মুমুর্র্ষু রোগীদের স্বেচ্ছায় রক্ত দেয়া বা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো মহৎ কাজ আর নেই: কেসিসি মেয়র

3
Spread the love

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, মুমুর্ষু রোগীদের স্বেচ্ছায় রক্ত দেয়া বা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো মহৎ কাজ আর নেই। তিনি এ কাজে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাঁধনের তৎপরতার প্রশংসা করেন এবং তাদের এ সেবার পরিসর আরও বৃদ্ধির আহ্বান জানান যাতে খুলনাঞ্চলে কোনো মানুষ রক্তের অভাবে মারা না যায় বা দুর্ভোগের শিকার না হয়। তিনি বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে স্বেচ্ছায় রক্তদানে শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাঁধন এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনায় রেড ক্রিসেন্টের জন্য জমি উপহার প্রদান করেছেন, আমরা শীঘ্রই সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করবো। এ ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হলে স্বেচ্চাসেবী অনেক সংগঠনের কাজের সমন্বয়ে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে সুবিধা হবে। তিনি বাঁধনের বিদায়ী কমিটিকে তাদের কাজের জন্য ধন্যবাদ ও নতুন কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি বলেন বাঁধন স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে মুমুর্ষু রোগীর জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক কাজও করছে। বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তাদের পাঁচ শতাধিক সদস্য বড় একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি। এই ঐক্যবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ন্যায় কাজ করতে হবে যাতে কোনো শিক্ষার্থীর জীবন মাদকের কারণে নষ্ট না হয় বা কেউ মাদকে জড়িয়ে না পড়ে। তিনি বাঁধনের জন্য ভবিষ্যতে টিএসসি বা মেডিকেল সেন্টার নির্মিত হলে সেখানে আলাদা রুম বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ও সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক তালুকদার রাসেল মাহমুদ। বাঁধনের বিদায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ ইয়াসিন আহমেদ জীবুর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিলয় কুমার সরকার। অনুষ্ঠানে বিদায়ী নির্বাহী কমিটির সদস্যদের ক্রেস্ট দিয়ে এবং নতুন কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।