নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রি হচ্ছে কীভাবে

4
Spread the love

শিক্ষা নিয়ে একটি অসাধু চক্র নিয়মনীতি উপেক্ষা করেই তাদের গাইড ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে গাইড বই বিক্রির ব্যবসা করে যাচ্ছেন। যদিও সরকার এ বিষয়ে কঠোর আইন করে গাইড বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে পরীক্ষার সময়। তবু কেউ আইনের তোয়াক্কা করছে না। এ কারণে পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, কোনো কোনো গাইড ও নোট বই মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান অনৈতিকভাবে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আর্থিকভাবে প্রলুব্ধ করে। তারা এসব নোট ও গাইড শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করে। এই নোট ও গাইড বন্ধে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এছাড়া আরেকটি গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে যে, এবারের পরীক্ষায় গাইড বই থেকে হবহু প্রশ্নপত্র করা হয়েছে। এই গুরুতর অন্যায় ও জঘন্য কাজটির কারণে পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ব্যাপারেও শিক্ষামন্ত্রী কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন. এটা কে করেছেন, তা শনাক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে। আর আমরা গাইড ও নোট বই ব্যবহার বন্ধ করতে চাই। সৃজনশীল পদ্ধতিতে এগুলোর প্রয়োজন হওয়ারও কথা না। চলতি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংখ্যার হিসাবে এটা নগণ্য। কিন্তু তাও-বা কেন হবে?  শিক্ষামন্ত্রী সঠিক কথাই বলেছেন। এটাও হবে কেন? কোমলমতি শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর এবং পড়ালেখার মনোযোগ নষ্ট করার জন্য এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এই দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে। এদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারলে এইসব অন্যায় রোধ করা সম্ভব। আমরা চাই, দেশের শিক্ষাক্ষেত্র যেন তার হারানো গৌরব ফিরে পায়। এইসব দুষ্কৃতিকারিদের যেন কোনো ছাড় দেয় না হয়। শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসব উত্তরপত্র আলাদাভাবে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা ভালো উদ্যোগ। কারও ভুলে শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার যাতে না হয় সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।