সকল আঞ্চলিক সংবাদ

0
27

জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম স্বপদে বহাল
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় শ্রমিক লীগ খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলামকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে। তিনি অসুস্থতার কারণে সাংগঠনিক কর্মকান্ড থেকে সাময়িক অব্যবহতি নিয়েছিলেন। সুস্থ হলে গতকাল মঙ্গলবার অব্যহতি প্রত্যাহার করে স্বপদে বহাল করা হয় এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেন বলে সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. পীর আলী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির ঈদ পুনর্মিলনী শুক্রবার
স্টাফ রিপোর্টার
বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির ঈদ পুন:মিলনী আগামী ১৪ জুন শুক্রবার। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ৪নং ঘাট টার্মিনাল ভবনে সদর থানা শাখা এর আয়োজন করে।
সভাপতিত্ব করেন সদর থানা শাখার সভাপতি মো. আকবর আলী। বক্তৃতা করেন মো. জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় মহাসচিব মো. আজগর হোসেন, শেখ মো. ইকবাল হোসেন, মো. সোহেল রানা মোল্লা, মো. ফরিদ আহমেদ, সালাউদ্দিন ও মো. শাহ আলম।
সভায় আগামী ১৪ জুন শুক্রবার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বাগেরহাটে তাঁতী দলের প্রতিনিধি সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাগেরহাট জেলা তাঁতীদল প্রতিনিধি সভায় তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির প্রধান প্রতিনিধি সভায় ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী নয়, জন্ম-মৃত্যু যেমন সত্য তেমনি ক্ষমতার পালাবদলও।
আজ যারা বিরোধীমতের নেতা-কর্মী সমর্থকদের হামলা, মামলা, গুম, নির্যাতন, খুন, গ্রেপ্তার করছে তারাই তাদের জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। তাদের ক্ষমতা থেকে অল্প দিনেই বিদায় নিতে হবে ইনশাল্লাহ। নেতা-কর্মীদের বলেন, আপনারা যত নির্যাতিত হবেন সরকারী দল তত জনগন থেকে জন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আজ জনগন খুবই সচেতন।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে প্রতিনিধি সভায় জেলা তাঁতীদলের সাধারন সম্পাদক শেখ জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথি ছিলেন তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফফার আলম, জেলা কৃষকদল সভাপতি আসাফুদৌলা জুয়েল । বক্তৃতা করেন তাঁতীদল জেলা , উপজেলা ও পৌরসভার নেতৃবৃন্দ।

দেবহাটায় এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ
দেবহাটা প্রতিনিধি
দেবহাটার সূবর্ণাবাদে দিন দুপুরে এক গৃহবধুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিবেশী এক প্রভাবশালী পরিবারের ধনীর দুলাল। এঘটনা ধামা চাপা দিতে প্রভাবশীলীদের সহযোগীতায় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে ছেলের পরিবারের সদস্যরা।
ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানায়, গত ঈদ-উল ফিতরের পর দিন প্রতিবেশী শাহাবুদ্দিনের বাড়ির ভিতরের পুকুরে প্রতিদিনের ন্যায় ভূক্তভোগী গৃহবধু গোসলের জন্য যায়। এসময় শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় তাদের পুত্র ওমর ফারুক তুহিন ঐ ২ সন্তানের জননীকে পেছন থেকে গামছা দিয়ে মুখ ও চোখ বেধে ফেলে। এমনকি জোরপূর্বক তাকে মাটিতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ঐ গৃহবধূর সাথে থাকা তার কন্যা শিশু ঘটনা দেখে ভয়ে আত্মচিৎকার করে। শিশুর মা তাকে মারছে ভেবে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দেখতে পায় ওমর ফারুক তুহিন পুকুরপাড়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরে ঐ নারীর স্বামী আসলে ওমর ফারুক তুহিন তার সাথে ঝগড়াঝাঁটি শুরু করে। ধর্ষণের চেষ্টা কারীর পরিবার প্রভাবশালী ও তাদের আসে পাশে আর কোন হিন্দু পরিবার না থাকায় সব কিছু মাথা পেতে মেনে নিয়ে বাড়িতে চলে আসে। এরপর প্রভাবশালীদের চাপের মুখে পড়ে লোকলজ্জা ভয়ে আইনের আশ্রয়ে আসতে পারেনি তারা। বর্তমানে তারা আতঙ্কে সময় পার করছে।
এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত তুহিনকে ঐদিনই বাড়ি থেকে কৌশলে এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে পরিবার। পাশাপাশি প্রভাবশালীদের সহযোগীতায় বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ করছে তার পরিবার।
ওমর ফারুক তুহিনের পিতা শাহাবুদ্দিন আলী জানান, ঘটনার দিন আমরা বাড়িতে ছিলাাম না। বাড়িতে এসে লোক মুখে শুনেছি। সম্মানের ভয়ে তুহিনকে তার মামার বাড়িতে পাঠাানো হয়েছে। এদিকে এধরনের ঘটনার বিচাররের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিভিন্ন মহলের নিন্দা ও ক্ষোভ
খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিলটনের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি দাবি
স্টাফ রিপোর্টার
মানি লন্ডারিং মামলায় দৈনিক খুলনাঞ্চলের প্রকাশক ও সম্পাদক এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমান মিলটনকে গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মহানগর বিএনপি : সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটনকে গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে নগর বিএনপি নেতারা বলেন, সাংবাদিক মিলটনকে নগরী থেকে যে পন্থায় আটক করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য আতংকের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফোন করে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ডেকে নেয়ার পর একজন বহুল প্রচলিত পত্রিকার সম্পাদককে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া, দীর্ঘ সময় অজ্ঞাত অবস্থায় রাখা, পরিবার-স্বজন-সহকর্মীদের উদ্বেগ-উৎকন্ঠা-হতাশা-আতংক এবং এক পর্যায়ে নড়াইলের প্রত্যন্ত উপজেলা কালিয়া থানায় সোপর্দ করে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখানোর সমস্ত প্রক্রিয়াটিই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের বাড়াবাড়ি কিংবা আইনের অপপ্রয়োগ হিসেবে মনে করছেন সচেতন মহল। বিবৃতিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে মিলটনের মুক্তি দাবি করেন।
বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল আলম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
জেলা বিএনপির উদ্বেগ : খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি, দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মিজানুর রহমান মিলটনকে সিআইডি কর্তৃক নাটকীয়ভাবে কোন মামলা দায়েরের আগেই খুলনা থেকে আটক এবং প্রশাসন কতৃক তথাকথিত বাদীকে দিয়ে মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের করে, সেই মামলায় রাতে কালিয়া থানায় গ্রেফতার দেখানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনা, আমীর এজাজ খান, ডাঃ গাজী আব্দুল হক, গাজী তফসির আহমেদ, খান জুলফিকার আলী জুলু, এ্যাড. এম এ আজিজ, মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোস্তফা উল বারী লাভলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, মেজবাউল আলম, শামসুল আলম পিন্টু, আলী আসগর, এ্যাড. একেএম শহিদুল আলম, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা প্রমুখ।
ইসলামী আন্দোলন নগর কমিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ : খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক ও প্রকাশক এবং খুলনা প্রেসকাবের সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিলটনকে মানিলন্ডারিং মামলায় সিআইডি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ এর তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, চলন্তিকা যুব সোসাইটি নামক একটি বেসরকারি সংস্থার অর্থ আত্মসাতকে কেন্দ্র করে একটিমহল খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটনকে দীর্ঘদিন ধরে একের এক মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ মোজাফ্ফার হোসাইন, শেখ হাসান ওবায়দুল করিম, সেক্রেটারী শেখ মুহাঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সজীব মোল­া, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ প্রচার আব্দুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর প্রিন্সিপাল শফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ অর্থ আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাওঃ ইমরান হোসাইন, সহ প্রশিক্ষণ মুফতী ইসহাক ফরীদি, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ফয়সাল, শিক্ষা ও সংস্কৃতি মুফতী মনোয়ার হোসাইন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস ছালাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, সংখ্যালঘু বিষয়ক মাওঃ হাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য মুফতী মাহবুবুর রহমান, আলহাজ্ব মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, আলহাজ্ব আবু তাহের ও মাওঃ সিরাজুল ইসলাম।
জেলা যুবদলের নিন্দা ও মুক্তি দাবি ঃ দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক ও প্রকাশক, খুলনার সাংবাদিক নেতা মো: মিজানুর রহমান মিলটনকে সিআইডি কর্তৃক নাটকীয়ভাবে আটকের পর প্রশাসনের সাজানো পাতানো মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। তারা এই ঘটনায় নিন্দা ও একইসঙ্গে নেতৃবৃন্দ মিজানুর রহমান মিলটনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা, ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুৃলনা জেলা যুবদল নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, খুৃলনা জেলা যুবদলের সভাপতি এস এম শামীম কবির, সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ প্রমূখ।
বিএফইউজে ও এমইউজে ঃ মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সদস্য, খুলানা প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মিজানুর রহমান মিলটনকে আটকের পর মানি লন্ডারিং মামলা দিয়ে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার নেতৃবৃন্দ।
বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান, সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক শাওন, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান হিমালয় ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা, বিএফইউজে’র সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এহতেশামুল হক শাওন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ইউনিয়নের সদস্য দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মিজানুর রহমান মিলটনকে নগরীর একটি অভিজাত হোটেল থেকে যে পন্থায় জোরপূর্বক তুলে নেয়া হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য আতংকের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে সাংবাদিক সম্পাদক মিলটনের মুক্তি দাবি করেন এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় সারাদেশের সাংবাদিক সমাজকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন, খুলনা : সম্পাদক মিলটনকে গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলা দেয়ার নিন্দা ও মুক্তি দাবি করেছে খুলনা জেলা ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন সংগঠনের সভাপতি বাপ্পী খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম।
কেআরইউ’র উদ্বেগ ঃ খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সদস্য দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মিজানুর রহমান মিলটনকে সিআইডি কর্তৃক নাটকীয়ভাবে আটকের পর মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা রিপোর্টার্স ইউনিটির (কেআরইউ) নেতৃবৃন্দ।
এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দমিজানুর রহমান মিলটনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান।
বিবৃৃৃতিদাতারা হলেন খুলনা রিপোর্টার্স ইউনিটির (কেআরইউ) সভাপতি এনামুল হক, সহ-সভাপতি কেএম জিয়াউস সাদাত ও আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ কাজী শামীম আহমেদ প্রমুখ।
মিলটনের নি:শর্ত মুক্তি দাবি বিওজেএ’র ঃ খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও দৈনিক খুলাঞ্চল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিলটনকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছে বাংলদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন- বিওজেএ ।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বিওজেএ‘র কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক এম ইব্রাহীম সরকার বলেন, বাংলাদেশে কোন সাংবাদিকই আজ নিরাপদ নয়। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বাঁধার সম্মুখীন ও জুলুম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। দেশের বিরাজমান প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ বলে মনে করছে একটি বিশেষ মহল। তাই কারণে অকারণে সাংবাদিকদের ওপর জুলুম নির্যাতন ও হয়রানি জ্যামিতিকহারে দিনকে দিন শুধু বাড়ছে।
সাংবাদিক নেতৃদ্বয় অবিলম্বে মিলটনের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করে বলেন, মিলটনের মতো অতি সজ্জন বিনয়ী একজন সাংবাদিককে একটি মিমাংসিত ঘটনায় আটক করা কোনভাবেই গণতন্ত্র ও মুক্ত স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য শুভকর হয়নি।
পাইকগাছা সাংবাদিক জোটের নিন্দা ঃ খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈঃ খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মিজানুর রহমান মিলটনকে কালিয়া থানায় দায়ের করা মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে পাইকগাছা সাংবাদিক জোট নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
প্রতিবাদ জ্ঞাপনকারীরা হলেন, আহবায়ক প্রকাশ ঘোষ বিধান, যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে শেখ মুহাঃ আব্দুস সালাম, শেখ আব্দুল গফুর, এস এম আব্দুর রহমান, সদস্য সচিব পলাশ কর্মকার, সদস্য এইচ এম এ হাশেম, জি এম আসলাম হোসেন, জি এম এমদাদ, জি এম মোস্তাক আহম্মেদ, শেখ সেকেন্দার আলী, এ কে আজাদ, মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, জি এম মোস্তাক আহম্মেদ, মিলন দাশ, মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, স ম নজরুল ইসলাম, জগদীশ দে, আব্দুস সবুর আল-আমীন, এইচ এম জিয়াউর রহমান, মজুমদার পলাশ, দ্বীপ অধিকারী প্রমুখ। বিবৃতিদাতারা বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর এহেন হয়রানী ও ষড়যন্ত্র বন্ধে সরকারকে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানাই। যেখানে সাংবাদিক গ্রেফতারের ক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রনালয়ের একটি নির্দেশনা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সেখানে একজন পত্রিকার সম্পাদককে এভাবে গ্রেফতার করা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। অবিলম্বে তাঁর নিঃশ্বর্ত মুক্তির দাবী জানাই।’
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নিন্দা ঃ দৈনিক খুলাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মিজানুর রহমান মিলটনকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সহ অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বাগেরহাট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা।
বিবৃতি দাতারা হলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি এম হেদায়েত হোসেন লিটন, সহ সভাপতি এস এম রাজ, শেখ আসাদ, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ শওকত হোসেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলআমীন খান সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন আহম্মেদ, অর্থ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ঢালি, প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির,দপ্তর সম্পাদক রবিউল ইসলাম ইমরান, সাংস্কৃতিক ও ক্রিড়া সম্পাদক আমিরুল হক বাবু,শিক্ষা ও সমাজকল্যান সম্পাদক রুহুল আমিন বাবু, সদস্য সোহরাব হোসেন রতন, মো: মনিরুল হক, সোহাগ হাওলাদার, মোস্তাজাবুর রহমান,আবু হানিফ, সেকেন্দার মোড়ল, মিজানুর রহমান মিঠু প্রমুখ ।
সাংবাদিক নেতৃদ্বয় অবিলম্বে মিলটনের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করে বলেন, মিল্টনের মতো একজন সাংবাদিককে একটি মিমাংসিত ঘটনায় আটক করা কোনভাবেই গণতন্ত্র ও মুক্ত স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য শুভকর হয়নি।
জাতীয় মানবাধিকার সমিতি : খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক “খুলনাঞ্চল” পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মিজানুর রহমান মিল্টনের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় গ্রেফতার করার তিব্র ক্ষোভ ও নিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ও মহাসচিব মোঃ মফিজুর রহমান লিটন। নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতারনা করে তাকে গ্রেফতার করে যেভাবে একজন গনমাধ্যম ব্যাক্তিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। আমরা সাংবাদিক নেতা মিজানুর রহমান মিল্টন এর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।
ফকিরহাট উপজেলা প্রেসক্লাবের নিন্দা ঃ খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান মিল্টন-কে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফকিরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব এর আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদ্বাতারা হলেন, কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক শেখ ফারুক হোসেন, সদস্য সচিব শেখ শিহাব উদ্দিন রুবেল, উপদেষ্টা মন্ডলীর- সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান দুলু, পি.কে অলোক, আকাশ বিশ্বাস, এইচ. এম নাছির উদ্দিন, সাংবাদিক মান্না কুমার দে, মোঃ বাদশা আলম, এম জাকির হোসেন, শেখ আজমল হোসেন, শেখ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ মোজাহিদুর রহমান, কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন. ডা: আল মামুন, মেহেদী হাসান, আনন্দ কুমার দে, বাপ্পা কুমার দত্ত, সুমন মল্লিক, এস.এম মনিরুজ্জামান, সৈয়দ অনুজ, মোঃ আনিছুর রহমান, মোঃ হাবিবুর রহমান, ডা: মিজানুর রহমান, এস.কে রাজিব, সরদার মনিরুজ্জামান মনি, মো: সাগর মল্লিক, শেখ মুশফিকুর রহমান, কামরুজ্জামান শেখ ও কিশোর দত্ত প্রমুখ।
মোড়েলগঞ্জ প্রেসক্লাবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ঃ দৈনিক খুলাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মিজানুর রহমান মিলটনকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি জানিয়ে মোড়েলগঞ্জ প্রেসক্লাবে পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিদাতারা হলেন প্রেসক্লাব সভাপতি মো. জামাল শরীফ, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মাসুম, সহ-সভাপতি গনেশ পাল, ইত্তেফাক প্রতিনিধি মেহেদী হাসান লিপন, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের মোড়েলগঞ্জ অফিস প্রধান নজরুল ইসলাম শরীফ, সমকাল প্রতিনিধি ফজলুল হক খোকন, জিটিভি প্রতিনিধি জামাল হোসেন বাপ্পা, দৈনিক খুলনাঞ্চল ও ঢাকা প্রতিদিন মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি এম.পলাশ শরীফ, নবরাজ প্রতিনিধি মো. হাসানুজ্জামান বাবু, আমাদের সময় প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম কবির প্রমুখ। সংবাদিক মিজানুর রহমান মিল্টনকে অনবি বিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
আড়ংঘাটা রিপোর্টার্স ইউনিটের প্রতিবাদ সভা ঃ দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিলটন কে হয়রানিমূলক মামলা ও আটকের প্রতিবাদে গতকাল নগরীর আড়ংঘাটা দৌলতপুর রিপোর্টার্স ইউনিটের অস্থায়ী কার্য্যালয়ে গতকাল বিকালে সাংবাদিক মিলটনের নিঃস্বর্ত মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি মোঃ মতলুবুর রহমান মিতুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম রসুল বাদশার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সাংবাদিক মোঃ শওকত আলম, মোঃ রুহুল আমীন রাজাউর রহমান প্রিন্স, বিমল মল্লিক, কেসমত জনি, আরিফুর রহমান বাবু, মাহফুজুল আলম সুমন, মোঃ আহাদ আলী, মোস্তাক আহম্মেদ তুহিন, রিপন মোল্লা, ইমরান হোসাইন মুন্না, মহিদুল ইসলাম, বিথি ইসলাম, রবিউল ইসলাম, সংকর বিশ্বাস প্রমুখ।

খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিল্টনের মুক্তির দাবি জানিয়েছে খুলনা সংবাদপত্র পরিষদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক ও প্রকাশক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি এবং খুলনা সংবাদপত্র পরিষদ এর সদস্য মিজানুর রহমান মিলটন এর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে তাকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনা সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠণ খুলনা সংবাদপত্র পরিষদ।
মিল্টনকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করায় সংগঠণটির নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “চলন্তিকা যুব সোসাইটি নামক একটি বেসরকারি এনজিও’র অর্থ আতœসাতকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটনকে দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। সোমবার দুপুরে সাদা পোশাকের ডিবি পুলিশ তাকে একটি অভিজাত হোটেলে দেখা করার কথা বলে ডেকে এনে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। সাংবাদিকদের উপর বারবার এ ধরণের অহেতুক আঘাত সহ্য করা যায় না।” অবিলম্বে তারা মিজানুর রহমান মিলটেেনর মুক্তির জোর দাবি জানান।

সাংবাদিক মিল্টনের মুক্তির দাবিতে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও খুলনা সংবাদ পত্র পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টনকে হয়রানীমূলক গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাইকগাছা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে পাইকগাছা বাজার চৌরাস্তা মোড়ে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক ও উপজেলা সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডঃ এফএমএ রাজ্জাক। ফোরামের যুগ্ম-সম্পাদক কৃষ্ণ রায়ের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, কয়রা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, ফোরামের সহ-সভাপতি এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ, তৃপ্তি রঞ্জন সেন, বি সরকার, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দীন আহমেদ, ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, সাংবাদিক রবিউল ইসলাম, এইচএম শফিউল ইসলাম, আবুল হাশেম, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, জহুরুল হক, বাস মিনিবাস মালিক সমিতি পাইকগাছা রোড কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল গফফার মোড়ল, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রায়হান পারভেজ রনি, পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী, নিসচা দক্ষিণাঞ্চল শাখার সহ-সভাপতি শংকর সাধু, পৌর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব, বদিউজ্জামান ও নূরুজ্জামান টিটু। কর্মসূচীতে বক্তারা অবিলম্বে খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টনের মুক্তির দাবি জানান এবং মুক্তি না দিলে আগামীতে সাংবাদিক সংগঠন থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুশিয়ারী দেন।

সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিনের বাড়িতে হয়রানির নিন্দা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার, টিআইবির অনুসন্ধানী সাংবাদিক পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক এইচ আলাউদ্দিনের বাড়িতে ওজোপাডিকো কর্মকর্তা কর্তৃক হয়রানীর নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রিপেইড মিটারে বিদ্যমান দুর্নীতি প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার যখন সকলের দুয়ারে দুয়ারে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে কাজ করছে, সেইসময় ওজোপাডিকোর কিছু অসাধু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা নিজ স্বার্থকে হাসিল করতে মাঠে নেমেছেন। দু’শ কোটি টাকার রিবেট অর্থাৎ দু’কোটি টাকা ফেরত দেয়া, সফটওয়ার জটিলতা দূর করা, মিটার ভাড়া না নেয়া, ভ্যাট জটিলতা দূর করা, মিটার লক হয়ে গেলে বিনা পয়সায় সচল করে দেয়া, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রি-পেইড গ্রাহকদের হয়রানী বন্ধ করা, ‘নো ট্রেস’ বিলের নামে পুরনো অন্যের বিল বর্তমান গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে না দেয়া, দুর্নীতির মাধ্যমে কোম্পানী সচিবের চাকরীর মেয়াদ ৫ বছর বৃদ্ধি এবং কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের একাধিক গাড়ি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যবস্থা করা, প্রকল্পের নামে হাজার কোটি টাকা খরচ করা হলেও এর সুফল গ্রাহকরা কেন পাচ্ছে না সে বিষয়ে কোম্পানী কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, সংশ্লিষ্ট নন এমন ব্যক্তিদের বিদেশ সফরের নামে কোম্পানী ও ঠিকাদারদের টাকা নষ্ট করার বিষয়গুলো তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠেছে তখনই তারা এই আন্দোলনকে অন্যখাতে নেয়ার জন্য চক্রান্ত করছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, গ্রাহকদের ন্যায্য দাবি থেকে কোন প্রকার হয়রানী করে পিছু হটানো যাবে না। সাংবাদিক আলাউদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির বাইরে অবস্থান করাকালীন ওজোপাডিকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের সংশ্লিষ্ট ফিডারের ইনচার্জ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাথে নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে সাংবাদিক আলাউদ্দিন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে চান। বাড়ির হোল্ডিং নম্বর চাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন প্রশ্নে বাড়ির নারীদের অহেতুক হয়রাণী করেন। এসময় ওজোপাডিকোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আলাউদ্দিনের ব্যবহৃত মিটারের ছবি তুলে নিয়ে যান। সাংবাদিক আলাউদ্দিন বাড়িতে ফিরলে সার্বিক বিষয় শুনে সংশ্লিষ্ট বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সুপারভাইজারের সাথে কথা বললে তাদের কথায়ও অসংলগ্নতা পাওয়া যায়। এভাবে একজন সাংবাদিকের বাড়িতে অহেতুক হয়রানীর মধ্যদিয়ে গোটা সাংবাদিক সমাজকে তাদের লেখনী থেকে হঠানোর চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিদাতারা হলেন প্রিপেইড মিটারে বিদ্যমান দুর্নীতি প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক ডা: শেখ বাহারুল আলম যুগ্ম-আহবায়ক শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল নুর মোহাম্মদ, এ্যাডঃ শামীমা সুলতানা শিলু সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন, সহকারী সদস্য সচিব গেøাবাল খুলনার আহবায়ক শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতা আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা শাহজাহান পারভেজ, পোল্ট্রি ফিস ফিড মালিক সমিতির নেতা এসএম সোহরাব হোসেন, নিরাপদ সড়ক চাই-নিসচা’র জেলা সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, নাগরিক নেতা সৈয়দ ইমাম হোসেন বাচ্চু, জেসমিন জামান, কামরুল কাজল, আশরাফ হোসেন, মানবাধিকার কর্মী জি এম রাসেল ইসলাম প্রমুখ।
এমইউজে’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ঃ মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সাবেক সাধারণ সম্পাদক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার, টিআইবির অনুসন্ধানী পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক এইচ আলাউদ্দিনের বাড়িতে ওজোপাডিকো কর্মকর্তা কর্তৃক হয়রানীর নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান, সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক শাওন, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান হিমালয় ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা, বিএফইউজে’র সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এহতেশামুল হক শাওন।

রামপালে উপজেল আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা
রামপাল প্রতিনিধি
রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রামপাল উপজেলা অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আঃ খালেক। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, সরকার জনগনের জন্য উন্নয়নের বাজেট পেশ করেন। সরকারের সেই উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগনের মাঝে পৌঁছে দিতে এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা যদি সঠিকভাবে কাজ করে তবে এ সকল উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়া সম্ভব। তিনি সকলকে এ ব্যাপারে সজাগ থাকার আহব্বান জানান।
রামপাল উপজেলা আওয়মীলীগ সভাপতি শেখ আঃ ওহাব এর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হক লিপন, জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি মোল্লা আঃ রউফ, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক জামিল হাসান জামু, গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন,পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আক্তার, বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ, উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকতারুজ্জামান, রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আঃ হান্নান ডাবø, বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ, ছাত্রলীগ সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারন সম্পাদক শেখ সাদী সহ আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

চিতলমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক কিশোরের মৃত্যু
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিদ্যুতের প্লাগ খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রিয়াজুল (১১) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে সে উপজেলার চিংগড়ী গ্রামের হাফেজ জাকারিয়ার ছোট ছেলে।
পুলিশ ও তার পরিবার জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঘরের মধ্যে বিদ্যুতের প্লাগ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎম্পৃষ্ট হয়। দ্রæত তাকে টুঙ্গীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর জরুরী বিভাগে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
চিতলমারীতে সন্ত্রাসীদের তাÐবে ২০ পরিবার পুরুষ শূণ্য
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে একটি খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০ পরিবারে পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে। এ সুযোগে প্রতিপক্ষেরা বাড়িতে হামলা-ভাংচুর, লুটপাট ও চিংড়ি ঘের লুটের ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের পক্ষে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খিলিগাতী গ্রামের শওকাত ফকিরের স্ত্রী ইয়াসমিন বেগম।
সোমবার সকাল ১১ টায় চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইয়াসমিন বেগম বলেন, আমার স্বামীর বংশীয় লোকজনের সাথে এক মাস পূর্বে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের ইব্রাহীম হাওলাদার-রবিউল হাওলাদার গংদের সাথে ঝগড়া-ঝাটি ও মারামারি হয়। এতে উভয় পক্ষের লোকজনই আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনা আমাদের প্রতিপক্ষ রুবেল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি মারা গেলে ভয়ে আমাদের বংশের ২০ পরিবার পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়ে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে শফিকুল ইসলাম ওরফে ওসমান হাওলাদারের নের্তৃত্বে ইব্রাহীম হাওলাদার, পরশ হাওলাদার, হৃদয় হাওলাদার, সোহাগ শেখসহ ১৫-২০ জনের একটি দল আমাদের বসত বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও পরিবারে মহিলা সদস্যদের ওপর চড়াও হয়। এ ছাড়াও সন্ত্রাসীরা আমার স্বামী, দেবর, ভাসুরের প্রায় ২০ টি চিংড়ি ঘের থেকে মাছ লুট পাট করে। সন্ত্রাসীদের তাÐবের ভয়ে আমাদের বংশের ছেলে-মেয়েরা দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজেও যেতে পারছেনা।
এব্যাপারে চিতলমারী সদর ইউনিয়ন তাঁতী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ওসমান হাওলাদার জানান, সংবাদ সম্মেলনে তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। বাগেরহাট পিসি কলেজ ছাত্র রুবেল হাওলাদার হত্যা মামলা হতে মুক্তি পেতে ওরা সংবাদ সম্মেলন করে তাদেও বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

উপকূলের পানি সংকট মোকাবেলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা দরকার : কেসিসি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
দ্বিতীয় উপক‚লীয় পানি সম্মেলন-খুলনা সফল করার লক্ষে প্রস্তুতি কমিটির এক সভা গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের আহবায়ক খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই ২০১৯ তারিখ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উপক‚লীয় পানি সম্মেলনের আয়োজন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম’কে সম্মেলনে প্রধান অতিথি করা হবে মর্মে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া সভায় পানি সম্মেলন সফল করার লক্ষে একটি কার্যনির্বাহী কমিটি ও ৫টি উপকমিটি গঠন করা হয়।
প্রস্তুতি সভায় সিটি মেয়র বলেন, উপক‚লীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দিন দিন প্রকট হচ্ছে। ভ‚গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, জলাশয় ভরাট এবং লবনাক্ততা এর মূল কারণ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে উপক‚লীয় অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের পানির চাহিদা পুরণের জন্য ভ‚গর্ভস্থ পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা দরকার। উপক‚লীয় এলাকায় অবাধে লবন পানির প্রবাহের কারণে মিঠা পানির জলাশয় এবং পুকুরগুলোর পানিও এখন পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তিনি উপক‚লীয় অঞ্চলের পানীয় জলের সংকট নিরসনে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণের পাশাপাশি পুকুরের পানি আবার পানের উপযোগী করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় ওয়ার্ল্ডভিশনের মোহাম্মদ নুরুল আলম রাজু’কে আহবায়ক ও এ্যাওসেড-এর শামীম আরেফীন’কে সদস্য সচিব করে একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. দীলিপ কুমার দত্তকে আহবায়ক ও ওয়ার্ল্ডভিশনের নির্মল সরকার’কে সদস্য সচিব করে নলেজ এন্ড টেকনিক্যাল, নবলোক-এর মোস্তাফিজুর রহমান’কে আহবায়ক ও এ্যাওসেড-এর হেলেনা খাতুন’কে সদস্য সচিব করে কমিউনিকেশন ও ইনভাইটেশন, রূপান্তর-এর মো: ফারুক আহমেদ’কে আহবায়ক ও ওয়ার্ল্ডভিশনের মো: তৌহিদুল আলম’কে সদস্য সচিব করে পাবলিকেশন, পানি অধিকার কমিটির হুমায়ুন কবির ববি’কে আহবায়ক ও ওয়ার্ল্ডভিশনের সৈয়দ নুর-ই-আলম’কে সদস্য সচিব করে ডেকোরেশন ও আপ্যায়ন এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শরীফ হাসান লিমন’কে আহবায়ক ও ওয়ার্ল্ডভিশনের মো: জাহিদুর রহমান’কে সদস্য সচিব করে সাউন্ড ইভেন্টস উপকমিটি গঠন করা হয়।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) পলাশ কান্তি বালা, রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, পানি অধিকার কমিটির সভাপতি রেহানা আক্তার, খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য জয়ন্তী রাণী সরদার, রূপসা ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, কেয়ার-বাংলাদেশের প্রতিনিধি আব্দুল মতিন তালুকদার, ওয়ার্ল্ডভিশনের প্রতিনিধি ইকবাল আজাদ প্রমুখ সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন।

নগরীতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা
তথ্য বিবরণী
আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা গতকাল মঙ্গলবার খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা কৃষি তথ্য সার্ভিসের আঞ্চলিক কার্যালয়, এই কর্মশালার আয়োজন করে। খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইকেট্রনিক মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেক ডিসিপ্লিন প্রধান অধ্যাপক ড. সরদার সদরুল ইসলাম বলেন, খুলনা অঞ্চল একটি উপকূলীয় এলাকা। এই এলাকার কৃষিজ পরিবেশ অন্য এলাকা থেকে আলাদা। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা জেলার লবণাক্ত জমি রয়েছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই উপকূলীয় এলাকায় কিভাবে ঘাসের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় সে জন্য সরকারি বেসরকারি ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নানান গবেষণা হচ্ছে। লবণাক্ত জমিতে চাষযোগ্য ভূট্টা.তরমুজ, সূর্যমুখীসহ লবণ সহিষ্ণু বিভিন্ন প্রজাতি উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়েছে। পরীক্ষামূলক উৎপাদনে সফলতাও পাওয়া গেছে। এধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি খুব অল্প সময়ের মধ্যে মিডিয়ার মাধ্যমে চমৎকারভবে জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। নতুন প্রযুক্তির সফলতা নিয়ে মিডিয়ায় প্রচার হলে সেই প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে সম্প্রসারণ করা অত্যন্ত সহজ হবে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং রপ্তানীর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন সম্ভব হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়ের উপপরিচালক পঙ্কজ কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কমশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহন কুমার ঘোষ, দৌলতপুর হটিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন এবং বিটিবির খুলনা প্রতিনিধি মকবুল হোসেন মিন্টু। ধানের বিভিন্ন নতুন প্রজাতি নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাতক্ষীরা ধান গবেষণা ইহ্নটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ ইব্রাহিম। ই-কৃষি বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মোছাদ্দেক হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন কৃষি তথ্য সংগঠক এস এম আহসান হাবীব।

মোংলায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের ভিটেমাটি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
মোংলা প্রতিনিধি
মোংলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে নিজ ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দিয়ে অহেতুক হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি সংশ্লিষ্টদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ মহলের কারণে কোন সুফল পাচ্ছেন না।
খোঁজ খবরে জানা গেছে, পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কুমারখালী গ্রামের মৃত ফুলমিয়া মীরের ছেলে মোঃ ইসমাইল মীর দীর্ঘদিন ধরে তার প্রতিবেশী মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের পুত্র মনির শেখের জমি দখলের পায়তারা চালিয়ে আসছে। পায়তারা স্বরুপ গত বছরের ১০ নভেম্বর ইসমাইল তার খামার বাড়িতে চুরি হয়েছে অভিযোগ তুলে প্রতিবেশী মনিরের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০১, তারিখ-০১/১২/২০১৮ইং। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার খামার বাড়িতে রাখা সাড়ে ৯ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা রাখা ছিল, যা চুরি হয়েছে। তার দাবী অনুযায়ী চুরির ঘটনা সংগঠিত হওয়ার ২১ দিন পর ইসমাইল মীর বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ সেলিম হোসেন চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে মনির হোসেনের নামে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এজাহারে মনির হোসেনের স্ত্রী মরিয়ম বেগমের নাম উল্লেখ থাকলেও তাকে তদন্ত শেষে অভিযোগ থেকে কি কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে সেটাও তিনি অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেননি। অভিযোগ পত্রের সাথে মামলার আইও এসআই মো: সেলিম ৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য ১৬১ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন। স্বাক্ষীদের মধ্যে ৪ জন স্বাক্ষীর রেকর্ডে দেখা যায় তারা চুরির বিষয়টি অন্যের মুখে শুনেছেন মাত্র এরচেয়ে বেশি কিছু জানেন না তারা। অপর স্বাক্ষী মোঃ আঃ রহিম তিনিও কিছু জানেন না। রহিম বলেন, পুলিশ অহেতুক তার নাম জড়িয়ে কল্পকাহিনী সৃষ্টি করে তাকে স্বাক্ষী করেছেন। তিনি আরো বলেন, যেহেতু আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না, সেহেতু আমার স্বাক্ষী দেয়ার তো প্রশ্নই আসেনা, আমি কি স্বাক্ষী দিবো।
ভুক্তভোগী মনিরের শিশু পুত্র নিয়ামুল ইসলাম মাহি বলেন, আমি মোংলা টি,এ ফারুক স্কুলে ৫ম শ্রেণীতে পড়তাম। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন কুকুর লেলিয়ে দিয়ে ও পথরোধ করে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপর আমি অন্য স্কুলে ভর্তি হই। একই কথা বলেন, মনিরের অনার্স পড়–য়া কন্যা মনিয়া তাঞ্জুম মীম। মীম বলেন, ইসমাইলের সহযোগী সালাম, সালেহা, হাসনাসহ বেশ কয়েক ব্যক্তি তাকে অপহরণের চেষ্টা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।
প্রতিপক্ষের মামলা ও হয়রানীর শিকার মনির শেখ বলেন, আমার জায়গা জমি থেকে উচ্ছেদ ও দখলের উদ্দেশ্যেই ইসমাইল মীর মিথ্যা চুরির সাজিয়ে আমার নামে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। আমি প্রতিকার চাই।
এ ব্যাপারে ইসমাইল মীরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে (মোবাইল নং ০১৭১০-৯০০১৮৬) তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: হাবিবুর রহমান বলেন, ইসমাইল মীর তার পরিবার নিয়ে আলাদা বাড়ীতে থাকেন। খামার বাড়ীতে তো থাকেন না। সেখানে মাঝে মধ্যে আসেন। সেখান থেকে যে স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে এটি বিশ্বাস যোগ্য নয়। এটি পরিকল্পিত যড়যন্ত্র ছাড়াই কিছু না। নিজ বাড়ী ঘর রেখে কেউই কি খামার বাড়ীতে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা পয়সা রাখে।
তবে ভুয়া স্বাক্ষী সাজিয়ে মামলার চার্জশিট দাখিলকারী তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম হোসেন বলেন, তারা আগে চুরির বিষয়ে আমার কাছে স্বাক্ষী দিয়েছেন, এখন যদি তারা উল্টে যান সেক্ষেত্রে আমার কি করার আছে। তবে এ মামলার ঘটনায় ইসমাইল মীরের ভাই হানিফ মীরের প্রভাব খাটাচ্ছেন বলেও তিনি সাংবাদিকদের কাছে স্বাকীর করেছেন। এছাড়া খামার বাড়ী (মৎস্য খামার) থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা পয়সা চুরির বিষয়টি রহস্যজনক কিনা এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

মণিরামপুরে ট্রাকের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু, চালক আটক
মণিরামপুর প্রতিনিধি
মণিরামপুরে ইটভাটার ট্রাকের ধাক্কায় হালিমা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার চিনাটোলা বাজারে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয় জনগণ ঘাতক ট্রাকসহ চালক জাকির হোসেনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
এই ঘটনায় নিহতের স্বজনরা বাদি হয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত হালিমা বেগম উপজেলার আ¤্রুঝুটা গ্রামের হাসেম আলী সরদারের স্ত্রী।
প্রতক্ষ্যদর্শীসহ স্বজনরা জানান, দুপুরে রাজারহাটে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন হালিমা। তিনি ভ্যানযোগে বাড়ি থেকে চিনাটোলা বাজারে পৌঁছুলে দীপ্র ইটভাটার কেশবপুরগামী একটি ট্রাক ভ্যানটিতে ধাক্কা দেয়। এসময় পাকা রাস্তার ওপর পড়ে গুরুত্বর আহত হন তিনি। পরে হালিমাকে উদ্ধার করে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জেসমিন সুমাইয়া বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই হালিমা বেগমের মৃত্যু হয়েছে।
মণিরামপুর থানার এসআই তপনকুমার সিংহ বলেন, দুর্ঘটনায় দায়ী ট্রাকটি উপজেলার সুন্দলপুর এলাকার দীপ্র ইটভাটার। চালকসহ ট্রাক থানায় আটক আছে। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

বটিয়াঘাটায় তালগাছ ও গোলপাতা চাষ সম্প্রসারণে কর্মশালা
তথ্য বিবরণী
উপকূলীয় এলাকায় তালগাছ ও গোলপাতার নার্সারি উত্তোলন এবং চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা গতকাল মঙ্গলবার সকালে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগ এবং বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সরকার তালগাছ এবং গোলপাতা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বজ্রপাত থেকে রক্ষার্থে বেশি বেশি তালগাছ রোপণ করতে হবে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকলের গাছ দরকার। একটি গাছ কাটলে কমপক্ষে তিনটি গাছ রোপণ করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে ব্রীজ সংগ্রহ করে তা রোপণ করতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, সুন্দরবনসহ প্রায় সর্বত্রই গোলপাতা জন্মে থাকে। গোলপাতা বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ প্রজাতি। গোলপাতা মূল্যবান প্রাকৃতিক অর্থকারী সম্পদ। এখন গোলপাতা সংগ্রহের মৌসুমে চলছে। গোলপাতার সাহায্যে ছাতা, সানহ্যাট, রেইনকোর্ট, ঝুড়ি, মাদুর, থলে, কাগজসহ বিভিন্ন খেলনা তৈরি করা হয়। সুন্দরবনের উপর নির্ভর না করে বাড়ির আশেপাশে, নিচু এলাকা, নদী, খাল পাড়ে, জলাশায়েরসহ বিভিন্ন স্থানে গোলপাতার উৎপাদনের পদক্ষেপ নিতে হবে।
বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন খুলনা ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের রিচোর্চ অফিসার মোঃ আকরামুল ইসলাম এবং উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. আ স ম হেলাল সিদ্দীকি। প্রশিক্ষণে স্থানীয় প্রায় ৪০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

অব্যাহত পুলিশী গ্রেফতারে নগর বিএনপির নিন্দা ও প্রতিবাদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
দলীয় নেতাকর্মীদের অযথা হয়রানি ও গ্রেফতার না করার আহবানকালে সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ ওলামা দল নেতা মাওলানা আব্দুল গফফার এবং ২৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবলুকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। নতুন করে গণগ্রেফতার এবং বাড়ি বাড়ি তল্লাশি অভিযানের তিব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
গতকাল এক বিবৃতিতে বিএনপি নেতারা বলেন, গতকাল নগর বিএনপির এক বিবৃতিতে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে গায়েবী মামলায় হয়রানিমূলক গ্রেফতার না করার জন্য এবং রাজনীতির সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তার জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানানো হয়েছিল। কিন্ত বিএনপির সেই আহবানে কর্ণপাত না করেই অনুগত বাহিনীর ন্যায় আচরন করছে খুলনার পুলিশ। তারা বিএনপি ও অঙ্গদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে এবং অনেককেই গ্রেফতার করেছে। ঈদের পূর্বদিন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক জাতিয় পার্টির মহানগর আহবায়ক গোলাম মোস্তফা, ঈদের একদিন পরে সদর থানা শ্রমিক দল নেতা শামীম খান ও মহিলা দল নেত্রী জেসমিন আক্তারের ছেলে সাগরকে খুলনা থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। একই সময়ে অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে দূর্ব্যবহার করে তাদেরকে আতংকগ্রস্থ করে তোলে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ইমেজ অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, বিএনপিকে তার সাংবিধানিক অধিকার রাজনীতি করার পরিবেশ সৃষ্টি, নেতাকর্মীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গ্রেফতার অভিযান বন্ধ, সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কারাগারে আটক সকল নেতাকর্মীদের মুক্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল আলম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

কপিলমুনিতে প্রতিপক্ষের হামলায় পিতা ও শিশুপুত্র আহত
কপিলমুনি প্রতিনিধি
প্রতিপক্ষের হামলায় কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী উত্তর সলুয়া গ্রামে পিতা-পুত্র গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা দােয়রে হয়েছে, মামলা নং ১২/১৯৮।
মামলা সূত্রে প্রকাশ, উত্তর সলুয়া গ্রামের মাওঃ মহাসিন উদ্দীনের শিশু পুত্র আঃ রহমান (১২) গ্রামের একটি পুকুরে সোমবার দুপুরে গোসল করতে গেলে পারিবারিক শত্রæতার জেরে গোসল করার অপরাধে একই গ্রামের মৃতঃ অফেজ মল্লিকের ছেলে হারুন মল্লিক (৩৫) মহাসিনের বাড়ী গিয়ে তার শিশু পুত্র আঃ রহমানকে মারপিট করে জখম করে। এসময় মহাসিন মার ঠেকাতে গেলে হারুন মল্লিক ও তার ২ সহযোগী ওই গ্রামের জসিম উদ্দীনের ২ ছেলে জুলফিক্কার সরদার (৪৩) ও আবু সাঈদ সরদার (৪৭) দা লাঠি ও রড দিয়ে তাকে এলাপাতাড়ি মারপিট করতে থাকে, এক পর্যায়ে মহাসিনের মাথা ফেটে যায়। মারাত্মরক জখম অবস্থায় মহাসিন ও তার শিশু পুত্রকে কপিলমুনি সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসারত অবস্থায় মহাসিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, মহাসিন এখনো শংকামুক্ত নন।
এদিকে মারাতœক আহত মহাসিনের স্ত্রী নাজমা বেগম বাদী হয়ে হারুন মল্লিক, জুলফিক্কার সরদার ও আবু সাঈদকে আসামী করে পাইকগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে মামলা করার পর আসামীরা বাদীকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে বলে বাদী নাজমা বেগম জানান।

ডুমুরিয়ায় আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ারের পথসভা ও গণসংযোগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ার মঙ্গলবার ডুমুরিয়ার বিভিন্ন স্থানে পথসভাসহ গণসংযোগ করেছেন। এসময় তিনি সাধারণ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নৌকা প্রতিকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। বিকালে ডুমুরিয়ার ৫ নম্বর আটলিয়া ইউনিয়নের বরাতিয়া বিশ্বাস বাড়ি, কাঁঠাল তলা বাজার, চুকনগর বাজার, নদিয়া গ্রাম, রোস্তমপুর, আধারমানিক, গোলাপদহ, সুন্দরবুনিয়া, কুলবাড়িয়া, মঠবাড়িয়া, গোবিন্দকাটিসহ বিভিন্ন স্থানে তিনি গণসংযোগ করেন। তার সাথে ছিলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার ৫ নং আটলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট প্রতাপ রায়, সিদ্দিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম ,আফসার হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আক্তার বিশ্বাস, হাসান আলী বিশ্বাস মোসলেম উদ্দিন বিশ্বাস, সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর হালদার, বিপ্লব দাস, রবিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, মোকছেদ আলী বিশ্বাস, আক্তার বিশ্বাস প্রমুখ।
গণসংযোগকালে মোস্তফা সরোয়ার বলেন, নৌকা বিজয়ী হলে ডুমুরিয়া উপজেলার প্রত্যেকটি গ্রাম হবে এক একটা শহর এবং এই গ্রামগুলিকে শহরে রূপান্তরিত করতে পারলেই বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে আরো সমৃদ্ধশালী হবে। আমার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের ভাগ্যের উন্নয়নে আমি কাজ করে যাবো, ইনশাআল্লাহ। ডুমুরিয়া ও এর মানুষের জন্য আমি আমার জীবন উৎসর্গ করতে চাই। তিনি রস্তোম পুর গ্রামে মসজিদে আসরের নামাজ আদায় শেষে রস্তোম পুর গ্রামের শাহবুদ্দিন সরদারের জানাজায় শরিক হন।

কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আদালতের শোকজ
ফুলতলা প্রতিনিধি
কৃষ্ণনগর এম বি বি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিধি বর্হিভূত ভাবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করেছে। আগামী ১ মাসের মধ্যে ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে জবাব দেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
খুলনার সহকারী জজ আদালতে দায়েরকৃত মামলা (নং-দেওয়ানী ১২৪/১৯) এ জানা যায়, বিল ডাকাতিয়ার ফুলতলা-ডুমুরিয়ার মধ্যবর্তি স্থানে অবস্থিত কৃষ্ণনগর এম বি বি এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে বিধি বর্হিভূত ভাবে নিয়োগের জন্য কমিটির অধিকাংশ সদস্যের মতামত না নিয়েই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রশান্ত মন্ডল নিয়োগ দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে পছন্দের প্রার্থী বিচরণ হালদার ও বিমান কুমার রায় এর কাছ থেকে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন। যাদের বিরুদ্ধে শিক্ষক হিসেবে অযোগ্য ও অদক্ষতার অভিযোগ রয়েছে। নিয়োগ স্থাগিতাদেশ চেয়ে পরিচালনা কমিটির বিদ্যুৎসাহি সদস্য বিপুল বৈরাগীর আবেদনের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত আগামী ১ মাসের মধ্যে ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাবিত্রী রানী ঘরামীকে জবাব দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। অপরদিকে নিয়ম কানুন ঠিক রেখে দ্রæত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রশান্ত মন্ডল মুঠোফোনে জানিয়েছেন।

জেলা ছাপাখানা শ্রমিক ইউনিয়ন শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা ছাপাখানা শ্রমিক ইউনিয়ন, রেজিঃ ২১৫১ এর সদস্য শেখ আমিনুল ইসলাম নিজস্ব বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মরহুমের বিদেহি আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা ছাপাখানা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা, দৈনিক দেশ সংযোগ পত্রিকার সম্পাদক ও মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা জেলা ছাপাখানা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আজিজুল হাসান দুলু, কাকন প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন্স এর সত্বাধিকারী মোঃ নাসির উদ্দিন। মোঃ রিয়াজুল আলম পান্নু, মমতাজুল হাসান হেলাল, মতিয়ার রহমান, এস এম শামীমুর আলম মান্দার, ইব্রাহীম শিকদার, মহিদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, মোঃ সুজন মোঃ মামুন মোঃ জিহাদ মোঃ সালাম, লাল মিয়া (লালু), মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবিব), মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ জুম্মান, মোঃ জিয়া, সাইফুল ইসলাম শাহিন, মোঃ জিহাদ, মোঃ সালাম, মোঃ রাজু আলম শামীম, মোঃ মুন্না, মোঃ আমিনুর রহমান মোঃ শাহ-আলম, সানাউল্লাহ সানি, মোঃ আজিজুল হক, মোঃ আজিম, মনির হোসেন, মেহেদী হাসান, মোঃ রাব্বি, মোঃ ইউসুফ হোসেন (রাহুল), মোঃ ইব্রাহীম, মোঃ টিপু আহম্মেদ, মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।
আজ বাদ আসর মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে স্যার ইকবাল রোডস্থ হোটেল আরাফাত গলি মসজিদে দোয়া-মাহফিল, অনুষ্ঠিত হবে। দোয়া মাহফিলে খুলনা জেলা ছাপাখানা শ্রমিক ইউনিয়নে অন্তর্গত সকল ইউনিটের সদস্যদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

মোড়েলগঞ্জে ৩টি হত্যা মামলায় ভূয়া তাঁতী লীগ নেতা গ্রেফতার
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশ হাফিজুর রহমান ওরফে লাভলু সরদার(৪০) নামে ভূয়া এক তাঁতী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ২০১৫ ও ২০১৭ সালের ৩টি হত্যা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ ৭-৮টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামের ইছাহাক আলী সরদারের ছেলে লাভলু নিজেকে খুলনা মহানগর তাঁতী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বলে দাবি করেছেন। তবে, তাঁতী লীগ খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, লাভলু সরদার তাঁতী লীগের কেউ নন। ভুয়া পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে। তাকে খুলনা থেকে তাড়ানো হয়েছে।
থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, লাভলু সরদার দৈবজ্ঞহাটি এলাকার ছরোয়ার শেখ, রশিদ শেখ ও আনোয়ার হত্যা মামলায় চার্জশীটভ‚ক্ত ও ওয়ারেন্টি আসামি।
ওসি আরো বলেন, এই হত্যা মামলাগুলো ছাড়াও তার বিরুদ্ধে খুলনায় একটি চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। মোড়েলগঞ্জ থানায়ও রয়েছে আরো অনেক মামলা।
একই রাতে থানা পুলিশ কচুবুনিয়া গ্রামের হৃদয় কৃতি(৪০) নামে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি ও ওই রাতে নিশানবাড়িয়া থেকে উচ্চস্বরে মাইক বাজানোর অপরাধে অপর ৬ যুবককে আটক করে বাগেরহাট কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

শিরোমণিতে ছিনতাইকারী আটক
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি কেডিএ আবাসিক এলাকা থেকে সোমবার গভীর রাতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর ব্যাগ ছিনতাই কালে স্থানীয়রা ছিনতাইকারী শিরোমণি মধ্যপাড়া আব্দুল বাশার শেখের পুত্র আশিকুর রহমান (২৮) আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ছিনতাইকারী আটকের পর সংবাদ পেয়ে গতকাল সকাল ৯টায় গিলাতলা দক্ষিণ পাড়া এলাকার আব্দুস সালামের বোন রুপা থানায় এসে ছিনতাইকারীকে চিন্নিত করে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ছিনিয়ে নেয়া ব্যাগের মালামাল খানজাহান আলী থানার এ এস এই শাহাবুদ্দিন উদ্ধার করে। ছিনতাইকারী আশিকুর এলাকায় বিভিন্নচুরি,ডাকাতি, ছিনতাই এর সাথে জড়িত বলে পুলিশ জানায়। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে।

নগর আ’লীগের নির্বাহী কমিটির সভা আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভা আজ বুধবার। মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ আহবান জানিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান।

কারামুক্তি দিবসে নেতৃবৃন্দ
আ’লীগ সুসংগঠিত ছিলো বলেই শেখ হাসিনাকে সেনা সমর্থিত সরকার মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিলো
খবর বিজ্ঞপ্তি
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের এই দিনে তাঁর বিরুদ্ধে করা তৎকালীন অগণতান্ত্রিক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের করা সবগুলো মামলায় জামিন পেয়ে মুক্তি পান তিনি। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে দু বছর ধরে অবরুদ্ধ থাকা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মুক্তির দ্বার উন্মোচিত হয়।
দিবসটি পালন উপলক্ষে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান। সভা পরিচালনা করেন, মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।
এসময়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন দেশ ও জনগণের জন্য জীবনবাজী রেখে আন্দোলন করেছেন; তেমনি তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাও পিতার ন্যায় দেশের জন্য জীবনকে হাতে নিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, কোন আন্দোলনকে বেগবান করতে হলে সর্ব প্রথমে দলকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করতে হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত ছিলো বলেই প্রিয়নেত্রী শেখ হাসিনাকে সেনা সমর্থিত সরকার মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিলো। সেজন্যে সব কিছু ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলকে সুসংগঠিত করতে হবে।
এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. এম এম মুজিবুর রহমান, কাজী এনায়েত হোসেন, এ্যাড. সুজিত অধিকারী, এমডিএ বাবুল রানা, আবুল কালাম আজাদ কামাল, কামরুজ্জামান জামাল, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, আবুল কাশেম মোল্লা, শফিকুর রহমান পলাশ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বেগ লিয়াকত আলী, এ্যাড. রজব আলী সরদার, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, শেখ ফজলুল হক, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, হালিমা ইসলাম, অধ্যা. মিজানুর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, মোকলেছুর রহমান বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, রনজিৎ কুমার ঘোষ, আব্দুর রাজ্জাক, রফিকুল ইসলাম পিটু, সাব্বির আহমেদ শুভ, আব্দুল হাই পলাশ, মঈনুল ইসলাম নাসির, গাজী মোশাররফ হোসেন, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, গোপাল চন্দ্র সাহা, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, সরদার আব্দুল হালিম, শেখ মো. রুহুল আমিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মহাসিনুর রহমান আফরোজ, ইউসুফ আলী খান, শেখ এশারুল হক, মো. জাকির হোসেন হাওলাদার, মো. শিহাব উদ্দিন, শরীফ এনামুল কবীর, এস এম আকিল উদ্দিন, মো. মোতালেব মিয়া, মামনুন রশীদ, ইলিয়াছ হোসেন লাবু, ফারুক হোসেন তুরান, এ্যাড. ফারুক হোসেন, জেসমিন সুলতানা, মামনুরা জাকির খুকুমনি, আলীমুল জিয়া, মাসুদ হোসেন সোহান, রনবীর বাড়ৈই সজল, মাহমুদুর রহমান রাজেশ সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ফুলতলায় চোরাই মাহেন্দ্র উদ্ধার: আটক ৩
ফুলতলা প্রতিনিধি
থানা পুলিশ ফুলতলা বাসষ্টান্ড থেকে চুরি যাওয়া মাহেন্দ্র গাড়ী (নং-খুলনা মেট্রো-থ-১১-০৯০১) সোমবার দিবাগত রাতে মিছরী দেওয়ান শাহ সড়ক থেকে উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হলে চুরি ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে গাড়াখোলা গ্রামের আমিনুল গাড়ী (২৪), একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র ইকলাজ হাওলাদার (৩৫) এবং দামোদর গ্রামের হেমায়েত খন্দকারের পুত্র রুবেল খন্দকার (২৬)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহমুদ জানান, আটককৃতদের মধ্যে আমিনুল গাজী আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী প্রদান করে।

খুলনায় রেলভূমি ব্যবহারকারীদের বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় রেলভূমি ব্যবহারকারীদের বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামী ৩০জুনের মধ্যে তাদের লাইসেন্স ফিসহ সকল বকেয়া টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়। এ জন্য বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।
১৮নং কাচারী সূত্র জানায়, আগের চেয়ে বকেয়ার পরিমান অনেক কম রয়েছে। ব্যবসায়ীসহ রেলভূমি ব্যবহারকারীরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে ডিডির মাধ্যমে তাদের পাওনা পরিশোধ করছেন। আগের মত এখন আর তাদের বিড়ম্বনার ও হয়রানির শিকার হতে হয় না। রেলভূমি ব্যবহারকারীরা আসা মাত্র তাদের কাজ মিটিয়ে চলে যাচ্ছেন। ৩০জুনের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল ক্রোকসহ উচ্ছেদ করা হবে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বর্তমান কানুনগো মো. মনোয়ারুল ইসলাম এখানে যোগদান করার পর কাজে গতিশীল, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরে আনছে। সততার সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
কাচারীর কানুনগো মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খুলনা ব্যবসায়ীরা বেশ ভালো তারা নিজেরা এসে পাওনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে রেলের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদকসহ তিন এনজিও কর্মকর্তাকে কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন ও বন্ধ হয়ে যাওয়া এনজিও চলন্তিকা যুব সোসাইটির তিন কর্মকর্তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। আজ বুধবার তাদের রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ‘চলন্তিকা যুব সোসাইটি’ নামের এনজিওর আমানতের ৩১ কোটি ৫৯ লাখ ৫৭ হাজার ৭৪০টাকা আত্মসাতের মামলায় তারা গ্রেফতার হয়েছেন।
জানা গেছে, খুলনার হোটেল সিটি ইনের সামনে থেকে সোমবার ঢাকা সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের সদস্যরা প্রথমে দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটনকে এবং পরে শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে চলন্তিকা যুব সোসাইটির নড়াইলের কালিয়া শাখার জিএম-২ মিলন দাস, নড়াইলের বড়দিয়া শাখার এজিএম সজল দাস এবং একই শাখার ডিএম প্রনব দাসকে গ্রেফতার করে। ওই দিন বিকেলে তাদের নড়াইল জেলার কালিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম স্কোয়াডের এসআই অলোক চন্দ্র হালদার বাদি হয়ে সোমবার কালিয়া থানায় বেসরকারি সংস্থা চলন্তিকা যুব সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. খবিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক মো. সারোয়ার হুসাইন, সাবেক গণ সংযোগ কর্মকর্তা খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক মিলটন ও চলন্তিকা যুব সোসাইটির নড়াইলের কালিয়া শাখার জিএম-২ মিলন দাস, নড়াইলের বড়দিয়া শাখার এজিএম সজল দাস এবং একই শাখার ডিএম প্রনব দাসসহ
১৬জনকে আসামি করে (অজ্ঞাত অনেকে) মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত চলন্তিকা যুব সোসাইটি নামে একটি এনজিও গ্রাহকদের কাছ থেকে (রেজি নং-কে-১১০/০৪) কালিয়া উপজেলার কালিয়া, গাজীরহাট, বড়দিয়া, মহাজন এলাকা, সদর উপজেলার রূপগঞ্জ শাখায় ১৬ কোটি ৭৯ লাখ ৫৭ হাজার ৭৪০টাকা এবং বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার বেতাগা ও কাটাখালি শাখার ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা, চালনা ও ডুমুরিয়া এলাকায় বিভিন্ন শাখা অফিস থেকে ১০ কোটি টাকার ডিপিএস এবং এফডিআর-এর নামে অর্থ গ্রহন করে। এছাড়া চলন্তিকার যুব সোসাইটির অপর একটি প্রতিষ্ঠান নড়াইলের কালিয়ায় চলন্তিকা কৃষি সমবায় সমিতি নামে কৃষকদের ৩০ লাখ টাকা গ্রহণ করে। এনজিওটির প্রধান কার্যালয় ছিল খুলনার সোনাডাঙ্গায়। কালিয়া থানায় গ্রাহকের মামলার ভিত্তিতে সিআইডি তদন্ত শুরু করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক(এসআই) অনুপ কুমার দাস সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের নড়াইল(কালিয়া) সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন চাওয়া হয়েছে। বুধবার রিমান্ড শুনানী অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম স্বপদে বহাল
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় শ্রমিক লীগ খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলামকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে। তিনি অসুস্থতার কারণে সাংগঠনিক কর্মকান্ড থেকে সাময়িক অব্যবহতি নিয়েছিলেন। সুস্থ হলে গতকাল মঙ্গলবার অব্যহতি প্রত্যাহার করে স্বপদে বহাল করা হয় এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেন বলে সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. পীর আলী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির ঈদ পুনর্মিলনী শুক্রবার
স্টাফ রিপোর্টার
বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির ঈদ পুন:মিলনী আগামী ১৪ জুন শুক্রবার। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ৪নং ঘাট টার্মিনাল ভবনে সদর থানা শাখা এর আয়োজন করে।
সভাপতিত্ব করেন সদর থানা শাখার সভাপতি মো. আকবর আলী। বক্তৃতা করেন মো. জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় মহাসচিব মো. আজগর হোসেন, শেখ মো. ইকবাল হোসেন, মো. সোহেল রানা মোল্লা, মো. ফরিদ আহমেদ, সালাউদ্দিন ও মো. শাহ আলম।
সভায় আগামী ১৪ জুন শুক্রবার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

খুলনায় রেলভূমি ব্যবহারকারীদের বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় রেলভূমি ব্যবহারকারীদের বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামী ৩০জুনের মধ্যে তাদের লাইসেন্স ফিসহ সকল বকেয়া টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়। এ জন্য বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।
১৮নং কাচারী সূত্র জানায়, আগের চেয়ে বকেয়ার পরিমান অনেক কম রয়েছে। ব্যবসায়ীসহ রেলভূমি ব্যবহারকারীরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে ডিডির মাধ্যমে তাদের পাওনা পরিশোধ করছেন। আগের মত এখন আর তাদের বিড়ম্বনার ও হয়রানির শিকার হতে হয় না। রেলভূমি ব্যবহারকারীরা আসা মাত্র তাদের কাজ মিটিয়ে চলে যাচ্ছেন। ৩০জুনের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল ক্রোকসহ উচ্ছেদ করা হবে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বর্তমান কানুনগো মো. মনোয়ারুল ইসলাম এখানে যোগদান করার পর কাজে গতিশীল, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরে আনছে। সততার সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
কাচারীর কানুনগো মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খুলনা ব্যবসায়ীরা বেশ ভালো তারা নিজেরা এসে পাওনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে রেলের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাটে তাঁতী দলের প্রতিনিধি সভা
বাগেরহাট সংবাদদাতা 

বাগেরহাট জেলা তাঁতীদল প্রতিনিধি সভায় তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির প্রধান প্রতিনিধি সভায় ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী নয়, জন্ম-মৃত্যু যেমন সত্য তেমনি ক্ষমতার পালাবদলও।
আজ যারা বিরোধীমতের নেতা-কর্মী সমর্থকদের হামলা, মামলা, গুম, নির্যাতন, খুন, গ্রেপ্তার করছে তারাই তাদের জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। তাদের ক্ষমতা থেকে অল্প দিনেই বিদায় নিতে হবে ইনশাল্লাহ। নেতা-কর্মীদের বলেন, আপনারা যত নির্যাতিত হবেন সরকারী দল তত জনগন থেকে জন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আজ জনগন খুবই সচেতন।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে প্রতিনিধি সভায় জেলা তাঁতীদলের সাধারন সম্পাদক শেখ জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথি ছিলেন তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফফার আলম, জেলা কৃষকদল সভাপতি আসাফুদৌলা জুয়েল । বক্তৃতা করেন তাঁতীদল জেলা , উপজেলা ও পৌরসভার নেতৃবৃন্দ।

২৩ বছর সাজাভোগের পর খালাসপ্রাপ্ত নারীকে সেলাই মেশিন প্রদান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে একটি হত্যা মামলায় দির্ঘ ২৩ বছর কারা ভোগের পরে মুক্তি পাওয়া মর্জিনা বেগম (৫২) নামের সেই নারী বন্দিকে সেলাই মেশিন প্রদান করেছে বাগেরহাট জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা কারাগার গেটে ওই নারীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন জেল সুপার মোঃ গোলাম দস্তগীর। এসময় জেলার এসএম মহিউদ্দিন হায়দার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসার এসএম নাজমুস সাকিবসহ জেলা কারাগারের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মর্জিনা বেগম মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুয়াবাড়িয়া গ্রামের সাহেব আলী শেখের স্ত্রী।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ২০ জুলাই স্বামীর বাড়িতে নিজ স্বতীনকে হত্যা করে দুই কন্যা সন্তানের জননী মর্জিনা বেগম। ওইদিনই পুলিশ মর্জিনাকে গ্রেফতার করে। পরে ২১ জুলাই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয় তাকে। পরে মামলার স্বাক্ষি-প্রমান শেষে আদালত মর্জিনাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেন। যশোর কারাগারে ১০ বছর এবং বাগেরহাট কারাগারে অবশিষ্ট সময় কাটান মর্জিনা। মর্জিনার ভাল আচরণের জন্য সাত বছর সাজা কমিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে মর্জিনাকে মুক্তি দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। মর্জিনা বেগম বলেন, জীবনের বেশিরভাগ সময় কারাগারে কাটিয়েছি। এখানে স্যারদে কথামত চলেছি। আজ মুক্ত হয়ে চলে যাচ্ছি। আমি যে সেলাই মেশিনটা পেয়েছি সেটা দিয়ে বাড়ির সামনে একটি দোকান দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ফকিরহাট প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মডেল থানার ওসিকে শুভেচ্ছা
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব এর আহবায়ক কমিটির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় নিজস্ব কার্যালয়ে ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাহিদ শেখ-কে ফুলের শুভেচ্ছা প্রদান ও মতবিনিময় করা হয়েছে। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব এর আহবায়ক শেখ ফারুক হোসেন, সদস্য সচিব শেখ শিহাব উদ্দিন রুবেল, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান দুলু, পি.কে অলোক, এইচ. এম নাছির উদ্দিন, কামরুল আহসান (হিরক), মান্না কুমার দে, আহবায়ক কমিটির সদস্য সুমন দে,শেখ আজমল হোসেন, এম. জাকির হোসেন, মোঃ আলমগীর হোসেন, শেখ মাসুম বিল্লাহ, সরদার মনিরুজ্জাামান মনি, এম এম সি মেহেদী হাসান, ডাঃ মামুন, মোঃ বাদশা আলম, মিজানুর রহমান, কামরুল ইসলাম, সাগর মল্লিক, মোঃ আসিফ যুবায়ের অভি সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

অটিজম ভয়েস ফাউন্ডেশনের প্রথম সভা আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
হামিদা খানম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়াপারসন ও বিশিষ্ট সমাজসেবক হামিদা খানমকে সভাপতি করে অটিজম ভয়েস ফাউন্ডেশনের খুলনা বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ঝুমুর বেগম, রাফিয়া ইসলাম, হিমায়েতুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, রেজওয়ানা ইসলাম, মাহফুজা আক্তার, তানজিল হাসান, জুয়েল মুন্সী, রুমন মিয়া। উক্ত কমিটির প্রথম সভা বুধবার বিকাল ৪টায় সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে । সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ।

শরণখোলায় কৃষকের জমি দখল করতে প্রতিপক্ষের গুলির নাটক
শরণখোলা প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় কৃষকদের চাষাবাদের জমি দখলের জন্য গুলির নাটক সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১১ জুন (মঙ্গলবার) দুপুরে শরণখোলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার জানেরপাড় গ্রামের বাসিন্দা কৃষক ফরিদ আহমেদ খান এমন অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, আসন্ন আমন মৌশুমকে সামনে রেখে তিনি সহ তার এলাকার ১৯ জন কৃষকের ভোগদখলীয় চাষাবাদের ১৭.৮৫ একর ফসলী জমি জবর দখল করতে স্থানীয় প্রভাবশালী মহারাজ হাওলাদার, রফিকুল হাওলাদার, শাহ আলম হাওলাদার, আমির হাওলাদার ও ইব্রাহীম হাওলাদার সহ একটি চক্র ৬ জুন (শুক্রবার) গভীর রাতে গুলির নাটক সাজিয়ে প্রতিপক্ষ রফিকুলকে আহত দেখান। ওই ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের ফাঁসাতে ফরিদ খানের ভাই আশরাফুল খানের বিরুদ্ধে গুলির করার অভিযোগ তুলে নতুন করে তাদের জব্দ করতে প্রশাসন সহ সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা অভিযোগ করেন। জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তার ভাই আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০১৪ সালে মহারাজ গ্রæপের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রতিশোধের পাশাপাশি তাদের ভোগদখলীয় জমি দখল করতে নতুন করে গুলির নাটক সাজিয়ে তাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মহারাজ গ্রæপ। এছাড়া মহারাজ চক্রের সদস্যরা এলাকায় জমি দখল, ভ্যান রিকশা সহ বিভিন্ন বসত বাড়ীতের চুরি ডাকাতির ঘটনা ঘটাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানো হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন ফরিদ। তাই প্রতিপক্ষ রফিকুলের পায়ের গুলির ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে মহারাজ গ্রæপের নানা মুখি ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান কৃষক ফরিদ। এমনকি মহারাজ গ্রপের একাধিক মিথ্যা মামলায় স্থানীয় কৃষকরা ইতোপূর্বে বহু হয়রানি শিকার হয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে মহারাজ হাওলাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রফিকুলের বাড়ীতে গভীর রাতে গুলির ঘটনার কিছুই জানেন না তিনি। এছাড়া সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাইরে ঠিকাদারী কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। ফরিদসহ একটি মহল সমাজে তার মান সম্মান নষ্ট করতে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ করেছেন এবং তার নের্তৃত্বে ওই এলাকায় কারও সম্পত্তি দখল করার প্রমান নেই। এমনকি ফরিদ ও তার পরিবার ইতোমধ্যে একাধিক হয়রানি মুলক মামলায় তাকে আসামী করেছেন।

মণিরামপুর বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের উচ্ছেদ অভিযান
মণিরামপুর প্রতিনিধি
মণিরামপুর বাজারের প্রধান সড়কের দুই পাশের ফুটপাত ও কাঁচাবাজারের প্রবেশ পথে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান এই অভিযান চালান। এসময় আদালত মালামাল জব্দকরাসহ কয়েকজন ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন।
এদিকে অভিযানের খবর পেয়ে দোকান ছেড়ে সটকে পড়েন দোকানিরা। পরে আদালত ওইসব দোকান থেকে কয়েক ভ্যান পণ্য জব্দ করেন।
আদালতের বেঞ্জ সহকারী আব্দুল মান্নান বলেন, বাজারের প্রধান সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে ফলের দোকানসহ বিভিন্ন দোকান বসায় যানবাহন এবং জনসাধারণের চলাচলে বিঘœ ঘটছে। সেইসব দোকান উচ্ছেদ করতে অভিযান চলানো হয়।
পথচারীরা জানান, ফুটপাতের এসব দোকানের জন্য বাজারের অংশে প্রধান সড়কে সবসময় যানজট লেগে থাকে। পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কষ্ট হয়ে পড়ে।
আদালত অভিযান চালিয়ে চলে যাওয়ার পর কয়েকদিন ভাল থাকে, এরপর আবার একই চিত্র দেখা যায় বলে অভিযোগ পথচারীদের। তাদের অভিযোগ, শুধু প্রধান সড়কের দুই পাশ নয়, বাজারের ভিতরের বিভিন্ন অংশে দোকানের সামনের রাস্তা দখল নিয়ে দোকানদাররা ব্যবসা করছেন। সেখানে অভিযান পরিচালনার দরকার।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান বলেন, জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চলবে।

ঝিনাইদহে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে তিন দিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। পরে এক আলোচনা সভা অুনুষ্ঠিত হয়। সেসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জি এম আব্দুর রউফ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এাড: আব্দুর রশিদ, উপজেলা কৃষি অফিসার মোফাকখারুল ইসলাম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি সাজেদুল ইসলাম সোম, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরষ্কার প্রাপ্ত গ্রীণ চাষী ইদ্রিস আলী। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রোকনুজ্জামান। সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে তিন দিন ব্যাপী এ মেলায় ১৫ টি স্টল স্থান পেয়েছে। মঙ্গলবার শুরু হওয়া মেলা চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

আহাদ খানের দুটি কিডনি নষ্ট
চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
খানজাহান আলী থানা মহসেন জুট মিলস শ্রমিক কলোনী এলাকার আফরাত আলী ( আবু খা) এর পুত্র আঃ আহাদ খাঁন কিডনির রোগে আক্রান্ত, তার দুটি কিডনিই নষ্ট। চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন, বর্তমানে ফরিদপুর কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ স্বপন কুমারের চিকিৎসাধীন আছেন। তার দুটো কিডনি নষ্ট হওয়ার জন্য প্রতি সপ্তাহে ডাইলোসিস করার প্রয়োজন হয় । প্রতি সপ্তাহে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা চিকিৎসা খরচ তার দিন মজুর দরিদ্র পিতা বা পরিবারের পক্ষে বহন করা অসম্ভব । আহাদ খানের আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে । তার পিতা আফরাত খান ও বড় ভাই মোস্তফা খান একান্ত নিরুপায় হয়ে আহাদের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান দের নিকট সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। যোগাযোগ ও বিকাশ নম্বর ঃ ০১৯৩৭-১৩৯৮৭৫ ব্যাংক একাউন্ট নং ২২০৮২১১০০৮১২৯ প্রাইম ব্যাংক বোয়ালমারী শাখা ।

কেশবপুরে দলিতদের জন্য সমবন্টন দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান
কেশবপুর প্রতিনিধি
কেশবপুরের সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ঘোষিত বাজেটে দলিতদের জন্য সমবন্টন বিষয়ে আলোচনা সভা ও স্মারক লিপি প্রদান মঙ্গলবার দুপুরে দলিতের বাস্তবায়নে ও একশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলিতের প্রজেক্ট ম্যানেজার উজ্জ্বল মন্ডলের সভাপতিত্বে ও সিডিও দুলাল চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, ইউপি সদস্য কাজী মহব্বত হোসেন, দলিতের সহকারী মনিটরিং অফিসার যোয়াকিম মন্ডল ও দলিত নেতা সুজন দাস। আরো বক্তব্য রাখেন দলিত প্রতিনিধি শান্তনা দাস ও ধর্না রানী দাস। আলোচনা সভা শেষে দলিত কমিউনিটির পক্ষ থেকে বাজেটে দলিতদের জন্য অর্থ সমবন্টনের দাবীতে ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত-র নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

কেশবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহীনকে বিদায় সংবর্ধনা
কেশবপুর প্রতিনিধি
কেশবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ আবু শাহীন সাতক্ষীরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক পদোন্নতি পেয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে শহরের ক্যাফে ডে লাইটে ডাঃ শেখ আবু শাহীনের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.আর. সাঈদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্তের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিদায় সংবর্ধনা ও পদোন্নতি প্রাপ্ত ডাঃ শেখ আবু শাহীন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কৃষ্ণপদ দাস, যুগ্ম-সম্পাদক গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও মেহেদী হাসান জাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন কুমার দে, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু, প্রচার সম্পাদক সোহেল পরভেজ, কোষাধ্যক্ষ উজ্জ্বল অধিকারী, সদস্য শফিকুল ইসলাম সুইট, হারুনার রশিদ বুলবুল, শামীম রেজা, আলমগীর হোসেন, আতিয়ার রহমান, শংকর দত্ত, জাকির হোসেন সবুজ, রেজোয়ান হোসেন লিটন, আবুল বাসার, মনিরুজ্জামান মনি, সৈয়দ রিফাত, জাকির হোসেন প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here