খুলনার রূপসায় তিন কিলোমিটার সড়ক চলাচলের অযোগ্য

10
Spread the love

মো. মোস্তাফিজুর রহমান,রূপসা :

পুরো সড়ক জুড়ে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত। কোথাও ভেঙ্গে গিয়ে কিংবা ডেবে গিয়ে পাশের খালের সঙ্গে মিশে গেছে। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুর্ভোগের যেন অন্ত নেই এ অঞ্চলের খেঁটে খাওয়া কৃষক, দিনমজুর, কর্মজীবী ও স্কুল-কলেজ গামী শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষের।

এই চিত্র রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের  নতুনহাট বাজার থেকে তিলক কুদির বটতলা পর্যন্ত  প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কে। এই সড়ক দিয়ে উপজেলার তিলক, পাথরঘাটা, উপজেলা সদর,জাবুসা,ফকিরহাটসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। পাথরঘাটা এলাকায় ওয়াসার পানি শোধনাগর নির্মান হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল করায় সড়কের এ অবস্থায়। ব্যবসায়ী ফ ম আইয়ুব আলী বলেন,খারাপ রাস্তার কারণে যানবাহনের ভাড়া দ্বিগুণ দিতে হচ্ছে। যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও নষ্ট হচ্ছে। এতে করে সময় মতো শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হতে পারে না এ অঞ্চলের স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা।  পথ চলতে গিয়ে প্রতিদিনই কেউ না কেউ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। স্কুল ছাত্রী রাইসা আক্তার বলেন,রাস্তা দিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় পুরা শরীর ধুলা বালুতে ঢেকে যায়। তাছাড়া ঝুকির মধ্যে নিয়ে বাড়ি যেতে হয়। রাস্তাটি  মেরামত করা হলে আমরা নিরাপদে চলাচল করতে পারব। পিকআপ চালক আরমান জানান, এই রোডে অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়।  সড়কটি দিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।  কৃষক জাফর শেখ জানান, আমরা এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারি না, বৃষ্টির সময় হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা হয়। কোনো প্রকার যানবাহন এই রোড দিয়ে গেলে সামনে বালু ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না। বয়োবৃদ্ধ রাবেয়া বেগম বলেন, বয়সের ভারে এখন আর হাঁটতে পারি না। রাস্তাটি দিয়ে হাসপাতাতালে রোগী নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নেয়। যানবাহনে চলাচল করবো, তারও সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী এস. এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ওই রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।  বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।  দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তাটির সংস্কারের কাজ শুরু হবে।