বৈরী আবহাওয়াতেও ইফতারি বাজার জমজমাট

0
225

স্টাফ রিপোর্টার
চলছে গ্রীস্ম কাল। শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান। গতকাল শুক্রবার ছিল পয়েলা রমজান। দুপুর থেকে বৈরী আবহাওয়া। রোজাদারদের জন্য অনেকটাই প্রশান্তি। সারাদিন রোজা শেষে ইফতার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে ভিড় জমিয়েছিল ইফতারের দোকানে। মাহে রমজানের প্রথম দিনে ভিড় ছিল লক্ষনীয়। ইফতারির দাম যাইহোক কিনতে হবে। প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে বিক্রি হয়েছে ইফতারি। রং বিহিন প্রতিটি বাহারী পন্য বিক্রিও ভালো হয়েছে বলে জানানেল ব্যবসায়ীরার।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, আবহাওয়া অনুকূলে না থাকা ও শুক্রবার ছুটির কারণে অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ীরা তাদের পসরা নিয়ে বসেনি। আজ শনিবার থেকে পুরোদমে শুরু করবে বিক্রি। নানা পদের ইফতারি বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম একটু চড়া।
দুপুর যতো বিকেলের দিকে গড়াতে থাকে ততোই বাড়তে থাকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমাবেশ। বাড়তে থাকে কোলাহল। জমে ওঠে থরে থরে সাজানো রকমারি ইফতার বিক্রির ধুম। ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসতেই বাড়তে থাকে বিক্রেতাদের হাঁক ডাক।
অপরদিকে অভিজাত হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল ক্যাসল সালাম, হোটেল সিটি ইন, কেওড়া ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টসহ প্রায় প্রতিটি রেস্তোরাঁয় পার্সেলের পাশাপাশি রয়েছে ইফতার করার সুব্যবস্থা।
হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনালের ইফতার বাজারের ম্যানেজার তুহিন বলেন, প্রতি বছরের মত এবারও রকমারি নামের ও মুখরোচক স্বাদের ইফতারির আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের ইফতার বাজারে মোট ৪০টি আইটেম বিক্রি হচ্ছে। ইফতারির রেডি প্লেট ১৭টি আইটেমের ৪০০ টাকা। রয়েছে ডিনার ও ইফতার সুবক্সের ব্যবস্থা। তিনি বলেন, প্রথম রোজায় বৃষ্টির মধ্যে বিক্রি ভালো হয়েছে। এছাড়া হোটেল ক্যাসল সালামে বসেছে ইফতার মেলা। সেখানে রয়েছে বিভিন্ন আইটেমের ইফতার সামগ্রী।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইফতার তৈরী সামগ্রীর দাম বেশ চড়া। এর প্রভাব পড়েছে ইফতারের ওপর। দামের মধ্যে রয়েছে আলুর চপ, পিয়াজু ও বেগুনী ৩টাকা, ডিমের চপ ,ভেজিটেবল রোল ও টিকিয়া প্রতিটি ১৫টাকা, জালি কাবাব ও সেন্ডুইজ প্রতিটি ৩০টাকা,পাটি সাপটা ২০টাকা, ফিস ফ্রাই ২৫০টাকা, গ্রীল ৩০০টাকা, কাবাব ৫০টাকা, শাহী জিলাপী ১২০টাকা , চিকন জিলাপী ১০০টাকা। ছোলা প্রতি কেজি ১২০টাকা, হালিম প্রকার ভেদে ৫০-৫০০টাকা। একই পণ্য সামগ্রী বিভিন্ন দোকানে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও নানা প্রকারের ইফতার সামগ্রী রয়েছে।
ইফতার ক্রেতা মো.রিপন বলেন, দাম একটু বেশী। তার পরও কিনতে হচ্ছে। বিক্রেতা আব্দুল হামিদ বলেন, বৃষ্টি না হলে আরো বিক্রি ভালো হতো। তবে সন্তোষ জনক।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here