মাঠে ময়দানের খবর

2
Spread the love

বাংলাদেশের রানের পাহাড়
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে ইনিংসটাকে আরও বড় করছেন মুশফিকুর রহিম। তার দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ের সঙ্গে ছিল লিটন দাসের দ্রুত গতির ব্যাটিং। তাতে রানের পাহাড় গড়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৫৪৪ রান। লিড দাঁড়িয়েছে ২৭৯ রান।
গতকাল সোমবার সকালে ব্যাট করতে নেমে প্রায় দুই সেশনের মতো টিকে ছিল মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম জুটি। তাদের ব্যাটে ভর করেই বড় স্কোরের মঞ্চটা তৈরি হয়েছে। ২২২ রানের এই জুটি ভেঙেছে চা পানের বিরতির ঘণ্টা খানেক আগে মুমিনুল হকের বিদায়ে। ১৩২ রানে ফিরেছেন অধিনায়ক। তিনি বিদায় নিয়েছেন এনডিলোভুকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে। এর পর মিঠুন কিছুণের জন্য সঙ্গী হন মুশফিকুর রহিমের। বামহাতি স্পিনার এনডিলোভুর স্পিনেই গ্লাভসবন্দী হয়েছেন তিনি। শুরুতে আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেন মিঠুন। সেখানেও সুসংবাদ মেলেনি। ১৭ রানে ফিরে যান তিনি। মুশফিক অবশ্য অপরপ্রান্ত আগলেই খেলছেন। সপ্তম সেঞ্চুরির পর ব্যাট করছেন ১৯২ রানে। তার ইনিংসে ভর করে লিড আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের। লিটন ব্যাট চালিয়ে পঞ্চম হাফসেঞ্চুরি তুলে বিদায় নিয়েছেন সিকান্দার রাজার বলে গ্লাভসবন্দী হয়ে। লিটনের ৯৫ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার।
এর আগে প্রথম সেশনটি ছিল বাংলাদেশের। সকাল থেকে জিম্বাবুয়ের বোলারদের শাসন করেছেন মুশফিক-মুমিনুল। এদের মধ্যে অনেক দিন ধরে বড় ইনিংসের দেখা পাচ্ছিলেন না মুমিনুল। এমনকি অধিনায়ক হওয়ার পরেও। জিম্বাবুয়ের বিপে একমাত্র টেস্টে সেই আপে মিটিয়েছেন সেঞ্চুরি তুলে। বড় ইনিংস তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ৯৬ রানে ব্যাট করতে থাকা মুমিনুল সেঞ্চুরি তুলে নেন ৮৩তম ওভারে। তিরিপানোর বল বাউন্ডারিতে ঠেলে দিয়ে পূরণ করেন নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। এর আগেই স্বাগতিকরা লিড তুলে নেয় আধা ঘণ্টার মধ্যে। আগের দিন জিম্বাবুয়েকে প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রানে গুটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।

ভারতের কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু সালমাদের
ক্রীড়া প্রতিবেদক
টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট ভারতের বিপে ১৮ রানের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা ভারতীয় নারীরা তুলে নিল টানা দ্বিতীয় জয়।
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২০ এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে গতকাল সোমবার ভারতের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগ্রেস অধিনায়ক সালমা খাতুন। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে ভারতীয় দল। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান সংগ্রহ করতে পারেন সালমা-ফারজানারা।
ভারতের ছুড়ে দেওয়া ১৪৩ রানের জবাবে খেলতে নেমে মাত্র ৫ রান তুলতেই ওপেনার শামিমা সুলতানার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর সানজিদা খাতুনকে নিয়ে ৩৯ রান যোগ করে ধাক্কাটা কিছুটা সামাল দেন মুরশিদা খাতুন। কিন্তু দারুণ খেলতে থাকা মুরশিদা ইনিংস বড় করতে পারেননি। শিখা পান্ডের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ৩০ রান। সানজিদার বিদায়ের পর ফারজানা হকও (০) বিদায় নিলে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। ফাহিমা খাতুনকে নিয়ে এরপর অবশ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন নিগার সুলতানা (৩৫)। এই দুজনই ছিলেন শেষ ভরসা। কিন্তু ১৬ ও ১৭তম ওভারে অর্থাৎ পরপর দুই ওভারে দুজনেই বিদায় নিলে সেটারও ইতি ঘটে। বাকি সময়ে আরও ২ উইকেট হারানো ছাড়াও জেতার মতো ব্যাট করতে পারেননি আর কেউই। বল হাতে ভারতের পুনম যাদব ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন। ২টি করে উইকেট গেছে শিখা পান্ডে ও অরুন্ধতী রেড্ডি।
এর আগে শুরুতে বোলিং করতে নেমে দলীয় ১৬ রানেই ভারতীয় ওপেনার তানিয়া ভাটিয়াকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে বিদায় করেন সালমা। এরপর শেফালি ভার্মা আর জেমাইমা মিলে ৩৭ রানের জুটি গড়েন। ১৭ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কার ঝড়ে ৩৯ রান করে পান্না ঘোষের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন শেফালি। শেফালির পর ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কউরকে ৮ রানে বিদায় করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন পান্না।
ওদিকে রান আউটের শিকার হওয়ার আগে ৩৭ বলে ৩৪ রান করেন জেমাইমা। ভারত দলীয় ১১১ আর ১১৩ রানে আরও ২ উইকেট হারায়। এর মধ্যে রিচা ঘোষকে ফেরান সালমা। আর ১১ রান করা দীপ্তি শর্মা রান আউটের শিকার হন। তবে শেষদিকে ভেদা কৃষ্ণমূর্তির ১১ বলে ২০ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াকু সংগ্রহ পায় ভারত। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের শেফালি ভার্মা।

বঙ্গ্্্্্্বন্ধু টিÑ১০ গোল্ডকাপ এিকেট টুর্নামেন্ট
গতকাল সোমবার লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলে বঙ্গবন্ধু টি-১০ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২০ এর দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।টুর্নামেন্টের আয়োজক ও সভাপতি ছিলেন প্যানেল মেয়র ও ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আলী আকবার টিপু।ুদিনের প্্রথম খেলা ৬৯ এর মুজিব দল বনাম দেশ গঠনে মুজিব দলের মধ্যেু অনুষ্ঠিত হয়।খেলায় ৬৯ এর মুজিব দল ১৫ রানে জয় লাভ করে। বিজয়ী দলের সৈকত ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন।
দিনের দ্বিতীয় খেলায় শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী মুজিব দল বনাম কারাবন্দী মুজিব দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী মুজিব দল ১০৯ রানে জয় লাভ করে।বিজয়ী দলের তানজীত ম্যান আফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন।
আনুষ্ঠিত খেলা দুটিতে অতিথি হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শেখ জাবিদ হোসেন,এস এম সিপার হায়দার,নাজমুল হাসান,সাইদুর রহমান,ফজলে রাব্বী,কামরুজ্জামান,পলাশ,পল্টু,লিটন,চঞ্চল,বাপ্পী,আলমগীর প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

অধিনায়ক মুমিনুলের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার পর বড় ইনিংসের দেখা পাননি মুমিনুল হক। জিম্বাবুয়ের বিপে একমাত্র টেস্টে সেই আপে মিটিয়েছেন অবশেষে। বড় ইনিংস তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে।
৯৬ রানে ব্যাট করতে থাকা মুমিনুল সেঞ্চুরি তুলে নেন ৮৩তম ওভারে। তিরিপানোর বল বাউন্ডারিতে ঠেলে দিয়ে পূরণ করেন নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় দিন আধিপত্য বিস্তার করে তৃতীয় দিনও একই ধারা বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। লিড তুলে নেয় আধা ঘণ্টার মধ্যেই। দ্বিতীয় দিনের শেষ ভাগ থেকেই জুটি গড়ে এগিয়ে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। তৃতীয় দিন ২২তম টেস্ট হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিক। জুটি দাঁড়িয়েছে ১৫৬ রানে। মুশফিক ক্রিজে আছেন ৮৪ রানে, মুমিনুল হক ১১১ রানে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন সকালে জিম্বাবুয়েকে প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ। এরপর তিন জুটিতে স্বস্তিদায়ক অবস্থানে এখন স্বাগতিকরা।

মোহামেডানের দ্বিতীয় জয়
ক্রীড়া প্রতিবেদক
দীর্ঘ ব্যর্থতায় কান্ত মোহামেডান এবার ভালো করতে মরিয়া। ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে উত্তরণে ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর পণ। প্রিমিয়ার লিগেও মোহামেডান এগিয়ে চলেছে দুরন্ত গতিতে। গতকাল সোমবার তারা ২-১ গোলে হারিয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে। তৃতীয় ম্যাচে দ্বিতীয় জয়ে মোহামেডানের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে শেখ রাসেলের পয়েন্ট দুই।
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহামেডান। ‘মার্কার’ ইয়ামিন আহমেদ মুন্নাকে ফাঁকি দিয়ে গোল করেন স্ট্রাইকার সোলেমানে দিয়াবাতে। ৪৩ মিনিটে সমতা নিয়ে আসে শেখ রাসেল। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর ফ্রি-কিক এসে পড়েছিল বক্সের মধ্যে। জটলার মধ্যে থেকে জাল খুঁজে নেন ফরোয়ার্ড পেদ্রো হেনরিক। ৮৬ মিনিটে জয়সূচক গোল করে শন লেনের দল। শেখ রাসেলের ডিফেন্ডার খালেকুরজামান বিপদমুক্ত করতে গিয়ে বল তুলে দেন বক্সে থাকা শাহেদ হোসেনের পায়ে। শাহেদের নিখুঁত শট চলে যায় জালে।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দিনের অন্য ম্যাচে পুলিশ এফসি একই ব্যবধানে হারিয়েছে উত্তর বারিধারাকে। তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট পুলিশের। টানা তিন ম্যাচ হেরে উত্তর বারিধারার পয়েন্টের ঘর শূন্য। ৩১ মিনিটে কর্নার থেকে সিডনি রিবেরার হেডে পুলিশ এগিয়ে যায়। পাঁচ মিনিট পর ফ্রি-কিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাসকভ আন্তনিও। ৪৬ মিনিটে আরিফ হোসেনের গোলে ব্যবধান কমালেও হার এড়াতে পারেনি উত্তর বারিধারা।

বঙ্গবন্ধু অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে চট্টগ্রামের শুভসূচনা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হয়েছে গতকাল সোমবার। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে চট্টগ্রাম বিভাগ টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে রংপুর বিভাগকে হারিয়েছে। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ছিল।
চূড়ান্ত পর্ব উদ্বোধনের পর যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘গত বছর আমরা চার ফুটবলারকে ব্রাজিলে পাঠিয়েছিলাম। এবার পুরো দলকে ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনায় পাঠাতে পারি। মেয়েদের দলকেও ইউরোপের কোনও দেশে পাঠাতে পারি। সেটা হতে পারে পর্তুগাল।’
কোচেস কো-অর্ডিনেটর আব্দুর রাজ্জাকের আশা, ‘আমরা চার-পাঁচ জন কোচ মিলে ৩৫ থেকে ৪০ জন খেলোয়াড় বাছাই করছি। তাদের আবাসিক প্রশিণে রাখা হবে। এবার অনেকদিন অনুশীলন হবে। সেখান থেকে বাছাই করা খেলোয়াড়রা বিদেশে উন্নত প্রশিণে যাবে।’

আর ফুটবল খেলবে না বিজেএমসি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিজেএমসি কর্তৃপ জানিয়েছে, তারা আর ফুটবলে অংশ নেবে না। তাদের অস্থায়ী ভিত্তিতে থাকা প্রায় ২৫০জন খেলোয়াড় বাদ পড়েছেন। অর্থ সংকটের কারণে এমন সিদ্ধান্ত।
বিজেএমসির চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ বলেছেন, ‘একটা ফুটবল কাব চালাতে ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার প্রয়োজন। গত মৌসুমের ফুটবলারদের টাকা দেওয়া হয়নি এখনও। আমাদের বছরে দেড় হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি থাকে। এই টাকার জোগান কীভাবে আসবে তা নিয়ে চিন্তায় থাকতে হয়। শ্রমিকদের বেতন দিতে যেখানে সমস্যা, সেখানে ফুটবল দল কীভাবে চালাবো? শুধু ফুটবল নয়, আমাদের ১৮০০ জনের মতো অস্থায়ী শ্রমিক বাদ পড়েছেন। এর মধ্যে ক্রীড়াবিদরাও আছেন।’

নীরবে রেকর্ড গড়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরকও
ক্রীড়া প্রতিবেদক
মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনটা যতসম্ভব ভুলেই থাকতে চাইবে জিম্বাবুয়ে। সারাদিনে ৮৩ ওভার ফিল্ডিং করে মাত্র ৩ উইকেট নিতে পারা, পরে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা সবমিলিয়ে ম্যাচ হারের সব বন্দোবস্তই গতকাল সোমবার করে ফেলেছে সফরকারীরা।
তবে এরই মাঝে অন্যরকম এক রেকর্ডও গড়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেট রেগিস চাকাভা। দিনের খেলা শেষে সকল আলোচনা মূলত মুশফিকুর রহীমের ব্যাটিংকে ঘিরেই। তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে স্বাভাবিকভাবেই সকল আলো কেড়ে নিয়েছেন মুশফিক। এরই মাঝে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটসম্যানের ক্যাচ লুফেছেন চাকাভা। জিম্বাবুয়ের ২৬৫ রানের জবাবে বাংলাদেশ করেছে ৬ উইকেটে ৫৬০ রান। আউট হওয়া ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্যে শুধুমাত্র মুমিনুল হক ফিরেছেন বোলারকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে। এছাড়া সাইফ হাসান, তামিম ইকবাল, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ মিঠুন এবং লিটন দাস পাঁচজনই আউট হয়েছেন চাকাভার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে। এক ইনিংসে ৫ ক্যাচ নিয়ে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড গড়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক।

রাজ্জাকের ৭ উইকেটের পর চাপে দণিাঞ্চল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রাজ্জাকের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পূর্বাঞ্চল প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে ২৭৩ রানে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা দণিাঞ্চল তৃতীয় দিন শেষ করেছে ৮ উইকেটে ১২৫ রানে। প্রথম ইনিংসে ৪৮৬ রান করায় রাজ্জাকরা লিড নিয়েছে ৩৩৮ রানের।
আগের দিন ২ উইকেট পাওয়া রাজ্জাক গতকাল সোমবার নিয়েছেন আরও ৫ উইকেট। সব মিলিয়ে ৭ উইকেট শিকারের পথে ৩২.৩ ওভারে বাঁহাতি স্পিনারখরচ করেছেন ১০২ রান। ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে পূর্বাঞ্চল। মাহমুদুল হাসান ও আফিফ হোসেনের ব্যাটে ভালো শুরু পায় তারা। বড় ইনিংসের সম্ভাবনা জাগিয়েও রাজ্জাকের বলে ফিরে যান মাহমুদুল (৩৩)। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী তানজিদ হাসানকে নিয়ে দাঁড়িয়ে যান আফিফ। চমৎকার ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরির কাছে গিয়েও পাননি, ৪৭ রানে তাকে থামান রাজ্জাক। যদিও একপ্রান্ত আগলে রেখে নিজের সঙ্গে দলের রান বাড়িয়ে গেছেন তানজিদ। ছোটদের বিশ্বকাপ জেতার আত্মবিশ্বাস ক্রিকেটের লম্বা সংস্করণেও মেলে ধরলেন তিনি। রাজ্জাকের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৮৭ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে খেলেন দলীয় সর্বোচ্চ ৮২ রানের ইনিংস। পরে রাজ্জাক লেজ ছেঁটে দিলে ২৭৩ রানে শেষ হয় পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংস।
২১৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা দণিাঞ্চল শুরুতেই পড়ে বিপদে। ২৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনার এনামুল হক (১০) ও ফজলে মাহমুদকে (১) হারানোর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। জিম্বাবুয়ে টেস্ট থেকে বাদ পড়া মাহমুদউল্লাহ আরেকবার ব্যর্থ। দলের প্রয়োজনের সময় ব্যাটিং অর্ডারে ‘প্রোমোশন’ পেয়ে ওয়ান ডাউনে নেমেও ভাগ্য বদল করতে পারেননি। উল্টো দলকে আরও চাপের মধ্যে ফেলে ১১ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। দণিাঞ্চলে ধাক্কাটা আরও বেশি লাগে পরের ওভারেই শামসুর রহমান (১৬) আউট হয়ে গেলে। এরপর শুধু আসা-পাওয়ার পালা; নুরুল হাসান (৮), আল-আমিন (৮) ও প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ফরহাদ রেজা (৩), কেউই কিছু করতে পারেননি। মেহেদী হাসান অপরাজিত ৪১ রান না করলে আরও বিপদে পড়তে হতো দণিাঞ্চলকে। তার সঙ্গে চতুর্থ দিন শুরু করবেন অধিনায়ক রাজ্জাক (১*)। দণিাঞ্চলকে চেপে ধরার পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবু হায়দার। বাঁহাতি পেসার ৫১ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। আর ২টি করে উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও রুয়েল মিয়া।

শততম টেস্ট জয় কিউইদের
ক্রীড়া প্রতিবেদক
শততম টেস্টটা কীভাবে জিততে হয়, এর উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকলো ওয়েলিংটন টেস্ট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে টানা সাত ম্যাচ জিতে নিজেদের অবস্থানটা ধরা ছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গিয়েছিল ভারত। সেই দলটিকেই নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে মাটিতে নামিয়েছে! আর টানা তিন ম্যাচ হারের পর জয়ের হাসি হাসলো নিউজিল্যান্ড। এই সিরিজ জিতে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা।
ভারত চতুর্থ দিন শুরু করে ৩৯ রানে পিছিয়ে থেকে। ৬ উইকেট হাতে থাকার পরেও পুরনো বলে বোল্ট-সাউদির দুর্দান্ত সুইংয়ে কাবু হয়েছেন সফরকারী ব্যাটসম্যানরা। দিনের শুরুতে প্রথমে বোল্টের বলে বিদায় নেন রাহানে (২৯)। পরের ওভারে সাউদির বলে বোল্ড হনুমা বিহারি। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে কিছু রান করেন ঋষভ পান্ত। তবে ২৫ রানের বেশি নয়। ৪৬ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রানেই শেষ হয় ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। তাতে ৯ রানের ল্য পায় কিউইরা। ৬১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন সাউদি, ৩৯ রানে ৪টি বোল্টের। জবাবে কিউরা খেলতে নেমে ১.৪ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়েছে। দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা টিম সাউদি।

পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে গোলবন্যার ম্যাচে রোমাঞ্চকর এক জয় পেয়েছে পিএসজি। সাত গোলের ম্যাচটিতে টমাস টুখেলের দল ৭-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে বোর্দোকে। তবে জয়ের পাশাপাশি একটি খারাপ খবরও শুনতে হচ্ছে পিএসজি সমর্থকদের। দুই হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছেন দলের অন্যতম তারকা নেইমার।
রবিবার দিবাগত রাতের ম্যাচটিতে শুরু থেকে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ শাণায় দু’দল। তবে ১৮তম মিনিটে হোয়াং উই-জোর গোলে এগিয়ে যায় বোর্দো। অবশ্য ব্যবধানটি বেশিণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ২৫তম মিনিটে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার পাস থেকে পিএসজিকে সমতায় ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা দ্বিতীয় মিনিটে মারকুইহোসের গোল থেকে লিড নেয় ফরাসি জায়ান্টরা। কিন্তু বোর্দো সেই একই যোগ করা ষষ্ঠ মিনিটে পাবলোর গোলে সমতায় ফিরে। দু’দল বিরতিতে যায় ২-২ ব্যবধানে। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৩ মিনিটে মারকুইনহোসের গোলে ফের লিড নেয় পিএসজি। এরপর ব্যবধানটা ৪-২ করেন এমবাপ্পে। তবে ৮৩ মিনিটে পার্দোর গোলে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় বোর্দো। ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন নেইমার। এর আগে ৪৫ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। এই জয়ে ২৬ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে পিএসজি।