিয়ে ইমানদারদে ইমানের পরিক্ষা করেন এবং কাফের মুশরিক ও ফাসেকদের জন্য গজব হিসাবে আল্লাহ তায়ালা দান করেন। এমন কোন গর্হিত কাজ নেই যার মধ্যে এই জাতি নিপতিত না। তিনি আরো বলেন, বর্তমান বিশ্বে চলমান মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণ পেতে আল্লাহর কাছে তাওবা, দোয়া, এস্তেগফার, কুরআন তিলাওয়াত করতে হবে। সাথে সাথে, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মুফতী ইকরাম হোসেন, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা মুফতী রফিকুল ইসলাম নোমানী, মাওলানা জাকির হুসাইন, মুফতী আব্দুল্লাহ, মুফতী সাঈদ আহমাদ, মুফতী রেজওয়ান, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা ওসমান গণি, মাওলানা শাহাদাত হুসাইন, মাওলানা শফিকুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা আবু বকর, মাওলানা আব্দুল জব্বার, শামছুর রহমান বাবুল, হাফেজ মাওলানা আকরামুল ইসলাম, মুফতী আমানুল্লাহ, আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।

তালা করোনা আতংক, বিদেশ হতে আগত ১৯৪৭ হোম কোয়ারেন্টাইন ৯৩ জন

তালা প্রতিনিধি

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার রাজীব সরদার বলেন, সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় ২২ মার্চ ২০২০ তারিখ পর্যন্ত ইমিগ্রেশন হতে তথ্য অনুয়ায়ী ১৯৪৭ জন ব্যক্তি বিভিন্ন দেশ দেশে এসেছে। এর মধ্যে বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইন আছে ৯৩ জন। তবে সবাইকে বাড়ীতে পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে হতে কেউ কেউ আতœগোপন করে আছে তাদের সম্পর্কে খোজ খবর নেওয়া নেওয়া হচ্ছে। তবে কোয়ারেন্টাইন এর বাহিরে কেউ আসলে তার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান করা হবে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল এর নির্দেশে তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার এবং নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেন, তালা থানা অফিসার্স ইনচার্জ মেহেদী রাসেলসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন করোনা ভাইরাস হতে রক্ষা পেতে সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

তালায় ১০ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

তালা প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস এর অজুহাতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য’র মূল্য বৃদ্ধি করায় তালা(সাতক্ষীরা) ১০ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার সকালে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন’র নেতৃত্বে তালা বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় বেশী দামে পন্য বিক্রয়ের অভিযোগে ১জন চাউল ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা, ২ আলু ব্যবসায়ীকে ২ হাজার টাকা, ৩ পেয়াজ –রসুন ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। এছাড়া পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা না থাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় আরও ২ ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। অপর দিকে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা ত্রিশমাইল এলাকায় সাতক্ষীরার নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট আজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা কালে ৬ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ব্যাপারে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, ব্যবসায়ী এবং ভোক্তাদের সচেতন করার লক্ষ্যে এ অভিযান। ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ অতিরিক্ত মূল্যে আপনারা কিছু ক্রয় করবেন না। আতংকিত না হয়ে সচেতন হন, সনসমাগম এড়িয়ে চলুন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা থাকুন, অন্যকে সচেতন করুন। তিনি সংকট কালীন সময়ে বিয়ে, ওয়াজ মাহফিল,পূজা সহ লোক সমাগম মূলক অনুষ্ঠান না করার আহব্বান জানান।

জাতীয় যুব সংহতি খুলনা জেলা শাখার শোক ও সমবেদনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় পার্টি-জাপার পাইকগাছা থানার চাঁদখালী ইউনিয়নের সভাপতি সরদার মোঃ হাফিজের চাচা বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ইঞ্জিয়ার (অবঃ) সরদার হামিদ (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকাল ৭টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে….রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেনÑজাতীয় যুব সংহতি, জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা ডাঃ সৈয়দ আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নেতা এস এম এরশাদুজ্জামান ডলার, কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যিক বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ছাত্র নেতা জি এম বাবুল, কেন্দ্রীয় নেতা ও মহানগর সহ-সভাপতি প্রিন্স হোসেন কালু, সহ-সভাপতি মাজাহার জোয়ার্দ্দার পান, রূপসা জাতীয় সংহতির সভাপতি ইক্তিখার আহমেদ, পাইকগাছা উপজেলা সভাপতি আব্দুল আজিজ, কয়রা উপজেলা সভাপতি মোঃ শাহীন, ডুমুরিয়া উপজেলা সভাপতি শেখ মোঃ লিঠু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজ, সহ-সভাপতি মোঃ মাহবুব আলম, দিঘলিয়া উপজেলা সভাপতি সুমিত্র কুমার, সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন, দাকোপ উপজেলা সভাপতি মিল্টন গোলদার, বটিয়াঘাটা উপজেলা সভাপতি অসীম কুমার মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল বিশ্বাস, যুবনেতা এজাজ খান, গাজী মোশাররফ, অপূর্ব দত্ত নেকু, গাজী খোকন, মুনসুর আহমেদ, বাদল হাওলাদার, মোঃ রাহুল, মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।     

ফুলতলার জামিরা বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৮ ব্যবসায়ীর লাখ টাকা জমিমানা

ফুলতলা প্রতিনিধি

খুলনার ফুলতলা জামিরা বাজারে নোভেল করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি করায় রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ৮ ব্যক্তিকে ১লাখ টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করেন। অতিরিক্ত মূল্যে চাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মূল্য তালিকা না থাকার অভিযোগে চাল ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনকে ২০ হাজার, আতিয়ার রহমানকে ২০ হাজার, আনোয়ার হোসেনকে ১৫ হাজার, বাহারুলকে ৫ হাজার, সোলাইমানকে ৫ হাজার এবং নেছার গাজীকে ৫ হাজার টাকা এবং মুদি দোকানদার আশরাফ শেখকে ২০হাজার, কাঁচামাল ব্যবসায়ী জামিল হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও পারভীন সুলতানা এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। প্রসঙ্গতঃ ফুলতলার জামিরা বাজারে এক শ্রেণির আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাসের অজুহাতে মাত্র ৪দিনের ব্যবধানে পূর্বের তুলনায় চাল কেজি প্রতি ৪ থেকে  ৮ টাকা, পেয়াজ ১৫ থেকে ৩৫, রসুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া মাস্ক প্রতি ২০ থেকে ৫০, হ্যান্ড ওয়াশ ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করে।

অভয়নগরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণ

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক ও করণীয় বিষয়ের উপর লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব এনামুল হক বাবুলের নেতৃত্বে নওয়াপাড়া বাজারে এ লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আনিসুর রহমান মিন্টু, আওয়ামী লীগ নেতা আলম মিনা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা আনোয়ার হোসেন, নওয়াপাড়া পৌর কৃষকলীগের সভাপতি ফারাজী মনির হাসান তাপস, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম জহিরুল হক লিখন, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ প্রমুখ।

অভয়নগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

অভয়নগর(যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে এম রফিকুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ও চেঙ্গুটিয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে ৯টি নিত্য-প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানীকে ১৩ হাজার ৪শ টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন। যেসকল দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়, উপজেলার চেঙ্গুটিয়া বাজারের পাল ষ্টোর ১হাজার টাকা , জননী ষ্টোর ১হাজার টাকা, দিপক ভ্যারাইটিজ ষ্টোর ১হাজার টাকা, জয়া ষ্টোর ১হাজার টাকা এছাড়া দুপুরে নওয়াপাড়া বাজারের পাইকারি চাল ব্যবসায়ী আবেদা এন্টারপ্রাইজের মালিক মানিক বিশ্বাস এর দোকানে মূল্যা তালিকা না থাকায়  ১হাজার টাকা, চাল ব্যবসায়ী করিম ট্রেডিং এর মালিক এম এম করিম কে মূল্য তালিকা না থাকা ও লাইসেন্স নবায়ন না থাকার করনে ৩ হাজার টাকা, ভোক্তার অভিযোগের ভিত্তিতে স্টেশনারী দোকান তারা ষ্টোর হ্যান্ড ওয়াশের দাম বেশি নেওয়ার দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, নওয়াপাড়া কাচা বাজারে তরকারি বিক্রেতা নজরুল ইসলাম ও কামাল হোসেনকে মূল্য তালিকা না থাকায় উভয়কে ২শ টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।

অভয়নগরে শিলা বৃষ্টিতে আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি

অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ মৌসুমের প্রথম শিলা বৃষ্টিতে। আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বেশির ভাগ আম গাছের মুকুল ঝরেপড়েছে । এতে অধিকাংশ গাছে আম না হওয়ার আশঙ্কা করছেন আম চাষিরা। শনিবারের বৃষ্টি, হালকা বাতাশ ও শিলা বৃষ্টির কারনে। অধিকাংশ আম গাছের মুকুল ঝরে মাটিতে পড়ে যায় । এতে স্থানীয় আম চাষিদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উপজেলার প্রেমবাগ, মাগুরাহাট চেঙ্গুটিয়া একতারপুর, পায়রা, বাগদাহ, চলিশিয়া, রাজঘাট সহ বিভিন্ন এলাকায়। আম চাষিরা বলেন, অসময়ের বৃষ্টি ও বাতাস আমাদের আম গাছের মুকুলের যে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। শিলা বৃষ্টিতে আমের মুকুল ঝরে পড়ায় চরম লোকসান গুনতে হবে বলে জানান। স্থানীয় আম চাষি সাইফুল ইসলাম ও ইমদাদ হোসেন বলেন, এবছর যে পরিমান আমের মুকুল ধরেছিল তাতে অন্যান্য বছরের লোকসান অনেকটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হতো। গতবারের চেয়ে এবার আমের বাগানের সংখ্যা ছিল বেশি।

ফুলতলার জামিরা বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৮ ব্যবসায়ীর লাখ টাকা জমিমানা

ফুলতলা প্রতিনিধি

খুলনার ফুলতলা জামিরা বাজারে নোভেল করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি করায় রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ৮ ব্যক্তিকে ১লাখ টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করেন। অতিরিক্ত মূল্যে চাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মূল্য তালিকা না থাকার অভিযোগে চাল ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনকে ২০ হাজার, আতিয়ার রহমানকে ২০ হাজার, আনোয়ার হোসেনকে ১৫ হাজার, বাহারুলকে ৫ হাজার, সোলাইমানকে ৫ হাজার এবং নেছার গাজীকে ৫ হাজার টাকা এবং মুদি দোকানদার আশরাফ শেখকে ২০হাজার, কাঁচামাল ব্যবসায়ী জামিল হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও পারভীন সুলতানা এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। প্রসঙ্গতঃ ফুলতলার জামিরা বাজারে এক শ্রেণির আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাসের অজুহাতে মাত্র ৪দিনের ব্যবধানে পূর্বের তুলনায় চাল কেজি প্রতি ৪ থেকে  ৮ টাকা, পেয়াজ ১৫ থেকে ৩৫, রসুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া মাস্ক প্রতি ২০ থেকে ৫০, হ্যান্ড ওয়াশ ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করে।

কপিলমুনি বালিকা বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক খলিলুর

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ঃ

দীর্ঘ ২ বছর পর খুলনার কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ  সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ সহকারী প্রধান শিক্ষক জি এম ওজিয়ার রহমানের মৃত্যুর পর পদটি শুন্য হয়। গত ২ মার্চ খুলনার ইকবাল নগর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান উত্তীর্ণ হন। এরপর সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়টির কর্তৃপক্ষ জানায়, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে খলিলুর রহমান যোগদান করছেন। তিনি ২০০৯ সালের ৩ জুন মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেছিলেন। তিনি বি এ বি এড, এম এ ইংলিশ পাস। তিনি সকলের কাছে দোয়া চান।

ফুলতলায় করোনার অজুহাতে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি রোধকল্পে মতবিনিময় সভা

ফুলতলা প্রতিনিধি

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন রোববার দুপুরে তার সভাকক্ষে ফুলতলা বণিক কল্যাণ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় করেন। এ সময় নোভেল করোনা ভাইরাসের অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি না করা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহে দর্শনীয় স্থানে মূল্য তালিকা ঝুলানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কে এম জিয়া হাসান তুহিন, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আসলাম খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, কাজী আশরাফ হোসেন আশু, মৃনাল হাজরা, বণিক কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি মোঃ ফিরোজ জমাদ্দার, সাধারণ সম্পাদক মনির হাসান টিটো, সহসভাপতি রবিন বসু, যুগ্ন সম্পাদক এস কে মিজানুর রহমান, সাংবাদিক তাপস কুমার বিশ্বাস, ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম মোড়ল, রমেশ কুন্ডু, পবিত্র সাহা, আহসানুল হক লড্ডন, শেখ হাফিজুর রহমান, জুলফিকার আলী মোড়ল, পিন্টু দাস, নাসির মোল্যা, রফিকুল ইসলাম মোল্যা প্রমুখ।

রামপালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

রামপালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে একটি অটো রাইস মিল এবং অপর এক চাল ব্যাবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কুমার পাল রোববার দুপুর ২ টায় ফয়লাহাটে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান,ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারা অনুযায়ী ফয়লাহাটের একটি অটো রাইস মিল মালিক জাহাঙ্গীর হোসেনকে ২০ হাজার টাকা এবং চাল ব্যাবসায়ী আঃ রবকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, খুলনা জেলা সংসদ-এর উদ্যোগে বেলা ২টায় ৫নং ঘাট গ্রীনল্যান্ড বস্তি এলাকায় শ্রমজীবী ও নি¤œ আয়ের লোকদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। সেই সাথে তাদেরকে করণীয় বিষয় তথ্য প্রদান করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑসাবেক ছাত্রনেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সভাপতি এস এম চন্দন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি উত্তম রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ সমাদ্দার, ছাত্রনেতা সোমনাথ, জয় সরদার, জুয়েল, অর্চি দেবনাথ, চন্দন দাস, জাকির হোসেন, সৌমিত্র ম-ল, শ্রমিক নেতা সোহেল আহমেদ প্রমুখ।

পি-৩/৩

ঝিনাইদহের সিও সংস্থা পাল্টে দিয়েছে সংগ্রামী নারী আছিয়ার জীবন চিত্র

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাড়ীবাথান গ্রামের আছিয়া বেগম। অভাব, অনটন ও অস্বচ্ছলতা ছিল যার এক সময়ের নিত্য সঙ্গী। স্বামীর দিন মজুরের টাকায় নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মত অবস্থা ছিল। অভাবের তাড়নায় দুর্বিসহ জীবনে ভিটে বাড়ি বিক্রি করে থাকতেন অন্যের জমিতে। কিন্তু দমে যাননি আছিয়া। ঝিনাইদহের বে-সরকারি মানব কল্যান সংস্থা সোসিও ইকোনোমিক হেল্থ এডুকেশন অর্গানাইজেশন (সিও) পাল্টে দিয়েছে জীবন সংগ্রামে বিপ্লবী এই নারীর জীবন চিত্র। সিও’র উৎসাহ অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় আছিয়া এখন স্বাবলম্বী হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন। এই পরিশ্রমী স্বাবলম্বী নারীকে অনুসরণ করে গ্রামের অনেকেই সিও সংস্থার সহযোগিতায় এখন আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন। সদর উপজেলার বাড়ীবাথান গ্রাম পরিদর্শনে জানা যায়, অভাব-অনটনের কারণে আছিয়ার স্বামী ইকবাল হোসেন নিজের ভিটেবাড়ী পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন। সে সময় পরের জমিতে কুঁড়ে ঘর বেঁধে জীবন-যাপন করতেন। দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে স্বামীর রোজগারের টাকায় কোন মতে দু’বেলা আহার জুটতো। কিন্তু দুই কন্যার লেখাপড়া ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আছিয়া বেগম ভর্তি হন সিও সংস্থায়। একই গ্রামের হামিদা বেগম নামের এক নারীর নেতৃত্বে দোয়েল মহিলা সমিতির সদস্য হন আছিয়া। এরপর গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি পালনের উপর প্রশিক্ষণ নেন তিনি। তারপর ২০১৬ সালের ১৮ মার্চ মাত্র ত্রিশ হাজার টাকা সিও সংস্থা হতে ঋণ গ্রহণ করেন এই নারী। ওই টাকায় গরু কিনে পালন করতে শুরু করেন। এই অভস্থায় ২০১৭ সালের ২১ মে আবারো এক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পোল্ট্রি ফার্ম গড়ে তোলেন। পোল্ট্রি খামারে আশাতীত ও রেকর্ড উন্নতির শিখরে উপনীত হন আছিয়া। এই অবস্থায় সিও সংস্থা তৃতীয় বারের মত এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা ঋণ দেয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আছিয়া বেগমের। অত্যন্ত মনোবল সততা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে গরু ও মুরগি পালন করে লাভবান হয়েছেন। বাড়িয়েছেন ব্যবসার পরিধি। ইতিমধ্যে অনেক টাকা ব্যয় করে স্বামীকে বিদেশও পাঠিয়েছেন। বর্তমান স্বামী মালয়েশিয়ায় ভাল কাজ করছেন। আছিয়া বেগম জানিয়েছেন, ঝিনাইদহের মানব কল্যান সংস্থা সিও তার জীবনে সুখ-শান্তি এনে দিয়েছেন। সিও সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সামছুল আলম স্যারের উৎসাহ অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় তিনি জীবনে সুখ এবং আলোর পথ খুঁজে পেয়েছেন। আছিয়া বেগম জানান, সিও’র ঋণে গরু ও মুরগি পালন করে লাভের টাকায় দুই কন্যা সন্তানকে বিয়ে দিয়েছেন। ২ লাখ টাকা খরচ করে বড় জামাইকে শহরের হামদহ এলাকায় ট্রাকের গ্যারেজ স্থাপন করে দিয়েছেন। গ্রামে জমি কিনে দুইতলা ভবন করেছেন। ৯লাখ টাকা খরচ করে ৩ বিঘা জমি লিজ রেখে চাষাবাদ করছেন। বাড়ির পাশে কাসেম মিয়ার কাছ থেকে ৬ লাখ ৫০ হজার টাকায় ১৪ শতক জমি কিনেছেন। স্বাবলম্বী এই নারী এখন গরুর খামার করার পরিকল্পনা করছেন। বাড়ির ২ তলা ছাদে বর্ধিত টিন সেড তৈরি সেখানে পোল্ট্রি মুরগি পালন করছেন। বর্তমান তার ফার্মে ২ হাজারেরও বেশি মুরগি রয়েছে। বাড়ী বাথান গ্রামের শরিফুল ইসলাম, শাহীনসহ বেশ কয়েকজন এই প্রতিবেদককে জানান, সংগ্রামী ও স্বাবলম্বী নারী আছিয়া বেগম এর অনুকরণ ও অনুসরণ করে সিও সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে তারাও জীবনে স্বচ্ছলতা ফিরে পেয়েছেন। এই ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিওর নির্বাহী পরিচালক সামছুল আলম জানান, সিও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আছিয়া বেগম সিও’র সহযোগীতায় একজন গর্বিত স্বাবলম্বী নরী হয়ে রোল মডেলে পরিনত হয়েছেন। স্থানীয় পাগলাকানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাজুরুল ইসলাম বলেন, মানবকল্যান সংস্থা সিও দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তার জানা মতে আছিয়া বেগম সিও’র অনুপ্রেরণায় আজ নজিরবিহীন সফলতা অর্জন করেছে। এছাড়াও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাষ্টসাগরা গ্রামের বঙ্গবন্ধুর জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত কৃষানি লাভলী ইয়াসমীনসহ অসংখ্য নারীর জীবন পাল্টে দিয়েছে সিও সংস্থা। এই সব পল্লী জনপদের কৃষকের উন্নয়নরে অগ্রযাত্রায় সিওর এমন ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২০ টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে অধিক মুল্যে পণ্য বিক্রি, মুল্যতালিকা না টাঙ্গানোসহ নানা অপরাধে ২০ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত জেলার শৈলকুপা, সদর, হরিণাকুন্ডুসহ বিভিন্ন উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়।

জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, করোনাকে পুজি করে বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কিছু ব্যবসায়ী চাউল, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যে অধিক মুল্যে বিক্রি করছে এমন সংবাদে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ১০ টিম। এসময় শৈলকুপার হাটফাজিলপুর বাজারে ৬ টি প্রতিষ্ঠানে ৬০ হাজার, ভাটই বাজারে ১টি প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার, গাড়াগঞ্জ বাজারে ১২ টি প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার টাকা, সদরের হাটগোপালপুর বাজারে ৫ টি প্রতিষ্ঠানে ৩৩ হাজার ২’শ সহ সর্বমোট ২০ টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ঝিনাইদহে ন্যায্য মূলে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

বাজার ভোগ্য পন্যের দাম নিয়ন্ত্রন রাখতে  গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমদিত টিসিবির ডিলার মেসার্স জয় এন্টাপ্রাইজের মালিক ওয়াজেদ আলী জানান সরকার নির্ধারীত ন্যায্য মূল্যে শুরু হয়েছে টিসিবির পণ্য-সামগ্রী বিক্রি। প্রতিদিন শহরের পায়রা চত্বর, পোষ্ট অফিস মোড়, পুরাতন ডিসি কোট এলাকাসহ গুরুত্ব পূর্ন স্থানে  মশুর ডাল, চিনি, ও সয়াবিন তেল বিক্রি করা হচ্ছে। টিসিবির এ পণ্য-সামগ্রী বিক্রি চলমান থাকবে বলেও তিনি আরো জানান।

ঝিনাইদহে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ইসলামের প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশ বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে রোববার দুপুরে নিজস্ব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা  ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক, মোঃ আব্দুল হামিদ খানের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মোঃ আব্দুল্লা আল মামুন, ভুটিয়ারগাতী আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবু বকর ছিদ্দীক। সভায় অতিথিবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীনতার পর ইসলামের খেদমতে  যে কাজগুলো করেছেন তা হলো- ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা, হজ্ব পালনের জন্য সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা, সমুদ্র পথে হজ যাত্রীদের স্বল্প টাকায় হজ করার জন্য জাহাজ ক্রয়, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পূণর্গঠন, বেতার ও টিভিতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত প্রচার, মদ, জুয়া, হাউজি, অসামাজিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ এবং শাস্তির বিধান, ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা নিষিদ্ধকরণ এবং বিশ্ব এজতেমার জন্য টঙ্গীতে সরকারি জায়গা বরাদ্দ ইত্যাদি। বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে ১৯টি বিভাগ, ৮টি বিভাগীয় ও ৬৪টি জেলা কার্যালয় এবং ৬টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ অন্যতম প্রকল্প যা বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রকল্প। এ ছাড়াও মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে প্রায় ৭০ হাজার মসজিদে এ শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা যাত্রীসেবা  গ্রামবাংলা মালিক সমিতির উদ্যোগে ড্রাম স্থাপন ও হ্যান্ডওয়াশ বিতরণ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

“বার বার হাত মুখ ধৌত করুন করোনা থেকে মুক্ত থাকুন” এই শ্লোগানে ঝিনাইদহ জেলা যাত্রীসেবা  গ্রামবাংলা মালিক সমিতির উদ্যোগে ড্রাম স্থাপন ও হ্যান্ডওয়াশ বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই গ্রাম বাংলা স্ট্যান্ডে এ কাজের উদ্বোধন করেন   জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল হান্নান। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার আব্দুল মতিন, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা ডাক্তার রতন কুমার ও খন্দকার আব্দুল মোমেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাগলাকানাই গ্রামবাংলা স্ট্যান্ডে ড্রাম স্থাপন ও দুই শতাধিক যাত্রীদের মাঝে হ্যান্ড ওয়াাশ বিতরণ করা হয়।

ফকিরহাটে কোচিং শিক্ষককে ২০হাজার টাকা জরিমানা

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুরে সরকারী নিয়ম নীতিমালা অমান্য করে কোচিং সেন্টার খুলে রাখার অভিযোগে কোচিং শিক্ষক স্বপন কুমার দেবনাথকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার সকালে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি দল গোপন সংবাদের উপর ভিত্তি করে লখপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোচিং সেন্টার খুলে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাঁকে এই জরিমানা প্রদান করেন। জরিমানা প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রহিমা সুলতানা বুশরা। অভিযানকালে ভ্রাম্যমান আদালতের পেশকার রুস্তুম শেখ সহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন। এদিকে স্থানীয়রা বলেছেন সরকারী নিয়ম নীতিমালা অমান্য করে এক শ্রেণীর শিক্ষকরা সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল প্রদর্শন করে সারা বছর কোচিং ব্যাবসায় লিপ্ত রয়েছে। অভিযানের খবর পেয়ে তারাও এখন গাঁ ঢাকা দিয়েছেন(পিকেএ)।

৩৩ নং ওয়ার্ড আ’লীগের  উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনাতামূলক লিফলেট বিরতণ

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে গতকাল রবিবার দিনব্যাপী ফুলবাড়ীগেট, খানাবাড়ী, ল্যাবরেটরি মোড় এবং তেলিগাতী এলাকায় মহানগর আওয়ামীলীগের করোনা ভাইরাস(কোভিড-১৯) সংক্রামনের ঝুকি রোধে করণীয় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন দোকানপাটে, পথচারী এবং বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীদের মাঝে প্রচার লিফলেট বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউসুফ আলী খলিফা, সাধারণ সম্পাদক মোড়ল হাবিবুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, গোলাম রসুল, ইঞ্জি. আশিকুর রহমান, হাবিবুর রহমান, রফিক, সরদার, শহিদুল ইসলাম, মাসুম খন্দকার, মো. শফিউদ্দিন শফি, মেম্বর কাজী শহিদুল ইসলাম পিটো, হানিফ শেখ, সিদ্দিকুর রহমান, মুনছুর, জিয়াদুল ইসলাম, ইঞ্জি. মোড়ল সাইদুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত ৬৯০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘন্টায় বিদেশ ফেরত আরো নতুন ২৯১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এনিয়ে গত ৭ দিনে বিদেশ ফেরত সাতক্ষীরার ৬৯০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল আইসোলেশানে রয়েছেন এক জন। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ৫৫ জন, আশাশুনি উপজেলায় ৪৬ জন, দেবহাটা উপজেলায় ২৫ জন, কালিগঞ্জ উপজেলায় ১২৪  জন, কলারোয়া উপজেলায় ২৪৪ জন, শ্যামনগর উপজেলায় ১০২ জন ও তালা উপজেলায় ৯৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। তবে, বিদেশ থেকে আগত লোকের সংখ্যা গত ১ মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত ৯ হাজার ৩২৪ জন। এর মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনের বাইরে রয়েছে ৮ হাজার ৬ শ’ ৩৩ জন। তবে, সাতক্ষীরা জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রন কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে আসা সকল প্রবাসীদেরকে ইতিমধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

এদিকে, সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশে আটকে থাকা পাসপোর্ট যাত্রীর আসা-যাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে। যদিও দু দেশেই নতুন করে কোন পাসপোর্ট যাত্রীকে প্রবেশাধিকার না থাকায় যাত্রী সংখ্যা অনেক কমে গেছে।

ফকিরহাটের বেতাগায় উপকার ভোগী বাছাই কমিটির সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বয়স্ক বিধবা স্বামী পরিত্যাক্তা প্রতিবন্ধি (উপকারভোগী) বাছাই কমিটির সভা গতকাল রবিবার সকাল ১১টায় পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস আলী শেখ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ট ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন উন্নয়ন সহযোগী ও কমিটির সদস্য আনন্দ কুমার দাশ, সিআইজি ফোরামের সাধারন সম্পাদক মোঃ নাজমুল হুদার, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন, কমিটির সদস্য যথাক্রমে মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ, সুভা রানী বিশ^াস, মোছাঃ নাসিমা বেগম, মোছাঃ নিলুফার ইয়ামীন, হোসনেয়ারা বেগম, কামরুন্নাহার নীপা, রাফেজা বেগম, আসাদুজ্জামান তুহিন, মোঃ জামাল উদ্দিন ফকির, নির্মলেন্দু দেবনাথ, অসিত কুমার দাশ, পুষ্পল দেবনাথ, অজয় বিশ^াস, ফোরকান শিকারী ও ইউপি সচিব এসএম দাউদ আলী প্রমুখ। সভা শেষে আবেদন কারীদের মধ্য হতে স্বচ্ছতা স্বরুপ একটি তালিকা করা হয়(পিকেএ)।

পি-৩/২

সাধারণ মানুষ ক্রয় করতে হিমশিম বাগেরহাটে ক্যাফে কার্যক্রম বন্ধ রেখে সেচ্ছাশ্রমে মাস্ক তৈরি

মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট

বিভিন্ন দূর্যোগ ও জরুরী অবস্থায় দেশের ব্যবসায়ীরা পন্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধিতে ব্যস্ত থাকে। বর্তমান সময়ের সব থেকে ভয়ঙ্কর সংকট নোভেল করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়েও নিজেদের পকেট ভারী করায় ব্যস্ত অনেক ব্যবসায়ী। ১০ টাকার মাস্ক ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ১‘শ-২‘শ টাকাও বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। সেই মূহুর্তে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি করে স্বল্প মূল্যে বাজার জাত করছেন বাগেরহাটে ভূমি বুক ক্যাফে’ সিটি ল্যাব যৌথ ভাবে। আর এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাগেরহাটের সুশীল সমাজসহ সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার বিকেল থেকে বাগেরহাট প্রেসকাব ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ভূমি বুক ক্যাফে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখে মাস্ক তৈরি শুরু করে। ইতোমধ্যে তারা ৩ হাজার মাস্ক তৈরি করেছে। তারা মোট ১৫ হাজার মাস্ক তৈরি করবেন। আমরা সাড়ে সাত টাকা দরে একটি মাস্ক বিক্রি করছি। এত কম দামে মাস্ক পেয়ে ক্রয় করছেনও অনেকে। এই মূল্যে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি মাস্ক ক্রয় করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। নিজেদের তৈরিকৃত মাস্ক ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভূমি বুক ক্যাফে‘র কর্মকর্তা মীর জায়েসী আশরাফি জেমস বলেন, কোন প্রকার জনসমাগম এড়াতে আমরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি। বাজারে বেশি দামে মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে হতদরিদ্র ও সাধারণ মানুষ মাস্ক ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে। তাই ভুমি বুক ক্যাফে ও সিটি ল্যাবের কর্মীরা মিলে স্বেচ্ছা শ্রমে মাস্ক তৈরি করে সরঞ্জামের মূল্য হিসেবে মাত্র সাড়ে সাত টাকায় বিক্রি করছি। একজন ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে একসাথে ৫টি মাস্ক ক্রয় করতে পারবেন। মুঠোফোনে অর্ডার দিয়েও মাস্ক সংগ্রহ করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

শরণখোলায় খালে ডুবে যাওয়ার শিশুকে মৃত উদ্ধার করে ডুবুরী দল

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায়  মায়ের সাথে নানা বাড়িতে বেড়ানো হলোনা তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র সজীব হোসেনের। সজীব শনিবার দুপুর  দিকে বড় ভাই সিয়ামুলের সাথে নানা বাড়ির পাশের খালে গোসল করতে নেমে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। সাতার না জানা সজীব  একটি কলা গাছের ভেলা ধরে বাচার চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়। এসময় সজীবের বর ভাই সিয়ামুল (১৫) এবং অপর শিশু আবীর ছোট একটি নৌকায় খেলছিলো। তারা কিছু সময় পর সজীবকে দেখতে না পেয়ে খোজাখুজি করে এবং বাড়ির লোকজনকে খবর দেয়। খোজ করে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের স্টাফরা ছুটে আসে। এক সময় তারাও ব্যর্থ হলে খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দলকে খবর দেয়া হলে তারা এদিন বিকেল ৫ টার দিকে মধ্য খাল থেকে শিশু সজীবের মৃত দেহ উদ্ধার করেন। সজীবের বাবা সিদ্দিকুর রহমান খুলনার একটি মসজিদে ইমামতি করেন।   করোনার কারনে ছুটি পেয়ে গত ২০ মার্চ উপজেলার পূর্ব খোন্তাকাটা গ্রামে নানা সুলতান সিকদারের বাড়িতে বেড়াতে আসে সজীব। সজীবের পারিবারিক সূত্রে এ তথ্য জানাযায়।   ঘঠনায় এলাকায় শোকের ছায়া নামে।

পি-৩/৩

করোনা : মণিরামপুরে অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার

আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর

যশোরের মণিরামপুরে হঠাৎ করেই নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। বিশেষ করে চাল, আলু, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অস্বাভাবিকভাবে। কোন কারণ ছাড়াই কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। ফলে ভোগান্তি বেড়েছে নিন্ম ও মধ্যম আয়ের মানুষের।

গত এক সপ্তাহে চালের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ৪০০-৫০০ টাকা। রোববার (২২ মার্চ) সরেজমিন মণিরামপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মোটা চাল কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৮ টাকা। চেকন ব্রি-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৬-৩৭ টাকা এবং মিনিকেট চাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা, যা আগে ছিল ৪০-৪২ টাকা। দেশি পেয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৫-৩০ টাকা। রসুন কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা কেজিতে। আর আলুতে কেজিপ্রতি চার টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮-২০ টাকা। একইসাথে মুদি দোকানিদের প্রতিটি পণ্য আগের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মণিরামপুর চাল বাজারের খুচরা বিক্রেতা মফিজুর রহমান বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় চাল সরবরাহের সংকট রয়েছে। বড় মোকামগুলোতো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চাল মজুত করা হচ্ছে। করোনার জন্য ইন্ডিয়ান এলসি চাল বাজারে আসছে না। এছাড়া হঠাৎ করে লোকজন বেশি পরিমান চাল কিনছেন। এসব কারণে চালের দাম বেড়েছে। আমরা দাম বাড়াচ্ছি না। যেমন কিনছি, তেমন বিক্রি করছি। নতুন ধান না ওঠা পর্যন্ত চালের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা এই ব্যবসায়ীর।

কাঁচা বাজারের পাইকারী বিক্রেতা আকতার হোসেন বলেন, শনিবারের তুলনায় আজকে (রোববার) রসুন ও পেয়াজের দাম কেজিতে দশ টাকা কমেছে। আজ পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে, ৪০-৪৫ টাকা কেজি এবং রসুন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৯০ টাকা।

এদিকে বাজার দর নিয়ন্ত্রনে রাখতে শনিবার (২১মার্চ) মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম বাজার পরিদর্শন করেছেন। দ্রব্যমূল্য স্থির রাখতে এবং প্রতিষ্ঠানে দ্রব্যমূল্যের তালিকা টানানোর জন্য ব্যবসায়ীদের তিনি পরামর্শ দিলেও তা মানছেন না ব্যবসায়ীরা। রোববার (২২মার্চ) সরেজমিন বাজার ঘুরে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দ্রব্যমূল্যের তালিকা ঝুলতে দেখা যায়নি।

বাজারের বড় মুদি ব্যবসায়ী প্রতাপকু-ু বলেন, করোনার জন্য চাহিদার তুলনায় বাজারে দ্রব্যের সংকট দেখা দিয়েছে। তাই জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য টানানোর ব্যাপারে তিনি বলেন, তালিকা প্রস্তুত করেছি। আজকে টানিয়ে দেব।

জানতে চাইলে মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম বলেন, শনিবার বাজার পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেছি। কোনভাবে যেন জিনিসপত্রের দাম না বাড়ে সেজন্য তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। তাছাড়া প্রতি দোকানিকে দ্রব্যমূল্যের তালিকা টানিয়ে নিত্য আপডেট করতে বলা হয়েছে। আবারও বাজার পরিদর্শনে গেলে যদি কোন দোকানে দ্রব্যমূল্যের তালিকা ঝুলানো পাওয়া না যায় তাহলে সেই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোড়েলগঞ্জে চায়ের দোকানে টেলিভিশন বন্ধের নির্দেশ, ভ্রাম্যমান আদালতে দন্ড

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমন এড়াতে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সকল প্রতিষ্ঠানের বায়োমেট্রিক হাজিরা বন্ধ ও হোটেল, রেষ্টুরেন্ট, ছোট ছোট চায়ের দোকান থেকে কেরামবোট ও টেলিভিশন সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২ রেষ্টেুরেন্টে ২০ হাজার টাকা জরিমানা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকমতা মো. কামরুজ্জামান রবিবার বেলা ১২ টায় এ নির্দেশ দেন। নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘুরে ঘুরে এ নির্দেশনা জারি করেন। তারা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা করেন। বিনা প্রয়োজনে চায়ের দোকান, বাজার বা রাস্তঘাটে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এ কর্মকর্তারা। এ সময় তারা কয়েকজন বিদেশ ফেরত যুবকের খোজ-খবর নেন এবং কয়েকটি দোকান থেকে টেলিভিশন ও কেরামবোট অপসারণ করেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, চায়ের দোকানে ভিড় কমাতে টিভি ও কেরাম অপসারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। মোড়েলগঞ্জে গত ৭ দিনে বিদেশ ফেরত ৫৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের কারো অবস্থাই খারাপ হয়নি বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি জানিয়েছেন। এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রির অভিযোগে দুই মিষ্টির দোকানিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান। মোড়েলগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম। ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযুক্ত দোকানিরা হলো বাবুল ও জলিল রেস্টুরেন্ট।

প্রচারাভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, করোনা ভাইরাস বিষয়ে তথ্য জানতে এবং আক্রান্ত রোগীকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য হটলাইন খোলা হয়েছে এবং দেশের বাহির থেকে কেই আসলেই তাকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এ্যাওর্য়াড পেলেন কয়রার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন

কয়রা প্রতিনিধি

সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় কয়রার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল খায়ের মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিনকে ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এ্যাওর্য়াড-২০২০ প্রদান করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ইকোনোমিক রিপোর্টাস মিলনায়তনে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃত স্বরুপ তাকে এ্যাওর্য়াড প্রদান করেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ আলম চুন্ন ও সংগঠনের মহাসচিব এম এইচ,আরমান চেীধুরী। আবুল খায়ের মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এ্যাওর্য়াড-২০২০ পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কয়রায় করোনা ভাইরাসের সচেতনতায় ছাত্রলীগের লিফলেট বিতরন

কয়রা প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের সচেতনতায় কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে লিপলেট বিতরন করা হয়েছে। গতকাল রবিবার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কয়রা  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ এই সচেতনতামূলক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ের উপর লিফলেট বিতরন করেন। এই সময় তারা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে মুখে মাস্ক ব্যবহার করা, ময়লা হাত দিয়ে চোখ মুখ স্পর্শ না করা, বার বার হাত পরিষ্কার করাসহ কেউ যদি করোনা ঝুঁকির সন্দেহে থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের  ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মাসুদ রানা, জেলা সদস্য মওদুদ আহম্মেদ মিলন, ছাত্রলীগ নেতা রাজিবুল ইসলাম রাজু, রিজভী, বেলাল আহম্মেদ বিল্লু, আমিনুর রহমান রাজা, মেহেদী হাসান, সেলিম হোসেন, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

কয়রার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নে গ্রাম আদালতে মামলা নিষ্পত্তি

কয়রা প্রতিনিধি

কয়রা উপজেলার ৩নং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মামলা নিষ্পত্তি ও শুননী করা হয়েছে। জানা গেছে কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গ্রামে আদালতে সাধারন মানুষ সুফোল পাচ্ছে। গত ১ মার্চ ৪/২০ নং-মামলার শুনানী গ্রহন করা হয়। এ ছাড়া গত ১২ মার্চ ১৫/২০ মামলা প্রাক বিচারে নিষ্পত্তি করা হয়। একই তারিখ ১৭/২০ মামলা বিধি ৩১ এ শুনানীতে নিষ্পত্তি করা হয়। আদালত পরিচালনা করেন  গ্রাম আদালতের বিচারক ইউপি চেয়ারম্যান বিজয় কুমার সরদার। সহযোগিতা করেন গ্রাম আদালতের সহকারি সুরাইয়া খাতুন।

কয়রায় বাজার মনিটরিং কার্যত্রম অব্যাহত

কয়রা প্রতিনিধি

কয়রা উপজেলা প্রশসানের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং কার্যত্রম অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রবিবার দব্যমুল্য বেশি দরে বিক্রি করার অপরাধে ও ওজনে কম দেওয়ায় উপজেলার আমাদী বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।  উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ নুর-ই আলম ছিদ্দিকী অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন। এ সময় পেশকার আনিসুজ্জামান সহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লবণচরা সার্বজনীন পূজা মন্দিরের হরিনাম সংকীর্তন স্থগিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনারভাইরাসের কারনে লবণচরা সার্বজনীন পূজা মন্দিরের হরিনাম সংকীর্তন স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৯ ও ৩০ মার্চ দু’দিন ব্যাপী তারক ব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন হওয়ার কথা ছিল। সরকারি নির্দেশে স্থাগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক দিন ও তারিখ ঘোষনা করা হবে। মন্দির কমিটির সভাপতি ডা. শেখর চন্দ্র পাল ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ দাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক এই কর্মসূচি বন্ধ ঘোষনা করা হলো।

পি-৩/২

মেম্বরের ভাইঝির বিয়েতে ৫০০ লোক সমাগম, আদালত দেখে পালালো সবাই

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুরে কোয়ারেন্টাইন ভেঙে বিয়েতে ৫০০ লোক সমাগমের অভিযোগ উঠেছে কনে পক্ষের বিরুদ্ধে। রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে কনের বাড়িতে চলছিল খাওয়ার আয়োজন। পরে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দেখে পালিয়ে গেছেন বর-কনে। প্লেটের খাবার রেখে পালিয়েছেন অতিথিরাও।

চন্ডিপুর গ্রামের মোশারেফ হোসেনের মেয়ে বেলির বিয়েতে এই আয়োজন করেন। তাতে মদদ দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান। মাহাবুর সম্পর্কে কনের আপন চাচা।

ঝাঁপা গ্রামের বেসরকারি চাকরিজীবী জনৈক আশিকুর রহমানের সাথে কয়েকদিন আগে বিয়ে হয় বেলির। রোববার ছিলো কনে বিদায় দেওয়ার আয়োজন।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিয়ের আয়োজন করা নিষেধ। যদিও করতে হয় তাহলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি লাগে। কিন্তু কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই দাওয়াত দিয়ে ৫০০ লোক সমাগম করেন কনের পিতা। বরপক্ষ ৮-১০টি মাইক্রোবাস নিয়ে অনুষ্ঠানে হাজির হন। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান পুলিশ নিয়ে বিকেল তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে হাজির হন। আদালত দেখে বর-কনে,অতিথি এবং কনের স্বজনরা পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্জ সহকারী সার্ভেয়ার আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর পক্ষের অতিথি সাহাবুর রহমান বলেন, আমরা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে রওয়ানা হই। পথিমধ্যে খবর পাই অনুষ্ঠানে পুলিশ উপস্থিত হয়েছে। তখন বাড়ি ফিরে যাই।

তবে নিজে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেম্বর মাহাবুর রহমান। তিনি বলেন, আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। মেয়ে তুলে দেওয়ার জন্য ছোট করে আয়োজন চলছিল। এলাকার কেউ শত্রুতা করে ম্যাজিস্ট্রেট খবর দিয়েছে। আমার সাথে ভাইয়ের রাগারাগি। আমি অনুষ্ঠানে যাইনি।

এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসান বলেন, কোয়ারেন্টাইন ভেঙে চন্ডিপুর গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিলো। অনুষ্ঠানে ৫০০ লোক সমাগমের খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়। আমাদের দেখে বর-কনেসহ সবাই পালিয়ে যায়। কাউকে পাওয়া যায়নি। মেম্বর মাহাবুরের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিকাশের মাধ্যমে প্ররণার মূল হোতাসহ আন্তঃজেলা প্রতারকচক্রের ০৪ সদস্য আটক

যশোর অফিস

পিবিআই যশোর জেলা একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে বিকাশের মাধ্যমে প্রতারকচক্রের মূল হোতা মোঃ সাদমান আকিব হৃদয় (২০), পিং-সৈয়দ বিশ^াস, সাং-পারপলিতা, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরা, অন্যতম সহযোগী মোঃ সোহেল (২০), পিং-আব্দুল খালেক মোলা, সাং-ডহরসিংড়া, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরা, মোঃ অপু মোলা (১৯), পিং-মোঃ তরিকুজ্জামান, সাং- ডহরসিংড়া, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরা, মোঃ মনিরুল ইসলাম (২৬), পিং-আঃ জলিল মিয়া, সাং-সত্যবানপুর, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। উলেখ্য যে, জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এবং বিভিন্ন টেলিভিশন মাধ্যমে প্রচারিত বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণা খবর প্রাপ্তির পর হতেই উক্ত প্রতারণার সহিত জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করণের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকে এবং প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। প্রতারিত ব্যক্তিদের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে প্রতারণার কৌশল এবং ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের দেয়া বক্তব্যের মধ্যে মিল পাওয়া যায়। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক অনুসন্ধানের পর্যায়ে জড়িত অপরাধীদের সনাক্ত করতে সমর্থ্য হয়। পিবিআই, যশোর জেলার একাধিক অফিসারের সমন্বয়ে গঠিত আভিযানিক দল বিগত ০১ মাস যাবৎ তথ্য সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণপূর্বক ঘটনার সহিত সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্তপূর্বক আটক করে। উক্ত প্রতারণামূলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত ১২ (বার)টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন অপারেটরের সিম ২১(একুশ)টি টার্গেটকৃত ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বরের রেজিষ্টার, টাকা উত্তোলনের রেজিষ্টার এবং নগদ ২,৫০০/- (পঁচিশশত) টাকা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং অভিযুক্ত আটককৃতদের প্রতারণা কাজে নিজেদের ব্যক্তিগত ভূমিকা বর্ণনা করেন। প্রথমে মাঠ পর্যায়ের অভিযুক্তরা বিভিন্ন বিকাশের দোকান হতে তাদের হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে দোকানের বিকাশের রেজিষ্টারের পাতার কৌশলে ছবি তুলে নেয়। তারপর ছবিগুলো দ্বিতীয়ধাপের প্রতারকের কাছে পাঠায়। তারা বিকাশের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে কৌশলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের বিকাশ এ্যাকাউন্ডের ভেরিফিকেশন কোড ও পিন কোড সংগ্রহ করে এবং বিকাশ এ্যাপসের মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দেয়। সর্বশেষ তৃতীয় ধাপে প্রতারকরা বিকাশের দোকানদারের মাধ্যমে উক্ত টাকা উত্তোলন করেন এবং সরাসরি দোকানদার প্রতারণার কাজে সহযোগিতা করেন। প্রতারণার কাজে মাগুরা, নড়াইল, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, রাজশাহী ও যশোর জেলার  অধিকাংশ প্রতারক জড়িত। প্রতারণার সহিত জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত আছে। বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত একাধিক অপারেটরের মোবাইল সিম উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে অধিকাংশ প্রতারণার কাজে উলেখিত সিম নম্বর ০১৩১৬-৩৩৩৬৪৪, ০১৭৯৬-৩৫১৬৮০, ০১৯০৫-৫৩০৫২৫, ০১৮৯৩-৭০৫৯২৫, ০১৭১৪-৬৪৩৬৫৬, ০১৮৪০-৭৪৪৬৪৬ ব্যবহার করেছে। আটককৃতদের যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

যশোর দুপুরে লকডাউন বিকালে প্রত্যাহার

যশোর অফিস

যশোরকে লকডাউন করা হয়নি। লকডাউনের যে কথা প্রচারিত হচ্ছে, তা ¯্রফে গুজব। এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যাতে যশোরকে লকডাউন করতে হবে। রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই কথা পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে দুপুরের দিকে যশোর পৌরসভার মেয়র তার কার্যালয়ে বৈঠকে বসেছিলেন বড়বাজারকেন্দ্রিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহের সমিতিগুলোর নেতাদের সঙ্গে। সেখানে গৃহিত একটি সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ‘যশোর লকডাউন করা হয়েছে’ বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে।

এমন প্রেক্ষাপটে বিকেল চারটায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে একটি বিশেষ সভা ডাকেন; যেখানে পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টুও উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলের সভায় ব্যবসায়ী নেতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। বলা হয়, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে মূলত মানুষের মাধ্যমে। সেই কারণে যেসব এলাকায় জনসমাগম বেশি, সেখান থেকে করোনা ছড়ানোর আশঙ্কাও বেশি। যশোরে বড়বাজারই হলো সবচেয়ে জনসমাগমের স্থান। এই স্থানে কীভাবে জনসমাগম কমানো যায়, তা ভাবতে হবে।

সভায় জানানো হয়, যশোরে করোনা পরিস্থিতি এখনো বেশ ভালো। এখনো পর্যন্ত এই জেলায় কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হননি। তা সত্ত্বেও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নানা ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেমন যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ বন্ধ রয়েছে। কমিউনিটি হল, পৌরপার্কও বন্ধ করা হয়েছে।

সভায় ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে প্রায় সবাই কয়েকদিনের জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা বলেন। তাদের যুক্তি হলো, আগে নিজে বাঁচতে হবে, মানুষের জীবন রক্ষা করতে হবে। বেঁচে থাকলে ব্যবসা হবে। তবে কাঁচাবাজার, ফার্মেসি, মুদি দোকানের মতো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার পক্ষে মত দেন সবাই।

ব্যবসায়ীদের কোনো কোনো নেতা গোটা যশোর জেলায় একই পদ্ধতি অবলম্বনের আহ্বান জানান।

সভায় প্যানিক সৃষ্টির মাধ্যমে নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। আলোচনা হয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে গরিব যাতে শ্রমিক-কর্মচারীরা বিপাকে না পড়েন, সেই বিষয়েও।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, যশোরের সব দোকানপাট, কাঁচাবাজার খোলা, গণপরিবহন চালু থাকবে। তবে বিপুল জনসমাগমস্থল বড়বাজারের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম হবে। ওই এলাকার যেসব প্রতিষ্ঠান সর্বক্ষণ খোলা রাখা জরুরি নয়, তেমন দোকানপাট দিনের কিছু সময় করে বন্ধ রাখা হবে। কোন ধরনের দোকান কতসময় বন্ধ থাকবে, তা নির্ধারণ করবে ব্যবসায়ী সমিতিগুলো।

সভায় পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের অন্যতম ‘ভ্যাকসিন’ হচ্ছে সচেতনতা। ব্যক্তিপর্যায়ে সবাই সচেতন হলে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। তাই সবাইকে সচেতন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন থাকার পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশও পরিস্কার রাখতে হবে।

বিনাকারণে বাড়ি থেকে না বেরুনোর জন্য তিনি যশোরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

যমতে শুরু করেছে যশোরের রূপদিয়ার তরমুজের পাইকারী হাট

যশোর অফিস

প্রতি বছরের শুরুতেই যশোর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রূপদিয়া বাজারে জমে উঠেছে মৌসুমী ফল তরমুজের পাইকারি হাট। প্রত্যাহ কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পাইকার ও খুচরা বেচাকেনায় ব্যাস্ত সময় পার করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতা।

বৃহত্তর যশোর জেলা শহরের নিকটবর্তী সুন্দর পরিবেশ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় কারনে দুরদূরান্ত থেকে তারা মৌসুমের পয়লা থেকে বাজারে ব্যবসা জমাতে আসেন।

রূপদিয়া বাসীর ভাষ্য মতে, বছরের মৌসুমী ফল তরমুজ, বাঙ্গি, আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল-ফলাদি ওঠার আগ মুহুর্তে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপারীরা এবাজারে এসে দোকান ঘর, গোডাউন এমনকি খালি যায়গাও চুক্তিতে ভাড়া করে অস্থায়ীভাবে আড়ৎ স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বহু বছর ধরে।

বছরের শুরু থেকেই রসালো ফল তরমুজের চালান আসতে শুরু করেছে গাড়িকে গাড়ি। প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও রূপদিয়া বাজারের এক অংশ নিয়ে ফল ব্যবসায়ীরা প্রাইকেরী দরের আড়ৎ স্থাপন করে বেচাবিক্রি শুরু করেছে।

এবিষয়ে রূপদিয়া হাট মালিক ও তরমুজ ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন বলেন, বর্তমানে দক্ষিণঞ্চলের ভোলা জেলার রাঙাবালী, কুরালিয়া, পানপুরি, পৈক্কা থেকে প্রতিদিন কয়েক গাড়ি তরমুজ রূপদিয়ার এবাজারে আসলেও বেশীর ভাগ আসে কুয়াকাটা থেকে।

এখানে আনার সাথে-সাথে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা ক্রয় করে যশোর সহ বিভিন্ন জেলার বাজার-ঘাটে পৌচ্ছে যায় হাত বদল হয়ে ব্যাপারীদের মাধ্যমে তারা জানান, ভরা মৌসুম থেকে শুধুমাত্র এই বাজারটিতে গড়ে প্রতিদিন ৮-১০ গাড়ি করে তরমুজ আমদানী-রফতানী হয়। বড় আকৃতি ১শ’ পিচ তরমুজ ১৬-২০ হাজার টাকা, ৫ কেজি ওজনের ১শ’ পিচ ১০-১২ হাজার টাকা ও তার নিচের ওজনের গুলো ৫-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত পাইকারি দারে বিক্রয় করছেন ব্যাপারীরা। যশোর অঞ্চলে সাধারণত বাংলালিং ও কালো জাতের তরমুজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এবছরের শুরু থেকে মহামারী করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে ব্যবসার বেশ সমস্য হচ্ছে। যে কারনে গতবারের চেয়ে এবার একটু বেশি দামে তরমুজ ক্রয় করতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি এক নাগাড়ে ৪ মাস অর্থাৎ জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ পর্যন্ত এই তরমুজের বেচাকেনা চলবে।

যশোরে গর্জে ওঠো’র সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

যশোর অফিস

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যশোরে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে সামাজিক সংগঠন ‘গর্জে ওঠো’। রবিবার সাকল থেকে সন্ধা পর্যন্ত শহরের গুরুত্বপুর্ণ সড়কে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে সংগঠনের সদস্যরা। সচেতনতা মূলক এ ক্যাম্পেইনের সার্বিক সহযোগীতা করে সিটি প্লাজা যশোর। এসময় উপন্থিত ছিলেন, সিটি প্লাজার এজিএম জাহাঙ্গীর কবির, এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার বজলুর রহমান, গর্জে ওঠো’র সভাপতি কামাল মুস্তাফা, সাধারণ সম্পাদক বোরহান ইউসুফ, অর্থ সম্পাদক মেহেদী হাসান মমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক তন্ময় দত্ত, সমাজসেবা সম্পাদক মুসুদ রানা ও সুমাইয়া উস্মি, ক্রীড়া ও স্বাস্থ সম্পাদক রায়হান আবির ও ইসতিয়াক আবির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানভির আহমেদ, সদস্য মোতাসিম বিল্লাহ, নাবিল প্রমুখ।

যুব ইউনিয়নের উদ্যোগে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাত ধোয়া কর্মসূচি পালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বার বার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে রবিবার দ্বিতীয়দিন হাত ধোয়া কর্মসূচি পালিত হয়। আজ রবিবার সকাল থেকে নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচি চলাকালে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, খুলনা মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, নিতাই পাল, খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, যুব ইউনিয়ন নেতা তুষার বর্মণ, আফজাল হোসেন রাজু, ডাঃ গৌরাঙ্গ সমাদ্দার, শেখ রাজিব, মোঃ জহুরুল ইসলাম বিপ্লব, সুভাষ পাল, শাহ্ ওয়াহিদুজ্জামান জাহাঙ্গীর প্রমুখ। এ সময়ে স্বতস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ হাত ধৌত করেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ সকলকে ২০ মিনিট পর পর সাবান বা জীবানু নাশক দ্রব্য দ্বারা ন্যূনতম ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে এবং অন্যদেরকে উৎসাহিত করতে ও অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

সিপিবি’র ২৭নং ওয়ার্ডে করোনা সচেতনতায় প্রচারপত্র বিলি

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিÑসিপিবি খুলনা মহানগরীর ২৭নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে রবিবার সন্ধ্যায় দোলখোলা, ইসলামপুর রোড, বাগমারা রোড, মিস্ত্রীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিলি করা হয়। এ সময়ে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑদলের মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা এ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী, নিতাই পাল, কিংশুক রায়, মহেন্দ্রনাথ সেন, সাইদুর রহমান বাবু, যুব ইউনিয়ন নেতা আফজাল হোসেন রাজু প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ করোনা সম্পর্কে গুজবে কান না দিয়ে, আতঙ্কিত না হয়ে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজেকে নিরাপদ রাখা এবং অন্যকে নিরাপদ রাখার আহ্বান জানান।

ঝাউডাঙ্গায় আওয়ামীলীগের করোনা ভাইরাস সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সচেতনতায় করণীয় সম্পর্কে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ঝাউডাঙ্গা বাজারের বিভিন্ন দোকান দোকানে ও পথচারীদের মাঝে এ লিফলেট বিতরণ করা হয়ে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অমরেন্দ্রনাথ ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক আশরাফুল ইসলাম বাবলু, মাষ্টার সেলিম হোসেন, যুবলীগ নেতা আব্দুর রশিদ, ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাবে সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, অর্থ সম্পাদক মোমিনুর রহমান সবুজ, দপ্তর সম্পাদক মিলন হোসেন, রাজু ঘোষ, যুবলীগনেতা নুরুজ্জামান খোকা, রবিউল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।

ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা জনসচেতনতায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। পাশাপাশি করোনা ভাইরাস নিয়ে আতষ্কিত না হয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।