শাপলা ফুলের উপকারিতা

0
52

মিলি রহমান
গ্রামের হাওড়, বাওড়, বিল, পুকুর নদীতে দেখা যায় শাপলা। পানির ওপর তারার মতো চোখ মেলে চেয়ে থাকে অগণিত ফুটে থাকা শাপলা। তার অপরূপ সৌন্দর্য মানুষকে কাছে টানে অজানা আকর্ষণে। জাতীয় ফুল শাপলা শুধু সৌন্দর্য বর্ধনকারীই নয় তরকারি হিসেবে এর কদর বেশ। জলজ এই উদ্ভিদের কাÐ মাটির নিচে থাকে যা শালুক নামে পরিচিত। এর পাতা লম্বা বোঁটাযুক্ত এবং পানির উপর ভাসমান থাকে। কাÐ থেকে লম্বা ডাটা যুক্ত ফুলের কলি বের হয়। মূলত, ফুলের সেই ডাটা তরকারি হিসেবে খাওয়া হয়। শাপলা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী। এতে থাকা নানা উপাদান দেহের কঠিন রোগ সারাতে ও রোগ প্রতিরোধে দারুণ কার্যকরী। আসুন জেনে নেয়া যাক মানবদেহে শাপলার উপকার সম্পর্কে।
১. শাপলাতে থাকা গ্যালিক এসিড এনজাইম ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
২. শাপলাতে থাকা ফ্লেভনল গøাইকোসাইড মাথায় সুচারুরূপে রক্ত সঞ্চালন করতে সাহায্য করে মাথা ঠাÐা রাখে।
৩. শাপলায় বিদ্যমান রাইজোম মানবদেহের বিভিন্ন রোগে যেমন- স্নিগ্ধ কারক, শীতল কারক, পিত্ত ঠাÐাকারী হিসেবে কাজ করে।
৪. শাপলা প¯্রাবের জ্বালাপোড়া, আমাশয় ও পেট ফাঁপায় উপকারী।
৫. প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ও পিত্ত গরম রোধে শাপলা ফুলের শুকনো অংশ ১০ থেকে ১৫ গ্রাম, পাঁচ গ্রাম ধনিয়া আধা গুঁড়া, দুই কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে জ্বাল দিতে হবে। এবার মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে প্রয়োজন মত চিনি সহ দিনে ২ বার ১৫ থেকে ২০ দিন খেলে উপকার হবে।
৬. হৃদযন্ত্রের দুর্বলতায় ও হৃদকম্পন রোগের জন্য ১০ গ্রাম শাপলা ফুলের সঙ্গে পাঁচ গ্রাম গোলাপ ফুল মিশিয়ে দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিতে হবে। এবার ছেঁকে নিয়ে প্রয়োজন মতো চিনি মিশিয়ে প্রতিদিন ২ বার এভাবে ১ মাস নিয়মিত খেলে বিশেষ উপকারে আসবে।
৭. পিপাসা নিবারণের জন্য শাপলা ফুলের শুকনো অংশ ১০ থেকে ১২ গ্রাম এক কাপ পানিতে জ্বাল করে ছেঁকে নিতে হবে। প্রয়োজন মতো চিনি মিশিয়ে ১ মাস ধরে দিনে ২ বার করে খেলে উপকার হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here