উত্তপ্ত রাজনীতিতে শীতল হাওয়া

0
84

বিশিষ্টজনরা সংলাপকে ইতিবাচক দেখলেও বিএনপিতে রয়েছে শঙ্কা: নির্বাচনের ‘কাউন্ট ডাউন’ শুরু: ব্যস্ত সময় পার করছেন ইসি

আসাদুজ্জামান ইমন, ঢাকা
বেশ কয়েকদিন যাবত শীতল হাওয়া বইছে প্রকৃতিতে। হালকা কুয়াশা শীতের আগমনী বার্তাও দিয়েছে। এরই মধ্যে উত্তপ্ত রাজনীতিতেও শীতল হাওয়া বইয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। নানা সময়ে সংলাপের কথা নাকচ করে আসলেও হুট করে সোমবার তিনি এতে সম্মত হন। আর এতেই বরফ গলে রাজনীতির। সম্মত হওয়ায় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধির পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি অংশ নেবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অপরদিকে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিকমহল থেকে চায়ের দোকানেও চলছে আলোচনার ঝড়। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে। নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনও (ইসি) প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে। সোমবার দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সংসদ নির্বাচনের বিশাল এ কর্মযজ্ঞের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনকে আমন্ত্রণপত্রে ড. কামালকে ধন্যবাদও দিয়েছেন শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে ড. কামালের বেইলি রোডের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ। বেশ কয়েক সপ্তাহ যাবত রাজনীতির নানা সমীকরণে মানুষের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছিল। যুক্তফ্রন্ট, ঐক্য পক্রিয়াসহ নানা জোট নানা প্রক্রিয়ায় ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ নামে মিলিত হয়ে সিলেট ও চট্টগ্রামে সমাবেশ করেছে। ৭ দফা দাবিও উপস্থাপন করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
খালেদা জিয়ার রায়, জামায়াত নিষিদ্ধের প্রক্রিয়াসহ নানা কারণে রাজনীতিতে গুমোট ভাব ছিল। একটা অজানা আতঙ্ক কাজ করছিল মানুষের মাঝে। রাজনীতির এ ভাবনার জট খুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সংলাপে সম্মত হলেন। দলের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলন করে সেটি জানিয়ে দিলেন, এবং সর্বশেষ সংলাপের দিনক্ষণ ঠিক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে গতকাল সকালে চিঠিও পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঐক্যফ্রন্টও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং গণভবনের সংলাপে তাদের জোট থেকে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল থাকার জানিয়েছে। বিশিষ্টজনরাও এ সংলাপকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন। তারা মনে করেন, এতে জনগণও স্বস্তি পাচ্ছে। তারাও (জনগণ) তো চায় রাজনৈতিক সমঝোতা হোক। শান্তিপূর্ণ একটা পথ চলা শুরু হোক। ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রধান নির্বাহী ইফতেখারুজ্জামান গনমাধ্যমকে বলেন, এটা দেশবাসীর জন্য একটা সুসংবাদ। একটা সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বা অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, আশা করা ঠিক না। আমরা আশা করব, সংলাপে যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে হয়। যদি সংলাপটি সফল হয়, ফলাফল যাই হোক না কেন একটি পদক্ষেপ ইতিবাচক হিসেবে দাঁড়াবে। এর মধ্য দিয়ে আরও সম্ভাবনার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি বলেন, এই সংলাপের আমন্ত্রণের মাধ্যমে আরেকটি বিষয় প্রতিষ্ঠিত হলো, রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নাই। কারণ দু’দিন আগেই বলা হয়েছিল, কোনো সংলাপের সুযোগ নাই। যে প্রেক্ষাপটেই হোক, যেহেতু সংলাপের সূত্রপাত হলো, এটা অব্যাহত থাকলে ভালো একটি ফল আসবে। এ বিষয়ে অধ্যাপক আমেনা মোহসিন বলেন, আমি ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। সংলাপ তো হতেই হবে। সামনে সমস্ত কিছুকে বিবেচনায় নিয়ে তারা একমত হয়েছে। জনগণের মধ্যেও তো শঙ্কা আছে। জনগণও চাচ্ছে, দুই দল ছাড় দিয়ে যদি সমঝোতায় যায় ভালো। এটি সবার জন্য কল্যাণকর হবে। এদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য এটি প্রয়োজন ছিল। সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে (কৌশলে), আপাতত আন্দোলনের পথ বন্ধ হওয়ায় অনেকে যেমন ধরাশায়ী হয়েছেন, আবার সংলাপ সফল হলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের রাস্তাও উন্মুক্ত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোনো নেতা এখনই মুখ খুলতে চাননি। নাম না প্রকাশ করার শর্তে একজন নেতা বলেছেন, ‘শেষ খেলা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
সংলাপে রাজি হওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সোমবার বিকেলে মতিঝিলে নিজের চেম্বারে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, ‘আমরা সংলাপ চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। এতে সাড়া দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আমরা দলটির এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ এর আগে গত রোববার বিএনপিকে নিয়ে জোট করা প্রবীণ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে সংলাপের আহŸান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে পৃথক চিঠি দেন। সেই চিঠির বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনির্ধারিত আলোচনা হয়। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী সংলাপের বিষয়ে সম্মতি দেন। পরে বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওবায়দুল কাদের জানান, ‘আমি আপনাদের ও পুরো জাতিকে সারপ্রাইজ দেব। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিক্রমে এই সুখবর জানাব। এ খবরে রাজনীতির মাঠে শান্তির বাতাস বইবে বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি সংলাপের বিষয়ে দলীয় সভাপতির সম্মতির কথা জানান।
পরে রাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঐক্যফ্রন্ট নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টুকে টেলিফোন করে সংলাপের জন্য ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে মহসিন মন্টু তার জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সময় দিবেন বলে জানান। সংবাদমাধ্যমকে মহসিন মন্টু ওই সময় বলেন, ‘সংলাপের সময় এখনো নির্ধারণ হয়নি। তবে মঙ্গল অথবা বুধবার হতে পারে। আমাদের জোটের ১৫ সদস্য এতে অংশ নিতে পারেন।’
সর্বশেষ মঙ্গলবার সকালে সংলাপে বসতে আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নৈশভোজের আহŸান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তার ওই চিঠিতে ‘সংবিধান সম্মত’ বিষয়ে আলোচনার কথা বলা হয়েছে। এর আগে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের পূর্বশর্ত ছাড়া সংলাপের কথা বলেছেন। সেক্ষেত্রে এই সংলাপ চলমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরনে কতটা সহায়ক হবে সেটা দেখার জন্য আরো কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।
সংলাপ নিয়ে শঙ্কায় বিএনপি!
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধির পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি অংশ নেবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার রায়ের পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদিকে খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধির রায় অন্যদিকে সংলাপের আহŸান। এর থেকে বোঝা যাবে এই সংলাপ কতটুকু আন্তরিক এবং সংলাপ কতটুকু ফলপ্রসূ হবে এ সম্পর্কে জনমনে যে জিজ্ঞাসা-প্রশ্ন, সেটা অবশ্যই একটা আশঙ্কা। সংলাপে যাচ্ছেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, এখনই বলতে পারছি না, আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। তিনি বলেন, আমরা মনে করি এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, আমরা মনে করি এই রায়ে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন। আমরা এই রায় সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি এবং জনগণই বিচার করবে ভবিষ্যতে।
নির্বাচনের ‘কাউন্ট ডাউন’ শুরু
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে চায়ের দোকানেও চলছে আলোচনার ঝড়। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে। নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনও (ইসি) প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে। সোমবার দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সংসদ নির্বাচনের বিশাল এ কর্মযজ্ঞের ক্ষণ গণনা শুরু হলো। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রাক-প্রস্তুতির প্রায় সবই সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, এরই মধ্যে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, তিনশ আসনের সীমানা নির্ধারণ, ৪০ হাজার ১৯৯টি ভোটকেন্দ্র এবং ২ লাখের বেশি ভোট কক্ষের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সচিব আরো বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭’শ কোটি টাকা। খাতভিত্তিক ব্যয়ের জন্য নির্বাচন কমিশন অনুমোদন দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক নির্বাচন সামগ্রী ক্রয় করে গুদামজাত করা হয়েছে। অবশিষ্টগুলো ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই কেনা হবে। এছাড়া, ৩১ অক্টোবর আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করবে ইসি। এরপর ১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করে নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে তাকে অবহিত করা হবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার পর বৈঠক করে নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক করে তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানান ইসি কর্মকর্তারা
ভোটার
ইসির সর্বশেষ প্রকাশিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ২৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩২৯ জন ও নারী ৫ কোটি ১৬ লাখ ৪৩ হাজার ১৫১ জন। তবে তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত যারা ভোটার হবেন তারাও ভোট দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্র ভোটার সংখ্যা আরো কিছু বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ইসি কর্মকর্তারা। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রতি মাথা পিছু ব্যয় ৮ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল ইসি। কিন্তু, ওই হারে প্রার্থীরা টাকা ব্যয় করেছিলেন কিনা তা মনিটরিংয়ে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। এবারও একইভাবে রাখা রয়েছে।
ইভিএম
সংসদ ভোটে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের আইনি ভিত্তি পেলেই তা ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। তবে সেটি কম সংখ্যক ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সেনা মোতায়েন
এছাড়া এই কমিশনার বলেন, ‘আমরা আশা করছি, যেকোনো কারণে যদি প্রয়োজন হয়, ভোটারদের আস্থা আনার জন্য অথবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য, সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হয়, আমরা করব।’ আগের সব নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে একটা আস্থার বিষয় আছে। সেটা হচ্ছে জনগণ মনে করে সেনাবাহিনী থাকলে ভালো হবে। এই প্রত্যাশার জন্যও মাঝে মাঝে নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি নির্বাচনে।’
অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল
এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংশোধিত আরপিও অনুমোদন পেলে এটিও কার্যকর করবে কমিশন। তফসিলের পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল তৈরি প্রভৃতি। আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। এর ৯০ দিন আগে থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে। এই হিসাবে কমিশন চাইলে ২৮ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন তফসিল ঘোষণা করতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here