বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে ইতিবাচক ট্রাম্প প্রশাসন

0
135

খুলনাঞ্চল ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি কলার’ এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত সোমবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে পারেন। রাশেদ চৌধুরী ১৯৯৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে আসছেন। সেখানে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন।
খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে যে, মার্কিন সরকার একজন রাজনৈতিক আততায়ীকে আশ্রয় দিয়েছে। ২০১৪ সালে ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্টে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন লিখেছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত একজন খুনি রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক রয়েছেন। এ অবিচারের অবসান ঘটতে হবে। রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশি সূত্র জানিয়েছেন রাশেদ চৌধুরী শিকাগো, সিয়াটল, আটলান্টাসহ ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন শহরে বসবাস করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন যৌথভাবে দ্য কলারকে জানিয়েছেন, রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে ইতিবাচক আভাস পেয়েছেন। গত জুলাই ও আগস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র ও বিচার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়। রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন ডেইলি কলারকে বলেন, এক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন এগিয়ে আসায় আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।
গত ২৪ ও ২৫ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন জে. সুলিভান ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আর রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন গত ১ আগস্ট বিচার মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন।
ডেইলি কলারকে এ বিষয়ে মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় বলেছে, নীতিগত কারণে কোনো বিশেষ প্রত্যার্পণ অনুরোধ নিয়ে কথা বলা সম্ভব নয়। এছাড়া নির্দিষ্ট কোনো মামলার তথ্যও প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
জিয়াউদ্দিন বলেন, পলাতক রাশেদ চৌধুরীকে বিচারের মুখোমুখি করতে বাংলাদেশে ফেরত পাঠালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে প্রশংসিত হবেন। ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, যেসব অপরাধী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এ বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য খুবই ভালো খবর। আমরা আশা করছি, ট্রাম্প প্রশাসন বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত পাঠাতে পদক্ষেপ নেবে।
তিনি আরো বলেন, রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠালে তার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা হবে বলে মার্কিন সরকারকে আশ্বস্তও করেছে বাংলাদেশ সরকার। রায় পর্যালোচনার জন্য তাকে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে। এর আগে রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও সাবেক ওবামা প্রশাসন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

রাশেদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করার পর ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পান। তিনি নাইরোবি, কুয়ালালামপুর ও ব্রাসিলিয়া দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন এবং ১৯৯৬ সালে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই বছরেই রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র এর আগেও বঙ্গবন্ধুর খুনি একেএম মহিউদ্দিনকে ২০০৭ সালে দেশে ফেরত পাঠিয়েছিল।

মৃত্যু কীভাবে হয় জানালেন বিজ্ঞানীরা!
খুলনাঞ্চল ডেস্ক
জন্মালে মরতে হবেই। এই কথাটি সবাই মানেন। কিন্তু এই মৃত্যু কীভাবে হয়, মৃত্যু কি শ্লথ গতিতে প্রবেশ করে মানব শরীরে? এই প্রশ্নের চাঞ্চল্য তথ্য জানালেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের একদল বিজ্ঞানী।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিররের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষকরা জানিয়েছেন- শরীরে মৃত্যু প্রবেশ করার পরে ফুটবল স্টেডিয়ামে ‘মাস ওয়েভ’ যেভাবে দেখা দেয়, তেমন গতিতেই জীবকোষগুলো একে একে মারা যেতে শুরু করে। আর এই তরঙ্গের গতি অতিদ্রæত। প্রতি মিনিটে ৩০ মাইক্রোমিটার। যতক্ষণ না পর্যন্ত দেহের সব কোষ মারা যাচ্ছে, ততক্ষণ এই ওয়েভ চলতে থাকে।
গবেষক দলের অন্যতম সদস্য জেমস ফেরেল এবং জিয়নরুই চেং এক ধরনের ব্যাঙের ডিমের ওপরে পরীক্ষা চালিয়ে দেখান, আণবিক স্তরে ‘ডেথ সিগন্যাল’ কতটা দ্রæত গতিতে কাজ করছে। কোষগুলোর মৃত্যু-তরঙ্গকে তারা স্পষ্ট দেখিয়েছেন এবং এই তরঙ্গকে তারা ‘ট্রিগার ওয়েভ’ বলছেন। ব্যাঙের ডিম যেহেতু এক বৃহদাকৃতির কোষ, সেহেতু এই তরঙ্গ এখানে খালি চোখেই দৃশ্যমান।
এই গবেষণা নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বে। এই গবেষণা থেকে ক্যানসারের মতো রোগের প্রকৃতি নির্ণয়-সংক্রান্ত পদ্ধতি উপকৃত হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। সূত্র: এবেলা

ইতালিতে সেতু ধসে নিহত ২২
খুলনাঞ্চল ডেস্ক
ইতালিতে গাড়ি চলাচলের একটি সেতু ধসে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শহর জেনোয়ার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ধসে পড়া সেতুটির উচ্চতা ৯০ মিটারের ওপরে। আচমকা পড়ে যাওয়ার সময় ওই সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি গাড়ি অবস্থান করছিল। ইতালির পরিবহনমন্ত্রী ড্যানিলো টনিনেল্লি বলেছেন, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিবিসি বলছে, দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েজন নিহত ও আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার কর্মীরা তৎপরতা শুরু করেছেন। সেতুটির পাশের একটি ভবন থেকে করা ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ঝড়ের মধ্যে ধসে পড়ছে এটি।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, একটি রেল লাইনের ওপর ধসে পড়েছে সেতুটি। গাড়ি ও ট্রাকও সেতুর সঙ্গে সঙ্গে ওপর থেকে সেখানে পড়েছে। দুর্ঘটনাস্থলের ছবিতে সেতুর মাঝামাঝি জায়গায় মাটিতে ধ্বংসস্তুপ দেখা গেছে। সেতুর একটি অংশে একটি ট্রাকও ঝুলে রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here